বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক ভূতুড়ে রাত

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)

X ★লেখকঃ মিম★ এখন যে ঘটনাটা বলছি এটা নিছক গল্প না। একটা সত্যি ঘটনা।ঘটনাটা আমার বড় খালুর।খালু যখন ঘটনাটা বলে তখন আমি, মিনা, রাজু,সাজু, মাহি আর রবি ভয়ে গুটিসুটি হয়ে বসি। আমাদের সাজুটা একটু বেশি ভয়কুরে। ও তো ভয়ে চোখই বন্ধ করে রাখে। যাই হোক এখন গল্পটা বলি।আমার বড় খালু পৈতৃক সম্পত্তি হিসাবে একটা ঘোড়ার গাড়ির সাথে দুটো ঘোড়াও পেয়েছিল। তো গ্রামে ঘোড়ার গাড়ির চলন না থাকলেও শহরে বেশ কদর আছে এটার। তাই খালু ঠিক করল ঐ গাড়িটা তিনি নিজেই চালাবেন। যেমন কথা তেমন কাজ। উনি প্রতিদিন প্যাসেন্জার নিয়ে বিভিন্ন জায়গাতে যেতেন। একদিনকার কথা প্রায় বিকেল হবে হবে ভাব। এমন সময় একটা লোক খালুকে বলল তাদেরকে একটু বাড়ি পৌছে দিতে। খালো জিজ্ঞাসা করল, কত দূর? লোকটা বলল,গ্রামে। খালুতো কোনো মতেই রাজি না। লোকটা অনেক জোরাজুরির পর খালু যেতে রাজি হল। গাড়িতে উঠে লোকটা একটু হাসপাতালে যেতে বলল।খালু তখন গেলোও। যাওয়ার পর দেখলো লোকটা একটা লাশ তুলছে খালুর গাড়িতে।খালুর লাশটা দেখে ভেতরে ভেতরে একটু কেমন যেনো লাগলো। কিন্তু কিছু বলল না গ্রামে যেতে যেতে সন্ধ্যে লেগে গেলো । লাশটা নামিয়ে যখন ফিরছিল তখন একদম অন্ধকার রাত।গাড়ির হেডলাইটের আলো যতদূর যায় শুধু ততটুকুই দেখা যাচ্ছে। এমন সময় সামনে এল এক তেমাথা। এই এলাকায় খালু এই প্রথম এল। আর তাছাড়া দিনের বেলায় রাস্তা একরকম ছিল আর রাতের বেলা আর এক রকম। খালু বুঝতে পারল না কোন রাস্তায় গেলে মেইন রোডে যাওয়া যাবে। এমন সময় গাড়ির পাশ দিয়ে একটা সাদা কাপড় পরা লোক যাচ্ছিল। খালু দ্রুত সেই লোকটাকে বলল,আচ্ছা ভাই মেইন রোডে যাওয়ার রাস্তা কোন দিকে? লোকটা কোনো কথা বলল না। শুধু হাতের ইশারায় পূর্ব দিকের রাস্তাটা দেখিয়ে দিল। খালু লোকটাকে বিশ্বাস করে সেই পথেই চলতে শুরু করল। কিছুদূর চলার পর গাড়ি আর চলতে চাইছে না। ঘোড়াগুলোকে এত কমান্ড দেওয়া হচ্ছে কিন্তু ওগুলো আর সামনে এগোচ্ছে না । আর যে একটু আধটু চলছে তাতে পেছনে কি যেন কড়মড় করে ভাঙছে । গাড়ির ঐ স্বল্প আলোতে বেশি কিছু দেখা যাচ্ছে না। গাড়ি যখন পুরো থেমে গেল তখন খালু খুব ভয় পেয়েছিল। কিন্তু বুদ্ধি হারায় নি। তো খালু তাড়াতাড়ি গাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে ভেতরের সব আলোও জ্বিলিয়ে দিল। আর গাড়ির প্রায় সব জায়গাতে আগরবাতি ধরিয়ে দিল। আর জোরে জোরে দোয়া এ ইউনূস পড়তে লাগল। পড়তে পড়তে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ল টেরই পায় নি। পরে চারিদিকে মানুষের কোলাহলে উনার ঘুম ভাঙলো। মানুষরা ভেবেছিল গাড়ির কাছের মধ্যে হয়ত উনি মরে রয়েছেন। উনাকে জিবিত দেখে সবাই স্বস্থির নিস্বাস ফেলল। পরে খালু দেখল এটা একটা কবরস্থান। খালুকে এই ঘটনা জিজ্ঞাসা করায় খালু ঐ লোকটা থেকে শেষ অবধি সব খুলে বলল। সবাই তখন খালুকে বলছিল, যে লোকটা আপনাকে পথ দেখিয়েছে ওই আসল শয়তান। এই এলাকার মানুষগুলোকে একেবারে অতিষ্ঠ করে রেখেছে। তুমি যদি তখন আগুন না জ্বালাতে আর দোয়া না পড়তে তবে আর তুমি জিবিত থাকতে না। গল্প শেষ হয়ে গেছে। আমরা সবাই চোখ বড় বড় করে গল্প শুনছিলাম। কিন্তু সাজু বেচারা দেখি এই ভরা গরমে কাথা মুড়ি দিয়ে বসেছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভূতুড়ে রাত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now