বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মনের ব্যাসার্ধ

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X ভার্সিটি লাইফের প্রথম ক্লাসে ৷৷ . তোমার বাবা কি করে...........? জ্যি ম্যাম! মেডিসিন স্পেশালিষ্ট। ও আচ্ছা! স্যারকে আমার সালাম দিও৷ . নেক্সট, তোমার বাবা কি করে? জ্যি ম্যাম! ভার্সিটির অধ্যাপক। >কোন ডিপার্টমেন্ট? নাম কি? >জি ম্যাম ৷ ফিন্যান্স প্রফেসর ড. রফিক চৌধুরী৷ তুমি রফিক স্যারের মেয়ে৷ স্যারকে আমার কথা বলো৷ . তারপর তোমার বাবা কি করে? ছেলেটা একটু মাথা নিচু করে রিপ্লাই দেয়, জ্যি ম্যাম, বাবা গ্রামের নদীতে মাছ ধরে৷ অ অ................. . . . সেই প্রথম দিনের এই পরিচয় এর পর থেকে স্যার ম্যামদের মাথায় একটা জিনিস সেট হয়ে যায়.. কার বাবা ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার বা উচ্চপদস্থ কেউ। এর পর থেকে প্রতি ক্লাস, কার্ড টার্ম বা ভাইবা, প্রেজেন্টেশন এমনকি সেমিস্টার-ফাইনালে ও তাদের একটা এক্সট্রা প্রায়োরিটি দেয়া হয়.......... ………. অজ'পাড়া গায়ের ক্ষেত থেকে উঠে আসা ছেলেটা মেধার জোরে এগিয়ে থাকলেও, বাবার জোরে অনেকটা পিছিয়ে পড়ে... আমি ...... কোনদিন যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হই তাহলে, ওই তিন নম্বর এর ছেলেটিকে কানের ঠিক দুই ইঞ্চি নিচে একটা থাপ্পর লাগিয়ে বলবো~ : শালা! মাথা নিচু করে বলিস কেন, বাবা নদীতে মাছ ধরে? সবার সামনে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বল, বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, নদীতে মাছ ধরে তার সন্তানকে দেশের সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছে। I m damn proud of my father..... . . তোমার ওই ছোট ভার্সিটির লেকচারার হবার দরকার নেই। তুমিঅক্সফোর্ডের লেকচারার হবে। তোমাকে ওই ছোট্ট মেডিকেল কলেজের, ছোট্ট একটা জবের জন্য লড়াই করতে হবে না। তুমি সিঙাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথে, কর্তব্যরত চিকিৎসক এর দায়িত্ব নিবা। ক্ষেত থেকে উঠে এসে, আকাশ ছোয়ার দৃষ্টান্ত এই দেশে একটা দুইটা না, হাজারটা। হ্যা, হাজার টা.... কাউকে ছোট করে দেখলেই, সে ছোট হয়ে যায় না। যে ছোট করে দেখে, সে ছোট হয়ে যায়। . . . আমাদের পকেটের ব্যসার্ধ বড় করার চেয়ে, মনের ব্যসার্ধ বড়করাটা অনেক জরুরী...।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now