বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মৃত্যুর শেষ দুয়ার (৩)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Marufa (০ পয়েন্ট)

X গল্প : মৃত্যুর শেষ দুয়ার লেখক : কাজি মেহেরাব হোসেন পর্ব : ৩ . . আচমকা সজিবের মনে হাল্কা ভয় জন্মাতে থাকে।চারপাশে অন্ধকার অনেক।যেহেতু অজানা গুহায় হারিয়ে গিয়েছে ফলে দিনের আলোও হয়ত তার কপালে নেই।অন্ধকারে বাচার জন্য প্রানপনে এদিকে ওদিকে ছুটতে থাকে সজিব।তবে সে মাকসুদাকেও খুজতে থাকে যেহেতু সেও এখানে এসে হারিয়ে গিয়েছে।তাকে ছাড়া কিছুতেই ফিরবে না সজিব।হাটতে হাটতে হটাত তার মনে হতে লাগল যে সে এই যায়গায় প্রথমেও এসেছিল আর একটি সুরংগ মত দেখেছিল।তবে বাইরে থেকে দেখে তার যতটুকু মনে পরে অনেক ছোট হবার কথা সুরংগটির।তবে এখন তো পথ খুজেও পাওয়া যাচ্ছে না।এমন মনে হচ্ছে যেন অচেনা দুয়ার ভেদ করে অন্য জগতে সে চলে এসেছে।চারপাশে ঘন অন্ধকারে মাঝে মাঝে কিছু অদ্ভুদ শব্দ শুনা যাচ্ছে।সেগুলা ভুতের শব্দ মনে না হলেও বুকে বার বার আঘাত দিতে থাকে।হটাত সজিব থমকে দারায়।তার মনে হতে থাকে পিছন থেকে কোন খস খস আওয়াজ তার দিকে এগিয়ে আসছে।সজিবের কপাল দিয়ে অনবরত ঘাম ঝরতে থাকে।খস খস শব্দটা সজিবের ঠিক ১ হাত পিছনে এসে থেমে যায়।মনে মনে যা সুরা মুখস্ত সব পরতে থাকে সজিব।হটাত আচমকা কিছু না ভেবেই দৌর দেয় সে আর একটা কিছুতে ধাক্কা খেয়ে পরে যায়।পাগলের মত চিল্লাতে থাকে আর সে বুঝতে পারে যে আজ তার জীবনের শেষ দিন।এ সময়েও তার বার বার মাকসুদার চিন্তা হতে লাগল।এরই মধ্যো সজিবের চোখ আটকালো লাল কিছু জিনিস দেখে।দুটা চোখ মত দেখতে কিছুটা আগুনের মত জ্বলতে দেখা যাচ্ছে তার থেকে ঠিক কিছুটা সামনেই।হটাত করেই চারপাশ দিয়ে অট্টঠাসির শব্দ শুনা গেল।এ যেন সহস্র লোক এক ভাবে হেসে চলেছে।সজিব নিজেকে বোঝানোর ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকল তবে কিছুতেই পারছিল না।লাল দুইটা চোখ তার কাছে এসে ডাক দিল।এরপর সজিব জ্ঞ্যান হারিয়ে ফেলল।তবে জ্ঞ্যান হারানোর আগ মুহুর্তে সজিবের কানে কিছু আর্তনাদ এর শব্দ ও কটমট আওয়াজ পৌছাল . . জ্ঞ্যান ফিরে উঠতেই দেখল চারপাশে অনেক আলো দেখা যাচ্ছে।সুরংগটার উপর দিকটা খোলা বিধায় আলো এসে পরছে ভিতরে।রাত্রের কথাগুলা মাথায় আসাতেই সজিব বাইরে দৌর দিল।বাইরে এসে কিছুটা সময় জিরিয়ে নিল তবে দেখতে পেল সাড়া শরীর রক্তে ভরা।কিছুটা ভয় পেয়ে আবার সে যায়গায় ফেরত চলে গেল মাকসুদাকে খোজার উদ্দেশ্য।কিছুদুর যেতেই তার সন্ধান পেয়ে গেল।মাকসুদাকে কোলে করে নিয়ে বাইরে চলে আসল তবে খেয়াল করল মাকসুদার সারা শরীরে রক্ত বটেই মুখেও রক্ত দেখা যাচ্ছে।সবার থেকে নজর লুকিয়ে তারা বাংলোতে ফিরে গেল।কাপর পালটে নিল যাতে কেউ সন্দেহ না করে তবে আজকের ঘটনাটা মোটেও ফেলে দিবার মতন না।আজ তো প্রায় মাকসুদাকে হারিয়ে ফেলেছিল সজিব।নাহ আর না কালকেই চলে যাবে এ বাড়ি ছেরে।মাকসুদা উঠে নাস্তা বানাতে চলে গেল আর সজিব ও তাকে কিছু বুঝতে দিল না --এই শুনো --পরে আগে নাস্তা টি তৈরি করে নেই --হুম করবে তবে শুন এখন।আচ্ছা কাল রাত্রে কি হয়েছিল তোমার কিছুই কি মনে আছে --কি মনে থাকবে হুম --মানে রাত ১ টার পরে তুমি কি কোথাও গিয়েছিলে ওয়াশরুম বা এমনি কোথাও --নাতো।আর এমন প্রশ্ন করলে কেন।রাত্রে জান তো হাজার ঘটনা হলেও আমি উঠি না --ও আচ্ছা তাই।হাহা কেমন লাগল তোমার।মজা করছিলাম কথা না বলে যাবে কোথায় শুনি --হুম এবার সরেন।ফাজিল কোথাকার --আরেকটা কথা ছিল --না এবার আর সময় নেই --আমরা আজই চলে যাচ্ছি এ বাড়ি ছেরে --আজ মানে।কেন কি হয়েছে সজিব মাকসুদাকে অন্য একটা কথা বুঝিয়ে তাকে ব্যাগ গোছাতে বলে দিল যে সন্ধার আগেই রওনা দিবে এখান থেকে।দেখেই বোঝা যাচ্ছিল বেচারির মুখ মলিন হয়ে গেছে তবে এত কিছু দেখার সময় নেই . . খাবার শেষে সব কিছু গুছিয়ে রাখে তারা।বিকালের দিক পর্জন্ত সব কিছুই স্বাভাবিক ভাবেই চলতে থাকে তাদের কাছে তবে বাইরে আসতেই মাকসুদা কিছুক্ষন পর গান গাওয়া শুরু করল আচমকা ভাবেই।বাগানে আসার পর এমন মনে হলো যেন কেউ তাদের অনবরত দেখছে।এরই মাঝে মাকসুদা থেমে দারাল আর পিছনের দিকে ইশারা করে বলতে লাগল "ও ডাকছে" সজিব পিছনে তাকিয়ে কিছু না দেখতে পেয়ে আবার হাটতে থাকে তবে মাকসুদা কিছুতেই যেতে চাচ্ছিল না।এক পর্যায়ে সজিব মাকসুদার হাত ধরে টানতে থাকে।তবে মজার ব্যাপার যতই মাকসুদাকে টানতে থাকে সজিব ততই পিছে সরতে থাকে।এমন মনে হয় যেন মাকসুদাই তাকে টানছে।এভাবে কিছুক্ষন যুদ্ধের পর আচমকা দরজা বন্দ হয়ে যায় আর চিতকার আসতে থাকে "যা যা আমাদের থেকে দূরে চলে যা।না কাছে আসবি না।তুই ধোকা দিয়েছিস এবার তোকে মরতে হবে।"।কিছুক্ষন পর কান্নার শব্দ টের পাওয়া যায় ছেলে কন্ঠের।হটাত সামনে দেখে মাকসুদা হাসছে আর তার মুখ থেকে পানির মত রক্ত বেয়ে চলেছে . ..................(চলবে),,,,,,,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now