বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
।
(অনেকদিন পর গল্প লিখলাম,তাই বেশি বড় করে দিতে পারলাম না।তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।আর আমার গল্প ভালো না লাগলে রাস্তা পরিষ্কার আছে,নিজের রাস্তা মেপে নিন।হুদাই কমেন্ট বক্সে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত চিল্লাইবেন না)
।
কোন এক অজানা কারনে ঘুমটা ভেজ্ঞে গেল।চোখটা খুলে বুকের দিকে তাকিয়ে দেখি মেয়েটা একহাতে আমার গলা,আরেকহাতে আমার শার্টটা শক্ত করে ধরে বুকে মাথা দিয়ে বাচ্চা মেয়েদের মত গুটিশুটি মেরে শুয়ে রয়েছে।আমি খুব সাবধানে তার মাথাটা বালিশে রেখে উপুর হয়ে মেয়েটার মায়াবী মুখখানা দেখতেছি।তার মুখের সামনে উরে আসা চুল গুলো পিছনে গুজে দিয়ে দুইহাতে দুই গাল ধরে কপালে ভালোবাসার স্পর্শ দিয়ে দিলাম।মেয়েটা কেপে উঠলো।হঠাৎ টেবিলের উপর থাকা মোবাইলটা বেজে উঠলো।হাতে নিয়ে দেখি আম্মুর কল।রিসিভ করলাম:
আমি:হ্যালো আম্মু,বল?
আম্মু:ঘুম থেকে উঠেছিস?
আমি:মাত্র উঠলাম।কেন?
আম্মু:কয়টা বাজে দেখেছিস?
আমি:কয়টা?
আম্মু:১২টা।
আমি:কিহহ!!
আম্মু:হুম,তারাতারি দুজনে রেডী হয়ে এসে পর।আমরা এখান থেকে ২টা বাজে রওনা দিবো।
আমি:আচ্ছা,আমরা সময়মত পৌছে যাবো।
আম্মু:আচ্ছা,তাহলে রাখি?
আমি:আচ্ছা।
।
ফোনটা রেখে মেয়েটার দিকে তাকালাম,দেখি পিটপিট করে তাকিয়ে রয়েছে।তাই দেখে আমি বললাম:
আমি:মেমসাহেবের কি ঘুম ভাজ্ঞলো।
উনি:হুম।তুমি কখন উঠলে?
আমি:এই মাত্র।এখন উঠে তারাতারি রেডি হয়ে নাও,দেরী হয়ে যাচ্ছে।
উনি;ঠিক আছে।
।
উনার গোসল শেষ হওয়ার আগে পরিচয়টা দিয়ে দেই।আমি #সাজিদুল ইসলাম আহাদ।বাবা মায়ের একটা সন্তান হয়েছিল,সেটাই আমি।বাবার টাকা পয়সার অভাব নেই,সাথে পরিবারের সুখটাও।আর যাকে উনি উনি বলছি,সে হলো আমার #বান্ধবী বউ ফাতেমা।#বান্ধবী বলছি কারন বিয়ের আগে আমরা বন্ধু ছিলাম,যদিও আমাদের লাভ ম্যারিজ।এসব বিষয় পরে বলছি কারন সে গোসল করে বাহিরে এসে পরেছে,এখন আমার পালা।আমি গোসল করতে ভিতরে গেলাম আর উনি রেডি হচ্ছে।
।
আমাদের দুজনের পরিচয় ছোট থেকে।আমরা একসাথেই বড় হয়েছি।আমাদের আর কোন ফ্রেন্ড ছিল না।সেই থেকে আমরা একে অপরের মন চুরি করেছিলাম।কিন্তু ফাতেমার পরিবার খুব পর্দাশিল।তাই আমাদের প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর থেকে মিশতে দিতো না।কিন্তু আমরা থেমে থাকিনি।চুরি করে দেখা করতাম,অনেক জায়গায় ঘুরে বেরাতাম,কেউ জানতে পারতো না।সময়ের ঘন্টা বেড়ে চলার সাথে সাথে আমাদের পড়ালেখা শেষ হলো।আমি আমার বাবার অফিসের দ্বায়িত্ব নেওয়ার পরেই ফাতেমার বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠাই।প্রথমে রাজি হয় নি ওর বাবা,আবার আমিও হাল ছাড়ি নি।অবশেষে আমার কাছে হার মেনে নিয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়।তার কিছুদিন পরেই আমাদের বিয়ে হয়ে যায়।
।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now