বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
২ সপ্তাহ আগে আমার gf এর বিয়ে
ছিল,কিন্তু
বিয়ে হয়নি ।
.
কারন বিয়ের দিন
আমি তাকে তুলে নিয়ে
এসেছিলাম এবং কোর্ট
ম্যারেজ করে ফেলি দুইজন ।
.
আমার
বাবা মা বিষয়
টা মেনে নিল না, বিধায় আমাকে
বাসা থেকে বের
করে দিল ।
অসহায় দুইটা প্রাণ ঘুড়ছিলাম ।
আমি
ভাবলাম যত
কষ্টই
হোক মিথীলাকে একটা থাকার
ব্যাবস্থা আমাকে করে দিতেই হবে
। হাতে কিছু
টাকা ছিল । ঐই টাকা দিয়ে
মিথীলাকে একটা মহিলা মেস এ
তুলে দিলাম । আমার কাছে প্রায়
সব
টাকায় শেষ । নিজেকে নিয়ে কখন
ও
ভাবি না আমি আর আজকে
ভাববো কেন ।কথায়
আছে বিপদে পড়লে বন্ধু
চেনা যায় । এক জন ও আমার পাশে
এসে দাঁড়ায় নাই
। কি না করছি তাদের জন্য । যাই
হোক এটাই হয়ত
পৃথিবীর নিয়ম । বড্ড
স্বার্থবাদী এই
পৃথিবীটা !
এই দিকে রাত হয়ে গেল ।
হাতে একটা টাকাও নাই
। সখের মোবাইল ফোনটাও বেঁচে
দিলাম রাস্তার
টোকাই এর কাছে । টাকা হাতে
কিন্তু খাইতে ইচ্ছা করছে না ।
ভাবছিলাম
আমি যদি একটু
কষ্ট করি তাহলে মিথীলা ভাল
থাকবে । এর
মধ্যে আমি একটা থার্ড ক্লাস মেস
উঠলাম । অন্তত
আকাশের উপর ছাদ টা পেয়েছিলাম
এই যা । খুব
কষ্টে একটা হোটেলে ওয়েটারের
চাকরী পেলাম ।
নিজেকে প্রস্ন করছিলাম
বারম্বার
টাকাই সব কিছু !
একদিন অপরাহ্নে,হোটেল এ ১০ জন
ফরেনার আসল
কিন্তু কেউ তাদের খাবারের
অর্ডার নিতে পারল
না । আমি অনার্সে অধ্যায়নরত ছাত্র
তাই
ইংরেজিতে কথা বলার কৌশল টা
আমার অনেক আগে থেকেই জব্দ করা
ছিল । তাদের
সাথে কথা বলে হোটেল
ম্যানেজারকে সন্তুষ্টি করে
ফেললাম । ফলপ্রসূত
আমাকে ফ্লোর ম্যানেজার করে
দিল । বেতন ও ১৩
হাজার টাকা ।মিথীলাকে
সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য
নতুন বাসা বাড়ী ভাড়া নিলাম ।
দুই
জন এক
সাথে থাকব মনে ঝড় উঠতে লাগল ।
মিথীলার
মেসে গিয়ে জানতে পারলাম
মিথীলা তার বাবার
সাথে বাসায় চলে গিয়েছে ।
একটা মেয়ে আমাকে বলল ভাইয়া
মিথীলা আপু
আপনাকে এই চিঠি
টা দিতে বলছে।
চিঠিতে যা ললেখা ছিলঃ
.
অর্ক যখন তুমি
আমাকে বিয়ে করে সুখী করতে
পারবে না কেন আমায় সুখের
রাজ্য
থেকে নিয়ে এসেছিলে ? তোমার
অবস্থা এখন
আর পাঁচটা সাধরণ ঘরের থার্ড
ক্লাস
ছেলেদের মত ।
যাই হোক তোমার বাসায় ডিভোর্স
এর পেপার চলে যাবে। প্লীজ
আমাকে যদি একটু
ভালবাসো তাহলে সাইন টা করে দিও
। নির্বাক দৃষ্টি দিয়ে
তাকিয়ে
ছিলাম চিঠিটার
দিকে ।মাত্র ১০ টা দিন কষ্ট করতে
পারল না !
ব্যার্থতা আমার ই ছিল ।
আমি একটা অপদার্থ
ছেলে যে মিথিলাকে ভালবেসে
নিজের জন্মদাতা পিতামাতা কে
ছেড়ে তার কাছে চলে
এসেছিলাম । প্রতিদানে কি
পেলাম
আমি !!! ক্ষুদার্থ পেট, শ্রমিকের মত
জীবনযাপন । আজ
সেই মেয়েটির বিয়ে । শুনেছি
নাকি তার অনেক
অনেক টাকা । টাকার
ভীড়ে হয়তবা চাপা পরে যাবে
অর্ক নামের
ছেলেটার আর্তনাদ ।
সারমর্ম : জীবনের সব কিছুই নির্ভর
করে টাকার
উপর ।
যখন টাকা ছিল মিথীলা আমার ছিল,
আজ টাকা নেই মিথীলা
অন্য কারো...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now