বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

#কাঙ্খিত_বউ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Maharab (০ পয়েন্ট)

X -আম্মু,,,,আর একটু ঘুমায় না প্লিজ.... -উঠুন....আমি আপনার আম্মু নয়। উঠুন বলছি,,,গায়ে পানি ঢেলে দিব কিন্তু, দিলাম কিন্তু.. কথাগুলো স্পষ্টভাবেই শুনতে পাচ্ছিলাম কিন্তু চোখ খুলতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না।ধীরে ধীরে আবার ঘুমে মগ্ন হলাম। -আপনি উঠবেন কিনা বলুন,,,এইবার সত্যি সত্যি পানি ঢেলে দিব কিন্তু.... এক বালতি পানিতে ঘুম ভাঙ্গল আমার। -আরে,,,এসব কি করলেন? -কতক্ষণ ধরে ডাকতেছি,উঠছেন না তো কি করবো? -তাই বলে পানি ঢেলে দিবেন?বিছানাগুলোর কি অবস্থা বানালেন... -যা হয় হোক,যান তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হন,আর আমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসুন। -আজব!সকালে নাস্তা খাওয়াতে হবে এমন কথা তো ছিল না।আপনার রাতে আশ্রয় প্রয়োজন ছিল।আশ্রয় দিয়েছি,,,রাত শেষ এবার প্লিজ আপনি আসুন। -হোয়াট!এই সকাল বেলা বের হয়ে যেতে বলছেন? -হুম বলছি,,,কেননা লোকজন দেখলে উল্টাপাল্টা ভেবে বসতে পারে,তারমধ্যে অাম্মু-আব্বু বাসায় নেই। -আমি এত কিছু বুঝিনা,আপনি নাস্তা নিয়ে আসবেন কিনা সেটা বলেন... -ফ্রিজে, সেমাই রান্না করা আছে,,,খেয়ে নিন আর আমাকে রেহাই দিন। -খুব ক্ষুধা লাগছিল, সেমাই রাতেই খেয়ে ফেলছি।অন্যকিছু বাহির থেকে নিয়ে আসুন তাড়াতাড়ি... -পারবো না। -উল্টাপাল্টা কিছু করে ফেলবো কিন্তু.... -কি করবেন হ্যাঁ, আমার রাগ উঠতিছে কিন্তু.... -চিৎকার-চেঁচামেচি করে লোক জোড় করবো।আপনার অবস্থা কি হতে পারে বুঝতে পারছেন? -আপনি যা খুশি তাই করেন,আমি পারব না। পাগলি মেয়েটা সত্যি সত্যি চিৎকার চেঁচামেচি করতে শুরু করল।মুখটা চেপে ধরলাম, -চুপ,একদম চুপ। আমি খাবার নিয়ে আসতেছি কিন্তু আপনি কথা দেন যে,খাবার খেয়ে চলে যাবেন। কি হলো বলুন.... -আগে খাবার নিয়ে আসুন,,,খাবার খাই,তারপর । জানিনা আমার কপালে কি আছে...! গতকাল রাতে বাসায় আসার সময় রেলস্টেশনে রাত্রি ১টা নাগাদ একা বসে থাকা দেখে,এক কাপ চা অফার করেছিলাম কোম্পানি দেওয়ার জন্য। কিন্তু আপদ আমার বাড়ি পযর্ন্ত চলে আসছে। খাবার নিয়ে এসে দেখি দরজা ভিতর থেকে লক করা। একের পর এক কলিংবেল বাজিয়ে চলছি। আমার টেনশন হচ্ছিলো মেয়েটা কোন অঘটন ঘটিয়ে ফেলল না তো। -কি হল?এতক্ষণ লাগে দরজা খুলতে? আর এ কি!!! আমার শার্ট পড়েছেন কেন? -শাওয়ার নিচ্ছিলাম,তাই কলিংবেল শুনতে পাইনি। -বেশ ভাল।এখন খাবার খান,আর আপনি যান। আজ বিকালেই আম্মু-আব্বু আসার কথা।উনারা আপনাকে দেখলে, বিষয়টা খুব খারাপ হতে পারে আমার জন্য। -আপনি খাবার খেয়ে এখনো বসে আছেন কেন?খেয়ে চলে যাওয়ার কথা ছিল তো নাকি? -আমি কি খাবার খেয়েই চলে যাব,বলেছিলাম কি?আর কি পড়ে যাব,,,আমার সব কাপড় তো ধুয়ে দিয়েছি। -কাপড় ভিজানোর কি খুব দরকার ছিল? এক কাজ করুন,,,আপনি বরং আম্মুর একটা শাড়ি পড়ে যান।আপনার কাপড় গুলো পরে আমি পৌঁছে দিব,কেমন... -আমি শাড়ি পড়তে পারি না। -ওহ আল্লাহ,,,তুমি আমারে বাঁচাও.... -আল্লাহকে বলে লাভ নেই,কাপড় না শুকানো পযর্ন্ত আমি যাচ্ছি না। -আমি কিন্তু রেগে যাচ্ছি,,,,আর রেগে গেলে খু্ব খারাপ হবে বলে দিচ্ছি... -আমি চিৎকার ও করতে পারি। না এভাবে হবে না,,,অন্যকিছু ভাবতে হবে।কিন্তু মাথায় কিছু আসছিল না। সকাল গড়িয়ে দুপুর হল।আবার ঝামেলা যেন না করে তাই আগেই খাবার নিতে গেলাম।খাবার নিয়ে এসে দেখি,,,,দরজা খোলা।পুরো বাসা খালি,কোথাও নেই। ইহা বড় এক দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। ফ্যান ছেড়ে সোফায় বসলাম। -এই যে,আপনি খাবার নিয়ে এসেছেন? -আপনি?আপনি যান নাই? -আমি তো ছাদে গেছিলাম কাপড় নিতে,,, -তো দরজা এভাবে খোলা রেখে? -চাবি খুজে পাই নি,তাই লক করতে পারি নাই।খাবার কই? -ডাইনিং টেবিলে... -ধন্যবাদ...... রাজু সাহেব। -আপনি আমার নাম জানলেন কি করে? -আপনি বাহিরে থাকতে একটা পিচ্চি ছেলে আসছিল আপনার খোঁজে.... -নাম কি?আর কি বলছে? -নিরব,আর আজ রাতে তাদের বাসায় যেতে বলছে আপনাকে... -ওহ আচ্ছা... আর শোনেন আপনার নামটা যেন কি? -শুভ্রা.... -কি ব্যাপার?আপনি এখনো রেডি হন নাই?প্লিজ রেডি হন,,, আব্বু -আম্মু আসতেছি।সো,,,প্লিজ -মিথ্যে বলছেন কেন? -কি মিথ্যে বলছি?? -উনারা আজকে আসতে পারবেন না।এমনকি কালকে ও না পরশু আসবেন। -আপনাকে কে বলল? -আপনার আম্মু ফোন দিয়েছিল..... -ফোন দিয়েছিল মানে?আপনি রিসিভ করছেন!.....সিউর আমার কপাল ফাটবে। -এই যে, ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নাই।আমি কথা বলিনাই শুধু শুনেছি। -আপনি আমাকে তখন ডাক দিলেন না কেন? -আপনি গোসল করছিলেন.... -ওকে ফাইন....এবার আপনি আসুন। -সরি,আজকে যাব না।মনটা ভাল নেই। -আপনার মন ভাল নেই,সেটা আপনার ব্যাপার।আপনি প্লিজ আসুন। -ভয় পাচ্ছেন কেন?আব্বু-আম্মু তো আজকে আসতিছে না। -উনারা আসুক বা না আসুক।আপনি আমার চোখের সামনে থেকে বিদায় হোন,আপনাকে আমার আর সহ্য হচ্ছে না। -সহ্য না হলে চোখ বন্ধ করে থাকুন।আমি আজকে যাচ্ছি না। -ঠিক অাছে,আপনিই থাকুন।আমিই চলে যাচ্ছি। রাগ করে চলে আসলাম। অনেক রাত হয়ে গেল, বাসায় ফিরলাম না।আর ফিরবই বা কেমন করে....সেই রাত ৯ টা নাগাদ থেকে বৃষ্টি হচ্ছে তো হচ্ছেই।থামছে,,,,আবার হচ্ছে।এরই ফাঁকে ফাঁকে আধোভেজা শরীর নিয়ে বাসায় আসলাম। প্রথম কলিংবেলেই দরজা খুলে দিল শুভ্রা। -একি আপনি তো একদম ভিজে গেছেন.... আমি কিছুই বললাম না।সরাসরি একদম আমার রুমে আসলাম।ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পড়লাম। কিছুপর মেয়েটি দেখছি,,,ডাকছে.... কিন্তু আমি উত্তর দিচ্ছিলাম না। দরজা লক করতে খেয়াল ছিল না, মেয়েটি একদম আমার ঘরে চলে আসল। আমি ঘুমিয়ে পড়ার ভান করলাম। -আমার খুব ক্ষুধা পাইছে,চলুন খাব। আমি তো বরাবরই মতই চুপটি করে আছি। -আমি জানি আপনি ঘুমান নি,,,আমার উপর অভিমান করে কেন না খেয়ে থাকবেন....বলুন।চলুন,,,,খাবেন। একি আপনার গা তো একদম জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে....মাথায় জলপট্টি দেব? আমার জ্বর এসেছে বিষয়টা টেরই পাইনি।অল্প একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই আমার এই অবস্থা হয়। যাইহোক,,, আমি তবুও কিছু বললাম না। যাতে বিরক্ত হয়ে কালকে সকালেই চলে যায়। -এই যে উঠুন,,,এই ট্যাবলেট আর গরম দুধটুকু খেয়ে ফেলুন, ভাল লাগবে। ঠিক আছে,,,কথা বলতে হবে না আমার সাথে কিন্তু আপনি ঔষুধ তো খাবেন নাকি? রেখে গেলাম,,,ইচ্ছে হলে খেয়ে নিয়েন। জ্বর ক্রমশ বাড়ছিল,তাই ট্যাবলেট আর দুধ খেয়ে নিলাম। শুভ্রার এই সময়ের আচরণটা আমার কেমন জানি লাগল। রাগ যেন আর রাখতে পারলাম না। ওর ঘরে গিয়ে দেখি,দরজা খোলা, শুভ্রা জানালার গিরিল ধরে দাড়িয়ে আছে। আমি একটু কেশে বললাম -আসতে পারি? -হুম,,,আসুন। -আপনি ঘুমান নাই কেন? -এমনি, ঘুম আসছিল না। -আপনি খেয়েছেন? -না....। -আচ্ছা,আপনি আমাকে খেতে বললেন কিন্ত দুুপুরে যা আনছিলাম তা তো দুপুরেই শেষ হইছে...রাতে তো কিছু নিয়ে আসি নি। -আমি রান্না করেছি....ফ্রিজে মাংস ছিল,ভুনা করেছি। -তাই বেশ ভাল।তাহলে চলুন একসাথে খাব। -আপনি খান,আমি খাব না। -আমি অনেক সরি,প্লিজ,,,,চলেন। শুভ্রা একটা ছোট্ট হাসি দিল।আমার সাথে খেতে গেল। ভুনা সত্যিই অসাধারণ হইছে। বহুদিন পর আজকে ভুনা খেলাম। যখন মেসে থাকতাম তখন এই ভুনার রুচি হারিয়ে ফেলছিলাম।তাই আম্মুকে বাসায় কখনো ভুনা রান্না করতে দেয় নি। কিন্তু আজকে নতুন করে ভুনার প্রেমে পড়ে গেলাম। -অসাধারণ রেঁধেছেন,,,আপনি। -ধন্যবাদ। -আচ্ছা,একটা কথা বলি? -বলেন... -আপনি আসলে কে?আর সেদিন রাতে স্টেশনে কার জন্য অপেক্ষা করছিলেন? -কারও জন্য না। শুভ্রা আর কিচ্ছু বলল না,চুপচাপ খেয়ে ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল। রাত অনেক হয়েছিল।তাই আর ডাকলাম না। নিজের রুমে গিয়ে শুয়ে পরলাম।সকালে ঘুম থেকে উঠে,দরজার সামনে একটা চিরকুট পেলাম। ভাবলাম চলে গেল না...তো। চিরকুট টা খুলতেই ইচ্ছে হচ্ছিলো না। যাকে তাড়ানোর জন্য কত কি! অথচ তার চলে যাওয়া আমি যেন মেনে নিতেই পারছিলাম না। চিরকুটের ভাঁজ গুলো ধীরে ধীরে খুললাম। "আমি যাচ্ছি,এই ২,৩ দিনে আপনাকে খুব কষ্ট দিয়েছি আমি।কিন্তু কি করবো বলেন,আপনার রাগি মুখটা আর দাঁত পিষিয়ে ঝাঁড়ি, আমার খুব ভাল লাগে।সেজন্য বারবার বিরক্ত করতাম।আমাকে দেওয়া এই ২দিন সময়ের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।আজীবন মনে থাকবে আমার,আপনি ভাল থাকবেন। আর রাজু সাহেব,ফ্রিজে খাবার আছে,খেয়ে নিবেন" আমি কোন ভাবেই বিষয়টা মেনে নিতে পারছিলাম না। তাকে খুঁজতে বেরিয়েছিলাম,কিন্তু এই বিশাল শহরে তাকে আমি খুঁজে পাই নি। তার ব্যাপারে আমি তেমন কিছুই জানিনা,তাই খুঁজে পাওয়া সম্ভব হল না।বাসায় এসে দেখি আম্মু-আব্বু আসছে। আমি শুধু তাদের "কখন এলে?" জিজ্ঞাসা করেই রুমে চলে গেলাম। কিছুই ভাল লাগছিল না। যাইহোক,আম্মু-আব্বুকে কিছু বুঝতে দেওয়া যাবে না।তাই স্বাভাবিক হয়ে গেলাম। যতই দিন যাচ্ছিল মনের অবস্থা ততই খারাপ হতে থাকল। অনেক লুকিয়ে রাখার চেষ্ঠা করে ও অাম্মুর চোখে ধরা খেয়ে গেলাম। সেদিন আর লুকিয়ে রাখতে পারলাম না। অাম্মুকে সবকিছু বললাম। তাকে খুঁজে পাওয়ার মত কোন কিছুই আমার কাছে ছিল না। প্রায় রাতে রেলস্টেশনে যাই,কিন্তু তাকে পাই না। এমনি করে ২-৩ মাস কেটে গেল। আমি স্বাভাবিক হতে শুরু করছি,আগের মতো শুভ্রার কথা মাথায় আসে না।বাসা থেকে বিয়ের জন্য জোর করছে,,,কি করব বুঝতেছি না। অবশেষে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বিয়ে করতে রাজি হলাম। কিন্তু মেয়েটিকে দেখিনি আমি, দেখার ইচ্ছে ও নাই। ৭ দিনের মাথায় আব্বু-আম্মু ঘরে বউ নিয়ে আসল। ব্যাচেলর জীবনের ইতি ঘটল। -কে রাজু?(আমার নানীর কন্ঠ) -হুম.... -ঘরে নতুন বউ রেখে ছাদে এত রাতে কেন?তোর কি আক্কেল জ্ঞান নাই?যা ঘরে যা....। ঘর ভর্তি লোকজন।আমাকে দেখে একে একে সবাই বিদায় হল। ঘোমটা নামিয়ে দিয়ে রেখেছে,চেহারা দেখতে পাচ্ছি না। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। আজকে এই অপরিচিত মেয়ের সাথে পরিচিত হবার কোন শখ নেই আমার। তবু বিয়ে তো করেই ফেলছি,তাই ঐসব ভেবে আর লাভ নাই। শুধু শুধু একটা মেয়েকে বাসররাতের স্মরণীয় রাত থেকে বঞ্চিত করবই বা কেন! তাই বিছানায় বসলাম,আর ঘোমটা ধীরে ধীরে তুলে দেখে তো আমি পুরাই অবাক। আমি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। শুভ্রা বউ সেজে বসে আছে সামনে.... -এই যে, আমাকে একটা চিমটি কাটেন তো... -চিমটি কাটতে হবে না রাজু সাহেব,,,যা দেখছেন ঠিকই দেখছেন। -কেমনে কি? -ইতিহাস অনেক লম্বা,,, শুভ্রার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়লাম। -এইবার বল কাহিনী কি? -কাহিনি তেমন কিছুই নেই,প্রথমবার বিয়ের রাতে পালিয়ে আপনার সাথে দেখা হইছিল।পরে আবার বাসায় গেছিলাম।২য় বার আবার আমার মতের বিরুদ্ধে বিয়ে ঠিক হল,,,আমি আরো পড়াশুনা করতে চাইছিলাম।কিন্তু সেদিন পাত্রের ছবি তে আপনাকে দেখে.... -আপনি নয়,,,বল তুমি.... -হুম,,, -আর তুমি অবশ্যই পড়াশুনা করবে,,,তবে আজকে বাসররাতের পড়াশুনা হবে...???? -তাই বুঝি... আপনারা কী করেন অার যান এখন আমরা পড়াশুনা করি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now