বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আটক!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sagor the gangster of king is here (crush) (০ পয়েন্ট)

X আটক! (৩৭) জানালার কাছে দাঁড়িয়ে ছিল প্রিয়ন্তী। তখন প্রায় সন্ধ্যা। তার দুটি চোখ বড় রাস্তার দিকে। ওই পথেই প্রতিদিন যাওয়া-আসা করে শোভন। আজ তার দেখা নেই। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাচ্ছে আর প্রিয়ন্তীর ছটফটানি বেড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ বেজে ওঠে কলবেল। প্রিয়ন্তী দৌড়ে গিয়ে দরজা খোলে। দরজা খুলেই তার চোখ ছানাবড়া। শোভন দাঁড়িয়ে আছে। ‘ভেতরে আসতে পারি? ’প্রিয়ন্তী কোনো কথা বলে না। শোভন নিজেই পাশ কাটিয়ে ড্রয়িংরুমে গিয়ে বসে। বসতে বসতে বলে, ‘দূর থেকে দেখতে আপনার কষ্ট হচ্ছে, তাই কাছে চলে আসলাম। আমি কারও কষ্ট সহ্য করতে পারি না। ’এমন কথা আশা করেনি প্রিয়ন্তী। হঠাৎ সে রেগে গিয়ে বলে, ‘আমি আপনাকে দেখি কে বলেছে? ’‘আমাদের মাঝে অন্য কাউকে ডেকে আনবেন না। আমি নিজেই তো সেটা দেখি। আর তা ছাড়া...। ’‘তা ছাড়া কী?’‘তা ছাড়া আমিও আপনাকে দেখি। দূরের রাস্তা থেকে আপনাকে কতটুকুই বা দেখা যায় বলুন। আজ সাহস করেই ফেললাম। ’কথা শুনে প্রিয়ন্তীর চোখে-মুখে একটি হাসির ঝিলিক খেলে যায়। ভেতরের ঘর থেকে প্রিয়ন্তীর মায়ের গলা— ‘কে রে প্রিয়...? ’‘কেউ না মা। একটা বিড়াল...। ’‘কী বলিস তুই! আমি একটা মানুষের গলা পাচ্ছি যে।’‘আমি বিড়াল? ’‘বিড়ালই তো। ভয়ে ভয়ে ছিলেন। তা না হলে কি এত দিন পরে আসে কেউ? ’‘ও মা, এমন অভয় পেলে তো আরও আগেই চলে আসতাম।’‘আপনি বসুন। আমি মাকে নাশতা খাইয়ে আসি। মা অসুস্থ, বিছানা থেকে উঠতে পারেন না...। ’প্রিয়ন্তী মায়ের ঘরে ঢুকে যায়। বেশ অস্বস্তি হতে থাকে শোভনের। দেয়ালের দিকে তাকায়। বুকশেলফের বই দেখে। দৈনিক পত্রিকা হাতে নেয়। সময় কাটায়। কিছুক্ষণ পরেই প্রিয়ন্তী বেশ সাজগোজ করে ড্রয়িংরুমে আসে। ‘চলুন, আপনার সঙ্গে আজ ঘুরতে যাব। ’শোভনের হাত ধরে। শোভন বিস্মিত। এতটা আশা করেনি। দু-একবার হাত ছাড়ানোর চেষ্টাও করে সে। পরে আর বাধা দেয় না। ঘরের বাইরে থেকে লাঠি ভর দিয়ে প্রিয়ন্তীর মা এসে দাঁড়ান। শোভন প্রিয়ন্তীর হাত ছাড়িয়ে নিয়ে ছুটে যায় সেদিকে। তাঁকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে।‘যাও, আমার প্রিয়ন্তীকে নিয়ে একটু ঘুরে আসো। বেশি রাত কোরো না বাবা। ’কিছু বলে না শোভন। সে নিজের হাতে চিমটি কেটে দেখে ব্যাপারগুলো সত্যি হচ্ছে কি না। রিকশায় উঠেছে ওরা। প্রিয়ন্তী শোভনের একটি হাত জড়িয়ে ধরেছে। রিকশা যাচ্ছে পুব দিকের রাস্তায়। হাওয়ায় উড়ছে প্রিয়ন্তীর চুল। সে চুলের স্পর্শ লাগছে শোভনের চোখে-মুখে। কী যে ভালো লাগছে আমার...। এমন অনুভূতি শোভনের। একটি জায়গায় রিকশা থামে। প্রিয়ন্তী লাফিয়ে ওঠে। ‘চলো, ফুচকা খাব। ’দুজনে বসে ফুচকা খায়। সন্ধ্যা পার হয়ে রাত হয়। ‘চলো, তোমাকে পৌঁছে দিই। ’‘পৌঁছে দিই মানে? আজ তোমাকে ছাড়ছিনে। তোমার আর ফাঁকি দেওয়া চলবে না। ’ কথাটা কেমন অস্বাভাবিক মনে হয় শোভনের। তাদের রিকশা চলে এসেছে প্রিয়ন্তীদের বাসার সামনে। শোভনের হাত খুব শক্ত করে ধরে রেখেছে সে। ‘চলো। ’‘হাত ছাড়ো।’‘ আশ্চর্য। তোমার হাত ছাড়ব কেন! এত দিন পরে পেয়েছি।’রিকশা ভাড়া দিয়ে ওরা উঠে যায় ওপরে। প্রিয়ন্তীদের তিনতলা বাসায়। প্রিয়ন্তির মা ড্রয়িংরুমেই সোফার ওপর গা এলিয়ে দিয়েছেন। ওদের দেখে ওঠার চেষ্টা করেন। প্রিয়ন্তী বলে, ‘আম্মু, ওঠার দরকার নেই। তুমি শুয়ে থাকো। আমি চেঞ্জ করে আসি। দেখো নন্দন যেন চলে না যায়।’ এ কথা বলে সে ভেতরের ঘরে চলে যায়।শোভনের মুখে কোনো কথা নেই। সে বোবা হয়ে বসে আছে। প্রিয়ন্তীর মা বলেন, ‘ও তোমাকে নন্দন ভেবেছে। ওর প্রেমিক। সে আজ পাঁচ বছর ধরে নিরুদ্দেশ। তারপর থেকেই ওর মাথাটা খারাপ। আবার কখনো বা ভালোও থাকে। ও চেঞ্জ করতে গেছে। এই ফাঁকে তুমি চলে যাও, বাবা। তোমাকে অনুরোধ করছি। ’কথা শুনে শোভন লাফিয়ে উঠে দরজার দিকে যায়। দরজা খোলে। ঠিক সেই মুহূর্তে ভেতরের ঘর থেকে দৌড়ে ছুটে আসে প্রিয়ন্তী। ‘অ্যাই, কোথায় যাচ্ছো? তোমাকে আটক করে রাখব।’প্রিয়ন্তী শোভনকে জড়িয়ে ধরে। ‘চলো, ঘরে চলো।’ এর নামই তো প্রেম (৩৮) নির্জন বনে একটি বনফুল ছিল। নিসঙ্গ একাকী ছিল সে। সারাদিন একা একাই কাটতো তার। নিসঙ্গতার যন্ত্রনা বড়ই নির্মম, সহ্য করা দুঃসাধ্য। নিসঙ্গতার এমন নিঠুর নির্মমতায় জীবনের প্রতি ঘৃনা হতো বনফুলের। অতঃপর, হঠাৎ একদিন এক পড়ন্ত বিকেলের স্নিগ্ধতায় দেখা হলো বনফুলের একটা প্রজাপতির সাথে। প্রজাপতির ডানার রঙটা ছিল নীল, আর সেই নীল ডানায় ছিলো নানা রঙ্গের ছড়াছড়ি। বনফুল মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলো প্রজাপতির দিকে, দৃষ্টি ফেরাতে পারেনি। প্রথম দেখাতেই ভালোবাসার বীজ অঙ্কুরিত হয় বনফুলের মনে। বনফুলকে এমন অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে দেখে প্রজাপতি বললো, "এমন নিলরজ্জের মতো তাকিয়ে আছো কেন?" প্রজাপতির সুমুধর কন্ঠ শোনে বনফুল কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলে, বোকার মতো তাকিয়ে থাকে প্রজাপতির দিকে। প্রজাপতি কোনো উত্তর না পেয়ে চলে গেলো। এদিকে সন্ধ্যা ঘনিয়ে শেষে নামলো রাত, মুচকি হেসে দেখা দিলো চাঁদ। বনফুল কিছুতেই ভুলতে পারছেনা প্রজাপতির কথা। তার দৃষ্টির সামনে বার বার ভেসে ওঠে প্রজাপতির প্রতিচ্ছবি, তার সুমধুর কন্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হয়ে কর্ন দিয়ে প্রবেশ করে মনে নানান ভাবনার সৃষ্টি করছে। প্রজাপতির ও বার বার মনে পড়ছে বনফুলের কথা। বনফুলের বোকা বোকা চেহারা মনে করে একা একাই হাসছে সে। সে রাতে বনফুল- প্রজাপতি কারোই ঘুম হয়নি। খুব সকালেই প্রজাপতি ছোটে আসে বনফুলের কাছে। প্রজাপতিকে দেখেই অভিমানের সুরে বনফুল বলে, "আসতে এতো দেরি হলো কেনো? আমি কখন থেকে অপেক্ষা করছি।" অনর্গল বলেই যাচ্ছে বনফুল, প্রশ্নের পর প্রশ্ন করছে। প্রজাপতি কিছুই বলছে না, মিটিমিটি হাসছে আর বনফুলের চঞ্চলতা দেখছে। বনফুলের কথার ঝুড়ি যখন কিছুটা হালকা হলো, তখন প্রজাপতি বললো, "এতো কথা বলতে পারো তুমি! এতো প্রশ্ন করতে পারো! আমি তোমার এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না, কি বলি শোনো- আমি খুব তোমাকে ভালোবাসি, জানো, কাল সারারাত তোমার কথা ভেবে একটু ঘুমাতে পারিনি বনফুল। সত্যী আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।" বনফুল কিছু না বলে জড়িয়ে ধরলো প্রজাপতিকে। সেই থেকে দুজন আবদ্ধ হলো প্রেমবন্ধনে। প্রতিদিন বনফুলের কাছে আসতো প্রজাপতি। সারাদিন গল্প করতো দুজন। মান-অভিমান, হাসি- টাট্টায় দিন কাটছিল তাদের। একদিন কথায় কথায় রাত হয়ে যায়, প্রজাপতি থেকে যায় বনফুলের কাছে। বনফুলের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে প্রজাপতি। হঠাৎ শুরু হলো প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি ঘুম ভেঙ্গে গেলো তাদের। প্রজাপতি খুব ভয় পেয়েছিলো, তাই বনফুল তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রাখলো। তুমুল ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে, বনফুল ভিজে একাকার হলেও, প্রজাপতি তেমন একটা ভিজেনি। হঠাৎ একটা গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়লো বনফুলের মাথার উপর। বনফুল ধাক্কা দিয়ে দুরে সরিয়ে দিলো প্রজাপতিকে। বনফুল কিছু বলার সুযোগ পেলোনা না আর, চলে যেতে হলো প্রিয়তমাকে ছেড়ে না ফেরার দেশে। কিছুক্ষন পর ঝড় থামে, প্রজাপতি খুব কষ্টে গাছের ডালের নিচ থেকে বের করলো বনফুলের প্রানহীন দেহ। খুব কেঁদেছিলো প্রজাপতি সেদিন বনফুলের প্রানহীন দেহ জড়িয়ে ধরে। আজো কাঁদে প্রজাপতি বনফুলকে মনে করে, আজো খুজে বেড়ায় সে বনফুলের স্মৃতি সবুজ পাতার ভীড়ে। মিষ্টি হাসি (৩৯) মিষ্টি হাস্যোজ্জ্বল এক তরুনীর নাম। সারাদিন খিলখিল করেই হেসেই চলেছে। বিরাম নেই সেই হাসির। মিষ্টিকে যারা জানে না তারা হয়তো তাকে আধপাগলা মেয়ে ভেবে বসে। মিষ্টির এই হাসির জন্য অন্যসবাইকে নানারকম বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছে। কিন্তু মিষ্টিকে যারা খুব কাছ থেকে চেনে তারা জানে এই নির্মল হাসির রহস্য। মিষ্টির মায়ের চিন্তা এই মেয়ের বিয়ে দেব কেমন করে ? ছেলেপক্ষ দেখতে আসলেই মেয়ে যে খিলখিল করে হেসে ওঠে। ছেলেপক্ষ চোখ সরু করে বিরক্ত হয়ে চলে যায়। কিন্তু মিষ্টির কি দোষ সে যে হাসি আটকে রাখতে পারে না। ছেলেপক্ষ চলে গেলে মিষ্টি মাকে জড়িয়ে বলে, --মা তুমি তো জানো আমি কি জন্য হাসি তারপরও তুমি আমার ওপর রাগ করে থাকো। মা মেয়ের দিকে একটু তাকিয়ে থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে, -- এই যুগে কোথায় পাবি সত্যবাদী যুধিষ্ঠীরকে। মিষ্টি বলে, --পাবো মা, তার অপেক্ষাতেই তো আছি। স্বাভাবিক নিয়মে অনেক ছেলের কাছ থেকেই প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছে মিষ্টি। সেই প্রস্তাবে মিষ্টির সাড়া দেয়া তো দূরে থাক হেসেই সে উড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ ঘটলো এক আচানক ঘটনা। টিপ টিপ বৃষ্টি শুরু হয়েছে সাথে হালকা বাতাস। কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছে মিষ্টি। পথের মাঝে কোথা থেকে যেন মোটা কাচের ফ্রেমের চশমা পড়া একটা ছেলে মিষ্টির সামনে এসে দাঁড়ায়। মিষ্টি একে চেনে। তাদের প্রতিবেশী। মিষ্টি বলে, --কী ব্যাপার অর্ক ভাই কিছু বলবেন ? অর্ক তোতলাতে তোতলাতে বলে, -- না মানে তোমার সাথে একটা কথা ছিল। মিষ্টি বুঝে ফেলে ছেলেরা যখন এই ধরনের কথা বলে তখন তাদের কী কথা থাকতে পারে। মিষ্টি বলে-- কী কথা ? অর্ক বলে-- এমন দিনে তারে বলা যায় এমনো ঘোর বরষায় এই গানটা শুনেছো ? মিষ্টি বলে-- হু শুনেছি তো কি হয়েছে? অর্ক বলে-- আমি স্কলারশিপ পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছি। যাবার আগে তোমাকে কথাটা বলে যেতে চাই। তুমি হাসবে না তো। মিষ্টি হাসির জন্য তৈরি ছিল। অর্ক বলে-- আমি তোমাকে…. তোমাকে…অর্ক কথার মাঝে হুট করে চশমাটা খুলে ফেলে। এই প্রথম মিষ্টি অর্ককে চশমা ছাড়া দেখলো। ছেলেটার চোখ এতটা সুন্দর যা কিনা সবসময় মোটা কাচের ফ্রেমে ঢাকা থাকতো। এই চোখজোড়ায় কি যেন আছে মায়ার মতো। অর্ক বলে-- আজকে না বলতে না পারলে আর কোনদিনই বলতে পারবো না। তারপর দ্রুতগতিতে বলে ফেলে আমি তোমাকে ভালোবাসি। অর্ক কান পেতে রইলো এই বুঝি মিষ্টি খিলখিল করে হেসে উঠবে। কয়েক সেকেন্ড পার হয়ে গেল। কই হাসির শব্দ তো শোনা যায় না। নাহ মিষ্টি হাসছে না। কি করে হাসবে মিষ্টি, অর্ক তো আর মিথ্যা বলছে না। মিষ্টি ছোটবেলা থেকে একটা ব্যাপার খেয়াল করে এসেছে কেউ মিথ্যা কথা বললে তার স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাসি পেয়ে যায়। চারদিকের মানুষেরা নিজেদরেকে মিথ্যার জালে আবদ্ধ করে রেখেছে, সেই মিথ্যার জাল ভেদ করে ফেলে মিষ্টির হাসি। সোজা কথায় মিষ্টির হাসির সাথে মিথ্যার একটা সম্পর্ক আছে। যাকে বলা চলে মিষ্টির এক ধরনের ম্যাজিক্যাল পাওয়ার রয়েছে। কিন্তু মিষ্টির এই ম্যাজিক্যাল পাওয়ার আজ কাজ করছে না অর্কের সত্যের সামনে। অর্থাৎ সত্যিকার ভালবাসার সামনে। মিষ্টি অবাক হয় এই ভেবে যার অপেক্ষায় এতদিন ছিলাম সে কি না থাকে পাশের বাড়িতে। একেই বলে বুঝি … ধুর মিষ্টির প্রবাদটা মনে পড়ছে না। অর্ক বলে-- তুমি হাসছো না কেন ? মিষ্টি বলে-- আপনি কি কোন হাসির কথা বলেছেন ? কিছুক্ষণ নীরবতা। অর্ক চশমাটা পরতে নেয়, মিষ্টি মানা করে চশমাটা পরতে। অর্ক বলে-- চশমাটা না পরলে বাড়ি ফিরবো কি করে ? মিষ্টি বলে-- আমার হাতটা ধরুন। আমি পৌঁছে দেব আপনাকে। অর্ক ঝাপসা দৃষ্টিতে তাকায় মিষ্টির দিকে। সেই দৃষ্টিতে আরো যা আছে তার নাম বিষ্ময়। অর্ক কাঁপা কাঁপা ভাবে হাতটা বাড়ায়। মিষ্টি এগিয়ে এসে অর্কর হাতটা ধরে। আর টিপটিপ বৃষ্টি জোরে নামতে শুরু করে। মিষ্টি বলে-- এই যে হাতটা ধরলাম আর কিন্তু ছাড়ছি না। অর্কর মুখে মিষ্টি একটা হাসি ফুটে ওঠে। মিষ্টি এই মিষ্টি হাসিটার মানে জানে………


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now