বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এভাবেই চলতে থাকে আমাদের বন্ধুত্ব ।সবাই বলতো ,শাহি আমাকে ভালোবাসে কিন্তু এখন পর্যন্ত শাহি নিজে মুখে এসে আমাকে কিছুই বলে নী ।আমার ভালোবাসটাও আবহেলেয় বেড়ে উঠছে,
পরীক্ষা চলে এসেছে ।এবারের পরীক্ষার প্রিপারেশনটা খুব ভালো ,প্রতিবারের ন্যায় ।হয়তোবা পরীক্ষাটা বেশ ভালোই হবে, অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গেলাম ,এখন আর আব্বু আম্মুর জন্যেও কষ্ট পাইনা ,অসুস্হ হলে কিংবা মন খারাপ হলেও ভেঙ্গে পড়ি না ,,ভালোবাসে এখন একটা বন্ধুত্বের জন্যেই বেঁচে আছি ,,শাহি পাশে থাকলে এখন শত বৎসর বাঁচার ইচ্ছা করে ,,,
পরীক্ষা শুরু হতে ,আর মাএ তিনদিন ।এবার একটু বেশিই অসুস্হ হয়ে গেছি ।কিন্তু জানি ,আমার অসুস্হতার কথা শুনলে শাহি কষ্ট পাবে ,ওর পড়া শুনার কষ্ট হবে ।তাই ,কাওকে কিছুই জানালাম না ,সবার সামনে ভালো থাকার অভিনয় করতে শুরু করলাম আবার ও ,,হুমম আমিও ভালো আছি ,,কষ্ট গুলো সহ্য করতে করতে এখন আমি পাথর হয়ে গেছি ,এখন আর কারোও কোন কথাতেই কষ্ট পাই না ,।
আজ আমার প্রথম পরীক্ষা ,
শাহি আমার পাশের সারির দুই বেঞ্চ সামনেই বসেছে ।অসুস্হ হাসতে পারছিনা ,শাহি ইশারায় বললো ,চিন্তা করো না ,পরীক্ষা অবশ্যই ভালো হবে ,
আমি - হুমমম হবে ,,ইচ্ছা না থাকা স্বত্বেও হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করছি ।
পরীক্ষার প্রশ্নপএ্র এই মাএ হাতে পেলাম ,প্রশ্নটা ভালোভাবে পরছিলাম ,শাহি পিছনে ঘুরে তাকালো ,বললো সব কমন আসছে কিনা ?আমি শুধুই মাথা নড়ালাম ,,
লিখা শুরু করলাম ।কয়েকটা প্রশ্ন লিখলাম ।কিন্তু ধীরে ধীরে হাতটা অবস হয়ে আসছে আর লিখতে পারছিলাম না ।ঠিক তখন শাহির কথা মনে হলো_
আমাকে তো ভালো রেজাল্ট করে শাহির গর্ব হতে লাগবে ,
আবার লিখা শুরু করলাম ।একটু লিখতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছিলাম ,হাত কাঁপছিলো ,ঘেমে যাচ্ছিলাম ,চোখ মুখ লাল হয়ে যাচ্ছিলো ,,বারবার শাহির কথা মনে পড়ছে আবার ও লিখতিছি ??
স্যার হয়তোবা আমার দিকে দেখছিলো ।স্যার আমাকে জিঙ্গাসা করলো_
কী ব্যাপার তিনা ? লিখতিছো না কেন ?
কোন সমস্যা ?
না স্যার ,ঠিক আছি ,আমার নাম শুনতেই শাহি পিছনে ঘুরে তাকালো ,,আমাকে ইশারা করলো_
মুখটা লাল হয়ে গেছে কেনো ?খারাপ লাগছে কী ?
আমি - না ,কিছুনা ।লিখো ,সময় নেই...
শাহি লিখা শুরু করলো ।আমিও লিখতে শুরু করলাম ।তিন ঘন্টার পরীক্ষা হাত এতটায় কাঁপছিলো যে মনেহয় কত বছর ধরে লিখতিছি ?
এত কিছুর পর ও লিখার চেষ্টা করে যাচ্ছি ?কেননা আর কখন ও কারো কাছে হেরে যেতে চাই না ?
সময় আর কিছুক্ষন ,তাড়াতাড়ি লিখা শেষ করলাম ,অসুস্হতার কথা কাউকেই জানালাম না ,,সবার প্রথমে রুম থেকে বের হয়ে আসলাম যাতে কেউ বুঝতে না পারে ।
অর্ধেক রাস্তা চলে আসছিলাম ।হঠাৎ শাহি পিছন থেকে ডাকলো ?
কী ব্যাপার আমাকে রেখে একা একা চলে আসছিলা যে ?
আমি ; না ,কালকের পরীক্ষার প্রিপারেশন নিতে হবে যে তাই ?
শাহি ;ওহ, তাই ?কেমন দিলা ?আর মুখ লাল হয়ে গেছে কেনো শুনি ?
আমি ;তেমন কিছুই না ,পাগলু ?
শাহি ; আচ্ছা ,,আজকে স্যার তোমার দিকে এমন ভাবে তাকাই ছিলো কেনো ?
আমি ; কই আমি তো দেখি নী ।
শাহি ; ওহ,?স্যার কী তোমাকে কিছু বলছে নাকি ?
আমি ; না পাগলু ,কিচ্ছু না ।
শাহি ; আমার কেন জানি মনে হচ্ছে কিছু লুকাচ্ছো আমার থেকে ,এই আমার দিকে তাকাও ?
আমি ; শাহি আমার চোখ দেখেই বুঝতে পারছে ,কিন্তু আমি তো সত্যি বলতে পারবো না ,অনেক কষ্ট পাবে তুমি ?..
তারপর বাসায় চলে আসলাম ।আর ও বেশি অসুস্হ হয়ে পড়লাম ।একটু একটু করে কষ্ট গুলো বাড়তে শুরু হলো কিন্তু ভেঙ্গে পড়লাম না ।
অসুস্হতার মধ্যেই পরীক্ষা গুলো দিয়ে দিলাম ।পরীক্ষা শেষে শাহির সাথে আর বেশি কথা হলো না ।আমাদের মধ্যে দুরত্ব বাড়তে লাগলো ।হঠাৎ শাহি মেসেজ দিলো_
ভুলে গেছো আমাকে ?
আমি - কই না তো ,
শাহি - তাহলে কথা বলো না ,বিকেলে বাসা থেকে বের হও না ,দেখা করো না ?একা থাকো ,বান্ধবীদের সাথে যোগাযোগ নেই তোমার ,তোমার কী সব সময় মন খারাপ থাকে ?
আমি - জানিনা ,।
শাহি - মিথ্যা বলাটা আমার পছন্দ না ,তোমাকে কিছু বলতে চাই ?
আমি - হুম ,বলো ?
শাহি - পরীক্ষা শেষ ,প্রায়ভেট থেকে পিকনিক হচ্ছে ,সেদিন বলবো ?
আমি - আচ্ছা বলিও ?
শাহি - তোমার টাকা আমি দিয়ে দিছি ?
আমি - কেনো ?এমনিই তুমি টাকা পাও আমার থেকে ?
শাহি - না ,বাদ দাও তো এসব ?একটা কথা শুনছি বলবো ?
আমি -বার বার পারমিশন নিচ্ছো যে ,আমাকে পর করে দিচ্ছো ,বলো ?
শাহি - কিছু মনে করবা না তো ?
আমি - বলবা তুমি ?
শাহি -হুম ,কিছু মনে করিও না ,জানি এটা তোমার পারসোনাল বিষয় তারপর ও ,তোমার পরিবারে কি কোন সমস্যা চলতিছে ?
আমি - তোমাকে কে বললো ?
শাহি - আমাকে বলবানা তুমি ? কী সমস্যা গো বলো ?
আমি -কালকে আমি স্যারের কাছে যাবো ,যাবা তুমি ?
শাহি - যাবো ,কালকে ঠিক ৮টায় তোমার জন্যে অপেক্ষা করবো ?
আমি - ঠিক আছে ?
শাহি -তখন বলবে কিন্তু ?
আমি -হুমম ?
পরের দিন_
তাড়াতাড়ি উঠে রেডি হয়ে নিলাম ।আজকেও একটু চোখে কাজল দিলাম ।ঠিক সময়মতো মাঠের কাছে গেলাম দেখলাম শাহি অপেক্ষা করছে ?
ওর কাছে গেলাম_
ও আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বললো দারুন লাগছে তোমাকে দেখতে ?
ওর কথা শুনে হেসেই ফেললাম ।
তখন শাহি বললো ,সবসময় এরকুম হাসি খুশি থাকতে পারো না ,এতো মনমরা থাকো কেনো ?
ওর কথা শুনে চোখে পানি এলো ?কষ্টের সময়ে একটু হাসার চেষ্টা করলেই নাকি চোখে পানি আসে ,,,ঠিক তাই ।আমার ও চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে ?
শাহি - কাঁদছো কেনো পাগলি ? কী হয়েছে তোমার বলো ?
আমি -জানিনা ,কিছু না ,চোখে কিছু পড়ছে হয়তো তাই পানি পড়ছে ?
শাহি - আমি কী কিছু বুঝি না ?তোমার চোখ বলছে মিথ্যা বলছো তুমি ?
বলেই ও আমার চোখের পানি মুছে দিলো আর বললো আর কখন ও তো৮অর চোখে যেনো পানি না দেখি ??
আমি - চোখে পানি তো আমার চোখে প্রতিদিনই আসে ,শুধু আজ তুমি বুঝতে পারছো ,অন্যদিন পারো না ?
শাহি - কি হয়েছে তোমার ,বলো পাগলি ?
তখন শাহির চোখে থেকেও পানি পড়ছিলো ,জানি আমার কষ্টে তুমি ও সমান কষ্ট পাচ্ছা ।কিন্তু কষ্ট যে আমার প্রতিদিনের সঙ্গী ,তা তোমাকে বুঝাই কীভাবে ,,তুমি যে আরোও কষ্ট পাবে ??
তখন আমি বললাম_
দেখো শাহি ,তুমি আমার পরিবারের বিষয়ে কিছুই জানো না ।আজ যে কতদিন হয়ে গেলো আমার আব্বু আমার সাথে কথা বলে না ,,কেউ আমাকে পড়তে বসতেও বলে না ।এমনকি আমি ভালো আছি ,আমার কী লাগবে ,আমি খাইছি কীনা কারোর কোন খেয়াল ও নাই ।
কেউ আমার সাথে কথা বলে না ,কেয়ার করে না ,আমি একা ।অবহেলা ,কষ্ট সহ্য করতে করতে এখন আমি পাষান হয়ে গেছি ।
শাহি - কিন্তু ? কেনো তারা কথা বলে না তোমার সাথে ?
আমি - ঠিক জানিনা ,ছোটবেলা থেকেই ওরকম ।
শাহি আবার ও আমার চোখের পানি মুছে দিলো ,এবং বললো কেঁদনা পাগলী ,একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে ?
আমি -একদিন কেনো কোনদিনই কিছু ঠিক হবে না ,তারা কেউ আমার সাথে কথা বলে না ,তাদের কাছে আমি মারা গেছি ,জিন্দা লাশ হয়ে বেঁচে আছি ?
শাহি - উহহ, এসব কথা বলতে নেই ।আমি আছি না ,তোমার পাশে ,
আমি -হুমম ।
শাহি - এই চকলেট খাবে ?
আমি - দাও ,
চকলেট খাচ্ছি ।শাহি হঠাৎ করেই বললো_
একটা কথা বলবো ?
আমি - বলো ?
শাহি - না থাক ,অন্যদিন বলবো ,
আমি -না বলো ?
শাহি -না পরে বলবো ,,
আচ্ছা ঠিক আছে ।বলেই স্যারের কাছে চলে গেলাম ।আমারা সবাই স্যারের সামনে দাঁড়িয়ে আছি ।তারপর স্যার হঠাৎ করেই বললো_
আজ তোমাদের সবার সামনে আমি তিনাকে কিছু কথা বলতে চাই _
জি স্যার বলেন_
স্যার আমার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসলেন_
সবাই স্যার আর আমার দিকে হা করে তাকিয়েই আছেন ,
ততক্ষনে শাহির চোখ থেকে পানি পড়ছে_
কিন্তু আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না তখন স্যার আমাকে কী এমন বলবেন_
একটু পরে_
স্যার ,আমার সামনে একটি আংটি ধরে বললেন_
অনেক দিন থেকেই তোমাকে ভালোবেসেছি ,কিন্তু কখন ও তোমাকে বলতে পারি নী ,যদি তুমি হারিয়ে যাও খুব ভয় পেতাম ।কিন্তু এখন আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই । Tina...I lOvE U ??
will U Marry Mee ??
আমি তো পুরাই অবাক হয়ে গেলাম ।স্যারের দিকে না তাকিয়ে শাহির দিকে তাকালাম ,হয়তো স্যার আমাকে প্রপোজ করাতে আমাকে নিয়ে ওর সব স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে ।
শাহির দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়েই আছি আর তখন শাহি চোখের পানি লুকাতে ব্যাস্ত ।তখন রাইসা আমাকে বললো.......
তিনা ,স্যার তোকে কিছু বলছে ?
আমি চমকে উঠে বললাম হ্যা,,
আমার মুখ থেকে হ্যা শব্দটা শুনার সাথে সাথে শাহি বাহিরে চলে গেলো ?
কিন্তু আমি তো স্যারকে ভালোবেসে হ্যা বলনি ,আমি তো চমকে গিয়ে হ্যা বলেছি_
কথাটা ভাবতেই স্যার বললো_
কি হলো ,তিনা ।বলো আমাকে ভালোবাসো ,,,,
আমি কিছু না বলেই ওখান থেকে দৌড়ে চলে আসলাম ,বাহিরে শাহিকে খুজতিছি কিন্তু পাচ্ছি না কোথাও ।
একটু পর রাইসা ও আর সব বান্ধবীগুরো আসলো ,রাইসার ফোন থেকে শাহিকে ফোন দিলাম কিন্তু নম্বরটি বন্ধ ।
শাহির বেষ্ট ফ্রেন্ড ,মানে রাইসার বিএফ রনি এসে বললো_
শাহি তোকে অনেক দিন থেকেই ভালোবাসে ,কিন্তু বলতে পারে না ,?ওই শুধু তোকে বুঝার চেষ্টা করেছিলো ,তোর পাশে থাকার প্রতিঙ্গা করেছে ।কিন্তু তুই যখন স্যারকে হ্যা বললি ওই ভুল বুঝে চলে গেছে ।
কিছুই বললাম না ,ততক্ষনে আমার চোখ থেকেও পানি পড়ছিলো ।বার বার ফোন দিচ্ছি ,মেসেজ করছি কিন্তু রিপ্লে দিলো না ।
বাসায় আসছিলাম_
একটা পিচ্চি এসে আমার হাতে একটা চিঠি দিয়েই চলে গেলো ।আর দেরি করলাম না ,রাইসা কে ব্যাগটা দিয়ে চিঠিটা পড়তে শুরু করলাম_
তিনা_
তোমকে কিছু কথা বলতে চেয়েছিলাম ।কিন্তু তা আর বলা হলো না ।একটা কথা জানো তো ,,
একটা ভালোবাসা তখনই ভালো হয় যখন ভালোবাসাটা একতরফা হয়,সেখানে কোন কষ্ট থাকে না ।
আজ আমার ভালোবাসাটাও একতরফা ,কিন্তু সবার থেকে আলাদা ,কারন কষ্ট কী তা আজই প্রথম বুঝতে পারছি ?
সবাই তো তার ভালোবাসার মানুষের ভালোবাসা পায় না ,হুমম আমি ও কখনই পাবো না জানি ,আমার ভালোবাসাটা না হয় না বলা ,না জানাই থাক ?
ভালোথাকুক ভালোবাসার প্রিয় মানুষটি অন্য কারোর ভালোবাসায় ,,,সবচেয়ে হাস্যজ্জল মুখটির ও একদিন পতন হবে ,যে হাস্যজ্জল মুখটিকে আর দেখা যাবে না ,কোন একদিন ব্যার্থতাকে হার মানিয়ে সেই মুখটিকে দেখা যাবে সাথা কাপড়ে মোড়ানো আগরবাতির ঘেরা একটি কাঠের খাটিয়াতে ,,,
হুমম ,আমি চলে যাবার পর বিছানার সেই বালিশটা যেনো হাফ ছেড়ে বলে উঠবে_
যাক আজকের পর থেকে প্রতিদিন রাতে কেউ তার সৃতির মায়াজালে পড়ে আর আমাকে অশ্যুসিক্ত করবে না ।
কীভাবে বাঁচবো বলো ,,আমার বাঁচার মানেটা যে আজ থেকে অন্যকারোর হবে._আমি তোমার জীবনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবো না ।তোমাকে সুখে রাখব প্রমিস করেছিলাম,....
সেইটা আমার কাছেই হোক বা অন্যকারোর ,আড়াল থেকে তোমার পাশে থাকতে চাই ,তবুও তোমার হাসি মুখটা প্রতিনিয়ত দেখতে চাই ,,
ভালো থেকো ।
চিঠিটা পড়ে আমি থমকে গেলাম ।ছুটে গেলাম শাহির কাছে_
নিজের ভালোবাসাকে ফিরিয়ে আনতে,
শাহির পছন্দের ওই নদীর পাড়ে গেলাম,,যেখান এ আমরা দুজনেই মন খারাপের সময়টাতে যেতাম ,,,
গিয়ে দেখি শাহি নদীর ওই পাশে তাকিয়ে আছে,
ওর ঘাড়ে হাত দিতে ও পিছনে ঘুরলো_
দেখলাম ওর হাতে সিগারেট_
ওইইইইইই তুইই সিগারেট খাচ্ছিস কেন??
-এখন তো এই আমার সঙ্গী ,খাবো না কেন ?(শাহি )
-হারামি ,বলেই ওর হাত আমার মাথায় দিয়ে কসম দিলাম আর কোনদিন সিগারেট খাইলে আমার মরা মুখ দেখবি ?
কথাটা বলতেই সিগারেট টা ছুড়ে ফেলে ও আমার মুখে হাত দিয়ে বললো মরার কথা বলিস না ,,তাহলে স্যারের কী হবে ??
-চুপ থাকবি তুই ?আর কখন ও খাবি না আমার কসম ।আর হ্যা ,আমি স্যারকে ভালোবাসি না ,তুই এখন ও আমার চোখের ভাষা বুঝিস না ,আমি কাকে ভালোবাসি ?
শাহি - স্যারকেই তো ভালোবাসিস ?
আমি - ঠাসসসসস ,আর বলবি কখন ও ?
শাহি - সত্যি বলতে ভয় পাই না ?
আমি -ঠাসসসসসসসসসস
কিছুক্ষন নিরবতা পালন করলাম দুজনেই কিছুই বললাম না ।
তারপর কিরে লাগছেনা তোর ,,
ওর চোখের দিকে তাকাতেই ও বললো তাকাস না তো...... তুই তাকালে আমি হারিয়ে যাই ।
আমি - আমি না তাকালে আর কে তাকাবে হুম ?
শাহি - কেনন আমার বউ ?
আমি - তোর বউ কবে হলো ,হারামি ,
কোন মেয়ের দিকে তাকাইলে চোখ তুলে তোর হাতেই ধরাই দিমু ,
শাহি - কেনন ?
ভালোবাসি বলেই ওর বুকে মাথা রাখলাম,,হুমম ভালোবাসি ভালোবাসি ।
তারপর আর কিচ্ছু কমু না ,ওই আপনারা বুইঝা নেন ?? আম্রে লজ্জা লাগে না বুজি ?পিলিগ কেউ নজর লাগাইবেন না ?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now