বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

Odvut valobasha,!!!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X . """'"""""""""""""""""""""""""""""""""""""" সকালে কলেজ, আর বিকেলে পার্কের সামনে ফুচকা বিক্রি করাই শাকিলের কাজ! এই ফুচকা বিক্রি করে জা রোজগার হয়, সেটা দিয়েই টেনেটুনে নিজের খরচ এবং বাড়িতে মা বাবাকে কিছু টাকা পাঠায় শাকিল। দেখতে সুদর্শন এবং শিক্ষিত বলেই আসেপাশের সবাই খুবই স্নেহ করে শাকিলকে। অনেক কাস্টমারের ভিড়ে একজন খুবই পরিচিত শাকিলের। আর সে হলো কোটিপতি বাবার একমাত্র মেয়ে-প্রিয়া"। প্রিয়া প্রতিদিনই বিকেলে একবার নিজের প্রাইভেটকারে করে পার্কে এসে ঘন্টা খানেক বান্ধবীদের সাথে আড্ডা মেরে, জাবার সময় শাকিলের কাছ থেকে ফুচকা খেয়ে জায়। দেখতে হালকা পাতলা গড়নের, গায়ের রং দুধে আলতা, তবে প্রিয়া একটু বদমেজাজি। আজ প্রিয়ার প্রাইভেটকার এসে পার্কের সামনে থামতেই, পাশের চায়ের দোকানী শাকিলকে বললো,- ঐ যে, তোমার বদমেজাজি খদ্দের এসে গ্যাছে"। শাকিল ইসারায় চায়ের দোকানী-কে চুপ করতে বললো। প্রিয়া গাড়ী থেকে নেমে সোজা শাকিলের কাছে এসে অপলক দৃষ্টিতে শাকিলের দিকে তাকিয়ে রইলো। আবির হাল্কা কেসে প্রিয়াকে বললো,- হ্যালো ম্যাডাম, জেভাবে তাকিয়ে আছেন, মনে হচ্ছে আজ ফুচকার বদলে আমাকেই খেয়ে ফেলবেন। -- তোমাকে স্ক্যান করলাম, সলিট আছো নাকি ভ্যাজাল! -- তার চেয়ে ফুচকা গুলো স্ক্যান করলে আপনার উপকার হতো, ওগুলো খেলে তো আপনার পেটেই জাবে! -- আচ্ছা তোমার শিক্ষাগত যোগ্যতা কত টুকু ? -- ক্যানো ম্যাডাম, সার্টিফিকেট দেখিয়ে ফুচকা বিক্রি করতে হবে নাকি? -- যা জিজ্ঞেস করছি তার উত্তর দাও! -- বি-এ কমপ্লিট! -- চাকরী না করে এখানে ফুচকা বিক্রি করো ক্যানো ? -- ম্যাডাম, ভালো চাকরি পেতে হলে অনেক টাকার প্রয়োজন! প্রিয়া পার্সব্যাগ থেকে একটা ভিজিটিং কার্ড বের করে শাকিলেরর হাতে দিয়ে বললো,- এটা আমার বাবার অফিসের অ্যাড্রেস, কালকে গিয়ে বাবার সাথে কথা বলে চাকরিতে জয়েন করবে"। এই বলে প্রিয়া চলে গ্যালো। শাকিল নির্বাক হয়ে দাড়িয়ে রইলো, এ জ্যানো অসম্ভব সপ্নের চেয়েও বেশী কিছু। পরেরদিন প্রিয়ার কথা অনুযায়ী শাকিল চলে গেলো প্রিয়ার বাবার অফিসে। চাকরিও পেয়ে গ্যালো ম্যানেজার পোষ্টে, সাথে একটি গাড়ি, এবং গুলসানে বাড়ি। শাকিলের কিছুই জ্যানো বিশ্বাস হতে চাইছে না, মনে হচ্ছে ঘুমের ঘোরে সপ্ন দেখছে। আবার এই সবই জে প্রিয়ার কথায় হচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই শাকিলের। কারণ প্রিয়া তার বাবাকে জা বলবে, তিনি সেটাই মেনে নেবেন, একমাত্র মেয়ে বলে কথা। দিনে দিনে প্রিয়া এবং শাকিল দুজন দুজনের প্রেমে পরে যায়। বছর খানেক পরে শাকিল প্রিয়াকে বিয়ের কথা বলতেই প্রিয়া বলে ওঠে,- অসম্ভব, বিয়ে করার জন্য আমি তোমাকে ভালো বাসিনি। শাকিল কারণ জানতে চাইলে প্রিয়া বলে,- একজনকে দেখানোর ছিলো জে, ভাত ছিটালে জেমন কাকের অভাব হয়না, তেমনি টাকা দিয়েও ভালোবাসা কেনা জায়, সেটা প্রমান করার জন্যই তোমাকে আমি ব্যাবহার করেছি শাকিল, তবে ভয় নেই, তোমার চাকরিও থাকবে আর বাড়িটাও থাকবে। শাকিলের মাথায় জেনো আকাশ ভেঙে পড়লো, গলা সুকিয়ে আর কথা বের হচ্ছেনা। আমতা আমতা করে শাকিল জানতে চাইলো, কাকে দেখানোর জন্য আমাকে ব্যাবহার করেছিলে?! প্রিয়া বললো,- আমার বয়ফ্রেন্ডকে, ওর নাম সাব্বির, ও বলেছিল আমার বদমেজাজের কারণে আমাকে নাকি ভালোবাসা সম্ভব নয়, আর আমি বলেছিলাম টাকা দিয়ে ওরকম ভালোবাসা মূহুর্তেই কিনে নেয়া জায়, আর তাই সাব্বিরকে দেখানোর জন্যই তোমাকে ব্যাবহার করেছি। প্রিয়া চলে গেলো। শাকিল পাথরের মূর্তির মতো নির্বাক হয়ে দাড়িয়ে রইলো। শাকিলের বুকের ভেতরে সুরু হলো প্রচণ্ড যন্ত্রণার ঝড়, আর সেই সাথে প্রিয়ার দেয়া আঘাত জলে পরিণত হয়ে দু চোখ দিয়ে ঝরতে থাকলো। পরেরদিন প্রিয়ার কাছে খবর আসলো,শাকিল চাকরিতে রিজাইন দিয়েছে, আর গুলসানের বাড়িটাও ফিরিয়ে দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়া শাকিলের সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লো। শাকিলের দেখা পাওয়া মাত্রই প্রিয়া প্রশ্ন করলো,- এ সবের মানে কি, আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা মানে এই নয় যে, আমি তোমাকে জা দিয়েছি সব ফিরিয়ে নেব। শাকিল হেসে বললো,- ম্যাডাম, আপনি আমাকে কাকের সাথে তুলনা করলেও, আমি একটা মানুষ, আমার বিবেক আছে, বুদ্ধি আছে, হৃদয় আছে, হৃদয়ে ভালোবাসা আছে, আর এখন সেই ভালোবাসা সুধুই আপনার জন্য, এই ভালোবাসার জন্ম আমার হৃদয়ে, আপনার গাড়ি বাড়ি আর টাকা পয়সায় নয়, এটা বুঝানোর জন্যই আপনার সব কিছু ফিরিয়ে দিয়ে, সুধু একবুক ভালোবাসা নিয়ে হাত বাড়িয়ে আছি আপনার অপেক্ষায়, এবার আপনি ভেবে দ্যাখেন কি করবেন। প্রিয়া কোনো কিছু না বলে চলে গ্যালো। পরেরদিন শাকিল আবার পার্কের সামনে ফুচকার দোকান নিয়ে বসলো। বিকেলে প্রিয়ার প্রাইভেটকার এসে থামলো। গাড়ি থেকে নেমে প্রিয়া শাকিলের সামনে এসে দাড়ালো। শাকিল বললো,- কি ম্যাডাম, ফুচকা খাবেন নাকি?। প্রিয়া বললো,- আরে রাখো তোমার ফুচকা, কালকে জে ডায়লগ মারলা, তাতে মনে হইলো তোমার চেয়ে কেউ বেশী ভালোবাসতে পারবেনা আমাকে, স্ক্যান কইরা দেখলাম, তোমার ভালোবাসায় কোনো ভ্যাজাল নাই। -- তাইলে এবার বুঝতে পারছো? -- সুধু বুঝিনাই, সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলছি! -- কিসের সিদ্ধান্ত ? প্রিয়া খপকরে শাকিলের হাত ধরে বললো,- আগে কাজী অফিসে চলো--কবুল বলার পরেই বুঝতে পারবা, কি সিদ্ধান্ত নিছি!!!!!!!! {বিঃ দ্রঃ} গল্পটা কেমন হয়েছে জানাবেন। লেখায় ভুল- ত্রুটি হলে মাফ করবেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now