বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই গল্প আমার আব্বু কে এম আজাদুল ইসলামের লেখা। ইসলামপুর। পুর্বে এখানে বন্যপ্রাণী বিচরণ করত। ফলে দিবালোকেও কেউ এই গহিন জঙ্গলে ঢুকার সাহস পেতনা। পূর্ব জমিদারের আর ব্যক্তিগত কিছু লোকের ইজমালী সম্পত্তির তেমন কোন পরিচর্চা ছিল না। যেমন ছিল চওড়া তেমনি ছিল লম্বা। তাই বন্য প্রানীরাই এখানে স্বাধীনভাবে বাস করে আসছিল। জঙ্গলটির নুঁথি বিহীন নামও ছিল, সবাই ওটাকে জমিদারের বন বলে ডাকত। আর বিশেষ করে ভয়ও পেত। কারণ দু,চারটে গরু ছাগল যেত বাঘের পেটে। তাই গৃহস্তরা গরু ছাগল চড়াতে রাখালদের পরামর্শ দিত। জমিদার বনের পাশে ছিল মস্ত বড় মাঠ। তার পূর্বদিকে ছিল আউশা গ্রাম। সেখানে পূর্ব হতেই অনেক জ্ঞানী-গুণী লোক বাস করত। কিন্তু বছর পাঁচেক যেতেই বাড়ি ভিটা ভাগাভাগি শুরু হল। আঃ জব্বার, বয়স সত্তরের কোঠায়। চুল দাড়ি ধবধবে সাদা। তিনি মাথা ধরে নুয়ে পরলেন। তার পাচ পুত্র। মাঠে অনেক সম্পত্তি থাকলেও বাড়ির জায়গা ছিল মাত্র ১৬ শতাংশ, যা গৃহস্থি কাজের জন্য যথেষ্ট নয়। বড় ছেলে অত্যন্ত নম্র আর ভদ্র। গ্রামের ছোট বড় সবাই তার ব্যবহারে তাকে সমীহ করত। বাবাকে চিন্তিত দেখে পাশে বসে বললঃ বাবা কিছু ভাবছ? আঃ জব্বার মৌনতা কেটে বললঃ জায়গা তো কম। তাই বলে মন খারাপ করে থাকবে? আজ ক'দিন হল নাওয়া-খাওয়া তো ঠিকমত করছ না। বাবারে....... ছেলে মেয়ে বড় হলে চিন্তা বাড়ে। তোমাদের চিন্তা ছাড়া আমাদের আর কি আছে? আল্লাহর উপর ভরসা রাখ, তিনিই সমাধান দেবেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now