বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #যমজ_এক্স !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- ডেডি.. মুই আপোনারে একটা
কতা কইতে আসছি,
কথাডা হইলো যে ....।
আপোনি যেমন আছেন
তেমনটাই থাকেন.. মোর কতা
হইতিয়াছে যে মোর ঠুয়েন্টি
হাজার টেহা লাগবো.ওহহহ আপনিতো আবার ইংলিশ বুঝবেন না, মানে হইতিয়াছে মোর বিশ
হাজার টাকা লাগবো তই,
আপনি কোন
কোচকাছ না করিয়া যদি মোরে
টাহাটা দিয়ে ফ্যালান মোর দিক
দিয়া ও মঙ্গল আর আপোনারে ও
মুই জ্বালাইলাম না, এখন কিতা
করিবেন সেইটা আপোনার ব্যাপার।
- তুই কী মোরে ধংশ করার লাইগাই
দুনিয়াতে অবতরণ করছিলি হুমম।
- সেইডাতো মুই কইতে পারমু
না.. ঐডা আপোনিই ভালো বুজবেন।
এখন মূল কতা হইল যে আপোনি কী টাহাটা দিবেন নাকি মুই চইলা যামু... পরে কিছু হারাইলে আবার
মোরে বাটাম দেওয়ার কতা চিন্তা ও
করিতে পাড়বেন না।
- টাকা দিয়ে তুই কী করবি বাজান।
- এই কথাটা কিন্তুু চমেৎকার
কইছো...
সামনে ঈদ না তাই একটু শপিং করমু আর আমি আগেই দোকানন থেইকা
একটা লিষ্ট কইরা আনছি...
আপনি খালি টাহাটা দিলেই ওকে..।
তাইলে সব পইড়া শুনাই নাকি..
ভালো কইরা কানডা পরিষ্কার কইরা
শুনেন....।
তাইলে নিছে থেইকা শুরু করি...
দুই জোড়া জুতা, দুইডা প্যান্ট,
দুইডা জাঙ্গিয়া... এইডা আপনি
চিনবেন না কারণ আপনার যে সাইজ
কোম্পানি উঠা যাবে...
দুইডা বেল্ট একটা মোর একটা
নিক্কার জন্য...
আপোনি আবার দাড়ি কামানোর ঐডা মনে কইরেন না..
এই যে দেখতিছেন এই রহম।
দুইডা শার্ট, দুইডা গেঞ্জি, একটা
ঘড়ি, একটা সান গেলাস, আর হ্যা আমাগো
তিন জনের জন্য তিনডা পাঞ্জাবী..
আর আপনি পট্টি থেইকা
দুইডা লুঙ্গি কিন্না নিয়েন ...এহন
টাহা কখন দিবা সেইটা কও
- টাহা পাবি না...।
- কী বলো ডেডি... আমি যে একটা
লেটেষ্ট, আমি যে একটা ফিটেষ্ট ব্লুটুত, শেয়ারিট আড্রোয়েট বয়।
এই গুলা আমার লাগবো... আর এই গ্রামে
আমার মতো এই একাব্বর এর মতো আর একটা লেটেষ্ট ফিটেষ্ট পোলা তুমি
পাইবা...
এবার টাকাটা তাড়াতাড়ি দিয়ে
দিলেই হয়....।
- এ নিক্কা এ..... তাড়াতাড়ি গরু পিটানো লাঠি নিয়ে আয়তো।
- জে আব্বা মোরে ডাকছেন।
- না তোরে তো ডাকি নাই,,, মোর
মরা বাপরে ডাইকছি ।
- আব্বা তাইলে মুই যাই... আরো
তিনটা গরুরে গোসল করাইতে হইব।
- হে আল্লাহ্ তুমি মাের কপালে এই দুইডারে ক্যান দিছো... একটা তো
বাটপার আর একটা দিছো বদল..।
বলদের ঘরের বলদ তোরেই ডাকছি।
- জে আব্বা এখন তাইলে কী মুই গরু
গুলারে গোসল করামু না।
- না....তুই গোয়াল ঘরে থেইকা... ওই
গরু পিডানো লাঠি না নিয়া আয়।
- ঠিকআছে আব্বা....
আব্বা আনছি এখন এই ডা
কী করমু ।
- ওই ডা দিনে মোরে মার বাজান মোর মাথার উপরে ঠাসসসস কইরা
মাইরা মোরে মাইরা ফ্যালা।
- তাইলে কী এখনি মারমু আব্বা...।
- যেইডা কই ছিলাম আব্বা তাইলে
সেইডাই রইলো... আপোনি মোরে টাহা দিবেন তাও আবার ফাস টু ফাস...।
- এ নিক্কা এ হালার ব্যাটারে ধইরা নিয়ে আয়...।
- কেনো আব্বা ভাইজানরে কী আপনি বানাইবেন।
- হয় মুই তারে বানামো, হেতের
কথা শুনছিস...।
- কিন্তুু আব্বা ভাইজানরে ধরতে
গেলে তো আবার সে ও মোরে বানাইবে।
- থাম বাজান থাম তোরা দুই খান হেই খানে থাম।
- ভাইজান আব্বার গতি মতি ভালো
ঠেকতিছে না, যে কোন সময় বানাইতে পারে।
- এক মিনিট ডেডি, মুই আপোনার
পোলা মুই জানি, আপনি মোগো বানানি দেওয়ার লাইগা উঠছেন,
কিন্তুু ডেডি এই একাব্বার
কিন্তুু ঈদের শপিং করেই ছাড়বো
হুমমমমমম।
- ওরে হারামজাদা খাঁড়া তোর
ঈদের শপিং ছুডাইতেছি.....।
- ভাইজার দৌড় লাগান আব্বাই
মোগো পাইলে সেই হারে ছেঁচবানে।
রাতের বেলা....।
- ভাইজান তুমি এমন এদিক
ওদিন কেনো করতিছো।
- বলদের মতো কথা কস ক্যান
হুমমম... সিনেমাই দেখিস নাই
কেউ কোন জিনিস নিয়া ভাবলে
এমন করে।
- ভাইজান সিনেমা কী?
- তোর চোপার মধ্যে একটা দিমু,
চুপ চাপ থাক কইতেছি।
- মোর না খিদা লাগছে মুই একটু
খামু।
- হ.. এই মোরেই খাইয়ে ফ্যালা।
- তোমারে কেমনে খামু।
- ওহহহহ রে তুই যে এই একাব্বরের
ভাই, আর তোর সাথে যদি আমার
চেহারার মিল না থাকতো তোরে
কিলাই লাত্তাই তালাক দিয়ে দিতাম।
- ভাই তালাক কী।
- ওরে ব্যাডা... মোর কথা মন
দিয়া শোন... আব্বার যেই গরুটা
আছে ওইটা রাতে চুরি করে
নিয়ে গিয়া
আবুল চাচারে দিয়া বিশ হাজার টাকা নিয়ে আসমু।
এখন যদি তুই আমার সাথে
থাকিস তোরে ও শপিং এ নিয়া যামু।
- পরে যদি আব্বাই আমাগো কেলাই।
- যেইডা পড়ে দেখা যাইবো নি, এবার
কী তুই রাজি।
- হয়... মোরে কিন্তুু পেঁট ভরে
খাওন দেওয়া লাগবে।
- হয় তোরে দুনিয়ার মধ্যে যত কিছু
আছে সব খিলামু... এবার মুখটা
বন্ধ করে কাজে চল....।
- ভাইজান গরু তো নিয়া আসছি
এবার কী করমু।
- আমি পিছন পিছন গরু নিয়া আয়।
- কেউ যদি দেখি ফ্যালাই আমাগো চোর কইয়ে মারতে লাগে।
- বদলদের ঘরের বদল.. আমাগো বাপের ঘরের ঘরু আমরা নিয়া যাইতেছি এতে কার কী...
তুই খালি দোয়া কর আমাগো বাপে
যেনো না দেখে ....।
আর তুই এই খানে খাঁড়া মুই যামু আর আসমু।
- কই যাবা, মোরে একলা রাইখা
মোর তো ডর লাগবানে।
- আরে ব্যাডা, মুই কী হারাই যাতেছি, মুই আবুল চাচার নিয়াই আসতেছি..।
- চাচা ও চাচা...।
- কীরে এক্কা কী হইছে।
- চাচা গরু নিয়া আসছি, টাকা নিয়ে
চলি আসেন।
- তুই খাঁড়া আই আসতেছি।
- কী টাকা আনছেন।
- হয়.. তোর গরু কুনটি।
- ঐ খানে আছে... এবার টাকা
দিয়ে ফ্যালান।
- ধর টাকা।
- নিক্কা গরু চাচারে দিয়া দে ....।
- জে ভাইজান দিতাছি...।
- এবার আমার সোজা বাড়িত যামু, আর শুয়ে পড়মু। কালকে আব্বাই উঠার আগেই শপিং এ যামু....।
- জে ভাইজান ঠিক আছে....।
- হুমমমমম এবার চল....।
- ভাইজান সকাল তো হয়ে গেছে
কখন যাবানে...।
- এ ব্যাটা এ আরো আগে ডাক দিবি না....।
- কেনো।
- আব্বাই উঠছে ....।
- না...।
- তাইলে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে পড়,
আর চল।
- মুইতো রেডি হয়েই আছি.. আপনি
হইলেই হইবো।
- ঠিক আছে... চল...।
- এতো মানুষ ক্যান ...।
- এইডা মোগো কদু আজাদ বাপের খেত না, এইডা শপিং মল এইখানে মানুষ থাকবো না তো
খেতের মধ্যে থাকবো।
- এবার চুপ চাপ আয়.... ।
- এই যে আপনি কী চোখে দেখেন
না হুমমমম,,, গায়ে সাথে ঘেঁসে
যাচ্ছেন।
- আফা মুই বুজি নাই, মুই তো ভাবছি আপনি পোলা ।
- এক্সকিউজ মি. আফা, আপনি হেতেরে মাফ করি দেন... সে একটা
বদল সে বুজিতে পারে নাই ।
- ঠিক আছে ঠিক আছে যান তো।
- তোরে এই খানে আনার আগে আমার আগেই ভাবা
উচিত আছিলো যে এই খানে কোন
বলদরে আনা যাবি না ..।
- আবার ওই দিকে লেপটাই পড়লি ক্যান...।
- ভাই মোর ঐ লুঙ্গিটা ভালো লাগছে।
- তোর চোপার উপরে দিমু একটা,
তুই কার সাথে এখানে আসছিস,
একাব্বরের সাথে, আর আমি যে
একটা লেটেষ্ট ফিটেষ্ট সেইডা তোর
মাথাই থাকা লাগবে।
আর যদি এমন ভুল ভাল করিস
তাইলে আমি ভুইলা যামু আমি
তোর ভাই, আর হগল মানুষ এমন বানানি তোরে দিবে...
বাপের নাম যে কদু আজাদ সেইটা
ও ভুইলা যাবি।
এবার আয় আমার পিছন পিছন।
- এই যে ভাই আমারে ঐ পিংক কালারের শার্টটা দেখান।
- ওটা পিংক না ওটা লাল।
- ওই হইলই দেখান...।
- ভাইজান মুই ঐডা নিমু।
- হুমমমমম... ভাই... হেতে যা যা
নিতে চায় দিয়া দেন ।
- আর এই সব গুলা মিলাই কত
হইলো।
- বারো হাজার টাকা ।
- এই নেন ধরেন ।
- থ্যাংক ইউ স্যার.. আবার
আসবেন।
- ওকে ওকে.. আর আপনাগো
যেই এসি টা আছে ওইডা একটু জোরে ছাড়বেন... কোন শব্দ
হয় না কেনো।
- স্যার এসির তো শব্দ হয় না।
- দূর মিয়া.. থাকেন...।
- ভাই ঐ যে আমাগো গ্রামের
মফিজের মতো লাগে... গিয়ে
কোলাকুলি করে আসি..।
- ওরে বলদ ওইটা একটা ছেমরি,
তুই তো মরবি সাথে আমারে ও মারবি...।
এবার চল এখান থেকে....।
- ভাই খিদা লাগছে তো....।
- হুমমমম... তোর পেঁটের মধ্যে যে
এক্কস আছে সেইডা মুই জানি..।
ঐ হোটেলের মধ্যে চল।
- এই যে ভাই সব বড় লোকেরা যেই
গুলা খায় ওই গুলা আমারে দেন,
আর ঐ বলদটার জন্য এক গামলা
ভাত নিয়ে আসেন।
- তোর পেঁট ভড়ছে...।
- হুমমমমমম, আর একটু খাই।
- ওরে সালা নিজের পেঁটেটা কী এবার ফাঁটাই ফেলবি...।
এবার বাড়িত যামু চল... ।
- জে..... ভাইজান চলেন।
- ভাইজান আব্বাই তো যে লাঠি নিয়া
বইসে আছে... মনে হয় আজকে
মোগো সেই মতো ছেঁচবানে।
- এক্কা মোর গরু কই... ।
- আমি তো জানা না ডেডি।
- নিক্কা তুই ওই কুলাঙ্গার এর মতো
হয়ে গেছিস।
- মুই কী করমু আব্বা ভাইজান
কইলো তাই।
- ওরে হারামজাদা খাঁড়া তোরা..
আজকে তোদের শেষ করে দিমু..
ওরে আমার হাতির মতো গরুটা
রে।
- আব্বা আগেই কইছিলাম টাহা
দাও...মুই এক্কা ও কম না হুমমমম।
- ঐ খাঁড়া খালি একবার।।।
- মোরে ধরতে পারলে তো
বানাইবা....।
- নিক্কা দৌড় লাগা,
- জে ভাইজান.....।।।।।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now