বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিরব ভালোবাসা--+০৭

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলো ৫ টা মিসকল আর একটা মেসেজ। নিলয়ঃফোন ধরো না কেনো? তারা তারি কেলজে আসো।আমি আসতাছি। অবনি উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে কলেজের জন্য বের হলো।অবনি কলেজের কাছাকাছি চলে আসছে আর হাজার কথা ভাবছে তখনি ছারের ফোন। নিলয়ঃএকটা থাপ্পর দিবো।আমি ডাকা থেকে চলে আসছি আধা ঘন্টা হয়ে গেলো আর তুমি পারলা না এখননো আসতে।তোমার কাছে আমার কথা ফাইজলামি মনে হয়??...........। ( অনেক রাগ হয়ে গেছে নিলয়) নিলয়ঃ ছার আমি চলে আসছি এখন কলেজের মাঠে।( ভয় পেয়ে) নিলয়ঃতুমি কলেজ মাঠে কি করো? বাংলা ছারের রুমে আসো।(এবারো ধমক দিয়ে।) ছারের আজ হয়েছে কি এত রাগ দেখানোর কি আছে আমি কি তাকে আসতে বলছি।নিজের ইচ্ছায় আসছে আবার বকাও দেয়।এতদিন পরে আসলো কোথায় একটু ভালোভাবে কথা বলবে তা না করে রাগারাগি করছে।এসব ভাবতে ভাবতে বাংলা ছারের রুমের সামনে চলে আসলো। অবনিঃছার আসবো......?(ভয়ে ভয়ে) নিলয় পিছন ফিরে তাকালো আর অবনিকে দেখলো। তারাতারি সামনে এসে একটানে অবনিকে নিলয়ের বুকে টেনে নিলো। অবনি কিছু বলছেনা আবার ছারকেও ধরতে পারছে না। নিলয়ঃএত দেরি করলে কেনো তুমি? তোমাকে দেখার জন্য আমি পাগল হয়ে আছি তুমি কি কিছু বুঝনা? আর কবে বুঝবা যখন থাকবো না তখন? অবনিঃ(ছারকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো) আপনি কি ডাকা থেকে আমাকে বকা দিতে আসছেন? নাকি......?? নিলয়ঃ(আর রাগ নেই)......... নাকি কি? (পোরা হাতে একটা আদর দিলো) আমি খুব ভয় পেয়ে গেছিলাম সোনা।আর রান্না ঘরে যাইবা না লাগবে না রান্না। অবনিঃঠিক আছে। নিলয় একটা বেগ অবনির হাতে দিলো আর বললো। এই বেগে একটা শাড়ি আছে তোমার জন্য আমি আবার যেদিন আসবো তুমি এই শাড়ি পরে আমার জন্য অপেক্ষা করবে। অনেক সময় তারা বসে কথা বললো। নিলয়ঃচলো তোমাকে আগায় দিয়ে আসি। অবনিঃ জি ছার। নিলয়ঃঅবনি তুমি কি সারা জীবন আমাকে ছারই বলবে? অবনিঃনা ছার।(জিবরায় কামর দিয়ে) নিলয় আর অবনি হাটছে আর নতুন ভার্সিটির গল্প বলছে। অবনি কে বিদায় দিয়ে নিলয় কলেজে চলে গলো ওখানে আরো কিছু সময় কাটিয়ে ডাকা চলে গলো। অবনিরতো আর খুশির সিমা নাই। খুব ভালোই চলছে দিন গুলি। ইদানিং নিলয়ের ব্যাস্ততা ইকটু বেশি তাই অবনিকে আগের মতো সময় দিতে পারেনা। আস্তে আস্তে ব্যাস্ততা বেরেই যাচ্ছে। এখন শুধু একবার কথা বলে রাতে। অবনি কিছু জানতে চাইলে কাজের অনেক চাপ দেখায়। অবনি ভাবে হতেও পারে। আর ৩ দিন পর অবনির রেজাল্ট অথচ ছার সেটা ভুলেই গেছে। ছারের মোবাইল বন্ধ। অবনি ভাবে হয়ত কাজের চাপ বেশি তাই। ৩ দিনেও আার মোবাইল ওপেন হলো না। আজ রেজাল্ট অবনি ছারের দেওয়া শাড়ি পরে ছারের অপেক্ষা করছে।অবনির মা নিলয়ের জন্য অনেক খাবার রান্না করছে। আজ বারিতে অনেক মেহমানও আসছে। অবনি A+ পেয়েছে সবাই অনেক খুশি শুধু অবনি ছারা। অবনি ছারের পথ চেয়ে বসে আছে। কই সারাদিন গেলো রাত হয়ে আসলো ছারের কোন খবর নাই। অবনি আর সয্য করতে পারছেনা। এক এক করে সব মেহমান চলে গেছে। অবনি তার রুমে বসে আছে কিন্তু তার চোখে আজ পানি নেই। অবনি চুপ চাপ বসে আছে। অবনির বাবা মা অবনি কে এভাবে আর দেখতে পারছে না।অবনির বাবা আর মা রুমে আসলো। অবনিঃবাবা তোমরা কিছু বলবে? বাবাঃহ্যা মা বলবো সোন........... অবনিঃবলো........... বাবাঃআমি যখন ডাকা চাকরি করতাম তখন আমার এক কলিগের সাথে খুব ভালো সম্পর্ক হয়।তারা সামি স্ত্রী ২জনি চাকরি করতো।খুব ভালো মানুষ ছিলো।তুই তখন অনেক ছোট ছিলি।একবার শিড়ি থেকে পরে তোর মাথা ফেটে যায় অনেক রক্ত পরছে।তোকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাঃ বলে অনেক রক্ত লাগবে না হলে তোকে বাচানো যাবেনা।কোথাও রক্ত পাই না আমি পাগল হতে লাগলাম তখন তারা ২ জনি তোকে রক্ত দিয়েছে।ধিরে ধিরে তুই ভালো হয়ে গেলি কিন্তু আমি তাদের কাছি রিনি হয়ে রইলাম।আমি বদলি হয়ে আমাদের গ্রামে চলে আসি আর তারা ডাকাতেই থাকলো।অনেক বছর খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো।হটাৎ একদিন খবর পেলাম তারা দুজনি মারা গেছে।আমি তাদের বাসায় যাই তাদের এক ছেলে আর এক মেয়ে।সেই ছেলেটা আর কেউ না নিলয়।তাকে এই কলেজে চাকরি দেই খুব আপন ভেবে নেই। তারপর ও যেদিন ডাকা চলে যাবে সেই দিন আমার হাত ধরে বলেছে ও তোকে ভালোবাসে।আমি ওর কাছে যানতে চাইছি তুই নিলয়কে ভালোবাসিস কিনা। নিলয় বলছে আংকেল আমি জানিনা।এই নিয়ে সেদিন নিলয়ের সাথে অনেক কথা হয়। নিলয়কে আমি বলছি যদি অবনি তোমাকে ভালোবাসে আমার আপওি নাই।তখন নিলয় তোর রুমে আসে তোর কাছে জানতে।তারপর ও আমার কাছে বলে আংকেল অবনি রাজি কিন্তু আমার আর আপনাদের মধ্যে যে কথা হলো তা কখনি অবনিকে বলবেন না।আমি নিজে বলবো ওর রেজাল্ট এর দিন।আমার হাতে একটা আংটি দিয়ে বলেছিলো আজ এই দিনে তোকে আংটি পরাবে।তোর মা তোর মামা মামি আর নানুকে ফোন দিয়ে নিয়ে আসলো নিলয়কে দেখতে।নিলয় তোর মা আর আমার সাথে সব সময় ফোনে কথা বলতো। কয়েকদিন ধরে ও আমার ফোন ধরেনা এখন আবার মোবাইল বন্ধ। তোকে আর এই অবস্থায় দেখতে পারছি না সব বলে দিলাম।মা অবনি সব ঠিক হয়ে যাবে। অবনি সব শুনলো কিন্তু একটুও অবাক হলো না। অবনিঃবাবা আংটি টা আমাকে দিবে।( নরমাল গলায়) বাবা আমাকে ইকটু একা থাকতে দাও। বাবাঃঅবনি তুই ভুল কিছু করবি নাতো মা??? অবনিঃনা বাবা আমার উপর বিশ্যাস রাখো। অবনির বাবা মা রুম থেকে চলে গেলো।অবনি দরজা লক করে দিলো। আংটি টা হাতে পরে নিলো আার জোরে জোরে চিৎকার করে কানতে লাগলো অনেক সময় কানলো। আজ ২ দিন হলো অবনি আর কাদেনা শুধু চুপচাপ থাকে কোন কথা বলে না। সারাদিন নিলয় কে ফোন দেয় আর sms দেয়।কোন sms আসেনা ফোন ও আসেনা।কিন্তু অবনির দেওয়া মেছেজ গুলি পড়া হয় অবনি তা বুঝে। আজ ১৫ দিন হয়ে গেলো অবনি সেই একি রকম আছে। অাজ সকালে নিলয়ের মোবাইল থেকে মেছেজ আসলো। নিলয়ঃতুমি আমাকে ভূলে যাও। আমি তোমাকে ভুলে গেছি।তুমি আমাকে আর sms দিও না আমি বিরক্ত হই। অবনির কোন পরিবর্তন এলো না। এই ভাবে আজ ২৫ দিন হয়ে গলো। অবনির ঘুম নাই খাওয়া নাই চোখে এক ফোটা পানিও নাই অবনি নিলয়কে আর এসএমএস ও দেয় না। অবনির বাবা নিজের মেয়েকে এভাবে শেষ হতে দেখতে না পেরে কলেজ থেকে ঠিকানা নিয়ে ডাকা গেলো নিলয়ের ভার্সিটিতে।কেন এমন করলো নিলয়? কি অপরাধ করেছে অবনি।? ২ দিন পরে অবনির বাবা ফিরে আসলো। অবনির মার কাছে বললো। বাবাঃঅবনির মা নিলয় বিয়ে করেছে। মাঃ কি বলছো তুমি? তোমাকে কে বলছে? নিলয় নিজের মুখে বলছে? বাবাঃনা!! প্রিন্সিপাল স্যার বলছে নিলয় নাকি এখন ছুটিতে আছে নতুন বিয়ে করেছে তাই। অবনির বাবা মা ভাই সবাই কাদছে।কেন এমন হলো তাদের সাথে। অবনি সব শুনতে পেলো কিন্তু কিছু বললো না।সেই আগের মতই আছে। আজ ১ মাস হয়ে গেলো অবনি আর আগের মত নাই চোখের নিচে কালি জমে গেছে ও জেনো বোবা হয়ে গেছে। অবনির বাবা মা মামা মামি নানু সবাই হতাস হয়ে গেলো।কি করবে? তখন মামা মামি বললো অবনিকে বিয়ে দিয়ে দিতে এবং সেটা মামা মামির একমাএ সন্তান অভি।অভি দেশের বাইরে থাকে।সবাই জানে অভি অবনিকে পছন্দ করে।সবাই রাজি তাই অবনির কাছে মতামত জানতে চাইলো। অবনিঃতোমরা যা ভালো মনে কর তাই করো আমি আর তোমাদের দুঃখ দিতে চাই না। সবাই এই কথা শুনে খুব খুশি হলো।অভিকে ফোন দিল অভিও খুব খুশি। অভি আসবে আর ৩ দিন পরে। অবনি জানে অভি মোটেও ভালো ছেলে না।অবনিকে কু নজরে দেখে অবনি একদিন জুতা দিয়ে পিটান দিয়েছিলো ওর সাথে খারাপ আচরনের জন্য।অবনি জানে অভি কোনদিন ওকে সুখে রাখবে না। এখন রাত আর এই রাত শেষ হলেই কাল অবনির বিয়ে।রাতে অবনি নিলয়কে একটা মেছেজ দিলো। অবনিঃ নিলয় তুমি যখন এই sms পরবে তখন আমি অনেক দুরে থাকবো।তুমি আমাকে ভুলে গছো আমিও তোমাকে ভুলে যাবো।কাল আমার বিয়ে। স্যার আমি তোমাকে ভালোবেসেছি কোন খেলা করিনি।নিলয় তুমি টিচার তাই জীবনটাকে একটা ব্লাকবোর্ড মনে করো আর সেখানে যা খুশি তাই লিখে আবার মুছে ফেলতে পারো যেমনটা তুমি আমার সাথে করেছো।স্যার আমি তোমার ছাএী তুমি ব্লাকবোর্ড এ লিখেছো যা শিখিয়ছো তা আমি আমার জীবন নামের খাতায় লিখেছি। তুমিতো সব লিখা খুব সহজে মুছে ফেলেছো আমি কি করে মুছবো আমিতো কলম দিয়ে লিখেছি যা মুছতে গেলে আমায় কাগজ টাই পুরে ফেলতে হবে। আর আমি তাই করবো।আমার এই শরীল শুধু তোমার আদর পাওয়ার জন্য অন্য কারো জন্য না।যেখানে এই শরীল কাউকে দিবোনা মনতো অনেক দুরের কথা তাই কাল সকালে আমি অনেক গুলি ঘুমের ঔষধ খাবো।চিরদিনের জন্য ঘুমিয়ে যাবো। তোমার দেওয়া শাড়ি আংটি পরে তোমার কাছে যেতে না পারলেও তা জরিয়ে মৃৃত্যুর কাছেতো যেতেই পারবো।শুনলাম তুমি বিয়ে করেছো সুখেই আছো সুখেই থাকো।তোমার আদরিনী।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now