বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমিঃ ওই তুই এখানে কেন? আব্বু আম্মু
এই মেয়ে বাড়িতে এলো কিভাবে?
আম্মুঃ ওই ষাড়ের মতো চেচাচ্ছিস
কেনো?
আমিঃ এখানে আসো?
আম্মুঃ কি হয়েছে বল?
আমিঃ এই মেয়ে বাড়িতে এলো কিভাবে?
আম্মুঃ কোন মেয়ে?
আমিঃ কেন দেখতে পাচ্ছ না তোমার
পিছনে দাড়িয়ে আছে?
আম্মুঃ ও নিশির কথা বলছিস, ও তো
এখন থেকে এখানেই
থাকবে?
আমিঃ মানে কি এখানে থাকবে মানে?
আম্মুঃ ওরা আগের বাড়িটা ছেড়ে দিয়ে
আমাদের নিচের ঘরটাতে উঠেছে।
আমিঃ তার মানে এখন থেকে আমাকে
বাইরে থাকতে হবে?
আম্মুঃওই বাজে বকা বাদ দিয়ে ফ্রেস হয়ে
আয়।খেয়ে কলেজে যেতে হবে।
//
এখন পরিচয়টা দেই আমি সানভি। আর যার
জন্য ঝগড়া সে হলো নিশি আমার চির
শক্র। আমার কষ্টতে ওর হাসি পায়, মাঝে
মাঝে মনে হয় গলা টিপে মেরে ফেলি?
//
সকালে খেয়ে কলেজে যাবো আবার নিশির
আগমন।
নিশিঃ চল আমাকেউ নিয়ে চল?
আমিঃ তুই কই যাবি।
নিশিঃ কেন কলেজে যাবো।
আমিঃ তো যা আমার সাথে কেন?
নিশিঃ তার মানে আমাকে নিয়ে যাবিনা
তাইতো?
আমিঃ হুমম।
নিশিঃ আন্টি দেখ তোমার ছেলে আমাকে
কলেজে নিয়ে যাচ্ছেনা।
আমিঃ থাক আর নালিশ করতে হবেনা।
নইলে আমার রাতের খাওয়া বন্ধ করে
দিবে, আমি আবার না খেয়ে থাকতে পারিনা।
কলেজে যাওয়ার সময় আজকে বাইক নিয়ে
গেলাম।
আমিঃ উঠ আজকে। হাত পা ভেঙে তারপর
বাড়ি আসবো?
নিশিঃ আমি ভয় পাইনা, সব বাহানা
আমাকে নিয়ে না যাওয়ার।
আজ স্পিড টা একটু বেশি দিয়ে চালাতে
লাগলাম।
আর নিশি আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
কলেজে গিয়ে নামলাম।
নিশিঃ দেখছোস আমি কতো সাহসি
মেয়ে?
আমিঃ হুুম সেই জন্যই তো আমাকে
জড়িয়ে ধরা হয়েছিল।
যা ক্লাসে যা।
আমি বন্ধুদের কাছে গেলাম,
রাফিঃ কিরে দোস্ত আজকে যে বাইকে
করে নিয়ে এলি?
আমিঃ আর বলিস না আম্মু না দিয়ে
দিলো তাই নিয়ে এলাম।
রাফিঃ যাই বলিস মেয়েটা কিন্তু দেখতে
হেব্বি।
আমিঃ তোদের পছন্দ হইছে আয় প্রেম
করিয়ে দেই।
আমি পাশে চেয়ে দেখি একটাও নাই।
আসলে নিশি দেখতে ভালোই কিন্তু একটু
রাগি তাই সবাই ভয় পায়।
কলেজ শেষ করে আবার চলে আসলাম।
বাড়িতে গিয়ে একটা ঘুম দিলাম। বিকেলে
আবার বের হলাম।
রাতে বাড়ি ফিরে দেখি আমার ঘর মনে হয়
নাই।
আমার অগোছালো ঘরটা এতো সুন্দর
করে গুছিয়েছে কে?
আমিঃ আম্মু আমার ঘরে কে আসছিল।
আম্মুঃ তোর ঘরে কে যাবে।
তার মানে এটা নিশির কাজ।
মেয়েটার জন্য এখন একটু মায়া হচ্ছে তবে
কখন যে আবার কি করে তার খেয়াল নাই।
একটু পর দেখি নিশি আমার রুমে আসলো?
আমিঃ কিরে তুই এখানে?
নিশিঃ আজ থেকে আমি এখানেই থাকবো?
আমিঃ তুই কি আমার বউ নাকি যে এখানে
থাকবি?
নিশিঃ না তবে তুই চাইলে হতে পারি।(একটা
দুষ্ট হাসি দিয়ে)
আমিঃ এহ দুনিয়ায় যেন আর কোনো
মেয়ে নাই উনাকে বিয়ে করতে হবে?
নিশিঃ আম্মু দেখ তোমার ছেলে কি
বলছে?
আমিঃ ওই আমার আম্মু তোর আম্মু
হলো কবে?
নিশিঃ তোমার ছেলে আমাকে বিয়ে করতে
চাইছে?
আম্মুঃ সত্তি নাকি সানভি?
আমিঃ না আম্মু ও মিথ্যা কথা বলছে,?
আম্মুঃ তুই যা গেস্ট রুম এ ঘুমাবি।
আমিঃ কেন?
আম্মুঃ নিশি এখানে থাকবে?
আমিঃ ওরা তো নিচের ঘর ভাড়া নিয়েছে
তাহলে এখানে থাকবে কেন?
আম্মুঃ ওদের বাড়িতে আত্মিয় এসেছে
তাই।
এখন বুঝতে পারলাম আমার ঘর কেন
গুছিয়েছে।
অনেক রাতে ঘুম ভাঙলো।
বাড়িতে এতো চেচামেচি কেন?
আমি ঘরে যেতেই চমকে উঠলাম। ঘরে
আলো জ্বলছে বেলুন দিয়ে সাজানো
পুরো ঘর আর সামনে একটা কেক ও আছে।
এখন মনে পড়েছে আজ তো আমার
বার্থডে।
তার মানে সব নিশির কাজ।মেয়েটার প্রতি
মায়া হচ্ছে। না আর ঝগড়া করবো না।
আম্মুঃ কিরে ওখানে দাড়িয়ে না থেকে
কেকটা কাট।
হ্যাপি বার্থডে টু ইউ।
নিশি আমাকে কেক খাওয়াতে গিয়ে গালে
মাখিয়ে দিলো?
আমিও কিছুটা কেক নিয়ে ওর পিছনে
ছুটলাম।
নিশি ছাদে গিয়ে থামলো।
আমিঃ এখন কি হবে?
নিশি আমার কাছে আসলো আর একটা চুমু
দিয়ে চলে গেল।
আমি নিস্তেজ হয়ে দাড়িয়ে রইলাম।
ও এটা কেন করলো? তার মানে কি ও
আমাকে ভালোবাসে?
একটা পরিক্ষা করতে হবে।
তাই পরদিন ওকে নিয়ে কলেজে গেলাম।
গিয়ে তুলির কাছে গেলাম মেয়েটা আমাকে
একবার প্রোপস করেছিল।ওকেই হাতিয়ার
বানাবো । আমি তুলিকো সব খুলে
বললাম। ও রাজি হলো আমার সাথে
প্রেমের অভিনয় করতে?
আমি নিশিকে দেখিয়ে দেখিয়ে তুলির হাত
ধরে হাটতে লাগলাম। ঘনিষ্ট হয়ে কথা
বলতে লাগলাম।
নিশি রাগে ফুলতে ফুলতে বাড়ি চলে গেল।
আমি বাড়ি গিয়ে নিশিকে কোথাও পেলাম
না।
বিকেলবেলা ছাদে গিয়ে দেখি মেয়েটা
কাদতাসে।
আমিঃ কিরে কাদিস কেন?
নিশিঃ তুই আমার সাথে কথা বলবিনা।
আমিঃ কেন কি হইছে?
নিশিঃ কি হইছে তুই ওই মেয়েটার সাথে
ওমন ভাবে কথা বললি কেনো?
আমিঃ কেমন ভাবে কথা বললাম। আর
বললেই বা কি
তুই তো আমাকে ভালোবাসিস না
তুইতো আমার শত্রু।
নিশিঃ কে বলছে ভালোবাসিনা।
আমিঃ তুই কি বলছোস কখনো।
নিশিঃ কালকে যে কিস করলাম। তুই বুঝিস
নি।
আমিঃ বুঝিনি বলেই তো আজকের নাটক
টা করলাম।
নিশিঃ তার মানে সব নাটক ছিল।কেন
করলি এরকম।
আমিঃ নইলে বুঝবো ক্যমনে যে তুই
আমাকে ভালোবাসিস।
নিশিঃ কান ধর।
আমিঃ এখনো তো প্রোপস ই করি নাই।
নিশিঃ তো কর।
আমিঃ একটা শর্ত আছে?
নিশিঃ কি শর্ত?
আমিঃ আমার সাথে সবসময় দুষ্টামি করতে
হবে?
নিশিঃ আমি রাজি তবে আমারো একটা
শর্ত আছে।
আমিঃ কি শর্ত?
নিশিঃ আমাকে সবসময় ভালোবাসতে
হবে।কখনো কষ্ট দেওয়া যাবেনা।
আমিঃ আচ্ছা।
নিশিঃ এখন প্রোপস কর।
আমিঃ প্রোপস করতে পারবো না।
নিশিঃ তাহলে কানে কানে বল?
আমি ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম
ভালোবাসি এই পাগলিটাকে। আর গালে
একটা চুমু দিলাম।
নিশিঃ আমিও ভালোবাসি এই পাগলটাকে।
আমিঃ এটা কি হলো?
নিশিঃ কি হলো?
আমিঃ আমার চুমু কই?
নিশিঃ দাড়াও দিতাছি।
বলেই আম্মুকে ডাক দিলো?
নিশিঃ আম্মু দেখ তোমার ছেলে আমার
কাছে চুমু চাইছে।
//
আর এভাবেই চলতে থাকলো আমাদের
দুষ্ট মিষ্ট প্রেম কাহিনি?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now