বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বোবা বউয়ের রোম্যান্টিক ভালোবাসা--০২

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ------------------- ___________________ চুপি , চুপি রুমে গিয়ে পিছন -দিক থেকে জেনিয়াকে ঝরিয়ে ধরলাম। জেনিয়া আমাকে ছাড়াতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো। . -কি হলো ভূত ম্যাডাম! আমাকে ভয় দেখানোর জন্য আপনাকে সাস্তি পেতে হবে![ওর কানে কানে বললাম] . জেনিয়া আমাকে এক ঝাটকায় ছাড়িয়ে নিয়ে হাতের ইশারার ' মাধ্যমে বললো- . -বিচানার- কি অবস্থা করেছো দেখছো? আবার বড় বড় কথা বলা হচ্ছে না।[চোঁখ গরম করে] . -ওমা স্বামীর জন্য দেখি ভূত ম্যাডামের আবার দরদও হয়। [আমি] . -ঐই আবার ফাজলামো করছো। দাড়াও বার করছি তোমার ফাজলামো।[রুম থেকে বের হতে হতে] . বাব্বাহ দেখিতো আমার বোবা বউ কি করে? কম্বলটা টেনে বিচানার ওপর আবার ধপাস করে শুয়ে গান শুনতে লাগলাম! . কিছুক্ষন পর দেখি দুটো ভূত! ও চরি একটা ভূত ও একটা মানুষ। আমার দিকে অগ্নিমূর্তির মতো তাকিয়ে রয়েছে। . -কিরে পাভেল তুই বউমাকে কি করেছিস।[আম্মু] . -আমি কি করলাম? আমিতো ওকে কিছুই বলিনি। ঐ তোমাকে -আমি কি বলেছি হা।[জেনিয়ার দিকে তাকিয়ে] . জেনিয়া আম্মুকে হাতের ইশারার মাধ্যমে বললো; আমি নাকি ওর গলা টিপে ধরেছি! . -কিরে পাভেল বউমা এসব কি বলছে[আম্মু] .. এ এটা তো ডাহা মিথ্যা কথা! ওকে কেনো গলা টিপে ধরতে যাবো! . - সত্যি আম্মু বিশ্বাস করো! আমি ওকে গলা টিপে ধরিনি! ও মিথ্যা বলছে![একটু কাঁদো কাঁদো গলায়] . -তাহলে কি বউমা মিথ্যা বলছে? তোর যদি ওকে পছন্দ না হয় আমাদের বলবি। তাই বলে কি গলা টিপে ধরবি?[রাগী কন্ঠে] . কি বলবো বুঝতে পারছি না। বউয়ের দিকে তাকিয়ে দেখি বউ আমার মিটিমিটি হাসছে। . -আর যদি কখনো শুনেছি তো তোর খবর আছে এই বলে রাখলাম।[রুম থেকে বের হয়ে] . আসতে না আসতেই মা দেখি বউ ভক্ত হয়ে গেছে! নে এবার ট্যালা সামলা। জেনিয়াও মায়ের পিছু পিছু যেতে যেতে পিছনে ফিরে এক হাতে বললো; . -উচিত শিক্ষা হয়েছে। কেমন দিলাম। আরও ঝরিয়ে ধরবে আমাকে?[হেঁসে হেঁসে] . সকাল সকাল মায়ের মুখে ঝাড়ি। আল্লাই জানে দিনটা আজকে কেমন যাবে। . ফ্রেশ হয়ে অফিসে যাবার জন্য রেডি হচ্ছিলাম। এমন সময় দেখলাম জেনিয়া আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে। . -ঐ আমার টাইটা একটু বেধে দাওনা।[একটু ভালোবাসা দিয়ে বললাম] . -আমি পারবো না। এতো দিন তো ঠিকি নিজে নিজে বেধেছো! আজকে কি হলো হা?[পেপারটা সামনে তুলে ধরে] . -ঠিক আছে দিতে হবেনা।আমি নিজে নিজেই বেধেঁ নিচ্ছি।[রাগ করে] .-আমার বরটা কি রাগ করছে?[জেনিয়া] . -না রাগ করবো কেনো? রাগ করার কি আছে? আমিতো কারো কেউনা![অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে] . -ওলে বাবা লে। এতো রাগ আমার মিষ্টি বরটার? আসো টাইটা আমিই বেধে দিচ্ছি।[মাথা নিচু করে] . তারপর জেনিয়া আমার টাই বেধেঁ দিতে লাগলো। আমি ওর কাজল কালো চোঁখের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি চেহারাটা দেখছি। . -এই ভাবে কি দেখো?[হাতে ইশারা করে] . -তোমার ঐ চোঁখদুটো দেখছি। তুমি সত্যিই অনেক সুন্দর।[চোঁখে চোঁখ রেখে] . জেনিয়া অনেকটা লজ্জা পেয়ে আমার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে হাতে ইশারা করলো; . -এতো দেখতে হবেনা! দেখছো কয়টা বাজে? অফিসের সময় হয়ে গেছে অফিসে যাও।[জেনিয়া] . -ঐ শুনো না।[আমি] . -আবার কি?[রাগী চোঁখে] . -চোঁখটা একটু বন্ধ করোনা। একটা সারপ্রাইজ আছে তোমার জন্য[মিথ্যা কথা সব চুমু খাওয়ার ফন্দি] . -কি সারপ্রাইজ। হু এইযে চোখঁ বন্ধ করলাম।[চোঁখ বন্ধ করে] . -উম্মাহ.........![টোঁঠে টোঁঠ রেখে] . জেনিয়া আমার দিকে ইয়া বড় বড় চোঁখ করে রাগী লুকনিয়ে তাকাচ্ছে! তাড়াতাড়ি কেটে পড়ি। এখানে থাকলেই এখন আম্মুর কাছে নালিশ করবে বউটা! . অফিসের ব্যাগটা নিয়েই দিলাম এক দৌড়। একদৌড়ে গাড়িতে এসে বসলাম। . দেখতে দেখতে অফিসে চলে আসলাম! অফিসে বসে আছি অনেকক্ষন ধরে। কিন্তু কাজে মন বসাতে পারছি না! বারবার বউটার মিষ্টি চেহারাটা চোঁখের সামনে ভেসে উঠছে! . -আসতে পারি পাভেল সাহেব?[স্যার] . -আরে স্যার আপনি? আপনি কেনো আসতে গেলেন? আমাকে খবর দিলেই তো পারতেন আমিই যেতাম।[একটু ঢপ দিয়ে] . -নো প্রভলেম মাই বয়। শুনেছি বিয়ে করে ফেলেছো? তা দাওয়াত তো এখনো পাইনি![স্যার] . -স্যার বিয়ে করিনি এখনো! শুধু আংটি পড়িয়ে রেখেছি! তাই আর বলিনি কাউকে![একটু মন খারাপের ভাব করে] . -ওয়েলডান মাই বয়! এতো দিনে একটা কাজের কাজ করেছো। তা তোমার মুখে এতো লিপস্টিকের চিহ্ন কেনো? নাকি বউকে সাজাতে গিয়ে নিজেই সেজে ফেলেছো? [লজ্জা লজ্জা ভাব করে] . এইরে খাইছে আমারে। জেনিয়ার টোঁঠের লিপস্টিক আমার মুখে লেগেছে তা মুছতেই ভুলে গিয়েছিলাম! . -না মানে স্যার[মাথা নিচু করে কিছু বলছি না] . -বুঝতে পেরেছি মাই বয়! যে কারনে এসেছিলাম। আজকে তোমার ছুটি। শুধু কাজ করলে তো হবেনা নতুন বউকে একটু সময় দেয়াও দরকার। বেস্ট অফ লাক মাই সন। . . হুর্রে! বাসায় গিয়ে আজকে জেনিয়ার সাথে ইচ্ছামতো দুষ্টুমি ও রোমান্স করতে পারবো। ভাবতেই কেমন জানি লজ্জা লাগছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now