বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Ochena prem

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X এই যে , আপনার ফোনটা দিন তোহ।(মেয়ে) . -জ্বী, কি বললেন? . -আচ্ছা আপনাকে দেখে তো সুস্থই মনে হচ্ছে।কিন্তু আপনি যে কানে একটু কম শুনেন তা তো জানা ছিলো নাহ।(মেয়ে) . -হোয়াট ননসেন্স! আমি কানে কম শুনবো কেন? . -তাহলে আমি যা বললাম তা আপনি কি শুনেন নাই?(মেয়ে) . -কি বলছেন আপনি? . -আপনার ফোনটা দিন।(মেয়ে) . -কেন? আমি আপনাকে ফোন দিবো কেন? আমি তো আপনাকে চিনি নাহ। . -কিন্তু আমি আপনাকে চিনি।(মেয়ে) . -কি করে চিনেন? . -আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে) . -কিহ? . -আচ্ছা আপনি কি সত্যিই কানে কম শুনেন? এতে কিন্তু আমার প্রেসটিজ কমবে। আপনি দ্রুত একটা ডাক্তারের শনাপন্ন হবেন। ওকে।(মেয়ে) . -কি যা তা বলছেন আপনি। . -আমি যা তা বলি নি । বলছি যে আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে) . -আর আপনি আমাকে চিনেনই বা কিভাবে? . -আমি আপনাকে রোজ ফলো করি। আপনার নাম শাকিল,আপনি এবার অনার্স ৩য় বর্ষে ঢাবি তে ফিজিক্স নিয়ে পরছেন।(মেয়ে) . (এখন অবশ্য অবাক হবার পালা,গড়গড় করে একের পর এক ডিটেইলস বললো) . -আআআআপনি এত কিছু জানেন কিভাবে? . -এত কিছুই না, আরো কত কি জানি।(মেয়ে) . -কিন্তু কিভাবে জানেন? . -কারন আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে) . -কেন ? . -আচ্ছা আমি কিন্তু অনেক আগেই আপনার ফোনটা চেয়েছি। ফোনটা দিন এবার।(একটু ঝাড়ি দিয়ে)(মেয়ে) . (আমিও বাধ্য ছেলের মত পকেট থেকে ফোনটা বের করে দিলাম।) . -এই নিন। . (দেখলাম কি যেনো করলো। বাট ঠিক করে খেয়াল করতে পারি নি) . -এই নিন আপনার ফোন।(মেয়ে) . -কি করলেন? . -কিছু নাহ। যান এবার, আপনার পড়ার সময় চলে যাচ্ছে।(মেয়ে) . --- আমার নামটা তো আগেই জানলেন। . আমি কোথায় পড়াশোনা করি তাও জানলেন। . \ রাতে বাসায় এসে, ফ্রেশ হলাম।খেয়েদেয়ে শুয়ে পরলাম। ফেসবুক ঘোরাঘুরি করছি।রাত প্রায় ১০ টা বাজে।এমন সময় হটাত ফোন, শাকিলা নামটা ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠলো। . গভীরভাবে ভাবতে ভাবতে কলটা কেটে গেলো। . আবার ফোন। এবার রিসিভ করতেই হবে। . -আসসালামুয়ালাইকুম। . -ওয়ালাইকুমুস সালাম।(শাকিলা) . -জ্বী কে বলছেন? . -কানে কম শোনার সাথে সাথে কি চোখেও কম দেখেন নাকি। . -চোখে কম দেখবো কেন? . -তাহলে আমাকে আবার জিজ্ঞেস কেন করলেন যে আমি কে? আমার নামটা আপনার ফোনে তো সেভ করাই ছিলো। . -ও তার মানে আপনিই সেই অপরিচিতা। . -জি। (শাকিলা) . -তা ফোন করলেন কেন? . -এমনি, ভালবাসার মানুষের খোজ খবর নিতে হবে না, তাই আরকি। . -কিসের ভালবাসা, আমি তো কিছুই বুঝি নাহ। . ( এই নিয়ে সেদিন রাতে অনেক কথা হলো, মেয়েটির নামতো অলরেডি পাবলিশড,শাকিলা এবার আমারই ভার্সিটির ১ম বর্ষের ছাত্রী।) . আজ অনেকটা দিন হয়ে গেলো শাকিলার সাথে আমার পরিচয়, আমি ওকে অপরিচিতাই ডাকতাম। . কিন্তু ভালবাসাই আমি বিশ্বাসি নাহ।বিশ্বাসি না বললে ভুল হবে, বিয়ের আগে বিশ্বাসি নাহ। . জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। . কার সাথে কার বিয়ে হবে তা শুধু একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন। . এক জনের আমানতের উপর আমার কোন অধিকার থাকতে পারে নাহ, না নেই। . আমি যে মেয়েকে ভালবাসি তাকে আদোউ পাবো কিনা তার কি কোন নিশ্চয়তা আছে? না নেই।সে তো অন্য কারো আমানতও হতে পারে। . তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বিয়ে যাকে করবো তাকেই ভালবাসবো। . পড়শুনা কমপ্লিট করে একটা সরকারী চাকুরী করছি। . আমার অবশ্য চাকরী না করলে কারো কোন ক্ষতি হবে নাহ। . আজ অফিস বন্ধ, কারন আজ শনিবার,সরকারি অফিস গুলোতে শনিবার দিন কাজ বন্ধ থাকে।তাই খুব বেলা করে ঘুমাচ্ছি। . পাশের রুম থেকে হো হো হাসাহাসির আওয়াজ পাচ্ছি।তার মানে কোন মেহমান এসেছে। . ফ্রেশ হয়ে ড্রয়িং রুমে গেয়ে ১২০ ভোল্টের একটা শক খেলাম। . একি , চোখটা ভালোভাবে কচলিয়ে আবার তাকালাম। . আরে এই মেয়েটার তো সাহস কম নাহ। আমার বাসায় চলে আসছে। . আর আমার বোন , মা সবাই তো আসর জমিয়ে ফেলেছে। . আমি আবার আমার রুমে এসে বিছানায় গা টা হেলিয়ে দিলাম। . আমারও যে শাকিলাকে ভাল লাগে না তা নাহ।আমারও ওকে ভাল লাগে।হটাত দরজায় নক। . দেখি শাকিলা আমার দিকেই আসছে। . এসেই আমার উপর চড়ে বসলো। . -কি বলছিলে তুমি, আমাকে ভালবাসতে পারবে না, তাই নাহ? এবার দেখো ।(শাকিলা) . এই বলেই আমার রুম থেকে চলে গেলো। . আমি তো পুরো বলদ হয়ে গেলাম।চুপচাপ বসে আছি। . \ রাতে সাদিয়া(ছোট বোন) রুমে আসলো। . -কিরে তলে তলে এতদূর, আর আমরা কিছুই টের পেলাম নাহ। (সাদিয়া) . -কি যাতা বলছিস। কথা না পেচিয়ে সোজাসুজি বল। . -এই আমার সাথে ন্যাকামি করবি না একদম। মেয়েটার সাথে তোর রিলেশন আমাদের জানাস নাই কেন? . -কি বলিস, কোন মেয়ে, কার সাথে রিলেশন? . -আকাশ থেকে পরছিস মনে হচ্ছে।(সাদিয়া) . -শাকিলা আপুর সাথে যে তোর এক বছরের রিলেশন তা আমাকে বলিস নি কেন? আর তোকে বিয়ের কথা বললেই পালাস। এবার তোর বিয়ে দিয়েই ছাড়বো।(সাদিয়া) . -যা খুসি তাই কর। . \ কিছুক্ষন পর আবার আম্মুর আগমন। . -এই মেয়েটার নাম্বার দে তোহ, আমি নাম্বারটা রাখতে ভুলে গেছি। . -কোন মেয়ের নাম্বার? . -কোন মেয়ে মানে? তুই যাকে বিয়ে করবি তার নাম্বার। . -আমি আবার কাকে বয়ে করবো। . -শাকিলার নাম্বারটা দে। . -০১৭৩২৩১০৭৮৬ \ সব কিছু কেমন যেনো গুলিয়ে যাচ্ছে। . সামনের মাসের ২৪ তারিখ নাকি আমার বিয়ে। . এই মেয়ে আমাকে বিয়ে করেই ছাড়বে।বিয়ের দিন তারিখ ঘনিয়ে এলো। . আজকে আমার বাসর রাত, সরি আমাদের বাসর রাত। . সব কিছু খুব থীজি স্পিডে হয়ে গেলো। . -কিরে এখানে দারিয়ে কি করছিস?(আম্মু) . -কিছু নাহ। . -যা রুমে যা, বউমা অপেক্ষা করছে।(আম্মু) . - পরিশেষে রুমের দিকে যাবার জন্য পা বারালাম।রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম। . এক বিরাট মাপের ঘোমটা দিয়ে খাটের উপর কে যে বসে আছে তা বুঝা যাচ্ছে নাহ। . তাই বুঝার জন্য কাছেই যেতে হবে। . কাছে যাবার সাথে সাথে ঘোমটা খুলে যা দেখলাম, তা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম নাহ। . আপনারা আবার অন্য কিছু মনে কইরেন নাহ যে কি দেখলাম। দেখিছি আমার বউকে। . শাকিলা দেখতে এমনিতেই অনেক সুন্দর। . আর আজ আমার মনের আশা পুরন হলো। . এখন থেকে আমার সব ভালবাসা আমার বউয়ের জন্য। . বাসর রাতে কি কি হয় তা কম বেশি সব বয়সের মেয়ে ছেলেদেরই কম বেশি জানা আছে। . কারন আজকাল ছেলে মেয়েরা ইচড়ে পাকা। তাই এই কথা গুলো না বলাই ভালো। . রাতে অনেক দুষ্টমির পর। ঘুমিয়ে পরলাম। . সকাল হয়ে গেছে অনেক আগে। . কিন্তু পাশে হাত দিয়ে দেখি কেউ নেই। . তার মানে শাকিলা আরোও আগে উঠেছে। . আমি আবার বিছানায় শুয়ে পরলাম। . কিছুক্ষন পর শাকিলার আগমন। মনে হচ্ছে গোসল করে এসেছে। ভেজা চুল গুলো তার উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণের পিঠে ঝাপটে আছে। . পড়নে হলুদ কালারের একটা শাড়ী। . হলুদ রঙ টাতে তাকে খুব ভালোই মানায়। . জানালা খুলতে যাবে ঠিক তখনই এক টানে নিজের কাছে নিয়ে আসলাম। . -এই ছাড়ো , কেউ দেখে ফেলবে।দরজা কিন্তু খোলা। (শাকিলা) . -না কেউ দেখবে নাহ। . -ছাড়ো বলছি, সারারাত খালি দুষ্টমি করছো, এখন আবার শুরু করছো। . -আমার বউ, আমি যা ইচ্ছে তাই করবো। . -উফফ এত ছেলে মানুষি করো নাতো। ছাড়ো।(শাকিলা) . -ওকে, তাহলে একটা পাপ্পি দাও, তাহলে ছাড়বো, নাহলে আজ আর ছাড়ছি না। . -ওকে দিবো, তার আগে দরজাটা চাপিয়ে দিয়ে আসি, তা না হলে কেউ দেখে ফেলবে। . -ওকে যাও। . -হাহা। বোকা হাদারাম কোথাকার, তুমি এখন আরো বেশি করে ঘুমাও, আমি যাচ্ছি,। . -এই এই, তুমি কিন্তু চিটিং করছো, . \ ফ্রেশ হয়ে অফিসে গেলাম। . আজকে নিজের টাই নিজেই বেধে ফেললাম, বউকে দিয়ে টাই বাধালে নাকি ভালবাসা বাড়ে, কিন্তু আজ সেটা হলো নাহ। . অফিসে চলে গেলাম, . এর মাঝে অনেক কথা হয়েছে। . রাতে বাসায় ফিরে আসলাম। . \ পরের দিন সকালে টাই বাধার জন্য শাকিলাকে ডাক দিলাম। . -এই আমার টাইটা একটু বেধে দাও তোহ। . -এত বড় হয়েছো একটা টাই ও বাধতে পারো নাহ?(শাকিলা) . (শাকিলা আমার পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আমার টাই বাধছে, আর আমি তার দিকে অপলক তাকিয়ে আছি। মেয়েটির নাকের উপর বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছিলো। বেশ ভালোই লাগছিলো।) . -এখন কই যাবা, সোনা। . -এই ছাড়ো , প্লিজ।(শাকিলা) . -উহুম, আজ আর ছাড়ছি না, তোমাকে বিশ্বাস নেই, তুমি আবার পালাবে। . তাই তার সেই গোলাপী ঠোটে এক লম্বা পাপ্পি দিয়ে দিলাম। -আজ রাতে তুমি বাসায় আসো তার পর তোমার মজা দেখাচ্ছি। . অত-পর রোজ সকালে টাই বাধার সাথে সাথে একটা পাপ্পি ফ্রী। . - ভালবাসাটা সত্যিই অন্যরকম। ------- . -------------------------{সমাপ্ত}------------------------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now