বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অসুখীর ভালোবাসা-পর্ব ২

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md. Reaz Hosen (০ পয়েন্ট)

X অসীম নামটার সাথে অসীমের খুব মিল।বাইরের দিক থেকে সে কোমলতা না দেখালেও অসীমের হৃদয় তার নামের মতোই অসীম।তার উদারতা সবাইকে মুগ্ধ করে, আকৃষ্ট করে।কিন্তু সে অন্যান্য মানুষের মতো বুদ্ধিমান ও ভাগ্যবান নয়।তা না হলে সে কষ্ট নামের কষ্টিপাথর মাত্র ২৪ বছরের জীবনে এতবার পেত না।সে গরিব এবং সৎ।সে নিরব প্রকৃতির,প্রয়োজন ছাড়া খুব বেশি কথা বলে না।নির্দিষ্ট কোনো কাজ সে করে না,যখন যা হয় করে।কাজ না থাকলে ঘরের অন্ধকার কোনায় বসে থাকতেই তার ভালো লাগে।অন্যদিকে অপালাকে মুদ্রার অপর পিঠ বললে মনে হয় না আমি কোনো ভুল করবো।সে কলেজে পড়ে।ঝগড়া,মারামারি তার নিত্য দিনের সঙ্গী যাকে ছাড়া সে ঘুমুতে পারে না।কলেজের ছেলেরা তাকে দেখলে দৌড়ে পালায়,আড়ালে তাকে বিপদ বলেই ডাকে।কত ছেলের জীবন সে নষ্ট করেছে,শুধুমাত্র হাসি তামাসা,ফূর্তি করার জন্য তা সে নিজেই হিসাব করতে পারবে না।লোকে বলে বড়লোক বাবার আদরে বাদর হয়েছে।আসলেই তার বাবা ধনীব্যাক্তি।ভুল বললাম তার বাবা পুরো শহরে মধ্যে সবচেয়ে বড়লোক এবং ক্ষমতাধর,প্রতাপশালী ব্যাক্তি।বিদেশেও প্রভাব আছে।তাহলে নিশ্চয় ভাবছেন এরকম একটা গরীব ছেলের সাথে কেন তার মেয়ের বিয়ে দিলেন।আসলে তিনি বিয়ে দেননি,এটা মেয়েটার হাসি তামাসা ফূর্তিরই অংশ।আর বাসর রাতে যা কিছু বলেছিল তা তার অভিনয়। বাসর রাতের পরের দিন- নামায পড়া শেষ।অসীম এখন বাসায় ফিরবে।কিন্তু তার কিছু কাগজপত্র কেনা দরকার অফিসের জন্য।আসলে যেরকম ভাবছেন সেরকম না।অফিস বলতে পোষ্ট অফিস মাত্র ৪৫০০ টাকা বেতন।অসীম কাজ শেষ করে বাসায় ফেরছে।নয়নের সাথে দেখা।অসীমের অল্প কিছু বন্ধুর মধ্যে নয়ন একজন।বিয়েটা ওর ইচ্ছায়ই হয়েছে।কিন্তু নয়ন মেয়েটার ব্যাপারে জানত না।সে ঠাট্টা করে বলল, "কিরে বউকে পেয়ে আমাকে ভুলে গেলি।এখন আবার বলিস না আমাকে চিনতে পারিস না।" অসীম কথা না বলেই চলে গেল।নয়নের উপর রাগ করে অসীম এরকম করেনি,আসলে ও এরকমই।ওর বন্ধুও জানে অসীম কথা কম বলে,কিন্তু ভেতর থেকে একেবার শুদ্ধ।অসীম অনেক কিছুই কিনেছে।সে সাধারনত নিজেই রান্না করে।মাটির চুলো।রান্না ঘরটার অন্ধকার কোনায় বসে একা থাকতে তার ভালোই লাগে।অসীম দরজায় টোকা দিল।দরজা খুলল না।হালকা ধাক্কা দিল।খুলে গেল।যা দেখল তা সে আশা করেনি।কিন্তু সে অবাক হলো না।কারন তার জীবনের ঘটনাগুলোর মধ্যে এগুলো খুবই নগণ্য ও তুচ্ছ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now