বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছিলাম hero,
হয়েছি Zero
কারো কাছে Value না পাই,
দেবদাস আমি হয়েছি তাই।
পদ্মার পাড়েতে,
চাদের আলোতে
চলছে Crush-এর Romance,
তা দেখে বেড়েছে এ মনে,
তার প্রতি ignorance
সান্তনা দেওয়ার কেউ নাই,
দেবদাস আমি হয়েছি তাই।
লোকে বলে ব্যাটা,
খাইস্ স্যাকা
নাহলে কেনো একা।
আমি বলি ভায়া,
স্যাকা না এটা
Crush-এর জন্য এ দশা!
বেকার বিশ্বের Hater সবাই,
দেবদাস আমি হয়েছি তাই!
????????
যা হোক বাংলা সাহিত্যের কালোত্তীর্ণ প্রেমের উপন্যাস হিসেবে ‘দেবদাস’ এখনো সবার কাছে সমান আবেদন নিয়ে হাজির হয়।আমাদের বাংলা সাহিত্যের মাঝে মানুষ বরাবরই খুঁজে পেয়েছে তার স্বপ্ন, সম্ভাবনা, ভাললাগাময় নানা আবেগ ও অনুভূতির জীবনছবি। সাহিত্যের রঙ আমাদের জীবনের প্রতিটি ভাঁজে মিশে আছে।আর এই জীবনছবি "দেবদাস"।
বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি খ্যাতিমান কথাশিল্পী শরৎ চন্দ্রচট্টোপাধ্যায়েরদেবদাস শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস। ১৯০১ সালে রচিত হলেও দেবদাস প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালের ৩০ জুন। প্রকাশের পরে পরেই ভারত উপমহাদেশের বেশ কয়েকটি ভাষায় অনূদিত হয়। শরৎচন্দ্র তখন খ্যাতিমান সাহিত্যিক। দেবদাস উপন্যাস অবলম্বনে উপমহাদেশে নির্মিত হয়েছে অসংখ চলচ্চিত্র।
‘দেবদাস’ দুই বাংলার অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের কষ্ট ছোঁয়া আকুতিকে প্রকাশ করেছে ভিন্নভাবে। বাংলা সাহিত্যের কালোত্তীর্ণ প্রেমের উপন্যাস হিসেবে ‘দেবদাস’ এখনো সবার কাছে সমান আবেদন নিয়ে হাজির হয়। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র দেবদাসের অপ্রত্যাশিত প্রায়াণই বোধকরি ‘দেবদাস’ উপন্যাসকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। দেবদাসের প্রতি মানুষের প্রচন্ড ভালোবাসা, এ উপন্যাস পড়ার সময় প্রতিটি মানুষের দেবদাস, চন্দ্রমুখী ও পার্বতী হয়ে ওঠার ভাললাগা এবং বিরহ বেদনাকে উপজীব্য করে যুগ যুগ ধরে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। যুগে যুগে দেবদাস বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান তিন দেশে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘দেবদাস’ নিয়ে ১১টি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
দেবদাস উপন্যাস অবলম্বনে উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য এর নিম্মে অন্তর্ভুক্ত করা হলো:
লেখক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
দেশ :ভারত
ভাষা: বাংলা
বিষয়: উপন্যাস
ধরণ: আবেগপ্রবণ
প্রকাশক: জিসিএস
প্রকাশনার তারিখ: ৩০ জুন, ১৯১৭
আইএসবিএন: নাই
কাহিনিসূত্রের সংক্ষিপ্তসার:
উপন্যাসে দেবদাস তৎকালীন জমিদার বংশের সন্তান, পার্বতী সাধারণ বাড়ীর মেয়ে ৷ কিন্তু দুজনই দুজনার অন্তরঙ্গ বন্ধু, বিদ্যালয় পড়াশুনা থেকে পুকুড়ে মাছ ধরা প্রত্যেকটি কাজ তারা এক সঙ্গে করত ৷ পার্বতী কিছু ভূল করলে দেবদাস তাকে মারত , তবুও এদের সম্পর্ক বন্ধুর মতই ছিল ৷দেবদাসকে শহরে পাঠানো হয় পড়াশোনা করার জন্য।এ দিকে পার্বতীও বড় হতে থাকে এবং দেবদাসও।অনেক বছর পর দেবদাস বাড়িতে চলে আসে।এসেই সে পারুকে দেখতে যায়।পারু যে দেবদাসকে ভালোবাসে সে কথা বলে দেই। পারুর সঙ্গে দেবদাসের বিয়ের প্রস্তাব আনা হয় পারুর বাড়ি থেকে। কিন্তু দেবদাসের বাবা সে প্রস্তাবে রাজি হয় না।পারুর আরেক জনের সাথ বিয়ে ঠিক হয়। তখন দেবদাস আবার শহরে চলে আসে।পারুর বিয়ে হয়।আর যন্ত্রণা ভোগ করতে থাকে। মদ খেতে শুরু করে।চন্দ্রমুখী নামক নাচনেওয়ালীর সাথে দেবদাসের দেখা হয়।চন্দ্রমুখী দেবদাসকে ভালোবেসে ফেলে।দেবদাসের মদ খাওয়া জন্য মারাত্মক রোগ হয়।পার্বতীর বাড়িতে আসে দেবদাস এক সময় কথা দিয়েছিল বলে। অন্তিম অবস্সায় এলো এবং দেবদাস মারা গেল।
(তথ্যসূত্র:Wikipedia)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now