বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অবাক ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X আমিঃ ধুর বাল খালি দিবলা খাবলা করে মেঘাঃ ঐ শয়তান কি বললা( আমার কলার ধরে) আমিঃ ঠিকি ত কয়ছি … প্রতেক কথায় তুমি শুধু ল লাগাও কেন? মেঘাঃ তোমার প্রবলেম কোথায় আমার সে ছোট বেলা থেকে বলে আসতেছি হু । আমিঃ তুমি আর বলবেনা হু । মেঘাঃ তুমি ত খুব ভালো আর তোমাদের কুষ্টিয়ার ভাষা ত খুব ভালো কথায় খালি বাল বলো । আমিঃ আমাকে নিয়ে যত বলো কুষ্টিয়া নিয়ে কোন কথা বলবেনা । মেঘাঃ এখন কেমন লাগছে চান্দু । আমিঃ পাবনার সব মেন্টাল কথাকার । মেঘাঃ ঐ তুমি আর এক বার তোমারে আমি গলা টিপে মাইরা ফেলুম ( আমার বুকের ওপর শুয়ে গলা ধরে বলছে) আমিঃ প্লিজ এমন করোনা আমি মরে যাবো ত । মেঘাঃ এই তুমি এই কথা আর একবার বললেই আমি বাবার বাসায় চলে যাবো( কান্না করতে করতে বলছে) মেঘা আমাই খুব ভালোবাসে মনে হয় এই পৃথিবীতে আমিই বড় ভাগ্যবান । আমিঃ আমাই ছেড়ে তুমি কয় যাবা ? মেঘাঃ তুমি ঐ কথা কেনো বলো আমার যে খুব কস্ট হয় তুমি কি বুঝোনা ( আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে ) আমিঃ আমি ত মজা করে বললাম প্লিজ কান্না বন্ধ করো । মেঘাঃ আমায় কস্ট দিয়ে তুমি খুব খুশি হও তাইনা ? আমিঃ ধুর পাগলি তুমি কস্ট পেলে ত আমিও অনেক কস্ট পাই ।( ওর চুল নিয়ে খেলা করতেছি ) মেঘাঃ তাহলে ওই কথা বলবালা। আমিঃ আচ্ছা বলবলা। আমি যেই বলবলা বলেছি মেঘা ত হেসে কুটিকুটি কারন বলবলা ও বলে সব সময় আর এটা নিয়ে আমি রাগায় । রাগাই কারন অনেক ইয়ে পাওয়া যায় … ও আপনারা ত বুঝবেন না ইয়ে মানে টা কি পরে সময় হলে বুঝায়ে দেবোনি । মেঘাঃ আমি কিন্তু রেগে আছি … আমার মুখের কাছে মুখ নিয়ে এসে বললো এই কথা টা … আমিঃ কেনো রাগ করেছো? মেঘাঃ তুমি কথা গুলা বলেছো তাই । আমিঃ কোন গুলাগো ( রেগে আছে তাও হেসে দিয়েছে) মেঘাঃ মারা যাওয়ার কথা বলছো । আমিঃ ধুর বললাম না মজা করে বললাম । মেঘাঃ আমি এখনো রেগে আছি ( বুকে মাথা রেখে ) আমিঃ কি করব তাহলে ? মেঘাঃ তুমি জানোনা ? আমিঃ ওহ মনে পড়েছে আইস্ক্রিম খাবে তাইনা( আসলে ও উম্মাহ নিতে চাই ফাজিল একটা ) মেঘাঃ ধুর কথা কবলা ... বলেই আমার বুক থেকে উঠে যেতে চাচ্ছে ... আর ও যেতেই হাত টান দিয়ে আমার বুকে নিয়ে আসলাম আর ওর রাগের কারন টা দিয়ে দিলাম । আর ভালোবাসার এক অতল সাগরে ডুবে গেলাম ... পাগলিটা এটা পাওয়ার জন্য যত নাটক করেছে আজ কারন আজ সকালে বলেছি উম্মাহ উম্মাহ করলে তোমার খবর আছে । ও যে কি ফাজিল আপনেরা ত দেখলেন কিভাবে ওর অধিকার আদায় করে নিলো ... ও এখন আমার বুকের ওপর মাথা দিয়ে শুয়ে আছে আর আমি ওর চুল গুলো নিয়ে খেলা করতেছি । মেঘাঃ ওই তুমি আমায় এতো কম ভালোবাসো কেনো ( চোখে চোখ রেখে । আমিঃ কে বলেছে? মেঘাঃ আমি বলেছি। আমিঃ কয়ছে তোমারে । মেঘাঃ ওকে যাও লাগবেনা ভালোবাসা ( ঠোট ফুলিয়ে কান্না করতেছে আবার এটা হলো ২য় বাহানা) আমিঃ এই কান্না করো কেন? মেঘাঃ ... কান্না করেই যাচ্ছে ... আমিঃ উউউউউউম্মম্মম্মম্মম্মাআআআআআআআআআআআআআহহহহহহহহহহহহহহ মেঘাঃ আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি জান উউউউউউউউউম্মম্মম্মমাআআআআআআআআআআআআআআআহহহহহহহহহহহ আপনারা কিছুই দেখেন নাই কিন্তু …… আমিঃ এইবার ভালোবাসা কিহলো? মেঘাঃ এই যে আমি যেটা চাই সেটা দিলে । আমিঃ তাই নাকি কাল থেকে বন্ধ । মেঘাঃ রাগ করব আবার ? আমিঃ পাগলি তুমি কি আমার মিস রাগিনী হবে ভোর বেলাতে আইস্ক্রিম খাওয়ার বাইনা ধরবে তোমাই নিয়ে স্বপ্ন দেখার অধিকার দিবে এত রাগ করলে হবে আমায় ত ভালোবাসতে হবে মেঘাঃ ওকে … পাগলিটা আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেলো … ওর সাথে কথা বলতে বলতে ভুলে গেছি আমাদের পরিচয় দিতে … আমি হলাম বাবার বড় পুত্র বাসা দোলতপুর এবার ডিপ্লোমা ৬ষ্ট সেমিস্টারে পড়া শুনা করতেছি তাই কুষ্টিয়াই থাকি … আর মেঘা হলো পরিবারের পিচ্ছি মেয়ে তাই এত জেদি আর ও এবার অর্নাস ১ম র্বস পড়তেছে তাই ও আর আমি বাসা নিয়েই থাকি আমাদের বিয়ে হয়েছে পারিবারিক ভাবে … ওর বাসা পাবনাই মানে মেন্টাল বললে সবাই চিনেন । আমি যে মেন্টাল বলেছি ওরে কেউ বলবেন না তাহলে আবার রাগ দেখাবে আর রাগ কমাতে যা লাগে আপনারা ত দেখলেনি । ও ঘুমিয়ে আছে আমার বুকে আর আমি ওর চুল গুলো হাত দিয়ে নেড়ে দিচ্ছি । ও ঘুমালে মনে হয় ওরে সারা রাত ধরে দেখি এই মায়াবি মুখ টা । আমাদের বিয়েটা হয়েছে এক দম আলাদা ভাবে ... তাহলে শুনুন কিভাবে মায়াবি মেঘা আমার বুকে ...... আমি তখন ডিপ্লোমা ৪র্থ সেমিস্টারে পড়ি ... কুষ্টিয়া পলিটেকনিক এ পড়াশুনা করি আর আমি থাকি সরকারি কলেজের সামনে । মেসে থাকি ... ত একদিন কলেজে যাচ্ছি আমি আরা আমার এক ফ্রেন্ড । কলেজ কাছে তাই হেটেই যায় ... কাটাইখানা মোড়ে যেই গিয়েছি ধপাস করে পড়ে গিয়েছি আর অনেক খানি কেটে গিয়েছে হাতে কিন্তু পড়লাম কিভাবে ... একটু ওইদিকে তাকিয়ে দেখছি অপরাধির মত একটা মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে । আমার কাছে এসে সরি ভাইয়া বলে চলে গেলো আর আমি ত অবাক আমার এত খানি হাত কেটে গেলো কোথায় সিনেমার নায়িকার মত উরনা ছিড়ে আমার হাত টা বেধে দিবে না বেধেই চলে গেলো ... কিন্তু মেয়েটা ত দেখতে সেই একদম বাহুবলি ২ ছবির নায়িকার মত । ওখান থেকে এসে ওষুধ লাগিয়ে ঘুম দিলাম ... বিকাল ঘুম থেকে উঠলাম তখন আমার রুম মেট বলে তাকে নিয়ে নাকি রেউনিক বাধে যেতে হবে ।। উনার গফ এর সাথে দেখা করতে যাবে আমার পুড়া কপাল আজ পর্যন্ত আমার কপালে গফ হলো না । ওর সাথে গেলাম গিয়ে ত চোখ আমার কপালে আরে ঐ আমারে যে ধাক্কা মেরে হাত দিয়ে রক্ত বের করেছে সেই মেয়েটা ধুর আবার কি যেনো হয় । আমার রুম মেটের গফ এর সাথে রুম মেট কিছুটা দূরে চলে গেলো আর এই সেই মেয়েটার সাথে কথা বলতে বললো । বট গাছের নিছে আমি বসে আছি মেয়েটাও বসে আছে কিন্তু কেউ কথা বলছিনা । শেষমেষ মেয়েটা কথা বললো । মেঘাঃ কালকের জন্য সরি আমিঃ আমি কিছু মনে করি নাই । মেঘাঃ আসলে আমি দেখিলাই ত তাই ধাক্কা লেগেছিলো ( কথা শেষে ল উচ্চারন ) আমিঃ আচ্ছা আপনি ত ইচ্ছে করেন নাই তাহলে প্রবলেম কি ? মেঘাঃ আমাকে মাফ করেছেন ত ( মনে হচ্ছে উনারে জেলে ভরা হয়েছে ) আমিঃ না কিছু মনে করি নাই... আপনার নাম টা কি জানতে পারি? মেঘাঃ আমার নাম মেঘা জান্নাত ... আপনার? আমিঃ জুনায়েদ । মেঘাঃ শুধু জুনায়েদ ? আমিঃ হুম কেউ আর নতুন করে নাম দেইনি ত তাই ( কি বললাম নিজেই জানিনা ) মেঘাঃ মানে ? আমিঃ কিছুনা ... চলেন ওরা চলে এসেছে । মেঘাঃ হুম চলুন । ওখান থেকে আসার পর শুধু মেঘার কথা মনে পড়ছে মেয়েটা অসাধারন মায়াবি মুখ টা ... আসলে আমি ঐ মেয়ের প্রেমে পড়ে গেছি । রুম মেট কে সব বললাম কিন্তু রুম মেট বলে ও কারোর সাথে প্রেম করেনা কারন ওর বাবা সেই রাগি টাইপের আর একটু র্ধামিক পরিবারের মেয়ে । ধুর কথা শুনে মন টা খারাপ হয়ে গেলো ... আমি চিন্তা করলাম ওকে আমার চাইয়ি চাই যেভাবেই হোক ... পরের দিন সকালে সরাকারি কলেজে গিয়ে বসে আছি( কিছু বন্ধ মিলে আড্ডা দি এখানে ) দেখি মেঘা ক্লাস করে বের হচ্ছে তখনি আমি মেঘা ডাকলাম আর বললাম একটু তোমার সাথে আমার কথা আছে । মেঘাঃ কি কথা এবার বলুন ? আমিঃ ইয়ে মানে মা নে । মেঘাঃ তোতলাচ্ছেন কেনো? আমিঃ তুমি কি মারিয়ার আম্মু হবে চাঁদ দেখার সাথি হবে আদর মাখা মুখে রাগ করার অধিকার দিবে স্বপ্নখানির দেখার আশা দিবে আদর মাখা মুখে উম্মাহ দেওয়ার অধিকার টুকো দিবে সারা জীবন একসাথে চলার সময় হবে ঝগড়া করার সাথি হবে তোমার বুকের বাম পাশে একটু জায়গা হবে I LOVE U মেঘা ( এক নিশ্বাসে বলে দিলাম) মেঘাঃ সরি এটা আমার দ্বারায় হবেনা । আমিঃ কেনো প্রবলেম কি? মেঘাঃ এই সব আমার ভালো লাগেনা আর আমার বাসা থেকে প্রবলেম আছে তাই ... কথা গুলো বলেই ও চলে গেলো । আর আমি র্দশক হয়ে ওর চলে যাওয়া দেখলাম ... ওকে অনেক বার প্রপোজ করেছি কিন্তু একবারো গ্রহন করেনি ফিরিয়ে দিয়েছে । পরের দিন মনে মনে ভাবলাম আজ যদি ও আমায় ফিরিয়ে দেই তাহলে আমি আর ওর পেছনে ভালোবাসা নিয়ে যাবোনা ।সেই কথা সেই কাজ । ওর জন্য অনেক খন বসে আছি ও কখন ক্লাস থেকে বের হবে ... এই ত বের হয়েছে ... মেঘাঃ আপনি আবার এসেছেন ? আমিঃ এইবার শেষ আসা। মেঘাঃ তাই নাকি ? আমিঃ হুম । মেঘাঃ ওকে কি বলতে চান বলে ফেলুন । আমিঃ কি আর বলব আমি তোমাকে আমার প্রানের চেয়ে বেশি ভালোবাসি সেটা ছাড়া ত কিছুই বলার নেই । মেঘাঃ দেখেন আমি কত বার বলেছি আমার দ্বারায় এই সব হবেনা ... অনেক কথা বলার পরে কলেজ গেটের সামনে এসে ওর হাত টা ধরে ফেললাম কিন্তু ওর কোন রি-একশন নাই । কিছুখন পরে আমার হাত তা ছেড়ে দিয়ে বলে ছাড়ুন আমার আব্বু ... ওর আব্বু এখানে আসবে কেনো ? দেখলাম এক জন ভদ্রলোক আমার দিকে রাগি লুক নিয়ে তাকিয়ে আছে । তারপর মেঘা আর মেঘার বাবা চলে গেলো আর মেঘা মন খারাপ করে গেলো একদম মুখটা শুকিয়ে গেছে মনে হচ্ছে । আমিও মেসে এসে চিন্তা করতে লাগলাম মেঘা কে ওর বাবা কি নাই বলে ধুর আমার জন্য এই সব হলো ...সন্ধ্যার পর ঘুমিয়ে পড়লাম ... কিন্তু ঘুম হলো না একটা ফোনের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেলো ...রিসিভ করলাম ... আমিঃ হ্যালো কে বলছেন ? মেঘাঃ আমি মেঘা বলছি । আমিঃ ওহ আপনার বাবা কিছু বলেনি ত আর আমার নাম্বার কয় পাইলেন? মেঘাঃ আমার বান্ধবির কাছে থেকে নিয়েছি আর এই শুনুন আমার আব্বু আপনার সাথে কথা বলবে । আমিঃ কেনো প্লিজ বলুন না ( আমি ত ভয়ে শেষ ) মেঘাঃ জানিনা এই যে ধরুন কথা বলুন । ... মেঘা ওর বাবার কাছে ফোন টা দিয়ে দিলো ... মেঘার বাবা কে সালাম দিলাম ... উনি উত্তর দিয়ে বলতে লাগলেন তুমি কত দিন আমার মেয়ের পেছনে ঘুরো ? তখন আমি সত্য কথা সব বলে দিলাম ... তারপর যেই কথা টা বলবে তার জন্য আমি রেডি ছিলাম না ... উনি বললো আমার বাবার নাম্বার দিতে আমি ওনেক অনুরধ করলাম কিছুই কাজ হলোনা । উনি বলে নাম্বার না দিলে মেঘার পেছোনে যদি আর ঘুরো তাহলে খবর আছে । আমি নাম্বার দিয়ে দিলাম ... ধুর কি হতে কি হয়ে গেলো আর বাবার নামার দিয়ে করবে ,... ২ দিন পর আমার বাবা ফোন দিয়ে বললো যেনো আমি বাড়িতে যায় ... আমি বাড়িতে গিয়ে ত অবাক মেঘা আর মেঘার বাবা আরো যেনো অনেক মানুষ এসেছে । আমাকে দেখে সবাই মিট মিট করে হাসতেছে ... আমি আমার রুমে গেলাম ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম কিন্তু কপাল খারাপ কেউ যেনো আমায় ঘুমাতে দিলোনা ... দেখি আম্মু এসে বলছে এই পোশাক গুলো যেনো তাড়াতাড়ি পরেনি । আমি আম্মুকে বললাম কি জন্য ... তখন আম্মু কি বলে জানেন ? আম্মু বলে লোকের মেয়ের পেছোনে ঘোরার সময় মনে থাকেনা বলে চলে গেলো ... কিছুখন পরে আমার ছোট ভাই এসে বললো যে বাবা তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে । গিয়ে ত আবার অবাক হওয়ার পালা কারন মেঘা বউ সেজে বসে আছে ।ধুর কি হচ্ছে বুঝিনা ত । পরে সুনেছি মেঘার বাবাই এমন করেছে মেয়ের ভালোর জন্য যেনো মেয়ে খারাপ না হয়ে যায় ... যাক অবশেষে আমার মনের মানুষ কে পাওয়া গেলো । মনে হচ্ছে নাগিন ড্যান্স দি ... পরে দিমুনে আগে বিয়ে করে নি ...। রিতি মতাবেক আমাদের বিয়েটা হয়েগেলো ... এখন রাত ১১টা ৩০মিনিট ... বাসর ঘরে মেঘা একাই বসে আছে (পিচ্ছি গুলো বাসর সাজিয়েছে অনেক সুন্দর করে) বাসর ঘরে ঢুকে দরজা দিয়ে দিলাম ... মেঘা এসে আমায় সালাম করল আমি মেঘা কে বললাম । আমিঃ পায়ে নয় তুমি ত আমার এই বুকে থাকবে বলেই বিছানাই বসলাম ... তারপর ঘোমটা তুলে দেখে আবার প্রেমে পড়ে গেলাম । আমিঃ আমাকে কি স্বামী হিসাবে মেনেছো ? মেঘাঃ কেনো মানবোনা এখন থেকে আপনিই আমার সব । আমিঃ তাহলে এখন থেকে তুমি করে বলতে হবে । মেঘাঃ আচ্ছা । কিন্তু আমার কিছু র্শত আছে । আমিঃ কি ? মেঘাঃ আমাকে অনেক ভালোবাসতে হবে আমি অল্পতেই রেগে যায় তাই রাগ ভাঙ্গাতে হবে । গায়ে হাত তুলা যাবেনা । এক প্লেটে খাবার খেতে হবে । এক বালিশে ঘুমাতে হবে । আর প্রতিদিন সকাল আর রাত্রে উম্মাহ দিতে হবে । এই গুলো হলেই হবে। আমিঃ উম্মাহ টা কি ? মেঘাঃ উম্মাহহহহহহহহহ এটা হলো উম্মাহ (আমার কপালে ভালোবাসার পরশ একে দিলো ) আমিঃ কিন্তু রেগে গেলে কি করে রাগ ভাঙ্গাবো ? মেঘাঃ তাও খুব সোজা । আমিঃ মানে? মেঘাঃ এই যে উম্মাহ দিলেই হবে হিহিহি । আমিঃ এখানেও উম্মাহ? মেঘাঃ এই ছাড়া কোনো কিছুতেই কাজ হবেনা । আমিঃ বুঝলাম ... মেঘা এসে আমার বুকে ওপর মাথা রাখলো আর তখনি ওর মুখের কাছে মুখ নিয়ে গিলাম কিন্তু মেঘাই আমাকে সুখের সাগরে নিয়ে গেলো ... কিছুখন পরে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে আমার বুকের ওপর ঘুমিয়ে পড়লো । আর আমি ওর মুখের দিকে অবাক নয়নে তাকিয়ে আছি আর ওর মাথাটা নেড়ে দিচ্ছি ... যাহহহহ আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে ত সকাল হয়েগেলো ... ওহ এখনো আমার বুকের ওপর ঘুমিয়ে আছে ... আমি একটু নড়ে উঠতে গেলাম তখনি দেখাম ও জাগা পেয়ে গেলো । জাগা পেয়ে উঠে যাচ্ছিলো কিন্তু আমি বুকে টেনে নিয়ে ওর ঠোটে আমার ঠোট হারিয়ে গেলো ......... কিছুখন পর আমার কপালে একটা উম্মাহ দিয়ে চলে গেলো আর বলে গেলো আমি যেনো সারা জীবন এমন সকাল তাকে উপহার দেই ...... হ্যা আমি তাকে সারা জীবন এভাবেই ভালোবাসবো ...এই ভাবেই চলছে আমাদের জীবন ... সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন পাগলি টা যেনো আমারই থাকে সারা জীবন ...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবাক করা ভালোবাসা 1পার্ট
→ অবাক ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now