বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভয়ঙ্কর পোড়াবাড়ী

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)

X ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ এটি আমাদের নিজ গ্রামে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। আজ থেকে ৪ বছর আগের কথা।আমাদের গ্রামে ফরিদ হোসেন নামের একজন লোক ছিলো। আমরা সবাই তাকে ফরিদ ভাই বলে ডাকতাম।এলাকায় সহজ সরল মানুষ হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলো। ফরিদ ভাইর বয়স চল্লিশের কোটা পার হলে ও শারীরিক সমস্যা থাকার কারনে তিনি বিয়ে করেনি। ঘরে তার মা ছাড়া কেউ নেই। অনেকে তাকে চিকিত্সা নিতে বললে ও অর্থের অভাবে তা আর হয়ে উঠেনি।ফরিদ ভাইদের ঘরটা ছিলো চারদিকে দিকে বেড়া আর মেঝে ছিলো মাটির। একটি কথা বলে রাখি ফরিদ ভাইদের বাড়ির ঠিক পিছনে ছিলো একটি নির্জন পোঁড়াবাড়ি যা এলাকার মানুষ ছাবাড়ি নামে চিনে।লোকের মুখে ঐ বাড়ি নিয়ে নানা কথা শুনা যায়।তাই দিনের বেলায় ও কেউ ঐ বাড়ির দিকে তেমন একটা যায়না।একদিন ফরিদ ভাইয়ের মা তার খালার বাড়িতে বেড়াতে গেলো। সেদিন দুপুরে ফরিদ ভাই যোহরের নামাজ পড়ে ঘরে ঢুকতে একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন। আওয়াজটা আসছিলো ঠিক তাদের পিছনের রান্না ঘর থেকে।রান্না ঘরের সামনে গিয়ে ফরিদ ভাই দেখে সাদা শাড়ি পড়া একজন বৃদ্ধ মহিলা তাদের ঘর ঝাড়ু দিচ্ছে।ফরিদ ভাই ভাবলো তার মা হয়তো চলে এসেছে। তাই তিনি একটু সামনে গিয়ে বলে উঠলো মা তুমি এতো তারাতারি চলে আসলা যে? তোমার তো বিকালে আসার কথা। তার পরে বৃদ্ধ মহিলাটি তারদিকে তাকালে তিনি অভাক হন।তিনি দেখলেন বৃদ্ধ মহিলাটি তার পরিচিত কেউ নয়।এই ধরনের মহিলা তিনি আর এই গ্রামে দেখেনি।কে আপনি জিগাস করতেই বৃদ্ধ মহিলাটি তার হাত থেকে ঝাড়ুটা ফেলে বলে উঠলো দূর হ বলা। এই বলে মহিলাটি পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে ঐ ছাবাড়ির দিকে দৌড়ে চলে গেলো।হঠাত্ নিচের দিকে তাকিয়ে ফরিদ ভাই খেয়ার করলো মেঝেতে অদ্ভুদ সব জীব জন্তুর ছবি আঁকা। ব্যপারটা দেখেফরিদ ভাই ভয় পেয়ে গেলো। তিনি চিত্কার শুরু করলে বাড়ির বাকি পরিবার গুলোর লোকজন ছুটে আসলো। তারা সবাই এসোব জীব জন্তুর ছবি দেখতে পেলো।পরে ফরিদভাই আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব কে এগুলো দেখালো।এই ঘটনার কয়েকদিন পরে হঠাত্ একদিন ফরিদ ভাইয়ের খুব জ্বর উঠলো এবং কোমরের ডানদিক ব্যথা অনুভব হতে লাগলো। পরিস্থিতি খারাপ দেখে প্রথমে তাকে পরশুরাম হাসপাতালে পরে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়ে।পরে ঐখানে ভর্তি থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now