বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
----------------
-----------------------
-যাবিনা মানে।
তুই যাবি তোর বাপোও যাবে।[আম্মু]
.
-হি হি।তাহলে আব্বুকে নিয়ে যাও।
আমি যাবোনা।[আমি]
.
-না গেলে তোর খাবার বন্ধ আজ থেকে[আম্মু]
.
এইরে শুধু কথায় কথায় খাবার বন্ধ
খাবার বন্ধ।
আজকে যদি চাকরি করতাম তাহলেই আর খাবারের ভয়
পেতো হতো না।
.
-ওকে যাচ্ছি যাচ্ছি।[একটু রাগ দেখিয়ে]
.
-তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আয় দেরি হয়ে যাবে নয়তো।
[আম্মু]
.
আম্মুর কথা না শুনেই রুমে গিয়ে একটা শার্ট ও পেন্ট পড়ে
তাড়াতাড়ি রুম থেকে বের হলাম।
.
-এইতো আমার ছেলেটাকে এখন কতো স্মার্ট স্মার্ট
লাগছে।[আম্মু]
.
-আর কথা বলতে হবেনা এখন যাও।[রাগ দেখিয়ে]
.
তারপর আম্মু ও আমি টেক্সি করে একটা ইয়া বড় বাড়ির
সামনে গিয়ে নামলাম।
এটাই জেনিয়াদের বাসা।
এই বাড়িতে আগে কখনো আসিনি।
বাড়িটা সুন্দর করে সাজানো।
.
একেবারে বিয়ে বাড়ির মতো।
তাহলে কি আম্মু সত্যি বলছে?
আজ তাহলে জেনিয়ার বিয়ে!
মাথাটা আস্তে আস্তে কেমন ভারি হয়ে আসছে।
হঠাৎ করেই এতো খারাপ লাগছে কেনো কিছুই বুঝতে
পারছি না!
.
ধ্যান ভাঙ্গলো আম্মুর ডাকে
-কিরে কি হলো?
ভিতরে আয়।[আম্মু]
.
-তুমি ভিতরে যাও আমি পড়ে আসছি।
.
[আমি]
-ঠিক আছে।
কিন্তু কোথাও যাসনা।
এখানেই থাকিস।[আম্মু]
.
আমি কিছু না বলেই বাড়িটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম।
হঠাৎ করেই কিসের সঙ্গে যেন ধাক্কা খেয়ে মাটিতে
পড়ে গেলাম।
.
-এই যে মিস্টার দেখে পথ চলতে পারেন না।
মেয়ে মানুষ দেখলেই ধাক্কা খেতে ইচ্ছে করে তাইনা।
যত্তসব পাগল।
.
নিচ থেকেই মাথাটা
উপরে তুলে তাকালাম।
নিজের চোঁখকেই বিশ্বাস করতে পারছি না!
জেনিয়া আমাকে
এই ভাবে ঝাড়ি দিবে কোনদিন কল্পনাও করিনি।
.
-সরি।আপনাকে আমি ইচ্ছা করে ধাক্কা দেয়নি
সত্যি বলছি[কান্না কান্না ভাব নিয়ে[
.
-আপনি!
কখন এলেন।
না দেখে অনেক কিছু বলে ফেলেছি।
সরি।[জেনিয়া]
.
কি বলবো বুঝতে পারছি না।
এই কয়দিনে জেনিয়ার আনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।
চোঁখের নিচে কালো কালো দাগ পড়েছে। মুখটা আগের
থেকে অনেক শুকিয়ে গেছে।
.
-তুমি আমাকে ছারা সুখে থাকতে পারবে।
পারবে অন্য কারো সাথে বাকিটা জীবন কাটাতে।[আমি]
.
-হুম না পারার কি আছে!
যে আমাকে
ছারা থাকতে পারবে আমিও তাকে ছারা থাকতে
পারবো। এতে কষ্ট বা দুঃখ পাওয়ার তো কিছু দেখছি না।
.
-ঠিকি তো বলেছে ও।
আমিতো
একবারও ওকে বলিনি যে ভালোবাসি।
বরং ও আমাকে বারবার বলা সত্বেও আমি ওকে ফিরিয়ে
দিয়েছি।
কেনই বা দুঃখ পাবে ও![মনে মনে]
.-তবে কেউ যদি চায় তাকে একটা সুযোগ দেয়া হবে।
তবে যা করার সব কিছু তাকেই করতে হবে।[জেনিয়া]
.
-মানে!কি বলতে চাচ্ছো তুমি?[আমি]
.
-বোকা।
এখন পালানো ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই আমাদের
সামনে।
চলেন আমরা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করি?[জেনিয়া]
.
-পারবো না।
পালিয়ে বিয়ে করে তোমাকে খাওয়াবো কি?[আমি]
.
-তাহলে আর কি!
আমি যাই আপনি থাকেন।[এক পা সামনে এগিয়ে]
.
না জেনিয়াকে অন্য কারো হতে দেয়া যাবেনা।
ও শুধু আমার
শুধুই আমার!
পালাই যা হবার হবে।
.
চলো পালাই বলেই
জেনিয়ার হাত ধরে
জোরে দৌড়াতে লাগলাম।
.
একেবারে এক দৌড়ে আমাদের বাসার সামনে এসে
দাড়ালাম।
ও মা গো।
আমার লাইফে আমি কখনেই এতো জোরে দৌড়ায়নি।
একটা মেয়ে হয়ে ও কিভাবে এতো জোরে দৌড়ালো
আমার সাথে।
.
একি জেনিয়া কোথায়?
এটা তো
দেখছি অন্য একটা মেয়ে।
হায় হায়।
প্যান তো দেখছি অন্য কাজ করছে!
ট্যালার ওপর বাশঁ।
এবার এই মেয়ের ট্যালা সামলা পাভেল!
.
ঐ ছেমড়ি।
তুমি এইহানে আইলা কি কইরা?[একটু অন্য স্টাইলে কথা
বলে]
.
-এই যে মি.আমাকে সাথে এনে এবার
ভাব করা হচ্ছে তাইনা।
পিটিয়ে হাত-পা সব গুড়ো করে দিবো এই বলে দিলাম।
.
এটা কি হলো এটা তো দেখছি জেনিয়াই।
বাট ও বোকরা পড়লো কখন?
.
-তুমি বোকরা পড়লা কখন?[জেনিয়ার চোখের দিকে
তাকিয়ে]
.
-এতো জানতে হবেনা।
এখন বাসায় চলুন।
অনেকটা পথ দৌড়ে এসেছি পেটে ক্ষুদা লাগছে।
[জেনিয়া]
.
- কি বলো এসব?
আসতে না আসতে ক্ষুদা!
এভাবে খেলে তো আমার বাবার সব তুমি একায় খেয়ে
শেষ করে ফেলবে।[আমি]
.
-হি হি।বেশি কথা বললে না আপনাকেও খেয়ে ফেলবো।
আমাকে কাদাঁনোর সাস্তি আজ থেকেই শুরু হবে।
[মুচকি হেসে]
.
-বউ না রাক্ষুসী!
কেনযে এই রাক্ষসটাকে আনতে গেলাম।
নে এবার ট্যালা কাকে বলে দেখ![আস্তে আস্তে]
.
-এই যে মিস্টার।
মুখ সামলে কথা বলুন।
আমি কোন রাক্ষুসী না।
আর একবার যদি শুনি তো বাসা থেকে বের করে দিবো।
[চোঁখ বড় বড় করে]
.
-এই যে ম্যাডাম এটা আপনার বাড়ি না।
তাই একটু ভেবে চিন্তে কথা বলবেন।[ধমক দিয়ে]
.
-১০০বার বলবো।
এটা আমার বাড়ি আমার বাড়ি।
কি করবেন করুন।
.
এইতো সুযোগ।
হ্যাঁচকা টান দিয়ে জেনিয়াকে বিচানার ওপর শুইয়ে
দিয়ে দুই হাত শক্ত করে চেপে ধরলাম।
.
-ছাড়ুন।
দেখুন ভালো হবেনা কিন্তু![চোখ বন্ধ করে]
.
-ধরেছি কি ছেড়ে দেবার জন্য বলো?
[টোঠ দুটো ওর টোঠের একেবারে কাছে নিয়ে]
.
-মা মা......!
পুরোটা বলার আগেই ওর ঠোটদুটোকে আমার ঠোটের
সাথে মিশিয়ে দিলাম।
জেনিয়া অনেকটা কেঁপে ওঠলো।
তবে বাধা দিলো না।
দুইহাতে আমাকে শক্ত করে ঝরিয়ে ধরলো।
.
লজ্জায় ওর মুখটা লাল হয়ে গেছে।
মুখ দিয়ে কিছু না বলেই আমার চোঁখের দিকে তাকিয়ে
রইলো।
ওর চোঁখে পানি দেখতে পেয়ে অনেকটা অবাক হয়েই
জিঙ্খেস করলাম।
.
-তুমিকি এই কারনে কাঁদছো।
বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে
তোমার টোঠ স্পর্শ করলাম বলে কাঁদছো।[মন খারাপ করে]
.
জেনিয়া আমাকে আরও শক্ত করে ঝরিয়ে
ধরে বলবো-
.
-জানেন আমি ঐই দিনটারই অপেক্ষায় ছিলাম।কখন
আপনাকে আপন করে পাবো।
আজকে আমি তা পেয়েছি। ছোটবেলা থেকেই আপনাকে
ভালোবেসে এসেছি।
আমাকে কোনদিনও ছেড়ে যাবেন না তো?
[কেঁদে কেঁদে]
.
-পাগলি একটা।
আমিও যে তোমাকে অনেক অনেক ভালোবেসে
ফেলেছি।
তবে?! [অশ্রুভেজ চোঁখে]
.
-তবে কি? মি. পাভেল মাহমুদ?[রাগী চোঁখে]
.
-আটা ময়দা গুলো সব ভিজে মুচে গেছে।
তাই এখন তোমাকে দেখতেই পাচ্ছিনা।[রাগানোর জন্য]
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now