বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শেষ জানা নেই - প্রথম পর্ব
[লেখক: মো: হাবিবুর রহমান]
##
বাসায় একটা নতুন পাজল নিয়ে এসেছে সাগর। ওদের শহরে মেলা বসেছে, মেলা থেকেই পাজলটা কিনেছে ও। সাগর এবার ৮ম শ্রেণীতে উঠেছে। ক্লাসের সবচেয়ে ভালো ছাত্র সে।
তাই পাজলটা মিলাতে ওর ৫ মিনিট সময় লাগলো। পাজল মিলানোর পর সাগর লক্ষ করলো যে পাজলটা মিলে একটা লোকের চেহারা হয়েছে। অদ্ভুত চেহারা। যাই হোক, সাগর পাজলটা খুব পছন্দ করলো এবং তার বন্ধুদেরও দেখালো।সাগরের দেখাদেখি তারাও পাজলটা কিনলো। কিন্তু কেউই মিলাতে পারলোনা। তাই সবাই সাগরের শরণাপন্ন হলো, সাগর ওদের বললো যে যারা যারা পাজল মিলানোর নিয়ম শিখতে চায়, তারা যেনো আজ রাত ৭টায় স্কুলের পুরাতন ভবনে আসে।
##
সময়মত সবাই পুরাতন ভবনে উপস্থিত। সাগর বললো, "বন্ধুরা, এবার আমি তোমাদের দেখাবো কিভাবে পাজলটা মিলাতে হয়।"
এমন সময় ওর ক্লাসের রুহান বললো তার বাথরুম পেয়েছে। সাগরের বিষয়টা মোটেই ভালো লাগলো না। তবুও কি আর করা, ও চায় না যে কেউ বাদ পরুক। তাই সাগর ও অন্যরা রুহানের অপেক্ষা করতে লাগলো।
##
পাঁচ মিনিট অতিক্রান্ত হতে চলেছে। রুহান এখনো আসেনি। সবার চিন্তা হলো রুহানকে নিয়ে, "তবে রুহানটা গেলো কোথায়?"।
এমন সময় সাগর বললো,"চল, আমরা সবাই মিলে ওকে খুজি"। ভবনটা পুরাতন হলেও বেশ বড়। তাই তারা একেকজন একেকদিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো। সাগর গেলো একেবারে উপরের তলার বড় রুমে। গিয়ে দেখে রুহান ওখানে। রুহানকে দেখে সাগর বললো,"তোকে আমরা খুজে খুজে পেরেশান, আর তুই এখানে সাহেবের মতো বসে আছিস? চল আমার সাথে"। কিন্তু রুহান বললো, "না, আমি যাবোনা। তুই আমাকে এখানেই শিখা"। রুহানের জোরাজুরিতে বাধ্য হয়ে সাগর ওকে ওই রুমেই নিয়মটা শিখালো। কিন্তু যখনই ওর শিখানো শেষ হলো, তখনই একটা অদ্ভুত কান্ড ঘটলো। রুহান ওই রুমের জানালা দিয়ে লাফ দিলো।
(আমি গল্পটা গতকালকে লিলহেছিলাম, এডমিন আজ পাবলিশ করেছে, তাই এটা শেষে চলে গিয়েছিলো, তাই আজ আবার পোস্ট করলাম।)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now