বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বোবা বউয়ের রোম্যান্টিক ভালোবাসা---০৪

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ---------------------- ----------------------------. জেনিয়াকে কোলে করে এনে বাইকের সামনে বসালাম। বাইক স্টার্ট করতেই পাগলিটা আমাকে শক্ত করে ঝরিয়ে ধরলো। আমি ওর চোঁখের দিকে তাকালাম। ও লজ্জা পেয়ে আমাকে ছেড়ে দিলো। . বাইক চালাচ্ছি খুব আস্তে আস্তে। পাগলিটাকে আমার হাতের দুই ফাঁকে বসিয়ে এক হাত বাইক চালাচ্ছি! আর এক হাতে ঝরিয়ে ধরে রেখেছি! রাস্তার লোকজন আমাকে আর জেনিয়াকে অবাক চোঁখে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে! জেনিয়া হয়তো এটা লক্ষ্য করেছে তাইতো এক হাতে ইশারা করলো বাই থামানোর জন্য! . আমি বাইকটা থামানোর সাথে সাথেই পাগলিটা আমার হাতটাকে সরিয়ে দিয়ে আমার পিছনে এসে বসলো।. ; -কি ব্যাপার লজ্জা পেয়েছো।[জেনিয়ার মুখের কাছে মুখ নিয়ে] . জেনিয়া কিছু না বলে আমার দিকে বড় বড় চোঁখ করে তাকাচ্ছে। এইতো সুযোগ! পালিয়ে যাবে কোথায় জেনিয়া ম্যাডাম! জেনিয়াকে পিছনে বসিয়ে রেখে বাইক স্টার্ট করলাম। . বাইক চলছে আপন গতিতে। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই ব্রেক করছি! আর জেনিয়া হুমরি খেয়ে আমায় ঝরিয়ে ধরছে। দেখতে দেখতে বাসার কাছে এসে এলাম! জেনিয়া আমাকে কিছু না বলেই মুখ ভেংচি দিয়ে বাইক থেকে নেমে বাসার মধ্যে গেলো। . আমিও জেনিয়ার পিছু পিছু বাসার ভেতরে আসলাম। আমাকে আর জেনিয়াকে একসাথে আসতে দেখে আম্মু বললো ; -এইতো বর বউ রেডি এখন শুধু শুভ কাজের বাকি![আম্মু] . আমি ও জেনিয়া দুজনেই মাথা নিচু করে চুপ করে দাড়িয়ে আছি। ; -এই বিয়েতে তোমাদের মত আছে?[আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে কেউ একজন বললো] . আমি ও জেনিয়া দুজনেই মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক উওর দিলাম। ; -আলহামদুলিল্লা! চলুন বিয়াই মশাই ওদের শুভ কাজটা সেরে ফেলি![হবু শ্বশুর আব্বু] . -হু চলুন।[আব্বু] . তারপর আরকি! জেনিয়াকে ওর বাবা আমার মতো এখকান ভালো ছেমরার লগে বিয়া দিয়ে দিলো। . রাত ১২টা! আজকে আমার ফুলশয্যা! অথচ এখনো বন্ধুদের সাথে আড্ডায় ব্যস্ত! হঠাৎ করেই কে যেনো কানে ধরে টেনে রুমের দিকে নিয়ে যেতে লাগলো! পিছনে ফিরে দেখি দাদি আমার কান ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ; -দাদু করছো কি? ব্যাথা পাচ্ছি তো![আমি] . -ব্যাথা না একবার রুমে যা দেখবি আমার সতীন তোর ব্যাথা ১মিনিটেই দূর করে ফেলেছে।[জেনিয়াকে দাদি মজা করে সতীন ডাকে] . আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই দাদি ধাক্কা দিয়ে আমাকে রুমে পাঠিয়ে দিলো! জেনিয়াকে আমাকে রুমে ঢুকতে দেখে বিচানা থেকে নেমে এসে সামাল করলো। ; -বেঁচে থাকো মা বেঁচো থাকো।[রাগানোর জন্য] . -ঐ আমি তোমার মা?[চোঁখ গরম করে] . -না মানে। বড়রা এসব বলে তো তাই বললাম।[চুল খুচকে] . -বড়রা বলবে বলে কি তুমিও বলবা নাকি হু।[প্রচন্ড রেগে] . এইরে একটু মজা করতে গিয়ে তো এখন বিপদে পড়ে গেছি! . -সরি আর বলবোনা।[মন খারাপ করে] . -তুমার কি মন খারাপ শাসন করেছি বলে?[চোঁখের সামনে পেপারটা তুলে ধরে] . -না তো। তুমি শাসন করবে না তো কে করবে বলো।[ঢপ দিয়ে] . -হয়ছে হয়ছে এতো ঢপ দিতে হবেনা এখন ঘুমাও[হাতে ইশারার মাধ্যমে] . -ঠিক আছে। কিন্তু দাদি যে বলছে না ঘুমিয়ে বিড়াল মারতে! বিড়াল কই পাবো? আর কি দিয়ে মারবো?[আমি] . -দাড়াও বিড়াল বার করছি! আর মারার জন্যও সব ব্যবস্তা করা আছে![ইশারার মাধ্যমে] . -বাহ্। সত্যিই তুমি আমার লক্ষীবউ! কিন্তু এ এ এটা কি বের করছো?[হাতের দিকে ইশারা করে] . -ক্রিকেট ব্যাট। এটা দিয়েই তো বিড়াল মারবো। আর সেই বিড়ালটা হলে তুমি![আমার দিকে এগিয়ে এসে] . -না না প্লিজ ছক্কা মেরোনা আমাকে প্লিজ। কাছে আসবেনা বলে দি..উম্মউম্মউম্ম। . -এটা কি হলো।[আমি] . -বিড়াল মারা হচ্ছে কোনো কথা হবেনা। তোমাকে বিড়াল মারা শিখাবো আজ।[মুখ চেপে ধরে] . সারারাত বিড়াল মেরে সকালে একটু শান্তিতে ঘুমুচ্ছিলাম। হঠাৎ করেই কে যেনো শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলো। পাশে তাকিয়ে দেখি জেনিয়া। . -ঐ পানি দিলে কেন হ্যাঁ?[ঘুম ঘুম চোঁখে] . -বেশ করেছি। কয়টা বাজে সেই খেয়াল আছে তোমার। সারারাত বিড়াল মেরে এখন আবার ঘুমুচ্ছো।[জেনিয়া] . -তাই বলে পানি দিবা।দাড়াও আমিও তোমাকে ভিজাচ্ছি।[হাতে একটা গ্লাস নিয়ে] . -ঐ না প্লিজ পাভেল না ঐ না।[দরজার দিকে দৌড় দিয়ে] . জেনিয়াকে দেখলাম ঠান্ডা পানিতে ভিজার ভয়ে দৌড়ে রাস্তায় চলে গেছে। কিন্তু এতো সহজে ছেড়ে দেবার পাএ তো আমি নয়! . তাই এক জগ ঠান্ডা পানি নিয়ে ওর কাছে গেলাম। ও আবারও দৌড় দিলো। . কিন্তু হঠাৎ করেই একটা গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে ওর নিথর দেহটা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। . দৌড়ে ওর কাছে গেলাম। জেনিয়ার মাথা থেকে প্রচুর রক্ত বের হচ্ছে। কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেললাম । পুরো শরীরটা পাথরের মতো হয়ে গেছে। চোঁখদিয়ে টপ টপ করে জল পড়তে লাগলো। তাড়াতাড়ি করে ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। . ডাক্তার ওকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যেতে লাগলো। জেনিয়া আমার একটা হাত শক্ত ধরে কি যেনো বলতে গিয়েও পারলো না। শুধু ইশারার মাধ্যমে বললো ক্ষমা করে দিও


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now