বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
"""সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।"""
নাহ্ এই কবিতা বইতে মানায়,কিন্তু বাস্তবে
না।
আপা:- এই ইভু ক্লাশে যাবি না।
ইভু:- হুমম,খাবার দাও। আপা:- শোন বেশিক্ষণ লেট করবি না।ক্লাশ
শেষ করেই চলে আসবি।
ইভু:- ঠিক আছে।
ইভু এবার ইন্টার ২য় বর্ষে।সকাল শিফটের
ক্লাশ।নিয়মিত ক্লাশ করতেই হয়।কলেজ গেইটে প্রথম পা দেওয়া মাত্রই ঐ পাগলি মেয়েটাকে
চোখে পড়ে দুতলায় দাঁড়িয়ে আছে।ইভুর ক্লাশ
তৃতীয় তলায়।
....
মাথা নিচের দিকে দিয়ে ইভু যাচ্ছে।আচমকা ম্যামের সাথে ধ্বাক্কা খায়।
ইভু:- সরি ম্যাম।
ম্যাম:- ইটস ওকে,একটু দেখে চলো।
ইভু:- আসসালামুআলাইকুম ম্যাম।কেমন আছেন?
ম্যাম:- হা হা হা, ভালো।ক্লাশে যাও।(সালাম নিয়ে)
....
ইভু ২য় তলায় যাওয়ার পর দেখে মেয়েটা
বান্ধবীর সাথে কথা বলছে।টিপ মেরে তৃতীয়
তলায় চলে যায়।ক্লাশ ছুটির পর---- বন্ধু:- চল সিনেমা দেখি আজ?
ইভু:- না,আপু বকবে।আমি গেলাম।
অপর দিক থেকে সেই রোজ ম্যাম আসতেছে।
রোজ ম্যাম কলেজে নতুন এসেছে।তাছাড়া
সকালে যা হয়েছে এটা দূর্ঘটনা মাত্র। ইভু:- ম্যাম আপনি কি বাসায় চলে যাবেন?
ম্যাম:- হুমমম।
ইভু:- ম্যাম সকালের জন্য সরি।
ম্যাম:- সমস্যা নেই।ভালো থাকো।
ইভু:- ম্যাম রিক্সা ডেকে দিবো? ম্যাম:- না,আমিই ডেকে নিচ্ছি।তুমি বাসায়
চলে যাও।
ইভু:- ওকে ম্যাম।আসসালামুআলাইকুম।
....
ইভু দাঁড়িয়ে আছে,পূর্ব দিক থেকে একটা রিক্সা আসছে।সেই মেয়েটা রিক্সায় বসে
আছে।
মেয়ে:-এই পিচ্চি ভাইয়া উঠেন রিক্সায়।
ইভু:- আপনেরে পাবনা পাঠানোর ব্যবস্থা
করতেছি।ফাজিল মেয়ে। মেয়ে:- রাগেন কেন?আমরা তো প্রতিবেশী।
ইভু:- সরি,আপনার মতো নতুন পাগলের
প্রতিবেশী হওয়ার কোন ইচ্ছা নেই।স্টুপিড
মেয়ে:- what the hell r u--------?
evu:- I am evu. মেয়ে:- হি হি হি,পিচ্চি ছেলের নামটাও
পিচ্চি।
ইভু:- u r a crazy girl...bye(এটা বলে অন্য একটি
রিক্সায় উঠে যায়)
মেয়ে:- কি বললেন???শুনেন! ......
সেইদিন দুপুরে খাওয়ার পর একটা সিগারেট
নিয়ে ছাদে চলে যায় ইভু।সিগারেট খুব
লুকিয়ে টানতে হয়।তাই নিরাপত্তার জন্য
ছাদের গেইট লাগিয়ে দেয়,যেন কেউ আসতে না পারে।
ছাদ থেকে মেয়েটার রুম দেখা যায়।তবে
জানালায় গ্লাস থাকার কারনে ভেতরে কিছু
দেখা যায় না।তবে ভেতর থেকে বাহিরের সব
কিছু দেখা যায়।মেয়েটা দেখে ইভুকে সিগারেট টানতে।মেয়েটা উপরে ছাদে চলে
আসে।
মেয়ে:-কি সিগারেট টানেন?(সাঙ্কেতিক
ভাষায়)
ইভু:- না না।(মাথা নাড়িয়ে) মেয়ে:- আমি দেখেছি বলে দিব আপনার
বাসায়।
ইভু:- পাগলী তো পাগলী।
....
সন্ধায় ইভু বাসার নিচে দোকানে যায় সিগারেটের জন্য।মেয়েটাও আসে চিপস্
নেওয়ার জন্য।
মেয়ে:- পিচ্চি সিগারেট টানেন আপনার আব্বু
কে বলে দিবো।
ইভু:- ধুর মিয়া।এখানে আব্বু থাকে না,এটা আপার বাসা।(এইরে সর্বনাশ,বলেই দিলাম)
মেয়ে:- আপনার আপুকে বলে দিবো।
ইভু:- পিচ্চি পাগলী এই ললিপপ নেই।
মেয়ে:- এই যে মিস্টার আমার নাম রিম।আমি
এসব খাই না। ইভু:- রিম পাগলী,ওয়াক -----****.
রিম:- স্টুপিড।
......
সেইদিন রাত ১২টা বাজে।ইভু সিগারেট টানবে।
কিন্তু ছাদের চাবিটা তো আপুর কাছে। সর্বনাশ আপুর থেকে তো চাবি নেওয়া যাবে
না।ইভু বাধ্য হয়ে রুমের দরজা,জানলা বন্ধ করে
ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে মনের সুখে সিগারেট
টানতেছে।
সিগারেট টানা শেষ হতে না হতেই দরজায় আপার নক---
আপা:- এই ইভু,ইভু।
ইভু:- এই কাম সারছে।যেখানে বাঘের ভয়
সেখানে রাত হয়।খুব দ্রুত বডি স্প্রে ছড়িয়ে
দেয় রুমে আর জানালা খুলে দেয়।যেন রুমে গন্ধ না থাকে।
আপা:- এই ইভু দরজাটা খুলতো একটু।
ইভু:- ইভু চুপ আছে।এদিকে হালকা শীত করছে।
একটু পর দরজা খুলে দেয়---
আপা:- কি রে এত লেট করলি যে। ইভু:- আপা একটু বাথরুমে গিয়ে মুখ ধুয়ে নিলাম
ঘুমটা দূর করার জন্য।
আপা:- এই রুমে কেমন যেন গন্ধ করছে না?
ইভু:- একটু কয়েল ধরিয়েছিলাম।পরে ফেলে
দিয়েছি। আপা:- এত স্পিডে ফ্যান ছেড়েছিস কেন?
ইভু:- কয়েলের ধোঁয়ায় শ্বাস নিতে কষ্ট
হচ্ছিলো,তাই।
আপা:- বডি স্প্রে দিয়েছিস কেন?
ইভু:- কয়েলের গন্ধটা তুমি সিগারেটের গন্ধ মনেকরে যদি আব্বাকে কল দিয়ে বলে দাও
তাই?
আপা:- আররে না,শোন তোর দুলাভাই তোকে
কাল ওনার অফিসে যেতে বলেছে।
ইভু:- আইচ্ছা যামু নি।এখন তুমি যাও অনেক পড়া আছে আমার।
আপা:- শীত লাগছে,ফ্যানটা অফ করে দে।আর
মন দিয়ে পড়।
ইভু:- ঠিক আছে।
খুব জোর বাঁচা গেলো।আসলে ভালোকে আল্লাহ্ সাহায্য করে।ইভু ভালো ছেলে তো
তাই আল্লাহ্ ওকে আজ বাঁচিয়েছে।ইভু আল্লাহ্
কে ধন্যবাদ দিয়ে ঘুমাতে চলে যায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now