বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
???? বিয়ে ছাড়া বউ ???? #_পর্ব_৩_ ইরা চোখ বন্ধ করে আছেআমি ইরার দিকে অপলক থাকিয়ে আছি। এরকম একটা বউ আমি সত্যি সত্যি চাই। কি মায়াবী। হরিনী চোখ। গালে টোল পড়া হাসি। কি নিষ্পাপ। আমি ইরার দিকে শুধু তাকিয়ে ই আছি। ইরা এক চোখ খুলে চোখ টিপার মতো করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমার ইরার এ অবস্থা দেখে হেসে ফেললাম, । আমি :- খুব ভয় পেয়ে গেছিলে।ইরা মাথা নাড়ালো। আমি :- আচ্ছা, এখন ছেড়ে দিলাম পড়ে দিবোনে ওকে। ইরা চোখ বড়ো বড়ো করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি :- আরে খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। আর আমি ফ্রেসই হয়নি। তাই ছেড়ে দিলাম। ইরা :- ওয়া, ওয়া, কি বাজে। আমি :- বাজে মানে? কিসের বাজে। । ইরা :- এখনো ফ্রেস হওনি। (নাক ছিটকে বলল ) আমি :- এএ, একদম নাক ছিটকাবে না। নইলে। ইরা :- আচ্ছা, আচ্ছা, ছেড়ে দাও। প্লিজ। আমি ইরাকে ছেড়ে দিতেই কিল মেরে দিলো দৌড়। ওয়াসরুমে ডুকবো তখনি মনে হলো বাইরে থেকেতো দেখা যায়। আমি :- এই তুমি এই রুম থেকে বের হয়ে যাও। ইরা :- এহ, রুম কি তোমার একার? আর বাইরে যাবো কেনো? আমি :- কেনো মানে আমি গোসল করবো। তুমি বাইরে থেকে দেখে নিবে। যাও বাইরে যাও। ইরা :- এহ কি বলে ছেলেদের আবার লজ্জা। আর আমার কি ঠেকা পড়েছে তোমাকে দেখবো। আমি :- আচ্ছা, আচ্ছা দেখা যাবে নে। আমি ওয়াসরুমে ডুকে ১ ঘন্টা সময় নিয়ে ফ্রেস হলাম। বের হতেই দেখি ইরা আমার দিকে থাকিয়ে হাসছে। আমি :- এই হাসছো কেনো? ইরা :- আমি আমার হাসছি তাতে তোমার কি? আর হাসতেও মানা নাকি? আমি :- হাসবে ভালো কথা আমার দিকে থাকিয়ে হাসছো কেনো? ইরা :- বেশ করেছি। হেসেছি। হাসবো। আমার খুব ক্ষুধা লেগেছে। তাই ইরাকে বললাম, আমি :- খাবার কোথায় খুব ক্ষিধে পেয়েছে? ইরা :- টেবিলে রাখা আছে। আমি :- এই না হলে বউ। ইরা :- হি হি হি, যাও দেখো গিয়ে। ( আস্তে আস্তে বলল) আমি :- কিছু বললে। । ইরা :- কই নাতো? বলছিলাম এটাতো আমার কর্তব্য। আমি মনে মনে দুটানায় পড়ে গেলাম। এতো সেক্রিফাইস করছে বিষয় কি। কোনো কু মতলব করছে নাতো। আমি :- ওও, তাই বলো। ইরা :- হুম, সেটাই। যাও খেয়ে নাও। আমি টেবিলের দিকে গেলাম। খুব ক্ষিধে পেয়েছে। বাহ! বউ আমার টেবিলে খাবার ডেকে রেখেছি। ডাকনা তুলতেই ওয়াক এ কি? এগুলো এলোমেলো কেনো? আর আন্টি তো বেশ কিছু খাবার দিলো তাহলে এতো কম কেনো? আমি :- ইরা! ইরা ( রেগে গিয়ে) । ইরা হাসতে হাসতে বলল, ইরা :- বাবু! চিৎকার করছো কেনো? কি হয়েছে? আমি :- তোমার বাবুর আমি নিকুচি করি। ( রাগে) ইরা :- বাবু রাগ করো না কি হয়েছে বলো আমাকে? (হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা) আমি :- এগুলো কি এমন এলোমেলো কেনো? আর আন্টি কতো খাবার দিয়ে ওগুলো গেলো কোথায়? । ইরা :- আন্টি কি শুধু আপনাকে খেয়ে দিয়েছে। আমাকেও খেতে দিয়েছে। আমার খুব ক্ষুধা লেগেছিলো তাই যতোটুকু পেরেছি খেয়ে নিয়েছি। আমি :- ইয়াম্মি, কি রাক্ষসী রে বাবা।। ইরা :- ঐ চুপ। বেশ করেছি আমার ক্ষুধা লেগেছে তাই আমি খেয়ে নিয়েছি। আমি :- ভালো কথা আমার খাবার এলোমেলো কেনো? ইরা :- এগুলোতো তোমার খাবার না এগুলো আমি খেয়েছি। অর্ধেক খেয়ে আর পেট মানেনি। তাই অর্ধেক রেখে দিয়েছি। আমি :- অবাক হয়ে বললাম, তাহলে আমার খাবার কোথায়? ইরা :- আমি জানি না। আমার উপর তো তুমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। আমি এতোটুকু খাবার যে, রেখেছি না হয় পুরোটা খেয়ে নিতাম। আমি :- আরে বাপ, এমন রাক্ষুসে মেয়ে আমি কোনোদিন দেখিনি। ইরা :- কাঁদো কাঁদো ভাবে বলল,আমার ক্ষুধা লেগেছিলো খেয়ে নিয়েছি তাই বলে আপনি আমাকে রাক্ষুসী বলবেন। মেয়েটার মনে হয় সত্যি সত্যি ক্ষিধে পেয়েছিল। আমি :- আচ্ছা, ভালো কথা এখন আমি কি খাবো? ইরা :- কেনো এগুলো খেয়ে নিন? আমি :- আমি চোখ বড় বড় করে বললাম, কি!! আমার মাথা খারাপ হয়েছে নাকি। ওয়াক থু। এগুলো আমি খাবো ইম্পসিবল। কক্ষোনো না। মরে গেলেও না। ইরা :- তাহলে না খেয়ে থাকেন। আমি :- এই এই তুমি না খেয়ে থাকতে পারোনা। আমি কিভাবে না খেয়ে থাকবো? । ইরা :- আরে আমি কি করবো? তোমার জন্য রাখলাম তো তুমি না খেলে আমি কি করবো। খুব ক্ষুধা লেগেছে কি করবো ভাবতে পারছি না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও গিয়ে টেবিলে বসলাম। বমি বমি করছে খাবো কি করে। এই মেয়েটাতো আস্ত রাক্ষুসী। আমি বমি বমি করে খাচ্ছি। আর এক লোকমা খাওয়ার পর পানি খাচ্ছি। ইরা দাড়িয়ে দাড়িয়ে হাসছে। কি মেয়েরে বাবা? একেতো আমি দেখে। নিবো। জগের পানি শেষ ইরা জগে করে পানি এনে আমার হাতে দিলো। ইরা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। irar হাসি দেখে আমার রাগে গা জ্বলছে। খাওয়া শেষ করলাম। ইরা :- খাবার কেমন লাগলো বাবু? আমি :- হুহ। রাক্ষুসী মেয়ে একটা। ইরা :- আমার সাথে আর ফাইজলামি করবে। আমি :- অফ কউর্স। ইরা :- এএএ। আমি :- এএএ না হ্যাএএএ। অতঃপর এখন ঘুমানোর পালা ইরা :- আচ্ছা, আমরা এখন আমাদের কাজ ভগ করে নিই। আমি :- কি কাজ? ইরা :- এই ধরুন রান্না -বান্না, কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার করা। ইত্যাদি। আমি :- এএএ, আচ্ছা বলছিলাম তুমিতো মেয়ে তুমিতো সব করতে পারবে। ইরা :- অসম্ভব।! থাকবো দুজন আর কাজ করবো আমি একা। এটা অসম্ভব। । আমি আহত দৃষ্টিতে ইরার দিকে থাকিয়ে আছি। আমি :- আচ্ছা, তোমার সাথে আর দুষ্টুমি করবো না। ইরা :- ওসব বললে হবে না। আমরা দুজনেই ভাগ করে কাজ করবো। অতঃপর আমি শেষ।ইরা আমার অবস্থা দেখে হেসেই খুন। ইরা গুলুগুলু কণ্ঠে বলল, ইরা :- ওলে আমাল বাবু, কি হলো? আমি মন খারাপ করে বললাম, আমি :- কিছু না বাবুনি। ইরা :- হি হি হি। আমি :- হা য়া হা হা। ইরা :- আচ্ছা রান্নাটা আমি করবো? আমি :- কি থ্যাংকইউ উম্মা বাবুনি। ইরার গালে পাপ্পি দিলাম। ইরা :- রেগে বলল, এটা কি হলো? আমি :- সরি, সরি। ইরা :- তবে। আমি :- তবে কি? ইরা :- আমাকে কাজে সাহায্য করতে হবে? আমি আবারো মন মড়া দৃষ্টিতে বললাম, আমি :- কি রকম? ইরা :- অনেক রকম যেমনঃ ।
Love করি কিনা জানিনা But মিস করি
বিয়ে ছাড়া বউ
# _পর্ব_৩_
ইরা চোখ বন্ধ করে আছেআমি ইরার দিকে অপলক থাকিয়ে আছি। এরকম একটা বউ আমি সত্যি সত্যি চাই। কি মায়াবী। হরিনী চোখ। গালে টোল পড়া হাসি। কি নিষ্পাপ।
আমি ইরার দিকে শুধু তাকিয়ে
ই আছি। ইরা এক চোখ খুলে চোখ টিপার মতো করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমার
ইরার এ অবস্থা দেখে হেসে ফেললাম,
।
আমি :- খুব ভয় পেয়ে গেছিলে।ইরা মাথা নাড়ালো।
আমি :- আচ্ছা, এখন ছেড়ে দিলাম পড়ে দিবোনে ওকে। ইরা চোখ বড়ো বড়ো করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
আমি :- আরে খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। আর আমি ফ্রেসই হয়নি। তাই ছেড়ে দিলাম।
ইরা :- ওয়া, ওয়া, কি বাজে।
আমি :- বাজে মানে? কিসের বাজে।
।
ইরা :- এখনো ফ্রেস হওনি। (নাক ছিটকে বলল )
আমি :- এএ, একদম নাক ছিটকাবে না। নইলে।
ইরা :- আচ্ছা, আচ্ছা, ছেড়ে দাও। প্লিজ। আমি ইরাকে ছেড়ে দিতেই কিল মেরে দিলো দৌড়। ওয়াসরুমে ডুকবো তখনি মনে হলো বাইরে থেকেতো দেখা যায়।
আমি :- এই তুমি এই রুম থেকে বের হয়ে যাও।
ইরা :- এহ, রুম কি তোমার একার? আর বাইরে যাবো কেনো?
আমি :- কেনো মানে আমি গোসল করবো। তুমি বাইরে থেকে দেখে নিবে। যাও বাইরে যাও।
ইরা :- এহ কি বলে ছেলেদের আবার লজ্জা। আর আমার কি ঠেকা পড়েছে তোমাকে দেখবো।
আমি :- আচ্ছা, আচ্ছা দেখা যাবে নে। আমি ওয়াসরুমে ডুকে ১ ঘন্টা সময় নিয়ে ফ্রেস হলাম। বের হতেই দেখি ইরা আমার দিকে থাকিয়ে হাসছে।
আমি :- এই হাসছো কেনো?
ইরা :- আমি আমার হাসছি তাতে তোমার কি? আর হাসতেও মানা নাকি?
আমি :- হাসবে ভালো কথা আমার দিকে থাকিয়ে হাসছো কেনো?
ইরা :- বেশ করেছি। হেসেছি। হাসবো। আমার খুব ক্ষুধা লেগেছে। তাই ইরাকে বললাম,
আমি :- খাবার কোথায় খুব ক্ষিধে পেয়েছে?
ইরা :- টেবিলে রাখা আছে।
আমি :- এই না হলে বউ।
ইরা :- হি হি হি, যাও দেখো গিয়ে। ( আস্তে আস্তে বলল)
আমি :- কিছু বললে।
।
ইরা :- কই নাতো? বলছিলাম এটাতো আমার কর্তব্য। আমি
মনে মনে দুটানায় পড়ে গেলাম। এতো সেক্রিফাইস করছে বিষয় কি। কোনো কু মতলব করছে নাতো।
আমি :- ওও, তাই বলো।
ইরা :- হুম, সেটাই। যাও খেয়ে নাও। আমি টেবিলের দিকে গেলাম। খুব ক্ষিধে পেয়েছে। বাহ! বউ আমার টেবিলে খাবার ডেকে রেখেছি। ডাকনা তুলতেই ওয়াক এ কি? এগুলো এলোমেলো কেনো? আর আন্টি তো বেশ কিছু খাবার দিলো তাহলে এতো কম কেনো?
আমি :- ইরা! ইরা ( রেগে গিয়ে)
।
ইরা হাসতে হাসতে বলল,
ইরা :- বাবু! চিৎকার করছো কেনো? কি হয়েছে?
আমি :- তোমার বাবুর আমি নিকুচি করি। ( রাগে)
ইরা :- বাবু রাগ করো না কি হয়েছে বলো আমাকে? (হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা)
আমি :- এগুলো কি এমন এলোমেলো কেনো? আর আন্টি কতো খাবার দিয়ে ওগুলো গেলো কোথায়?
।
ইরা :- আন্টি কি শুধু আপনাকে খেয়ে দিয়েছে। আমাকেও খেতে দিয়েছে। আমার খুব ক্ষুধা লেগেছিলো তাই যতোটুকু পেরেছি খেয়ে নিয়েছি।
আমি :- ইয়াম্মি, কি রাক্ষসী রে বাবা।।
ইরা :- ঐ চুপ। বেশ করেছি আমার ক্ষুধা লেগেছে তাই আমি খেয়ে নিয়েছি।
আমি :- ভালো কথা আমার খাবার এলোমেলো কেনো?
ইরা :- এগুলোতো তোমার খাবার না এগুলো আমি খেয়েছি। অর্ধেক খেয়ে আর পেট মানেনি। তাই অর্ধেক রেখে দিয়েছি।
আমি :- অবাক হয়ে বললাম, তাহলে আমার খাবার কোথায়?
ইরা :- আমি জানি না। আমার উপর তো তুমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। আমি এতোটুকু খাবার যে, রেখেছি না হয় পুরোটা খেয়ে নিতাম।
আমি :- আরে বাপ, এমন রাক্ষুসে মেয়ে আমি কোনোদিন দেখিনি।
ইরা :- কাঁদো কাঁদো ভাবে বলল,আমার ক্ষুধা লেগেছিলো খেয়ে নিয়েছি তাই বলে আপনি আমাকে রাক্ষুসী বলবেন। মেয়েটার মনে হয় সত্যি সত্যি ক্ষিধে পেয়েছিল।
আমি :- আচ্ছা, ভালো কথা এখন আমি কি খাবো?
ইরা :- কেনো এগুলো খেয়ে নিন?
আমি :- আমি চোখ বড় বড় করে বললাম, কি!! আমার মাথা খারাপ হয়েছে নাকি। ওয়াক থু। এগুলো আমি খাবো ইম্পসিবল। কক্ষোনো না। মরে গেলেও না।
ইরা :- তাহলে না খেয়ে থাকেন।
আমি :- এই এই তুমি না খেয়ে থাকতে পারোনা। আমি কিভাবে না খেয়ে থাকবো?
।
ইরা :- আরে আমি কি করবো? তোমার জন্য রাখলাম তো তুমি না খেলে আমি কি করবো। খুব ক্ষুধা লেগেছে কি করবো ভাবতে পারছি না। অনিচ্ছা সত্ত্বেও গিয়ে টেবিলে বসলাম। বমি বমি করছে খাবো কি করে। এই মেয়েটাতো আস্ত রাক্ষুসী। আমি বমি বমি করে খাচ্ছি। আর এক লোকমা খাওয়ার পর পানি খাচ্ছি। ইরা দাড়িয়ে দাড়িয়ে হাসছে। কি মেয়েরে বাবা? একেতো আমি দেখে। নিবো। জগের পানি শেষ ইরা জগে করে পানি এনে আমার হাতে দিলো। ইরা হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। irar হাসি দেখে আমার রাগে গা জ্বলছে। খাওয়া শেষ করলাম।
ইরা :- খাবার কেমন লাগলো বাবু?
আমি :- হুহ। রাক্ষুসী মেয়ে একটা।
ইরা :- আমার সাথে আর ফাইজলামি করবে।
আমি :- অফ কউর্স।
ইরা :- এএএ।
আমি :- এএএ না হ্যাএএএ।
অতঃপর এখন ঘুমানোর পালা
ইরা :- আচ্ছা, আমরা এখন আমাদের কাজ ভগ করে নিই।
আমি :- কি কাজ?
ইরা :- এই ধরুন রান্না -বান্না, কাপড় ধোয়া, ঘর পরিষ্কার করা। ইত্যাদি।
আমি :- এএএ, আচ্ছা বলছিলাম তুমিতো মেয়ে তুমিতো সব করতে পারবে।
ইরা :- অসম্ভব।! থাকবো দুজন আর কাজ করবো আমি একা। এটা অসম্ভব।
।
আমি আহত দৃষ্টিতে ইরার দিকে থাকিয়ে আছি।
আমি :- আচ্ছা, তোমার সাথে আর দুষ্টুমি করবো না।
ইরা :- ওসব বললে হবে না। আমরা দুজনেই ভাগ করে কাজ করবো। অতঃপর আমি শেষ।ইরা আমার অবস্থা দেখে
হেসেই খুন।
ইরা গুলুগুলু কণ্ঠে বলল,
ইরা :- ওলে আমাল বাবু, কি হলো? আমি মন খারাপ করে বললাম,
আমি :- কিছু না বাবুনি।
ইরা :- হি হি হি।
আমি :- হা য়া হা হা।
ইরা :- আচ্ছা রান্নাটা আমি করবো?
আমি :- কি থ্যাংকইউ উম্মা বাবুনি। ইরার গালে পাপ্পি দিলাম।
ইরা :- রেগে বলল, এটা কি হলো?
আমি :- সরি, সরি।
ইরা :- তবে।
আমি :- তবে কি?
ইরা :- আমাকে কাজে সাহায্য করতে হবে?
আমি আবারো মন মড়া দৃষ্টিতে বললাম,
আমি :- কি রকম?
ইরা :- অনেক রকম যেমনঃ wait for next part.........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now