বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হাসপাতাল বলতে আমরা জানি যেখানে জীবন ও মৃত্যু একসাথে বসবাস করে। এটি এমনই একটি হাসপাতাল নিয়ে।
এটি একটি কলেজ এন্ড হসপিটাল। তাই এখানে অনেক ছাএ ছাএী ডাক্তারি পড়ে। জাই হোক হাসপাতালটি ছিল পাঁচ তলার। একেবারে উপর তলার এক পাশের দুটি রুম হলো লাশ লাখার ঘর। তার ঠিক পিছনেই নিচে অপরিচিত লাশ কবর দেওয়া হতো। কোন প্রকার নিয়ম ছাড়াই। কিন্তু তা যে একদিন হাসপাতালের জন্য কাল হবে তা কেউ বুঝতেও পারেনি।
হাপাতালের ঠিক পাশেই ছিল হোস্টেল। পড়তে আসা ছাএরা সেখানেই থাকতো।
ছাএী হোস্টেল ছিল এখান থেকে কিছুটা দূর।
যাই হোক নতুন ছাএছাএী রা ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু করল।
হোস্টেলের ফাকা ঘর গুলোও ভরে যেতে লাগলো। সব রুম ফিলাপ ও হয়ে গেল। শুধু একটি রুম কেউই নিতে চাইলো না। এমনকি হোস্টেল কর্তিপক্ষও কাউকে দিতে রাজি নয়।
কারণ গত বছর তনিমা নামের ৩য় বর্ষের একজন ছএী সেখানে আত্নহত্যা করেছিল।
যাই হক এদিকে ক্লাসও শুরু হয়ে গেছে আর নতুন ছাএী ছাইমা কোন সিট এখনো পাইনি। তার বাড়িও এখান থেকে অনেক দূর। তাই সে সিটের জন্য আবেদন করে।
সিনা থাকায় তার আবেদন গ্রহন হয়নি। কিন্তু বাড়ি থেকে এসেও ক্লাস করা সম্ভব নয়। তাই সে ওই নিষিদ্ধ রুমে থাকার আবেদন করে। প্রথমে দিতেনা চাইলেও তার বার বার অনুরোধের ফলে ঔ ঘরে থাকতে দেওয়া হয়। কিন্তু তার সাথে আর কেউ থাকতে রাজি হয়নি।
ছইমা ওই ঘরে একাই থাকতে লাগলো। কোন সমস্যা ছারাই ছাইমা অনেক দিন ধরে ওইরুমে থেকেই পড়ছিলো। ভয়ে রাতে তার রুমে কেউ আসতো না। ছাইমা খুব মেধাবি ছাএী ছিল। তাই অনেক রাত অবধি সে পড়তো।
হঠাৎ একদিন রাত বারোটার নাগাদ তার দরঝায় কেউ কড়া নাড়লো। হঠাৎ শদ্বে ছাইমা ভয় পেয়ে যায়। ভয় ভেঙ্গে জিঙ্গেস করে কে। বাইরে থেকে আওয়াজ আাসে আমি তুমার নতুন বন্ধু তাই তুমার সাথে পরিচিত হতে এলাম। তাতেও ছাইমা কিছুটা ভয় পেয়েই আছে। কারন যেই হকনা কেন এ রুমের ঘটনা সবাই জানে।
যাই হোক নিজে এসে যখন ডকছে দরজাতো খুলতেই হব। ভয় ভেঙ্গে দরজা খুলে দেখে একটি মেয়ে পিছন ফিরে আছে। সে ডাকতেই হঠাৎ তার দিকে চখের পলকে ঘুড়ে যায়। মেয়েটা ছিল এতটাই সুন্দর যা বলাযায় না। তবে তার চেহেরাতে কেমন একটা নিল নিল মলিন ভাব। যেমনটা মৃত মানুষ কে দেখায়। তাছাড়া দরজা খুলার পর এই গরমেও তার কেমন জানি শীত শীত লাগছিল।
সে মেয়েটিকে ঘরে আসতে বললো। মেয়েটিও আসলো। মেয়েটি আাসার পর থেকে তার যেন কেমন নেশা নেশা লাগছিল। কেউ বস করলে যেমন হয়। তার। পর দুজনের মধ্যো অনেক কথা হয়। কথা বলতে বলতে কখন যে রাত তিনটে বেঝে গেছে তা ছাইমা টেরও পাইনি।মেয়েটে যা বলছে ও শুধু পুতুলের মতো শুনছে। মেয়েটি যাওয়ার সময় তার কাছ থেকে একটি বই নিয়ে যাই। বলে যাই পরদিন দিয়ে যাবে।
পর দিন ছাইমা ক্লাসে ওই মেয়েকে খুজতে থাকে। তার সব বন্ধুদের কাছেও জানতে চাই দেখেছে কিনা। কিন্তু কেউ ই তাকে কখনো দেখেনি বলে দেয়। এভাবে কয়েক দিন চলে যায়। ছাইমা মেয়েটির দেখা আর পায় না।তাই সে অভিযোগ করতে প্রিন্সিপ্যাল এর রুমে যায়। তবে সঠিক বর্ননা নাদিতে পারায় তার অভিযোগ গ্রহন হয়নি। তার সাথে তার কয়েকজনও গিয়েছিল। রুমথেকে বেরুনোর সময় দেয়ালে একটি ছবি দেখে সে আটকে যায়। এটি একটি পিকনিকের ছবি।যেখানে অনেকের সাথে ওই মেয়েটিও ছিলো। সে তারা তারা ছবিটি দেখিয়ে স্যারকে বলে ওই মেয়েটি আমার বই নিয়েছে। স্যার ছবিটি দেখে অবাক হয়ে জিঙ্ঘেস করে তুমি সিওর ও ই ঔই মেয়েটি।ছাইমা সিওর বলে এটিই সে মেয়ে। স্যার ভয়ে ভয়ে ছাইমাকে ছবিটি কত সালের দেখতে বলে। ছাইমা দেখে এটা আরো চার বছর আগের। সে অবাক হয়ে যায় তাহলে সে কেন বলেছিলো ও নতুন মেয়ে। স্যার তাকে বলে এই সেই মেয়ে যে তুমার রুমে আত্নহত্যা করেছিলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now