বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রতিদিনের মতই সকাল সকাল তারাহুরো করছে শুভ্র। গোসল টা শেষ করেই, এই নীলা,নীলা রান্না ঘর থেকে, আসছি এই এই আরে বাবা বুঝেছি, যাও দেখ তোমার টেবিলের পাশে মানিব্যাগ আর রুমাল রেখে দিয়েছি। আর টাই.. বলতে বলতে টাই নিয়ে গলায় পরিয়ে দিচ্ছে নীলা।
শুভ্র হাসতে হাসতে এক পলকে দেখছে নীলাকে। "নীলা আজ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে" মুচকি হেসে "প্রতিদিনি তো বলো,কোন দিন লাগে না?" শুভ্র নীলাকে জড়িয়ে ধরে " লক্ষি বউ আমার।" হয়েছে হয়েছে এস খাবে, এখনো তোমাকে খাইয়ে দিতে হয়,আমি না থাকলে কি করবে? আমিও যাব তোমার সাথে। হ্যা হ্যা, দেখা যাবে।
কপালে আলতো করে কিস করে বেরিয়ে গেল শুভ্র।নিচে নেমে বার বার ঘুরে ঘুরে দেখছে বারান্দায় নীলা দাড়িয়ে হাত নাড়ছে......কি মিষ্টিমুখ, দেখলেই সব কষ্ট ভুলে যায় শুভ্র।
দুপুর ১২ টা,
হটাৎ ফোন নীলার," মা অনেক অসুস্থ,যেতে হবে, কদিন থাকতে বলেছে...... না করতে পারল না শুভ্র, আচ্ছা যাও,দেখে শুনে যেও আমি গাড়ি পাঠাচ্ছি। আচ্ছা, আর খেয়ে নাও তাড়াতাড়ি। হুম।
ব্যাস মনের মাঝে ঝড় চলছে, ২ বছর বিয়ে, একদিন ও নীলাকে ছাড়া থাকেনি শুভ্র,আজ কিভাবে?
মাঝে অনেক বার কথাও হলো। সব ঠিকি তো আছে, থাকতে কেন হবে,আবার আমাকেও যেতে বলল না, মনে মনে বলছে শুভ্র, ধুর আর কাজেই মন বসলো না।
রাত ১১ টা,
টিং টং,দরজা খুলে নীলা হতবাক,সাদা পায়জামা,সাদা পাঞ্জাবি আর হাতে বিশাল লাগেজ নিয়ে শুভ্র হাজির। তু তুমি এত রাতে,তুমি না ঘুমিয়ে গেলে, শশুর বাড়ি, মধুর হাড়ি বলে হন হন করে ব্যাগ রেখে মা,বাবার সাথে দেখা করে এল। বাবা মাও বেশ খুশি। নীলা এখনো বোকার মত দাড়িয়ে আছে,আর মুখের কোন ছোট্ট হাসি।
মা,আমড়া একটু আসছি...
নীলা খেয়েছো, " না বসবো," জানতাম,বলে হাত ধরে টেনে নিয়ে চলেছে শুভ্র,। কই যাচ্ছ,আর তুমি খাওনি? নীলা একটু রেগে গিয়েই বলছে। সব বলছি, গাড়ি স্টার্ট করা। চল।
নীলা কিছু বলতে পারল না।
মিনিট ৭ পর গাড়ি এক চাইনিজ এর সামনে, পরিচিত জায়গা,ওরা প্রায়ই এখানে আসে। খাবার সব রেডি কিভাবে? নীলা বলতেই শুভ্র মাথা নিচু করে," ম্যানেজার বেটাকে ফোন করে তোমার পছন্দের খাবার গুলো রেডি করে রাখতে বলে ছিলাম।
নীলা কিছুক্ষন শুভ্রর দিকে তাকিয়ে, এত ভালবাস কেন?
শুভ্র: তুমি যে আমার নীলা তাই..... and I love u soooo much.
নীলা হেসে দিল। সেই হাসি,যা শুভ্রর সব থেক প্রিয়।
"এভাবে চলে এলে কেন "
শুভ্র হাসতে হাসতে বলছে, তুমি যাই বল আর কর তোমাকে ছাড়া আমি একদিন ও থাকতে পারবো না, কখোনো না............
(অভিমানি আকাশ)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now