বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিয়ে ছাড়া বউ--০৭

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X সারাটা পথ ইরা একটাও কথা বলেনি। গালটা ফুলে বেলুন হয়ে গেছে। আমিঃ - তোমাকে না গাল ফুলিয়ে বসে থাকলে খুব সুন্দর লাগে বউ। গাল দুটো একদম বেলুনের মতো হয়ে যায়। ইরা আমার দিকে থাকালো কিন্তু কিছুই বলল না। আবার অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে নিলো।আমি রিক্সাওয়ালা মামাকে উদ্দেশ্য করে বললাম, আমিঃ - আচ্ছা,মামা। তোমার বউ যখন রাগ করে তুমি তখন কিভাবে রাগ ভাঙাও। রিক্সাওয়ালা মামাঃ - ঐ তো বাসায় গিয়ে জরিয়ে ধরি। এতেই আমার বউয়ের মন গলে যায়। আমিঃ - আমি এই আইডিয়া ব্যাবহার করলে কি আমার বউয়ের রাগ ভাঙবে। ইরা চোখ দুটো মনে হয়ে বেরিয়ে আসবে এমন ভাবে থাকাচ্ছে। রিক্সাওয়ালা মামা হাসতে হাসতে বললেন, রিক্সাওয়ালা মামাঃ - দেখো টেস্ট করে। আমিঃ - ওকে তাহলে টেস্ট করে দেখি। আমি ইরার দিকে দু-হাত বাড়িয়ে দিতেই ইরা চিৎকার দিয়ে বলল, ইরাঃ - রিক্সা থামান,রিক্সা থামান বলছি। রিক্সাওয়ালা রিক্সা থামাতেই ইরা খট করে নেমে হন হন করে হেটে যেতে লাগলো। আমি আর কি করবো রিক্সাওয়ালার ভাড়া মিঠিয়ে ইরা পিছনে দৌড়তে লাগলাম। এই মেয়েতো দেখি স্পিড রোবটরে বাবা। আমি দৌড়তে দৌড়তে নাগাল পাচ্ছি না। অবশেষে পেলাম। ইরার হাত ধরলাম। ঝটকা মেরে সরিয়ে দিলো। আমিঃ - সরি, ঐ সময় দুষ্টুমি করেছিলাম। ইরাঃ -.............................................(নিশ্চুপ) আমিঃ - আরে সরিতো। এই কান ধরলাম। নাহ,হলো না। উলটো মুখ আরো ফুলে যাচ্ছে। কি করি দূর। বাসার সামনে চলে এসেছি। ইরা হন হন করে বাসার ভিতরে চলে গেলো। হায় হায় করলো কি এখন আঙ্কেল, আন্টি কি বলবে। যদি সন্দেহ করে ফেলে। আমিও তাড়াতাড়ি করে হেঠে বাসায় ডুকলাম। যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে সন্ধে হয়। বাসায় ডুকতেই দেখি যা ভেবেছিলাম তাই। আঙ্কেল, আন্টি ইরার চলে যাওয়া দেখছেন। ইরা উপর তালায় উঠেই টাস করে দরজা লাগিয়ে দিলো। আঙ্কেল,আন্টি আমার দিকে থাকিয়ে আছে। আন্টিঃ - কি হয়েছে বাবা? ইরা এভাবে চলে গেলো কেনো? এবার কি বলি? পড়লাম মাইনকা চিপায়। কি উত্তর দেইই। কি উত্তর দিই। বাড়িওয়ালা আঙ্কেল বললেন, আঙ্কেলঃ - কি হলো বলছো না যে। সাথে সাথে আন্টির পুনরায় জবাব, আন্টিঃ - এই তুমি চুপ করবে। বাবা বলো কি হয়েছে? আন্টির ঝাড়ি খেয়ে আঙ্কেল নিশ্চুপ। আমিঃ - আসলে আন্টি..... আমার কথা অর্ধেকই রয়ে গেলো আন্টি আমার কথা আঠকিয়ে দিয়ে বললেন, আন্টিঃ - ঝগড়া করেছো তাই না? আমিঃ - কারেক্ট। আসলে আমি অন্য একটা মেয়ের দিকে থাকিয়ে দেখছিলাম যে, কি পরিমাণ ময়দা আর আঠা দিয়ে ময়দা সুন্দরী হয়েছে। আর আমার বউ এমনিতেই সুন্দরী। আর ঐ সময় ঐ বজ্জাত মেয়েটি আমাকে চোখ টিপে দেয় আর সেটা ইরা দেখে ফেলে সেই নিয়ে ঝগড়া করে আমার সাথে সারাটা পথ কথা বলেনি। আণ্টিঃ - ওও এটা, এটা ঠিক হয়ে যাবে । তুমি উপরে যাও। আমিঃ - হুম্ম,আন্টি। ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে। সেটা আজই বুঝলাম। খুব জোর বাচলাম বাবা। বিড়বিড় করে বললাম। আঙ্কেলঃ - কিছু বললে। আরে এই টাকলা ব্যাটা শুনলো কি করে আমিতো আস্তে আস্তে বললাম, আমিঃ - না না কই কিছু নাতো। আঙ্কেলঃ - কিছু না হলেই হলো। আমিঃ - একটা কথা বলি। আঙ্কেলঃ - হুম,বলো। আমিঃ - আপনি তো টাকলু। টাক সমাধানে যান না কেনো? ওরা আপনার টাক সমাধান করে দিবে। আঙ্কেল হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন। আঙ্কেলঃ - কি??? আন্টিঃ - এতে চিৎকার করার কি আছে ওতো ঠিকই বলেছে। এই ফাকে আমি দিলাম দৌড়। উপরে উঠে দরজা নক করতেই খুলে গেলো। তার মানে ইরা রাগে দরজা লক করেনি। হায় হায় এগুলো কি? আমার সব কাপড় মাঠিতে পড়ে আছে কেনো? সারাঘর এলোমেলো আমার কাপড় দিয়ে। এগুলো নিশ্চয়ই ইরার কাজ। আমি বেড রুমে গিয়ে দেখলাম ইরা বসে বসে আপেল খাচ্ছে। আমিঃ - এই আমার কাপড় গুলা মাঠিতে পড়ে আছে কেনো? ইরা কোনো কথা বলছে না সে তার মতো আপেল খাচ্ছে। আমিঃ - এই কথা কানে যায় না। ইরাঃ -.....................................(নিশ্চুপ) আমিঃ - এই মেয়ে কানে কম শুনো নাকি? আমার কাপড় গুলো এভাবে ফেলে রেখেছো কেনো? ইরাঃ - বেশ করেছি। আমিঃ - বললেই হলো। কাপড় গুলো তুলে আলমারিতে রাখো। ইরাঃ - পারবো না। আমিঃ - পারতে হবে। ইরাঃ - না পারলে কি করবে হুম। কি করবে তুমি? আমিঃ - দেখবে কি করবো? ইরাঃ - কি দেখাবে হুম? আমি তোমার বউ? হ্যা। আমাকে জরিয়ে ধরে প্রেক্টিস করবে তাই না। দেখাচ্ছি মজা। ইরা বালিশ দিয়ে আমাকে মারতে শুরু করলো। । খুনশুটি,ঝগড়া,অভিমান ইত্যাদির মাধ্যমে ২ মাস চলে গেলো। আমি আর ইরা স্বামী - স্ত্রীর মতোই। বাড়িওয়ালা - বাড়িওয়ালী কিছুই বুঝতে পারেনি এখনো। আমি আর ইরা দুজনে মিলেই এখন ঘরের সব কাজ করি। মাঝে মাঝে ঘুরে বেড়াই। একবার আমার জ্বর হয়েছিলো তখন ইরা সারারাত আমার সেবা করেছে। আমি ইরার উপর দুর্বল হয়ে পড়েছি। এখন অফিসে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি। ইরাঃ - জয়, জয়। আমিঃ - কি? ইরাঃ - আমার কাপড়গুলো ভুল করে বাইরে রেখে চলে এসেছি। প্লিজ একটু সাহায্য করো। আমি কাপড়গুলো নিয়ে। আমিঃ - এই নাও। ইরা বাথরুম থেকে হাত বাড়ালো। আমি ওর হাত কাপড়গুলো দিয়ে দিলাম। আমি ইরার হাত ধরে নিলাম, ইরাঃ - এই কি করছো হাত ছাড়ো? আমিঃ - গোসলের সময় তোমাকে দেখতে কেমন লাগে? একবার দেখতে চাই প্লিজ। ইরাঃ - কি খবিস,ইতর ছাড়ো আমার হাত ছাড়ো। আমিঃ - না ছাড়বো না। ইরাঃ - আচ্ছা, আমি তোমার একটা ইচ্ছে পূরন করবো। এখন ছেড়ে দাও প্লিজ। আমিঃ - কোন ইচ্ছে? ইরাঃ - পায়ের উপর উঠে টাই বেধে দিবো। আমিঃ - রিয়েলি। ইরাঃ - হুম্ম,রিয়েলি। আমিঃ - থ্যাংক ইউ উম্মা। বলে ইরার হাতে একটা চুমু দিলাম। কিছুক্ষণ পর ইরা গোসল করে বের হলো। আমি অপলক থাকিয়ে আছি। ইরাঃ - কি দেখছেন মিঃ? আমিঃ - কই কিছু না তো। ইরাঃ - না হলেই ভালো। আমিঃ - আচ্ছা, এখন টাইটা বেধে দাও।ইরা খালি পায়ে আমার পায়ের উপর উঠলো। আমি শিহরিত হলাম। এই প্রথম ইরা খালি পায়ে আমার পায়ের উপর ভর দিয়ে টাই বেধে দিচ্ছে। আমি ইরাকে ধরে রেখেছি।কি নরম পা। আমি ইরার উষ্ণতায় ডুবে যাচ্ছি। আমিঃ - কেমন ফিল হচ্ছে? ইরাঃ - একটুও না। আমিঃ - মিথ্যে কথা। ইরাঃ - মিথ্যে হবে কেনো? আমিঃ - আমার প্রতি একটুও ফিল হয়না তোমার? ইরাঃ - না। আমিঃ - ওও,তাহলে আমি একটা কিস করি দেখি তোমার ফিল হয় কি না? ইরা কিছুক্ষণ ভাবলো। নিজের কথায় নিজেই ফেসে গেলো। আমিঃ - বুঝেছি আমার প্রতি ফিল আছে তোমার। আমি ছেড়ে দিলাম ইরাকে। ইরাঃ - ওও,হ্যালো কিস দিয়ে দেও। আমিঃ - নাহ, আমি বুঝে ফেলেছি আমার প্রতি তোমার ফিল আছে। ইরাঃ - আরে দিয়ে দেও।আমি মুখ ইরার মুখের দিকে এগিয়ে নিলাম। ইরা চোখ বন্ধ করে ফেললো। আমিঃ - নাহ, বুঝে নিয়েছি। ইরাঃ - আরে দিয়ে দেও। আমি আবার ইরার মুখের সামনে মুখ নিলাম। ইরা একটু একটু কাপছে।আমি আবার মুখ পিছনে নিয়ে এলাম। আমিঃ - তুমি মনে হয় ভয় পাচ্ছো। ইরাঃ - আরে দূর লাগবে না। বলে ইরা চলে যাচ্ছিলো। আমি টান মেরে জোরে চেপে ধরলাম। ইরা হাত দুটো শক্ত করে রেখেছে। আমি আমার মুখ ইরার ঠোঁটের দিকে এগিয়ে নিলাম। ইরার চোখে কিছুটা পানি। ভয় পাচ্ছে। ইরার ঠোঁটে ঠোট ডুবিয়ে দিলাম। ১ মিনিট পর। আমিঃ - কি ফিল হলো?ইরা মাথা নাড়িয়ে না সূচক জানালো। আমি হেসে বললাম, আমিঃ - আমি জানি তুমি ফিল করেছো। ইরাঃ - মোঠেও না। ( ভাঙা ভাঙা কন্ঠে) আমিঃ - তাহলে হাত এতো শক্ত করে রেখেছো কেনো? আমার কথা শুনে ইরা হাত ইজি করে নিলো। ইরাঃ - কই না তো? আমি হাসলাম। আমিঃ - তার মানে তুমি তোমার কথাটাই সত্য বলতে চাচ্ছো। ইরাঃ - মানে! আমিঃ -,মানে, তুমি বলতে চাচ্ছো আমার কিসে তোমার কোনো ফিল হয়নি। ইরাঃ - হ্যা,হয়নি। আমিঃ - ওও ভালো। তবে মিথ্যে কথা বলা কিন্তু ঠিক না। ইরাঃ - আমি মিথ্যে কথা বলিনি। আমিঃ - ওকে আমি এখন যাই। তুমি যাবে না। ইরাঃ - না। আমিঃ - কেনো? ইরাঃ - এমনই। আমিঃ - ইরা সত্য করে বলো। কেনো যাবে না? ইরাঃ - আরে তুমি যাও তো আমার ভালো লাগছে না তাই যাচ্ছি না। আমিঃ - একটু রেগে গিয়ে বললাম কি হয়েছে বলবে নাকি? আমি!! আমার রেগে যাওয়া দেখে ইরা ভয় পেয়ে বলল। । । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now