বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-------------------
___________________
চুপি , চুপি রুমে গিয়ে পিছন -দিক থেকে
জেনিয়াকে ঝরিয়ে ধরলাম।
জেনিয়া আমাকে ছাড়াতে চেষ্টা করেও
ব্যর্থ হলো।
.
-কি হলো ভূত ম্যাডাম!
আমাকে ভয় দেখানোর জন্য
আপনাকে
সাস্তি পেতে হবে![ওর কানে কানে বললাম]
.
জেনিয়া আমাকে এক ঝাটকায় ছাড়িয়ে নিয়ে হাতের
ইশারার ' মাধ্যমে বললো-
.
-বিচানার-
কি অবস্থা করেছো দেখছো?
আবার বড় বড় কথা বলা হচ্ছে না।[চোঁখ গরম
করে]
.
-ওমা স্বামীর জন্য দেখি ভূত
ম্যাডামের
আবার দরদও হয়।
[আমি]
.
-ঐই আবার ফাজলামো করছো।
দাড়াও
বার করছি তোমার ফাজলামো।[রুম থেকে বের হতে হতে]
.
বাব্বাহ দেখিতো আমার বোবা বউ কি করে?
কম্বলটা টেনে বিচানার ওপর আবার
ধপাস করে শুয়ে
গান শুনতে লাগলাম!
.
কিছুক্ষন পর দেখি দুটো ভূত!
ও চরি একটা ভূত ও একটা মানুষ।
আমার দিকে অগ্নিমূর্তির মতো
তাকিয়ে রয়েছে।
.
-কিরে পাভেল তুই বউমাকে কি করেছিস।[আম্মু]
.
-আমি কি করলাম?
আমিতো ওকে কিছুই বলিনি।
ঐ তোমাকে -আমি কি বলেছি হা।[জেনিয়ার দিকে তাকিয়ে]
.
জেনিয়া আম্মুকে হাতের ইশারার মাধ্যমে
বললো;
আমি নাকি ওর গলা টিপে ধরেছি!
.
-কিরে পাভেল বউমা এসব কি বলছে[আম্মু]
..
এ এটা তো ডাহা মিথ্যা কথা!
ওকে কেনো গলা টিপে ধরতে যাবো!
.
- সত্যি আম্মু বিশ্বাস
করো!
আমি ওকে গলা টিপে ধরিনি!
ও মিথ্যা বলছে![একটু কাঁদো কাঁদো গলায়]
.
-তাহলে কি বউমা মিথ্যা বলছে?
তোর যদি ওকে
পছন্দ না হয় আমাদের বলবি।
তাই বলে কি গলা টিপে ধরবি?[রাগী কন্ঠে]
.
কি বলবো বুঝতে পারছি না।
বউয়ের দিকে তাকিয়ে দেখি
বউ আমার মিটিমিটি হাসছে।
.
-আর যদি কখনো শুনেছি তো
তোর খবর আছে এই বলে রাখলাম।[রুম থেকে বের হয়ে]
.
আসতে না আসতেই মা দেখি
বউ ভক্ত হয়ে গেছে!
নে এবার ট্যালা সামলা।
জেনিয়াও মায়ের পিছু পিছু যেতে যেতে পিছনে ফিরে এক
হাতে
বললো;
.
-উচিত শিক্ষা হয়েছে।
কেমন দিলাম।
আরও ঝরিয়ে ধরবে আমাকে?[হেঁসে হেঁসে]
.
সকাল সকাল মায়ের মুখে ঝাড়ি।
আল্লাই জানে দিনটা আজকে কেমন যাবে।
.
ফ্রেশ হয়ে
অফিসে যাবার জন্য রেডি হচ্ছিলাম।
এমন সময় দেখলাম
জেনিয়া আমার পিছনে দাড়িয়ে আছে।
.
-ঐ আমার টাইটা একটু বেধে দাওনা।[একটু ভালোবাসা দিয়ে বললাম]
.
-আমি পারবো না।
এতো দিন
তো ঠিকি নিজে নিজে বেধেছো!
আজকে কি হলো হা?[পেপারটা সামনে তুলে ধরে]
.
-ঠিক আছে দিতে হবেনা।আমি নিজে নিজেই বেধেঁ নিচ্ছি।[রাগ
করে]
.-আমার বরটা কি রাগ করছে?[জেনিয়া]
.
-না রাগ করবো কেনো?
রাগ করার
কি আছে?
আমিতো কারো কেউনা![অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে]
.
-ওলে বাবা লে।
এতো রাগ আমার মিষ্টি বরটার?
আসো টাইটা আমিই বেধে দিচ্ছি।[মাথা নিচু করে]
.
তারপর জেনিয়া আমার টাই
বেধেঁ দিতে লাগলো।
আমি ওর কাজল কালো চোঁখের দিকে তাকিয়ে
মিষ্টি
চেহারাটা দেখছি।
.
-এই ভাবে কি দেখো?[হাতে ইশারা করে]
.
-তোমার ঐ চোঁখদুটো দেখছি।
তুমি সত্যিই
অনেক সুন্দর।[চোঁখে চোঁখ রেখে]
.
জেনিয়া অনেকটা লজ্জা পেয়ে আমার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে
হাতে ইশারা করলো;
.
-এতো দেখতে হবেনা! দেখছো কয়টা বাজে?
অফিসের সময় হয়ে গেছে অফিসে যাও।[জেনিয়া]
.
-ঐ শুনো না।[আমি]
.
-আবার কি?[রাগী চোঁখে]
.
-চোঁখটা একটু বন্ধ করোনা।
একটা সারপ্রাইজ আছে তোমার জন্য[মিথ্যা কথা সব চুমু খাওয়ার
ফন্দি]
.
-কি সারপ্রাইজ।
হু এইযে চোখঁ বন্ধ করলাম।[চোঁখ বন্ধ করে]
.
-উম্মাহ.........![টোঁঠে টোঁঠ রেখে]
.
জেনিয়া আমার দিকে ইয়া বড় বড়
চোঁখ করে
রাগী লুকনিয়ে তাকাচ্ছে!
তাড়াতাড়ি কেটে পড়ি।
এখানে থাকলেই এখন আম্মুর কাছে নালিশ করবে বউটা!
.
অফিসের ব্যাগটা নিয়েই দিলাম এক দৌড়।
একদৌড়ে গাড়িতে এসে বসলাম।
.
দেখতে দেখতে অফিসে চলে আসলাম!
অফিসে বসে আছি অনেকক্ষন ধরে।
কিন্তু কাজে মন বসাতে পারছি না!
বারবার বউটার মিষ্টি চেহারাটা চোঁখের সামনে ভেসে উঠছে!
.
-আসতে পারি পাভেল সাহেব?[স্যার]
.
-আরে স্যার আপনি?
আপনি কেনো আসতে গেলেন?
আমাকে খবর দিলেই তো পারতেন
আমিই যেতাম।[একটু ঢপ দিয়ে]
.
-নো প্রভলেম মাই বয়।
শুনেছি বিয়ে করে ফেলেছো?
তা দাওয়াত তো এখনো পাইনি![স্যার]
.
-স্যার বিয়ে করিনি
এখনো!
শুধু আংটি পড়িয়ে রেখেছি!
তাই আর বলিনি কাউকে![একটু মন খারাপের ভাব করে]
.
-ওয়েলডান মাই বয়!
এতো দিনে একটা কাজের কাজ করেছো।
তা তোমার মুখে এতো লিপস্টিকের চিহ্ন
কেনো?
নাকি বউকে সাজাতে গিয়ে নিজেই সেজে ফেলেছো?
[লজ্জা লজ্জা ভাব করে]
.
এইরে খাইছে আমারে।
জেনিয়ার টোঁঠের লিপস্টিক আমার মুখে লেগেছে
তা মুছতেই ভুলে গিয়েছিলাম!
.
-না মানে স্যার[মাথা নিচু করে কিছু বলছি না]
.
-বুঝতে পেরেছি মাই বয়!
যে কারনে এসেছিলাম।
আজকে তোমার ছুটি।
শুধু কাজ করলে তো হবেনা
নতুন বউকে একটু সময় দেয়াও দরকার।
বেস্ট অফ লাক মাই সন।
.
.
হুর্রে!
বাসায় গিয়ে আজকে জেনিয়ার সাথে ইচ্ছামতো দুষ্টুমি ও
রোমান্স করতে পারবো।
ভাবতেই কেমন জানি লজ্জা লাগছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now