বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #গোলমাল !!! শেষ পর্ব

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #গোলমাল !!! শেষ পর্ব...... Writer : Pantha Shahria !!! - গড়ি চলতেছে.... আমি বসে আছি আর আমার সাইটে মেঘা। - হি হি ... হি হি হি...। - ঐ এমন একা একা হাঁসির কী আছে। - না কিছু না.... আগে জানতাম আমি একাই মাথা মোটা। - তো। - তো আবার কী আমার পাশেই আর একটা মাথা মোটা বসে আছে। - কীইইইইইইইইই.. নেহাত ফুপির ছেলে তাই না হলে সব দাঁত এক ঘুঁসি দিয়ে ফেলে দিতাম। - আচ্ছা তুমি আমার আম্মুরে দেখেছো। - হুমমমমমমমম। - ওয়াও সত্যি... কিন্তুু কেমনে। - কেমনে আবার ছবিতে... আমাদের বাসাই বড় করে ফুপির একটা ছবি লাগানো আছে। - সত্যি...। - হুমমমমম.. তবে আমার একটা ডাউট হচ্ছে। - কী ডাউট হচ্ছে । - ফুপি কত্ত কিউট... ভাবাই যায় না তাঁর ছেলে এমন একটা বাঁদর টাইপের হবে। - কী বললা পেত্নী। - বাঁদর। - একটা গান বানাইছি শুনবা। - হুমমম... না হলে তো আবার কানের কাছে বকবক করতেই থাকবে তাঁর থেকে গানই শুনি। - আচ্ছা তাহলে শুরু করতেছি কেমন। - ওকে....। - আমি কী দেখেছি হায়.... একেলা পথে দাঁড়িয়ে..... সে ছিলো দূরে দূরে তাঁকিয়ে..... আহারে আহারে দেখতে সে একটা পেত্নী রে......... সে আছে এখন আমার পাশে........। - ঐ শয়তান চুপ, আর একটা কথা ও বলবা না আমার সাথে। এর মধ্যেই বাড়িতে পৌছে গেলাম.. - ওয়াও কত্ত বড় বাড়ি। এই যে হ্যালো এটাই কী আমার মামার বাড়ি। - হুমমমমমমম..। - আমি কিন্তুু কাউকে চিনি না তুমি একটু চিনাই দিও কেমন। - ওকে ওকে.....। - ব্যাগটা ঘাঁড়ে নিয়ে মেঘার পিছনে পিছনে যাচ্ছি । - ঐ শার্টের বোতাম গুলো এবার লাগাও। - না এমনি গরম লাগছে। - এই ছেলে আস্ত একটা শয়তাম। - দাদি.... ও দাদি... এই দেখো তোমাদের আঁদরের বাঁদর নাতি চলে এসেছে। - সবাই কেমন ছুঁটে চলে আসলো। - ঐ আমি তো কাউকেই চিনছি না। - ওই যে সামনে যে ওটা হলো, নানি, তাঁর পিছনের টা মামি। - মানে তোমার মা। - দূর না... আমার কথা পড়ে বলছি। - আর নানু কই... ওনি এখন ও তোমাদের উপরে রেগে আছে। - কীইইইইই... ওই বুড়ো কে তো আমি..... - কত দিন পড়ে আবার আসলি রে.. সেই কবে একবার তোকে দেখছি ঠিক তোর মায়ের মতো হয়েছিস, ওর ও তোর মতো জোঁড়া ভ্রু ছিলরে, এতদিন আসি নাই কেনো বলতো.. - দূর কী যে বলো না নানি... আমি তো এখানে কোনদিন আসিই নাই হি হি। - আমি তোর মামি রে বোকা। - জানতাম গোলমাল হবেই একটা। - তোর হাঁসিটা ও সেই তোর মায়ের মতোরে নানুভাই। - আচ্ছা নানি নানু কই। - উপরের ঘরে। - আচ্ছা ওকে, আমি আসছি। - কী নানু আমি এই প্রথম তোমার বাড়িতে আসলাম আর তুমি এমন গোমড়া মুখে আছো। ওকে আচ্ছা তুমি না চাইলে আমি চলে যাবো। এই গেলাম কিন্তুু .... ওকে কথা বলবা না তো আচ্ছা... - নানি আমি গেলাম... মামি ভালো থেকো.. এই বাড়িতে কেউ হয়তো আমাকে মেনে নিবে না, তাহলে কেনো থাকবো.... ব্যাগটা ঘাড়ে নিয়ে চলে যাচ্ছিলাম। - আর এক পা সামনে দিলে পা ভেঙ্গে ফেলবো বেয়াদব (নানু)। - সবার মুখে অনেক হাঁসি, সবাই আমাকে পেয়ে তো আনন্দ চৌদ্দ খানা হি হি। - আচ্ছা নানু মার ছবি কই ....। - মেঘার ঘরে নানুভাই,,, তোর মা আমাদের ঘর থেকে চলে যাবার পরে বাড়িটা কেমন শূন্য হয়ে গেছিলো। এখন মেঘাই বাড়িটাকে মাতিয়ে রাখে। একবার এসেছিস আর কিন্তুু কোথাও যেতে পারবি না। - যাবো না জন্যই তো একে বারে খালি হাতে আসছি হি হি। - আচ্ছা... মেঘা মা সাহরিয়া কে তোর ঘরে নিয়ে যা। - ওকে দাদু। - ঐ পেত্নী এটা তোমার ঘর...। - আগে ফুপির ছিলো এখন আমার। - বাহ্ বাহ্ ভালো। - এবার বলো তো তুমি কোন মামার মেয়ে। - আগে গাধা আমি এই বাড়ির কেউ না... বাবা মা মারা যাবার পরে তোমার মামা আমাকে মেয়ের মতো বড় করেছে আর এখন আমিই এই বাড়ির মেয়ে বুঝলে। - আচ্ছা মামার কোন সন্তান নেই। - না । - কী কষ্ট..... পুরো সব মিলে আমি একাই একটা বাঁদর। - হুমমমমম। - আচ্ছা মা কই...। - ঐ যে.....। - এত্ত বড়ো ছবি। - হুমমমমম। - মা থাকলে আমাকে যা আদর করতো না। - থাক আর ড্রামা করতে হবে না। - ঐ এটা ড্রামা না সত্যি। - এবার যাও নিজের রুমে। এর পড়ে সবার সাথে হাঁসি,ঠাট্টা, এ বাড়ির সবাই হয়তো এটাই চাইছিলো - কিন্তুু এখন ও মামার আসার কোনো নাম নাই..। - ফোন করে বলছেন ওনি নাকি আরো চার দিন পরে আসবেন, কী জানি একটা সারপ্রাইজ আছে। এই দিকে আসি তো সবার সাথে একদম মিশেগেছি। শুধু সাহরিয়া আর সাহরিয়া। মেঘার সাথে ও ভালোই ভাব হয়েছে। না মেঘাকে মনের কথা বলতেই হবে। - মেঘা তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো। - হুমমমমম বলো। - না মানে আমি তোমাকে ভালোবাসি, আর বিয়ে ও করতে চাই ব্যাস, এই বাড়ির আনন্দটা ধরে রাখতে চাই... তুমি কী রাজি। - সবাই রাজি থাকলে আমি ও রাজি। - ওকে আমি সবাই কে রাজি করাচ্ছি। - নানু তোমার সাথে একটা কথা আছে। - হুমমমমম বল। - আমার না মেঘাকে ভালো লাগে আর ওর ও আমাকে ভালো লাগে হুমমমমম সত্যি। - তো। - আমি ওকে।।। - হা হা হা ঠিক আছে পাগল একটা। - তাহলে কবে। - তোর মামা আসুক তারপরে। - না কালকেই...। মামা শুনলে আরো খুঁশি হবে। - আচ্ছা বাবা ওকে। - ওখন সাধারণ ভাবে হোক পরে ধুমধাম করলে ও চলবে। - যেই কথা সেই কাজ....। - বিয়ে কমপ্লিট হয়ে গেলো ....। বাসর ঘরে যাবো এমন সময়... মামার এন্ট্রি... - কার বিয়ে হচ্ছে । - মেঘা, আর সাহরিয়ার (নানু)। - কীইইইইইইইইই। - আরে কী বলার কী আছে, সাহরিয়া তো আমাদের নাতি। - এবার বল কী সারপ্রাইজ....। - সেটা আর কী....। - মেঘা হলো তোমাদের নাতনি। - আর সাহরিয়া...। - আমরা আগে যেটা জানতাম সেটা ভুল..... - তোমাদের মেয়ে কোনদিন চায়নি যে তার সন্তার তোমাদের ছেড়ে থাকুক। আগে আমরা যাকে মেঘার বাবা মা বলে যানতাম তারাই সাহরিয়ার বাবা মা আর, মেঘা হলো আমাদের মেয়ে। - তুই কোথায় থেকে জানলি... সাহরিয়ার বাবা আমাকে সব খুলে বলছে। - তা মানে সাহরিয়া আমাদের আগের ড্রাইভারের ছেলে। - হুমমমমমমমমমম। - এটা শুনে আমি কিছুই মনে করলাম না, কারণ আমি জানি আমার কপাল এতো টাও ভালো হবে না।। - সাহরিয়া ওখানে দাঁড়িয়ে কী করছি,, যা ভেতরে যা। যা হবার হয়ে গেছে (নানু) । - ঐ বাহিরে কী হয়েছে। - কিছু না শুধু বাচ্চা পালটে গেছে, আমি তুমি আর তুমি আমি। - মানে আমার বাবা, মা, তোমার, আর তোমার বাবা মা আমার যার ছবি ঘরে নিয়ে থাকতে সেই তোমার আসল মা।। - আমার মন তাইতো এমন এতো টানতো । - ও সব কথা পড়ে হবে পাগলি... এবার কাছে আসো... যাই হোক হিসেব সমান। ভালোভাগ্যিস আগেই বিয়েটা করে ফেলছিলাম হি হি হি। - হা হা হা শয়তান একটা। - এবার তো কাছে আসো।।।। - দাঁড়াও মাইর দিতে আসতেছি.... - হায় হায় সরে যান আপনাদের ও লাগতে পারে।। হি হি।।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now