বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মৃত্যুর শেষ দুয়ার (২)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Marufa (০ পয়েন্ট)

X গল্প : মৃত্যুর শেষ দুয়ার লেখক : কাজি মেহেরাব হোসেন পর্ব : ২ . . প্রচন্ড ভয়ে সজিব কাপতে থাকে যে কি হচ্ছে এসব তার সাথে।তবে কিছুক্ষনের মধ্যো আজান দিয়ে দেয় এবং আবছা আলো আসতে থাকে।সেই আলো পড়ায় সজিব খুজতে থাকে যে মাকসুদার কিছু হলো কিনা।তবে তার শরীর আগের অবস্থাতেই ছিল।তবে সে যে তার পা কাটা দেখেছিল সেটা কি তাহলে নিছক মনের ভুল।আর কিছু না ভেবে মাকসুদাকে কোলে করে নিয়ে রুমে সুইয়ে দেয়।একটু আগের ঘটনা সে সম্পূর্ন রুপে ভুলে যাবার চেষ্টা করে।তবে হঠাৎ তার খেয়াল হয় যেহেতু সজীব মাঝরাত্রে উঠেছিল তবে এত তাড়াতাড়ি ভোর হলো কিভাবে,আর তার বউ ই বা এত রাত্রে কি করছিল।ঘুম ভাংগার পর সজীব আর এ বিষয় নিয়ে কথা বলল না।অহেতুক দুশ্চিন্তা দিয়েই বা কি করবে এমনিতেও বেচারি কাল থেকে পরিশ্রম করতে করতে অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়ড়েছে।সজিব সকাল সকাল বাইরে চলে গেল হাল্কা সতেজ হতে আর প্রায় ১ কিলোমিটার পথ যাবার পরে একটা চা দোকানে বসে চা খাচ্ছিল।কয়েকজন লোক সে জায়গায় বসে গল্প করছিল এরই ফাকে সজিব ও তাদের সাথে গল্প করা শুরু করে দেয়।এক পর্যায়ে এক মুরব্বী চাচা তাদের বাসস্থান সম্পর্কে জানতে চান।তবে ওই বাংলোর নাম শুনে তারা কিছুটা চমকে ওঠে --কি হয়েছে চাচা।হটাত মনে হলো অনেকটা ঘাবড়ে গিয়েছেন --শোন বাবা।তুমি যেই ঘরে থাক ওই ঘরটি অনেক দিন থেকে পরিত্যাক্ত হয়ে পড়েছিলো।বাড়ির মালিক বাড়টি বিক্রি করার চেষ্টা করছে তবুও পারছে না।আর কিভাবেই বা পারবে।এই ঘরটি অভিশপ্ত যে ভুলেও এ বাড়িতে বসবাস করবে সেই মরবে। --আরে না চাচা এগুলা আপনি কি বলছেন হুম।এগুলা এই যুগে চলে না চাচা।এগুলা ভুল তথ্য কিছু মনে করেন না আবার! --জানি তুমি শিক্ষিত এক ছেলে এগুলা বিশ্বাস করবে না।তবে পরে বিপদে পরলে আমায় স্মরন করবে। . . ব্যাপার টা তখন সেভাবে উড়িয়ে দেওয়াও ঠিক হয়নি।সত্যি সেদিন কিছু একটা জিনিস সজীবের চোখে পড়েছিল তবে সঠিক না হওয়ায় ব্যাপারটা অনেকটা চেপে যায় সজীব।এগুলা বিশ্বাস করা ছেলেমানুষি হবে আর এগুলা বাস্তব নয় সব মস্তিষ্কের কল্পনা মাত্র।নিজেকে কোনরকম বুঝ দিয়ে রাতের খাবার সেরে বিছানায় চলে যায় ঘুমাতে।মাকসুদা ঘুমিয়ে পরলেও সজিবের চোখে ঘুম নেই।চোখ বন্ধ করে সুয়ে থাকলেও ঘুম না পড়ার চেষ্টায় ব্যাস্ত।আজ যেভাবে হোক কাল রাতের ঘটনার রহস্য বের করতেই হবে।ভাবতে ভাবতে হটাত চোখ টা লেগে আসে তবে কোন কিছুর স্পর্শ পেয়ে যেগে উঠে।না পাশে মাকসুদাই সুয়ে আসে।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে রাত ১ টা বাজে অর্থাৎ আগের সেই সময়।কিছুটা শান্তি পায় মনে এবং ঘুমাতে চলে যায়।তবে কিছুতেই ঘুম আসছিল না সজিবের হয়তবা আচমকা ঘুম ভেংগে যাবার কারনেই এমনটা হচ্ছে।কিছুক্ষন পর সজীব মাকসুদার মাথায় হাত বুলাতে লাগল।ভিজা ভিজা লাগছিল তার কাছে।যাইহোক এভাবে কিছুক্ষন মাথায় হাত বুলানোর পর ঘুম ঘুম আসতে থাকে।তবে এরই মধ্যো আচমকা কোন মেয়ে কন্ঠের চিৎকার শুনতে পারে সজিব।এ ডাক তো মাকসুদারই।পাশে ফিরতেই দেখে মাকসুদা নেই অথচ ১ মিনিট আগেই ওর মাথায় হাত বুলাচ্ছিল।ওতোসব ভাবার সময় নেই এখন সজীবের কাছে।সোজা গিয়ে জানালা হতে নিচে তাকায় তবে এখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়।জোরে জোরে সজীব মাকসুদার নাম ডাকতে থাকে তবুও কোন সাড়া পায় না।আশেপাশে কোন ঝি ঝি পোকার ডাক পর্যন্ত শোনা যাচ্ছে না যেখানে এই কিছুক্ষন আগেই এত চিৎকারের শব্দ হচ্ছিল।সজীব বাইরে যাবে এরই মাঝে খেয়াল করে তার হাতে রক্ত ভরা।একটু আগে মাকসুদার মাথায় যে পানির স্পর্শ পেয়েছিল সেটা কি তাহলে.....না এমনটা কিছুতেই হতে পারে না।তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে পরে সজিব মাকসুদার খোজে।নিচে এসে দেখে মাকসুদা অনবরত জংগলের দিকে হেটেই চলে।অন্ধকারে স্পষ্ট না দেখা গেলেও বোঝা যাচ্ছিল যে এটা ওই হবে।তার নাম অনবরত ডাকতে লাগল তবুও থামছিল না।পিছু করতে করতে একসময় এক সুড়ঙ্গ মতন কিছুতে এসে পরল।মজার ব্যাপার সজীব যতই মাকসুদার নিকটে যায় ততই সে দূরে যেতে থাকে।একসময় সজীব মাকসুদাকে হারিয়ে ফেলে।আশেপাশে অনেক খোজার চেষ্টা করেও পায় না।সজীব খেয়াল করে সে এমন এক যায়গায় এসে পরেছে যেখানে নিজের হাতের আংগুল ও দেখা যায় না।দুশ্চিন্তায় পড়ে যায় এখন এখান থেকে বের হবে কিভাবে যেহেতু অনেক গভীরে ঢুকে পড়েছে ছ।আর মাকসুদাই বা কোথায় গেল?গভীর চিন্তায় পরে গেল সজীব,,,! . ....................­.(চলবে),,,,,,,,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now