বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাত 10 টা। আমি তখন বনের ভিতর দিয়ে হাটছিলাম । হঠাৎ পিছন থেকে কে জানি বলছে শোন। আমি তখন থমকে গেলাম। ভয়ে পিছনে তকাতে পারছিলাম না ।কিন্তু আমিও ভয় পাবার পাত্র নই। তাই আনেকটা অনিচ্ছা সত্বে পিছনে তাকালাম। দেখলা মধ্য বয়সি এক মহিলা। বললাম কি হয়েছে বলেন। সে বলল আমি রাস্তা চিনতে পারছি না। আমায় একটু সাহায্য কর না বাবা।?? আমিও বয়স্ক মহিলা দেখে বললাম কোথায় থাকেন আপনি??
উত্তরে সে বলল ঐ মাঠটার পরেই তার ঘর। যাই হোক সব শেষে চলতে লাগলাম। যখন গহিন বনে চলে গেলাম আমি পাশে লক্ষ্য করতেই দেখলাম। সে যেন কারো সাথে কথা বলছে । ভয়টা একটু বেড়ে গেল। হঠাৎ দেখী সে লোকটা আর নেই। এতে আমি একেবারে ভরকে গেলাম। সামনে কিছু দুর যেতেই দেখি একটা ঘর। আমি নিজের রআজান্তে কখন যে সেই কুটিরে গেলাম আমি জানি ন। কুটিরে গিয়েই তো ভয়ের মাত্রাটা আরো বেরে গেল।
দেখি সেই মহিলাটি। আমি ভয়ে দৌড় দিতে চাইলাম কিন্তু কে যেন আমার সারা শরীর অবশ করে রেখেছে । আমি সেখানেই পড়ে গেলাম। দেখলাম যে মহিলাটি রর একটা ধরালো অস্ত্র দিয়ে আমার পা দুটো কেটে মুখে দিয়ে চিবোতে লাগলেন। আমার প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছিল। এরপর আমার হাত দুটো কাটলো। আমি কিছুই করতে পারলাম না। আমার প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছিল । ধীরে ধীরে দেখলাম তার চাহারা বিকৃত হচ্ছে। এক পর্যায়ে দেখলাম সে এক ভয়ংকর ডাইনিতে পরিনত হলো। তার চুলগুলো সাপে পরিনত হলো। সেই সাপগুলো আমাকে যেন গিলে ফেলতে চাইছে।
এরপর সে যখন আমার বুকে থাবা দিয়ে কলিজাটা বের করতে যাবে। তখন মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবী যেন আমার উপর ভেঙ্গে পরছে। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে জোরে চিৎকার দিয়ে উঠলাম। এখন ঘটল যত ঘটনা।।।।।।।
মা বাহিরে থেকে দৌড়ে ঘরে প্রবেশ করে
বলল কি হয়েছে বাবা কি হয়েছে। আমি তখন বর্তমানে ফিরে আসলাম। দেখলাম সকাল হয়েছে। আমি বছানায় শুয়ে। গা দিয়ে ঘাম ঝরছে.......
মাকে কিছু না বলেই ঘর থেকে বের হয়ে আমলাম..............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now