বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রাগী বউ---০৮

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ---------------- ----------------------- -যাবিনা মানে। তুই যাবি তোর বাপোও যাবে।[আম্মু] . -হি হি।তাহলে আব্বুকে নিয়ে যাও। আমি যাবোনা।[আমি] . -না গেলে তোর খাবার বন্ধ আজ থেকে[আম্মু] . এইরে শুধু কথায় কথায় খাবার বন্ধ খাবার বন্ধ। আজকে যদি চাকরি করতাম তাহলেই আর খাবারের ভয় পেতো হতো না। . -ওকে যাচ্ছি যাচ্ছি।[একটু রাগ দেখিয়ে] . -তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আয় দেরি হয়ে যাবে নয়তো। [আম্মু] . আম্মুর কথা না শুনেই রুমে গিয়ে একটা শার্ট ও পেন্ট পড়ে তাড়াতাড়ি রুম থেকে বের হলাম। . -এইতো আমার ছেলেটাকে এখন কতো স্মার্ট স্মার্ট লাগছে।[আম্মু] . -আর কথা বলতে হবেনা এখন যাও।[রাগ দেখিয়ে] . তারপর আম্মু ও আমি টেক্সি করে একটা ইয়া বড় বাড়ির সামনে গিয়ে নামলাম। এটাই জেনিয়াদের বাসা। এই বাড়িতে আগে কখনো আসিনি। বাড়িটা সুন্দর করে সাজানো। . একেবারে বিয়ে বাড়ির মতো। তাহলে কি আম্মু সত্যি বলছে? আজ তাহলে জেনিয়ার বিয়ে! মাথাটা আস্তে আস্তে কেমন ভারি হয়ে আসছে। হঠাৎ করেই এতো খারাপ লাগছে কেনো কিছুই বুঝতে পারছি না! . ধ্যান ভাঙ্গলো আম্মুর ডাকে -কিরে কি হলো? ভিতরে আয়।[আম্মু] . -তুমি ভিতরে যাও আমি পড়ে আসছি। . [আমি] -ঠিক আছে। কিন্তু কোথাও যাসনা। এখানেই থাকিস।[আম্মু] . আমি কিছু না বলেই বাড়িটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। হঠাৎ করেই কিসের সঙ্গে যেন ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে গেলাম। . -এই যে মিস্টার দেখে পথ চলতে পারেন না। মেয়ে মানুষ দেখলেই ধাক্কা খেতে ইচ্ছে করে তাইনা। যত্তসব পাগল। . নিচ থেকেই মাথাটা উপরে তুলে তাকালাম। নিজের চোঁখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না! জেনিয়া আমাকে এই ভাবে ঝাড়ি দিবে কোনদিন কল্পনাও করিনি। . -সরি।আপনাকে আমি ইচ্ছা করে ধাক্কা দেয়নি সত্যি বলছি[কান্না কান্না ভাব নিয়ে[ . -আপনি! কখন এলেন। না দেখে অনেক কিছু বলে ফেলেছি। সরি।[জেনিয়া] . কি বলবো বুঝতে পারছি না। এই কয়দিনে জেনিয়ার আনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। চোঁখের নিচে কালো কালো দাগ পড়েছে। মুখটা আগের থেকে অনেক শুকিয়ে গেছে। . -তুমি আমাকে ছারা সুখে থাকতে পারবে। পারবে অন্য কারো সাথে বাকিটা জীবন কাটাতে।[আমি] . -হুম না পারার কি আছে! যে আমাকে ছারা থাকতে পারবে আমিও তাকে ছারা থাকতে পারবো। এতে কষ্ট বা দুঃখ পাওয়ার তো কিছু দেখছি না। . -ঠিকি তো বলেছে ও। আমিতো একবারও ওকে বলিনি যে ভালোবাসি। বরং ও আমাকে বারবার বলা সত্বেও আমি ওকে ফিরিয়ে দিয়েছি। কেনই বা দুঃখ পাবে ও![মনে মনে] .-তবে কেউ যদি চায় তাকে একটা সুযোগ দেয়া হবে। তবে যা করার সব কিছু তাকেই করতে হবে।[জেনিয়া] . -মানে!কি বলতে চাচ্ছো তুমি?[আমি] . -বোকা। এখন পালানো ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই আমাদের সামনে। চলেন আমরা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করি?[জেনিয়া] . -পারবো না। পালিয়ে বিয়ে করে তোমাকে খাওয়াবো কি?[আমি] . -তাহলে আর কি! আমি যাই আপনি থাকেন।[এক পা সামনে এগিয়ে] . না জেনিয়াকে অন্য কারো হতে দেয়া যাবেনা। ও শুধু আমার শুধুই আমার! পালাই যা হবার হবে। . চলো পালাই বলেই জেনিয়ার হাত ধরে জোরে দৌড়াতে লাগলাম। . একেবারে এক দৌড়ে আমাদের বাসার সামনে এসে দাড়ালাম। ও মা গো। আমার লাইফে আমি কখনেই এতো জোরে দৌড়ায়নি। একটা মেয়ে হয়ে ও কিভাবে এতো জোরে দৌড়ালো আমার সাথে। . একি জেনিয়া কোথায়? এটা তো দেখছি অন্য একটা মেয়ে। হায় হায়। প্যান তো দেখছি অন্য কাজ করছে! ট্যালার ওপর বাশঁ। এবার এই মেয়ের ট্যালা সামলা পাভেল! . ঐ ছেমড়ি। তুমি এইহানে আইলা কি কইরা?[একটু অন্য স্টাইলে কথা বলে] . -এই যে মি.আমাকে সাথে এনে এবার ভাব করা হচ্ছে তাইনা। পিটিয়ে হাত-পা সব গুড়ো করে দিবো এই বলে দিলাম। . এটা কি হলো এটা তো দেখছি জেনিয়াই। বাট ও বোকরা পড়লো কখন? . -তুমি বোকরা পড়লা কখন?[জেনিয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে] . -এতো জানতে হবেনা। এখন বাসায় চলুন। অনেকটা পথ দৌড়ে এসেছি পেটে ক্ষুদা লাগছে। [জেনিয়া] . - কি বলো এসব? আসতে না আসতে ক্ষুদা! এভাবে খেলে তো আমার বাবার সব তুমি একায় খেয়ে শেষ করে ফেলবে।[আমি] . -হি হি।বেশি কথা বললে না আপনাকেও খেয়ে ফেলবো। আমাকে কাদাঁনোর সাস্তি আজ থেকেই শুরু হবে। [মুচকি হেসে] . -বউ না রাক্ষুসী! কেনযে এই রাক্ষসটাকে আনতে গেলাম। নে এবার ট্যালা কাকে বলে দেখ![আস্তে আস্তে] . -এই যে মিস্টার। মুখ সামলে কথা বলুন। আমি কোন রাক্ষুসী না। আর একবার যদি শুনি তো বাসা থেকে বের করে দিবো। [চোঁখ বড় বড় করে] . -এই যে ম্যাডাম এটা আপনার বাড়ি না। তাই একটু ভেবে চিন্তে কথা বলবেন।[ধমক দিয়ে] . -১০০বার বলবো। এটা আমার বাড়ি আমার বাড়ি। কি করবেন করুন। . এইতো সুযোগ। হ্যাঁচকা টান দিয়ে জেনিয়াকে বিচানার ওপর শুইয়ে দিয়ে দুই হাত শক্ত করে চেপে ধরলাম। . -ছাড়ুন। দেখুন ভালো হবেনা কিন্তু![চোখ বন্ধ করে] . -ধরেছি কি ছেড়ে দেবার জন্য বলো? [টোঠ দুটো ওর টোঠের একেবারে কাছে নিয়ে] . -মা মা......! পুরোটা বলার আগেই ওর ঠোটদুটোকে আমার ঠোটের সাথে মিশিয়ে দিলাম। জেনিয়া অনেকটা কেঁপে ওঠলো। তবে বাধা দিলো না। দুইহাতে আমাকে শক্ত করে ঝরিয়ে ধরলো। . লজ্জায় ওর মুখটা লাল হয়ে গেছে। মুখ দিয়ে কিছু না বলেই আমার চোঁখের দিকে তাকিয়ে রইলো। ওর চোঁখে পানি দেখতে পেয়ে অনেকটা অবাক হয়েই জিঙ্খেস করলাম। . -তুমিকি এই কারনে কাঁদছো। বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে তোমার টোঠ স্পর্শ করলাম বলে কাঁদছো।[মন খারাপ করে] . জেনিয়া আমাকে আরও শক্ত করে ঝরিয়ে ধরে বলবো- . -জানেন আমি ঐই দিনটারই অপেক্ষায় ছিলাম।কখন আপনাকে আপন করে পাবো। আজকে আমি তা পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই আপনাকে ভালোবেসে এসেছি। আমাকে কোনদিনও ছেড়ে যাবেন না তো? [কেঁদে কেঁদে] . -পাগলি একটা। আমিও যে তোমাকে অনেক অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। তবে?! [অশ্রুভেজ চোঁখে] . -তবে কি? মি. পাভেল মাহমুদ?[রাগী চোঁখে] . -আটা ময়দা গুলো সব ভিজে মুচে গেছে। তাই এখন তোমাকে দেখতেই পাচ্ছিনা।[রাগানোর জন্য] .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now