বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাশের বাসার মেয়েটি পার্ট২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান অভিমানি ‌আকাশ (০ পয়েন্ট)

X দিনে শুধু খাওয়া, গোসল, পড়াশোনা আর ঘুমানোর সময়টুকু ওদের বাসায় করে, খাওয়া দাওয়াও একেক সময় আমাদের বাসায় করে, আর সবসময় আম্মুর পেছনে আম্মুর আচঁল ধরে বসে থাকে। . আর আমার আম্মুটাও এখন আমাকে রেখে ওই মেয়েটাকে আদর করে বেশী। আমার না খুব হিংসা হয় ওকে দেখে,, অথচ আমার আম্মু ওকে আদর করে আর ও সবসময় আমার বাসায় আমার আম্মুর সাথে থাকে এর একটা কারণ ও আছে। . কারণটা হলো,,, ও সবসময় ওর বাসায় একা একা থাকে। ওর বাবা আছে তবুও তিনি দিনের পুরো সময় অফিসে চাকরি করে কাটায়, আর ওর নাকি মা নেই,, ও ছোট থাকতেই নাকি ও ওর মা কে হারায়, তাই কখনো মার আদর পায়নি,, . তাই হয়তো ও সবসময় আমার আম্মুর সাথে সময় কাটায়, গল্প করে। আমার আম্মুও ওকে অনেক আদর করে। তাই আরও আম্মুর পিছন ছাড়তে চায় না। . আর আমি ওর সাথে রাগ দেখাই তার অন্য একটা কারণ আছে,, তিনমাস আগে আমি একদিন ওর বাসার নিচ দিয়ে যাচ্ছিলাম, আর ও তখনই আমাকে লক্ষ্য করে ছাদে থেকে পঁচা পানি একেবারে আমার শরীরে ইচ্ছে করে ঢেলে দেয়। . উফফফ কি গন্ধই না ছিলো,,, কথাটা মনে পরলে আজও আমার বমি আসে। যখন পানি দিছিলো আমার উপর তখন আমি ওর দিকে তাকাই আর ও আমার দিকে তাকিয়ে পিশাচীনির মতো হাহাহা করে হাসছিলো। . আগে জানতাম, আদরে বাঁদর হয় কিন্তু এখন দেখি কারও আদর না পাইলেও বাঁদর হয়। তাই ভাবছি, যখন এর প্রতিশোধ নিতে পারবো তখন আমি ওর সাথে একটু মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবো। . অতঃপর অন্ধকার নেমে আসলো, আর আমিও খাওয়া শেষ করে কিছুক্ষণ ফেসবুকিং করে ঘুমিয়ে গেলাম। . ঘুম ভাঙলো সকাল ১০ টায়, ঘুম থেকে চোখ মেলে এপাশ থেকে ওপাশে ফিরতেই আমার চোখ কপালে উঠে গেল। আরে এই মেয়েটা আমার ঘরে এসে আমার ফোন দিয়ে আমার আইডি চালাচ্ছে,, আমি ম্যাসেঞ্জারের শব্দ পাচ্ছি। . - আরে এই আমার ফোনে কি করছেন? - আহহহহ ( ভয় পেয়ে চিৎকার দিয়ে ফোনটা রেখে দৌড়ে পালিয়ে গেল) . আমি বিছানা ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে আমিও ওর পেছন পেছন দৌড় দিলাম,, দৌড়ে ড্রয়িংরুমে এসে দেখি আম্মু আপেল কাটতাছে,, - আম্মু ওই মেয়েটা কই? - কি হইছে? ও দৌড়ে পালালো কেন? - ও আমার ঘরে গেল কার সাহসে? - যেতে চাইছিল তাই আমি পারমিশন দিছি। - ইইইইই,, তুমি আমার আম্মু হয়ে আমার সাথে শত্রুতা শুরু করছো, ধ্যাত্ ( ফ্রেস হতে চলে গেলাম) . কেমন লাগে,, আম্মু এখন আমাকে সাপোর্ট না দিয়ে ওই মেয়েকে সাপোর্ট দেয়,, কোথাকার কে না কে দুদিনের মেয়ে,, আম্মু তাকে নিয়ে মাথায় করে নাচতেছে,, ওকে এতো মাথায় তোলার কি আছে? আর হ্যাঁ ওর নাম বলতে ভুলেই গেছি,, ওর নাম হলো তানহা। . কয়েক দিন পর বিকেল বেলা,,, রুমে বসে ল্যাপটপ দিয়ে গেমস খেলতেছি আর তখনই রুমের দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ পেলাম। - আসতে পারি? ( তানহা) - আসুন ( রাগি কণ্ঠে) - আপনার পাশে একটু বসি? - কেন? - না, এমনি। আপনার সমস্যা হলে আমি দাড়িয়েই থাকি। ‌‌অভিমানি ‌আকাশ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now