বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #ড্রাগন_রহস্য !!!
Tha Pantha Shahria !!!
- আইসল্যান্ড...এর একটা গ্রাম
নিকনোটিয়া এখানে নয় মাস
বরফে ঢাকা থাকে। আর বাঁকি,
তিন মাস চলে ড্রাগনদের খাবার
চুরির উপদ্রপ।
ভাইকিং যোদ্ধারা সবাই প্রস্তুত হও
ড্রাগন আসছে....
আর বাচ্চারা তোমরা সবাই
ঘরের মধ্যে নিরাপদ স্থানে চলে যাও।
সবাই যোদ্ধ সামগ্রি নিয়ে প্রস্তুত হও।
- সাহরিয়া তুমি কোথাই যাচ্ছ।
- দাদু আমি ও ড্রাগন মারবো।
- তোমার একটা হাতুরি তোলার ক্ষমতা নেই, তলোয়ার চালাতে
পারো না আর ড্রাগল মারবে।
- দাদু আমি ও পারি।
এই দেখো এটা দিয়ে আমি
ড্রাগন মারবো।
হঠাৎ হাতুরিটা হাত থেকে নিচে
পরে গেলো আর ওমনি একটা
ড্রাগন মারার বল অন্য একজনকে লাগলো।
- এই ভয়টাই আমি তোমাকে নিয়ে
করি, আসলে তোমাকে দিয়ে
কিচ্ছু হবে না... যাও দাদুকে
লোহা গরম করতে সাহায্য করো।
- ওহহহহহ বাবা তুমি ও...।
- জ্যাক ওকে ভেতরে নিয়ে যাও।
- আমি ও একদিন বাহিরে যাবো,
আর সত্যি একটা ড্রাগন মেরে দেখাবো হুমমমমম।
- হা হা হা তুমি মারবে ড্রাগল, এমন হালকা পাতলা তুলোর মতো
শরীল নিয়ে... আমাকে দেখো।
কেন কেউ একটু আমাকে বোঝেনা
আমি ও ড্রাগন মারবই আর,
আর তাতে একটা মেয়ে পটলে ও
পটতে পারে।
ওয়াও রুমে কেউ নেই তার মানে আমি ও এখন বাহিরে গিয়ে ড্রাগন
মারতে পারি।
ড্রাগন বন্ধীর একটা বড় ধনুক
নিয়ে বাহিরে গেলাম।
আজকে একটা ড্রাগন মারবোই।
অন্যদিক থেকে শুনতে পেলাম।
- সবাই সাবধান হয়ে যাও নাইট ফিউরি আসছে।
- আলসে এই ড্রাগনটা সব থেকে দূত
আর অনবরত আগুন ছুঁড়তে পারে।
আজকে আমিই ওকে মারবো।
সামনে আসা মাত্রই জালটা ছুঁড়ে
মারলাম।
আমি পেরিছি ওহহহহ কী ভালোটাই
না লাগছে ।
- তোমাকে না বাহিরে আসতে বারণ
করেছি....।
- ওহ বাবা আমি নাইট ফিউরিকে
মেরে দিয়েছি।
- ওহহহহ এটা মোটে ও মজা করার
সময় না।
- সত্যি বাবা তোমরা আমার কথা
কেন বিশ্বাস করো না।
- হা হা এই তুলোর বস্তা নাকি
নাইট ফিউরি কে মেরেছে।
- থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ।
- দাদু তুমি আমার কথাটা বিশ্বাস
করো একবার।
- এই নে ধর এই বই এ সকল ড্রাগন
সম্পর্কে জানতে পারবি।
- ওয়াও সত্যি.....
কেন জানি না ড্রাগন এর প্রতি
আমার এতো আকর্ষন কেন।
১.থ্যানন্ডার 'জ' এরা ভয় পেয়ে গেলে
এতো জোরে শব্দ করে আশেপাশের
মানুৃষ তা শুনলেই মরা যাবে।
২. টিমবার জ্যাক.. এদের ডানা গুলো
এতোই ধারালো যে বড় বড় গাছ ও
নিমিশেই কাঁটা পড়বে।
৩. স্কালড্রেন. এরা শিকারকে গরম
জল নিক্ষেপ করে।
৪. চেঞ্জ বিংক্স এরা শিকারে উপরে বিশ নিক্ষেপ করে।
গ্রংকল, জিপারব্যাগ, ইসক্রয়রোল,
বনম্যাপার.....
আর এদের মধ্যে সব থেকে ভয়ঙ্কর হলো নাইট
ফিউরি যাকে তিনশো বছরে
মধ্যে কেউ চোখে দেখেনি।
আমি ওটাকে জাল নিক্ষেপ
করে মেরেছি কেউ বিশ্বাস
করছেই না।
আমি জানি না আমি যেটাই
করি না কেন সব সময় গন্ডগোল
পাকে।
পরেরদিন সকালে.....
- তুমি সাহরিয়া কে দেখে রেখো
বাবা, আমি ড্রাগন দীপের সন্ধনে
যাচ্ছি ।
আর সকল বাচ্চাদের ভাইকিং
যোদ্ধার ট্রেনিং দিবে।
- বাবা তোমার না গেলে হয় না।
- না এই গ্রামকে রক্ষা করার দায়িত্ব
আমার উপরে....
আমি এটা করেই ছাড়বো।
আর তিনশো বছরের ইতিহাসে
এই গ্রামে তুমিই একমাত্র এমন
পাতলা তুলোর মতো সাহরিয়া।
আর সকল বাচ্চারা কেমন
স্বাস্থ্যবান মোটা দেখছো।
- দাদুর কাছে ভালো হয়ে থাকবে।
- ওকে।
ইয়াহু বাবা নাই মানে আমি সেই
ড্রাগন নাইট ফিউরি কে খুঁজতে
বাহিরে যেতে পারবো।
আমার বাবাই এই গ্রামের
এক মাত্র মানুষ যে কী না আমার
বয়সে একটা ড্রাগন এর মাথা ছিঁড়ে
নিয়েছিলেন।
আর তাঁর ছেলে আমি একটা হাঁতুরি
তুলতে পারি না.
কী আজব ব্যাপারটা তাই না।
- সব লোকে কত কিছু খোঁজে
আর আমিই একমাএ যে কীনা...
ভাইকিং ট্রেনিং এর জন্য একটা
ড্রাগন খুঁজছি..
যে কী না পৃথিবীর সব থেকে বড়
আর ভয়ঙ্কর...
মিনিটে ১৫ বার আগুন ছুঁড়তে
পাবে।
তিনশো বছরে এখন ও কেউ তাঁকে
চোখে দেখেনি।
আমি আসলেই একটা বুদ্ধুরাম
সেটা আমি ও মানছি।।।
হঠাৎ সামনে পড়লো বিশাল বিশাল
গাছ ভেঁঙ্গে পড়ে আছে...
তাঁর মানে কী আমি নাইট ফিউরিকে
মেরে ফেলেছি।
একটা পাহাড়ের আরাল থেকে
দেখলাম...
বিশাল দেহের একটা ড্রাগন পড়ে আছে...
আমি সকল ড্রাগন দেখেছি তবে
এমনটা আর এত বড় না।
তাহলে কী বইয়ের শেষ পৃষ্ঠাতে
এই সে নাইট ফিউরির কথা লেখা
আছে কিন্তুু কোন ছবি নেই।
তাকে মৃত্যুদূত বলা হয়....
তাঁর পুরো গায়ে ঝাল পেঁচানো ছিলো
তাই মনে হয় নড়তে পাড়ছে না...
এটাই সুযোগ তার হৃদপিন্ড টা
কেঁটে দাদুর কাছে নিয়ে যাওয়া
আর গ্রামের হিরো হওয়া তাঁতে ও
যদি সুন্দরী মেথি যদি পটে যায়।
চাকুটা বেড় করে তাঁর দিকে এগুলাম
এত বড় একটা প্রাণীর সামনে আমি
কখনই যাইনি, তাঁর ডানা গুলো ও
কেমন আটকা পড়ে আছে।
ওর কাছে গিয়ে ও কিচ্ছু করতে
পাড়লাম না, আমাকে
দিয়ে এই সব ড্রাগন মারা হবে না,
আমি পারব না।
ওর চোখের দিকে তাঁকালাম
সে ও আমার মতোই ভয়ে আছে।
না তাঁকে আমি মারতে পারবো না।
ওর সকল ঝাল গুলো কেঁটে দিলাম,
আর ওমনি ডানা ঝাঁপটিয়ে কিছু দূর
গেলো... এত বিশাল প্রাণী..
হঠাৎ এসে আমার গলা চেঁপে ধরল,
ও আমার চোখের দিকে একটু তাঁকিয়ে জোরে একটা আওয়াজ
দিয়ে চলে গেলো।
কিছু বুঝলাম না....
বাসাই এসে দেখি দাদু মেথি সহ
সকলকেই ভাইকিং সম্পর্কে বলছে...
এমন সময় নাইট ফিউরির কথা
বললো...
- নাইট ফিউরি হলো এমন একটা ড্রাগন যা তাঁর শিকারকে
কখনই ছাঁড়ে না....
- তাহলে ও আমাকে মারলো না কেনো।
পরেরদিন চুপি চুপি আবার গেলাম...
লুকাই লুকাই দেখতেছি ড্রাগনটা
কই গেলো...
সাথে একটা মাছ নিয়ে গেছি।
এমন সময় ড্রাগনটা আসলো...
ভয়ে তো আমি শেষ...
আসতে আসতে আমার কাছে আসলো...
এই নাও ধরো মাছ খাবে....
- ওহহহহহহহ তুমি ফগলু আমি জানতাম ...
হঠাৎ মাছটা কেড়ে নিলো...
- জানতাম তোমার দাঁত আছে...।
- কিন্তুু ড্রাগনটা উঁড়তে পাড়ছে না
কেন... কিছু বুঝতে পাড়ছি না.. আবার আমাকে কিছু করছে ও না...
তার মানে সে আমার বন্ধু হতে চায়।
- দাদু বলেছিলো যে ড্রাগন উঁড়তে পারে না সে প্রায় মৃত বলা যায়।।।
- ঐ ফগলু দেখ তোর জন্য কত
মাছ এনেছি... ইল মাছ দেখে ভয়
পাচ্ছে। তার মানে
ড্রাগনরা সব থেকে ইল মাছ ভয় পায় ....
তুই খেয়ে নে... আমি চুপি চুপি
দেখি তোর কী হয়েছে...
দেখি ওর লেজ এ কিছু একটা
ঢুকে গেছে.. এর মানে হচ্ছে ওর
উঁড়ার সব ক্ষমতা ওর লেজ এ।
ওটা টান দিতেই আমিকে নিয়ে উঁড়ে
গেলো...
- ঐ ফগলু কী করছিস নামা আমাকে
ঐ তোরে এমন উল্টাপাল্টা কেরামতি
কে দেখাতে বলেছে... ওই নিচে নামা আমাকে পড়ে গেলাম আমি।।।
ওমনি একটা গম খেতের মধ্যে পড়লাম.. আর ও সেখানে কাতরাতে
লাগলো এর মানে হচ্ছে গমের আগা
দিয়ে ও ড্রাগনদের বসে আনা যায়...
পরের দিন...
আবার মাছ নিয়ে গেলাম...
ওর মাথার নিচে হাত বুলিয়ে দিতেই
কেমন হঠাৎ ঘুমিয়ে গেলো...
এবার বুঝলাস সকল বড় প্রাণী
দূর্বল দিক থাকে, সেটা খুঁজে বেড়
করো তাহলে আর কোন অস্ত্র লাগবে না।
ওকে মাছ খেতে দিয়ে পাশে বসে আছি... এমন সময় ছোট ছোট কয়েকটা ড্রাগন আসলো.. নাইট ফিউরিকে ওরা ও ভয় করে.. তাই
কাছে আসতেছে না.. আমি তাঁদের
মাছ দিলাম.. মাছ খেয়ে কেমন বাচ্চাদের মতো এসে পাশে বসলো।
আমি আগে ওদের নিয়ে যা ভাবতাম
তার সবটুকু ভুল... ওরা ও আমাদের
বন্ধু হতে চায় শধু তাঁদের সাথে
ভালো ব্যাবহার করতে হবে।
ওরা কোন কিছুর জোরে শব্দ শুনলেই ভয় পেয়ে যায়.. আর ভয়ে
তুলকালাম বাঁধিয়ে দেয়।
বাসার আসলাম....
সেদিন রাতে ও অন্য ড্রাগনরা হামলা চালানো...
আমার অস্ত্র ছিলো... গমের আগা,,
ইল মাছ আর ওদের মাথা নিচে
সুরসুরি....
সব গুলোকে থামিয়ে দিলাম...
যেই সাহরিয়া আগে একটা হাতুরি
তুলতে পাড়তো না এখন সে সকল
ড্রাগন এর বন্ধু ... ভাবা যায়।।
সবাই আমার কাছে কারণটা জানতে
চাইলো... কিছুই বল্লাম না
সেদিন।।
পরেন দিন আবার চুপি চুপি জঙ্গলের
সেই গুহাই যাচ্ছি এমন সময় মেথি
...
- তুমি তাহলে প্রতিদিন এখানেই
আসো।
- না মানে আমি এখানে একটা পোশাক তৈরি করছি।।
- এমন সময় ফগলু ...
আহা তোর আসার কী কোন সময় নাই।
- তা হলে এই ব্যাপার, দাঁড়াও
এখনি তোমার বাবাকে বলছি।
- মেথি দাঁড়াও... প্লিজ আমার কথা শোনো।
- কী... আমার কাছে এসো একটা
জিনিস দেখাবো।
- না... আমি যাবো না।।।।
- আমার কথা শোন একবার প্লিজ।।
- এমন সময় ফগলু ওকে পিঠে তুলে
নিলো।
আর উঁড়তে শুরু করলো..
মেথি শক্ত করে আমাকে জরিয়ে
ধরে আছে...
বেশ ভালোই লাগছে।।
- ওয়াও এতো সুন্দর।
- হুমমমম...।
ফগলু আমাদের নেমে
দিতেই.. মেথি আমাকে
একটা থাপ্পড় দিলো।
- আরে মারলে কেন।
- আমাকে ভয় পাইয়ে দেওয়া জন্য।
- হঠাৎ একটা কিস করলো।
- এটা কেন।
- ওমন সু্ন্দর এর মুহূর্ত উপহার
দেওয়ার জন্য। এর মধ্যেই বাবা
ফগলুকে
দেখতে পেলো আর আক্রমন শুরু করলো সবাই।
- বাবা আমার কথা শোন প্লিজ..
কিন্তুু ওরা সবাই ফগলুকে নিয়ে গেল।
আমার জন্যই হয়তো ও আক্রমন করে নি।
- মন খারাপ তাই না..মেথি।
- সেদিন ওকে মেরে ফেললেই ভালো হত।
- তাহলে মারনি কেন।
- আমি মারতে পারি না।
- কেন।
- আমি জানি না কেন... আমি
ড্রাগন মারতে পারবো না।
- তুমি একটা পাগল, এবার কী
করবে।
- এবার সত্যি সত্যি পাগলামি
করবো।
- মানে।
- শুধু দেখো।
যে গুলো ড্রাগন দিয়ে সবাইকে
ভাইকিং ট্রেনিং দেওয়া হতো সব
গুলো ছেড়ে দিলাম।
- আরে কী করছো... পাগলামি করছি।
বাবা তুমি ফগলু কে ছেড়ে দাও..
তুমি কেন বুঝতেছ না.. ওদের
আমরা কোনদিন থামাতে পাবো না,
ওরা অনেক শক্তি শালী।
ওরা আমাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে
চায়...
আমরা ওদের ভয় পাইয়ে দেই জন্য
ওরা আমাদের উপরে আক্রমন করে।
ওই যে দেখো কতো গুলো এক সাথে
আসছে...
ওদের থামাতে পাবে তুমি একা,
পারবে না.
দেখো আমি পারবো... ইল মাছ
ছুঁড়ে মারলাম সবাই মাটিতে
নেমে শান্ত হয়ে গেল।
ওদের কাছে আস্তে করে গিয়ে
মাথা নিচে হাত বুলিয়ে দিতেই সবাই ঘুমিয়ে পড়লো।
দেখলে বাবা শক্তি দিয়ে
কিছু হয় না...
শুধু সকল প্রাণী দূর্বল দিকটা
খুঁজে বের করতে হবে।
আর ওদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে
হবে... ওরা ও আমারদের
একটা আংশ।
- আমি বুঝতে পেরেছি বাবা...
আজকে তোকে নিয়ে আমার গর্ব হচ্ছে..আজ থেকে
কেউ এক মাষ আগে যদি বলতো
যে তুই সব ঠিক করতে পারবি
আমি তোকে সত্যি দূরে কোথাও রেখে আসতাম।।
তুই আমাদের তিনশো বছরের
গর্ব।
- আমিদের তিনশো বছরের মধ্যে তুমিই এমন হালকা পাতলা, আর তুমিই শুধু ড্রাগন মারতে চাওনি (মেথি)।
- হুমমমম আর ওই সর্বপ্রথম ড্রাগন এর পিঠে চড়েছে (দাদু) ।
- আবার ঠাসসসসসস।
- মারলে কেনো তুমি একটা বোকা
তাই।
- আবার পাপ্পি দিলো।
- এটা কী জন্য।
- তোমাকে ভালোবাসি তাই।
- ঠিক আছে চলো আবার
একবার ঘুড়ে আসি।
- ওকে।
- ফগলু.... চল মেরি ড্রাগন ঘোড়া..
আর মেথি আমাকে শক্ত করে ধরো।
আমারা একটুর মধ্যে আকাশে
মিলিয়ে গেলাম...
আসলে কোন প্রাণীকে না যেনে
মেরে ফেলা উচিত না।
তাদের সম্পর্কে আগে জানতে
হবে, তারা কী চায় বুঝতে হবে।
আর তাঁদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক
তৈরী করতে হবে।
কোন প্রাণী আমাদের উপরে আগে আক্রমন করতে চায় না,
তাঁরা ভয় পেয়ে সব কান্ড ঘটাই।
আজকের মতো টাটা...
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now