বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রোজেক্ট :আনভিজিবল ফায়ার

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X প্রোজেক্ট :আনভিজিবল ফায়ার _____________ΠΠΠ______________ নিয়াজ ছোট বেলা থেকেই কিছুটা বিজ্ঞানী গোছের ছেলে কারন সে মাঝে মাঝে এমন কিছু বানিয়ে ফেলে যেটা সবাইকেই তাক লাগিয়ে দেয় ফলে স্কুলে সবাই তাকে নিউটন বলে ডাকে তবে সারেরা তাকে খুবই আদর করে কিন্তু তার একটাই সমস্যা আর সেটা হচ্ছে তার কোন বন্ধু নেই। তো যাই হোক, কিছুদির আগের কথা, নিয়াজ এবার একটা নতুন জিনিস বানাতে চাইলো তো কথা মত তার ভাবনা শুরু হয়ে গেছে যে কি বানাবে কারন যুগের যে অবস্থা কোন কিছু বানাতে বা আবিস্কার করতে গেলেই দেখা যায় সেটা অন্যকেউ আবিস্কার করে নোবেল প্রাইজ পেয়ে বসে আছে তাই তার এত চিন্তা তো ভাবতে ভাবতে সে একটা নতুন আইডিয়া পেল। তো দিন রাত খাওয়া দাওয়া ছেড়ে সে গ্যাসলাইটার সংগ্রহ করা শুরু করল হোক সেটা নস্ট বা ভাল এবং কয়েকটা গ্যাসলাইট সে কিনেও আনল। এবার ইন্টার নেট থেকে কিছু দোকানের ঠিকানা যোগাড় করল যেখানে রাসায়নিক পদার্থ পাওয়া যায় তো সে প্রায় ২০রাকমের রাসায়নিক পদার্থ ১০০ মিলি করে কিনে আনল। তো এবার তার কাজ পুরোদমে শুরু! সে রক্সিডাইফোরিক্স(৬৫) এর সাথে কার্বন ট্রাই অক্সাইড (৯৮) মিশিয়ে সেটাকে গ্যাস ভরা গ্যাসলাইট এ মিক্স করল কিন্তু তাতে কিছু হলনা তো এভাবে সে আরো অনেক রাসায়নিকের মিক্সার দিয়ে টেস্ট করল কিন্তু কিছুতেই কিছু হলনা, তার তার এবাবের মিশনটা ধরতে গেলে ব্যার্থই হয়ে গেল। তো একদিন সে কোন একটা কাজের সময় হাতের কাছে আগুন না থাকায় হলুদ লিটমাস কাগজ নিয়ে চুলা থেকে আগুন আনতে গেল এবং মাজার ব্যাপার টা ঘটল তখনই আর সেটা হল লিটমাস পেপার টি আগুনে পড়ল ঠিকি কিন্তু সে আগুন দেখতে পেলনা শুধু দেখল লিটমাস পেপার টির একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত শুধু ছাই হয়ে গেল। তো তার মাথায় সে পুরোনো আইডিয়াটা বেশ চমৎকার ভাবে খেলে গেল। নিয়াজ এবার ইন্টারনেটে লিটমাস পেপার কি দিয়ে তৈরী সেটা খুব ভাল করে যেনে নিল এতেও অবাক হলো কারন হলুদ লিটমাস এর প্রধান উপকরন হচ্ছে টরটরিক এসিড। সে এবারে এই এসিড কিন্তে দোকানে গেল কিন্তু কোথাও পেলনা। আবার মনের দুঃখে বনে যাহ্ শেষ হয়েও হলনা রাতে খাবার সময় মা লেবু কেটে দিলেন কারন নিয়াজ লেবু খেতে খুব পছন্দ করে। লেবুর টুকরোটাকে যেই নিংড়িয়ে রস বের করতে যাবে ঠিক তখনই মনে পড়ল আরে লেবু এবংকি তেতুলেও তো টরটরিক এসিড আছে। এবার সে দুটা লেবু নিয়ে রস করে সেটা নিয়ে তার ল্যাব এ গেল এবং নতুন কেনা গ্যাসলাইটারটাতে সে হাফ সিরিন্জ রস ডুকিয়ে নিল এবং গাসলাইটার জ্বালানোর চেস্টা করল কিন্তু জ্বলনা না। সে ভাবল গ্যাস মনে হয় বের হচ্ছে না এই ভেবে যেই কানের কাছে নিলো অমনি খেল একটা ছ্যাকা। ছেকা খেয়ে কাদবে কি নেচেই কুল পায়না নিয়াজ কারন তার এতদিনের স্বপ্ন সফল হয়েছে তার বানোনো প্রোজেক্ট তৈরী হয়েছে। , এবং আপনারা কি জানেন তার প্রজেক্টির নাম কি ছিল? হ্যা ঠিক তাই সেটা হচ্ছে :আনভিজিবল ফায়ার। . (সমাপ্ত)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now