বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--- আমার মনে হয় আমাদের
সম্পর্কটা আর কনটিনিউ করা ঠিক
হবে না ।(আমি)
---নিশ্চুপ (তাসনিমা)
---ওকে বাই নিমা।
ব্রেকাপ করেই নিলাম এই সাইকো
মেয়ের সাথে।সবকিছুর একটা লিমিট
আছে।সবকিছুতেই বেশি বেশি করা
তাসনিমার একটা বদ অভ্যাস।ছোটখাট
কোন একটা ব্যাপার নিয়ে অনেক বড়
রিয়াক্ট করে ফেলে যা দিনে দিনে
আমার কাছে অসহ্য হয়ে গেছে।চলে আসার সময়
দেখলাম ওর চোখ থেকে বৃষ্টির মত পানি পরছে।
আগে ওর চোখের জলে গললেও আজ আর
গললাম না।চলে আসলাম ওর সামন থেকে।ফাজিল
মেয়ে কোথাকার।
আসলে গতকাল যে ওর জন্মদিন ছিল
আমি ভুলেই গেছিলাম।আর তার জন্যই
যত ভ্যাজাল।কালথেকে হাজার বার
ক্ষমা চাইলাম কিন্তু তাসনিমা আমার
সাথে দেখা করাতোদুরের কথা আমার
একটা এস এম এসেরো রিপ্লে দেয় নাই।
তাছাড়াও ইদানিং আমাদের মদ্ধে মাঝে
মাঝেই কথাকাটাকাটি হচ্ছে।সম্পর্কটা
কেমন যেন রসকসহীন মনে হচ্ছে।জানি
না এমনটা মনে হওয়ার কারন কি।তবে
কেন যেন মনে হলো সম্পর্কটা আর
কনটিনিউ করা ঠিক হবে না।তাই মেসেস দিয়ে দেখা
করতে বললাম ।
তাসনিমার সাথে
পরিচয়টা হয় স্বাভাবিক ভাবেই।
আমাদের কলেজের পাশেই ওদের বাসা।
প্রতিদিন সকালে প্রাইভেট পড়তাম
কলেজে।প্রতিসকালে দেখতাম
বাড়িরছাদের ফুলগাছে পানি দিত।পরে
জানতে পারলাম আমারা দুজনেই
সেমইয়ার।
প্রথমে বন্ধুত্ব পরে অবশ্য আমিই
ওকে প্রপস করেছিলাম।এক্সেপ্টো করে
নেয় সে।প্রথমদিকে ওর পাগলামীগুলো
খুব উপভোগ করতাম।বিশেষকরে
অন্ধকার ভোরে ওর হাতে হাত রেখে
নিরব রাস্তায় হাটা।কিন্তু আস্তে
আস্তে সবকেমন নিরস লাগতে শুরু
করলো যার ফলসরুপ আজ ব্রেকাপ।
রাতে বিছানায় যাওয়ার পরে বুঝতে
পারলাম কোনকিছুই যেন ঠিক নাই।আজ
কেমন যেনফাকা ফাকা লাগছে।আজ
আর ফোনে Good Night মেসেস
আসল না।নিজেকে অনেক বুঝালাম
কিন্তু বার বার ওরমুখটা চোখের
সামনে ভাষতে লাগলো।আমি আর
তাসনিমার হাসিমাখা মূখ দেখতে পারবো
না।ভাবতেই বুকের মাঝে সাৎ করে
উঠলো।
অনেক কষ্টে চোখে ঘুম আসলেও
বেশিক্ষন স্থায়ী থাকলো না।রাত
২টার দিকে খুব বাজে একটা সপ্ন দেখে
ঘুম ভেঙ্গে গেল।ঘুম ভাঙ্গতেই আমি
খেয়াল করলাম ভয়ে রিতিমত কাপছি।।
কিসের ভয় তখন বুঝতে না পারলেও
এটুকু অনুধাবন করলাম যে তাসনিমার
সাথে এরকম করাটা একদম ঠিক হয়নি।
তাকে আমার জীবনে খুব প্রয়োজন।
আর কিছুই মাথায় আসছিল না।
একদৌড়ে ওদের বাসায় আসলেও
কলিংবেল চাপার সাহস পেলাম না।তবে
বাইরে থেকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম
তাসনিমের ঘরে এখনো লাইট জ্বলছে।
হয়তো তাসনিমাও ঘুমাতে পারছে না।
ফোনটাও নিয়ে আসিনি।তাই চুপকরে
বসে থাকা ছাড়া কোন উপায় নাই।
বাড়ির সামনের বাগানেই বসে রইলাম।
কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি জানিনা কিন্তু
ঘুম ভাংলো পরিচিত কারো স্পর্শে।
চোখ মেলতেই দেখলাম তাসনিমা ভেজা
চোখে দারিয়ে আছে।শক্ত করে জড়িয়ে
ধরলাম ওকে।
---জানিনা তোমার কি মনোভাব।তবে
একরাতেই আমি বুঝে গেছি তুমি ছাড়া
আমি থাকতে পারবো না।
---তুমি কেন বোঝ না তুমি আমাকে
অবহেলা করলে আমার মরে যেতে ইচ্ছা
করে।(কেদেঁ কেদেঁ)
চোখের পানি মুছিয়ে দিয়ে বললাম
---আজ রাস্তাটা একটু বেশিই নিরব।
চল হাড়িয়ে যাই।
হাতে হাত চোখে চোখ রেখে ঘনকুয়াশায়
শিউলি বিছানো পথদিয়ে এগিয়ে চলে
এরকম হাজারো নিরব-তাসনিমার
ভালবাসার সম্পর্ক্য।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now