বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চিঠিটা ছিল এমন...
"লাবিব,আমি জানি না তুমি আমাকে কখনো খুজবে কিনা। কিন্তু যদি খুজো তাহলে আমার চিঠিটা এখন তোমার কাছে। তোমার ঐ দিনের আচরণের পর আমি অনেক কেদেছি।যদিও এতে তোমার কোনো দোষ ছিল না। সে দিনের পর থেকে আমার মধ্যে কিছু অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।হয় ত সেই অস্বাভাবিকতা তীব্র হতে শুরু করে। আমার এক ফ্রেন্ডের পরিচিত এক ডক্টর এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কিছু টেস্ট দেন আমাকে। এবং রিপোর্ট দেখে তিনি বলেন যে আমার নাকি ব্রেনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।এভাবে চলতে থাকলে আমি এক সময় এবনরমাল এর মত হয়ে যেতে পারি,অবুঝ শিশুর মত। আমি চাই না এ চিঠিটা পাওয়ার পর তুমি আমাকে খোজ।জানবে আমি যেখানে আছি ভাল আছি।কথা দিচ্ছি তোমাকে কখনো ভুলব না।"
ইতি
"তোমার অদেখা পৃথিবী।"
লাবিব চিঠিটা পড়ার পর অধরাকে খুজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। কিন্ত সে অধরাকে আর কিছুতেই খুজে পায়না। সে প্রতিদিনই কোনো না কোনো রাস্তায়,হসপিটালে অধরাকে খুজে বেড়ায়, সে বুঝতে পারে যে সে এখন অধরাকে ভালবেসে ফেলেছে। এবং এই ভালবাসাটা মিথ্যে না।....
লাবিবের আজ অফিস থেকে ফিরতে দেরি হয়েছে।বাসায় পৌছে সে দেখল একটি মেয়ে তার দিকে গাল ফুলিয়ে তাকিয়ে আছে।লাবিব তার হাতে থাকা গিফটের প্যাকেট টা তার দিজে বাড়িয়ে দেয়।মেয়েটার সব রাগ ভেঙে যায়।সে খুশিতে হাততালি দেয়।
মেয়েটি অধরা।সে এখন আর পাচটা স্বাভাবিক মেয়ের মত না। লাবিব তাকে খুজে পায়,আরো এক বছর আগে একটা মেন্টাল হসপিটালে। সেখানে গিয়ে লাবিব জানতে পারে যে অধরার সব স্মৃতি মুছে গেছে।তার আচরন এখন বাচ্চাদের মত।কিন্তু তার কল্পনায় লাবিব নামের ছেলেটি এখনো আছে। সে কল্পনায় লাবিবের সাথে কথা বলে।
লাবিব যখন তার কাছে যায় তখন (অধরা তাকে চিনতে পারেনি কারন তার ব্রেন ডেমেজড) গিয়ে দেখে যে অধরা মন খারাপ করে বসে আছে। লাবিব এর কারন জানতে চাইলে অধরা বলে যে তার সঙ্গি লাবিব নামের ছেলেটি নাকি আজকে তার সাথে খেলেতে আসেনি।লাবিব বলে" আজ থেকে আমিই তোমার নতুন বন্ধু।তুমি কি আমার সাথে যেতে চাও?" অধরা তার কথায় রাজি হয়।
..অধরা এখন অনেক কিছু বুঝতে শিখে গেছে।নিজের সব কাজ নিজে করে।লাবিব তাকে রেখে চাকরি করতে চলে যায় অফিসে। অধরা এই সময়টুকু একাই থাকে।লাবিব ফিরে এলে সে লাবিবের কাছ থেকে গল্প শুনে, গান শুনে এবং খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে অবুঝ শিশুদের মত।লাবিব এখন সবসময় অধরাকে খুশি রাখার চেষ্টা করে।
লাবিব এখন প্রায়ই ভাবে যে ::"" অধরা তুমি তোমার দেয়া কথা রেখেছ।তুমি আমাকে ভুলে যাও নি.. তোমাকে আমি কত্ত অপমান করেছি অথচ তুমি তবুও আমাকে ভালবেসে গেলে.... ভুলে যাওনি আমায়,, তুমি তোমার কথা রাখতে পেরেছ......।!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now