বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মামাতো বোন যখন বউ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান (০ পয়েন্ট)

X মোহম্মদপুর,সাতমসজিদ রোডের পাশে বাড়িটা।বাড়ির চারপাশ খুব সুন্দর করে সাজানো-গোছানো।নানা ধরনের নানা রং এর লাইট ঝিকিমিকি করছে,আলো ছড়াচ্ছে চারদিকে।এই বাড়ির মানুষের আজ খুশির একটা দিন।আজ বাড়ির ছোট ছেলের বিয়ে,তাই সবাই খুব খুশি।সবাই নিজের মনের মত করে আনন্দ করছে। । আমি #সাজিদুল ইসলাম আহাদ।বাড়ির দ্বিতিয় সন্তান,এক বড় ভাই আছে।আমি অনার্স কমপ্লিট করে এখন একটা জব করছি। । বড় ভাইয়ের বিয়ে হয়েগিয়েছে।তাই বিয়ের সিরিয়ালটা আমার কপালেই পরলো।জবটা পেয়েছি ৩ মাস হয় নি,এরমদ্ধেই বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে।এদিকে সামলে নিলেও ওইদিক দিয়ে পারছি না,উনার তারাতারিই বিয়ে করতে হবে। । বিয়েটা করতেছি মামাতো বোন নামক এক ডাইনোসরকে,যে আমাকে সারাদিন প্যারার উপর রাখে।উনার পরিচয়টা দিয়ে দেই,উনি হচ্ছেন প্রিয়া।এবার অনার্স ৩য় বর্ষে পড়াশোনা করতেছেন। । আমার আর প্রিয়ার বয়সের পার্থক্য ২ বছরের,উনি আমার দুই বছরের ছোট।প্রিয়া ১০ বছর পার হওয়ার পর থেকে আমাকে "ভাইয়া" বলে ডাকে নি,তুই করে বলতো।কারন উনি আমায় ভালোবাসে,যদিও আমি তাতে কোন সময় সাই দেই নি।সময় আস্তে আস্তে,ধিরে ধিরে সব কিছুকে পালটায়।আমার মনের অবস্থাও সময় পালটে দিয়েছে।আস্তে আস্তে প্রিয়াকে নিজের রানী ভাবতে শুরু করলাম,কিভাবে যে এই বেরাজালে ফেসে গেলাম তা জানতেই পারলাম না। । বিয়েটা আমাদের পারিবারিকভাবে হলেও বিয়ের আগে আমাদের ২ বছরের প্রেমছিল।আমি যখন অনার্স শেষ বর্ষে তখন হটাৎ প্রিয়াকে দেখতে আসে।তখন প্রিয়া আমাদের ভালোবাসার কথা জানিয়ে দেয়,কেউ আর আপত্তি করে নি।তখন থেকেই আমাদের বিয়ে ঠিক করা।আর এখন চাকরি পাওয়ার পরেই বিয়ে। । সব নিয়ম পালনের মাদ্ধমে বিয়েটা শেষ হয়ে গেল।বউ নিয়ে বাড়ি রওনা দিলাম। । বাড়িতে আসার পর থেকে সবাই বউকে নিয়ে পরে রয়েছে।তাই আমি ছাদে দাঁড়িয়ে পরিবেশটাকে অনুভব করতেছি।কখন যে ১২ বেজে গিয়েছে,খেয়ালি করি নি।তাই ঘরের দিকে পা বারালাম। । ঘরে ঢুকার পর প্রিয়া এসে পায়ে সালাম করে খাটে গিয়ে বসলো।আমিও খাটে গিয়ে আস্তে আস্তে প্রিয়ার ঘোমটা তুললাম।চাদের মত মুখ,বড় বড় দুটো চোখ,গোলাপি ঠোট,ঠটের নিচে কালো তিল,উফ!অনেক সুন্দর লাগছে প্রিয়াকে।প্রিয়ার মাথাটা ধরে আমার বুকের উপর রাখলাম,প্রিয়া আমার বুকে হেলান দিয়ে রাখলো।একটু পর প্রিয়া মুখ তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বলল: প্রিয়া:এই,চল না ঘুরে আসি? আমি:এত রাতে কোথায় যাবি? প্রিয়া:ব্রিজের ওখানে চল। আমি:যাবো কিভাবে? প্রিয়া:আব্বুর(মামার) বাইক নিয়ে? মনে পরে গেল কালকে মামা মানে আমার শ্বশুর মশাই তার বাইক আমাদের এখানে রেখে গিয়েছে।আমি আর কথা বারালাম না,বেরিয়ে পরলাম এক রোমান্টিক মোমেন্ট অনুভব করার জন্য। । ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে রইছি,এককানে হেডফোন।আমার কাধে মাথাটা এলিয়ে দিয়ে চোখ বুজে এককানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছে মেয়েছি।গান চলছে: "আজ শূন্যতা থেকে মুক্তি পেয়েছে মন, এক নতুন সাজে সেজেছে এই জীবন। .....।" ©opy 2018 from - সাহিত্য জগতের ^ বাচ্চাকাচ্চা^


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৮৬০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মামাতো বোন যখন বউ ৪
→ মামাতো বোন যখন বউ ৩
→ মামাতো বোন যখন বউ ৫
→ মামাতো বোন যখন বউ ২
→ মামাতো বোন যখন বউ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now