বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
--মে মে মে মে মে মে
--ছাগলের মতো মে মে
মে করিস কেনো।
--তুমি তো আমি ছাগলের
মতো বকবক করি।
--তো কি হয়েছে ছাগল
বলছি বলে কি তোরে
এখন মে মে মে করে
আমারে ডাকতে হবে
নাকি।
--ছাগল তো মে মে করে
ডাকে।
--চুপ বেয়াদব।নিজের
"মা"কে কেউ এভাবে
ডাকে।
--সরি আম্মু।আর ডাকবো
না।
--হুম,আর যদি ডাকিস
তাহলে দেখিস তোরে
আমি কি করি।
--বললাম তো আর ডাকবো
না।খেতে দাও
কলেজে যাবো।
--দিনের বেলায় কি
চাঁদ উঠলো নাকি।
--না না,চাঁদ এখন সূর্য
থেকে আলো নিতাছে
রাতে উঠবে।
--চুপ,বেশি কথা বলিস।
--মুখ বন্ধ করতে চাইলে
খাওয়া দাও।
--তোর মোবাইল
বাজতেছে, আমি
টেবিলে
খাবার দিচ্ছি।
--হুম,তাড়াতাড়ি।
.
--হ্যালো, মি.বাদর
বলতেছি।
--চুপ
হারামি,তাড়াতাড়ি
কলেজে আয়।তোর
ডাক পড়েছে উপর মহল
থেকে।
--মাইয়াটা দেখতে
কেমন।
--কিসের মাইয়া।
--তুই না কইলি উপর মহল
থেকে ডাক দিছে।
--উপর মহল থেকে তো
ডাক দিছে।
--তাহলে তো হয়ে
গেলো,উপরের তলায় তো
সব সুন্দর সুন্দর আপুরা
থাকে।
--খালি মাইয়ার খোজ
তোর,প্রিন্সিপাল
স্যার ডাক দিছে তোরে।
--কেনো।
--মাইয়া বিয়ে দিবো
তোর কাছে।
তাড়াতাড়ি আয়।দেরি
হয়ে যাচ্ছে।
--তুই ১ মিনিটেরে ৪
ভাগ কর,আমি
আসতেছি।
.
এতক্ষন কথা বলছি আম্মু
& আবার বন্ধু
নীরবের সাথে।আর আমি
হলাম মি.বাদর।
পড়ালেখার আশে পাশেও
যাই না। মাসে ১
বার না হয় ২ মাসে ১
বার কলেজে যাই।আর
কিচ্ছু মুঝে হেতি পাথা।
লে হালুয়া কলেজে কি
আজকে। নীরব তো
বললো প্রিন্সিপাল
মেয়ের বিয়ে দিবো
আমার সাথে তাহলে
বিয়েটা আজকে হবে
নাকি।এত সাজু গুজু
কলেজে।আচ্ছা
প্রিন্সিপালের মেয়ে
আছে তো। যদি না
থাকে কি হবে, যদি
বিয়ে হয়ে যায় আজকে
বাড়িতে গিয়ে কি
বলবো।ধুর কুচুর মাথা।কি
সব বকবক করতেছি।
.
--মি.বাদর।
মাঠে গিয়ে দাড়ানোর
সাথে সাথে কেউ
একজন ডাক দিলো।
দুঃখের বিষয় কাউকে
দেখতে পাচ্ছি না।
কাউকে চিনতে পারছি
না,হয়তো আমাকে সবাই
চিনে আমি চিনি
না।
নীরইব্বা ফইন্নিটারে
দেখতেছিনা।
কই গেলো,আবারো
"মি.বাদর "বলে ডাক
দিলো।প্রিন্সিপালের
রুমের দিকে
তাকিয়ে দিয়ে নীরব
দাড়িয়ে আছে।
দিলাম মাঠের উপর
দিয়ে।প্রস্তুতি নিচ্ছে
খেলার কোন দলের
সাথে খেলবে আমি
জানি না।দেখি স্যার
কি বলে।
.
--মি.বাদর। কেমন
আছেন।
--জ্বি, ভালো।আপনি?
--তোর জ্বালায় কি
ভালো থাকতে পারি।
--লে হালুয়া,আমি আবার
কি করছি।
--কিছু না,এখন তোরে
ডাকছি খেলার জন্য।
--কার সাথে খেলতে
হবে।
--শুন আমাদের কলেজের
সাথে অন্য
কলেজের খেলা হয়
অনেক আগে থেকে প্রথম
প্রথম আমাদের কলেজ
জয়লাভ করলেও বেশ
কয়েক বছর হলো আমার
জিততে পারি না।
আর আজকেও খেলা আছে
তাই তুই কলেজের
হয়ে মাঠে নামবি।যদি
জিতাতে পারিস
কলেজ কে তাহলে
কলেজে যে আছিস না
তার জন্য কোন শাস্তি
দিবো না।
--ওকে ওকে,এখন আমি
আসি।খেলার পরে
কথা হবে।
,
স্যারের সাথে কথা
বলার পর নীরবের
সাথে কথা বলতে বলতে
ক্লাসে গিয়ে
বসলাম।আশে পাশে
তেমন কেউ নেই দেখে
মনের সুখে আড্ডা
মারতেছি।হঠাৎ করে
মাইয়ার বন্যা শুরু
হয়েছে। দরজা দিয়ে
পানির মতো ডুকতেছে
শুধু মাইয়া আর
মাইয়া।
পাশে তাকিয়ে দেখি
নীরব নাই, পিছনের
দরজা দিয়ে চলে
যাচ্ছে। আমি বসে থেকে
কি করবো।সামনের
দরজা দিয়ে বাইরে
বের
হচ্ছি এমন সময় হাত
টান দিয়ে ধরলো কেউ
একজন।
পাশে তাকিয়ে দেখি
নীরব নাই, পিছনের
দরজা দিয়ে চলে
যাচ্ছে। আমি বসে থেকে
কি করবো।সামনের
দরজা দিয়ে বাইরে
বের
হচ্ছি এমন সময় হাত
টান দিয়ে ধরলো কেউ
একজন। পিছনে তাকিয়ে
দেখি একটা মেয়ে,
ধুর কি বলদের মতো কথা
বলি মেয়েদের
মধ্যে থাকলে তো
মেয়েরা হাত ধরবে।
.
--হাত ধরলেন কেনো।
--ওই চুপ।
--লে হালুয়া , এটা
কেমন কথা।
--বেশি কথা বলবি না
ফাজিল পোলা।
--ফাজিলের কিছু তো
আমার মধ্যে নাই।
--তুই ফাজিল, তোর ১৪
গুষ্টি ফাজিল।
--আমার ১৮ গুষ্টি
ফাজিল ঠিক আছে।এখন
কি আমি যেতে পারি।
--কোথায় যাবি।
--অারে প্রিন্সিপাল
বলছে আজকে যদি
কলেজ কে জিতাতে
পারি তাহলে তিনি
একমাএ মেয়ের জামাই
করবে আমাকে।
--কি? তোর মতো
ফাজিলের সাথে কক্ষনও
না।আমি আব্বু কে আজকে
বলবো।
কুত্তা, বিলাই,হনুমান
ব্লা ব্লা।
.
অায় হায় এটা কি হলো
কি বলতে কি বলে
দিলাম।মাইয়া যদি
বলে দেয় তাহলে কি
হবে । ধুর কলেজ থেকে
বের করে দিলে
ভাটিয়ালী কলেজে
গিয়ে ভর্তি হবো নো
চিন্তা এখন বড় সমস্যা
জিততে হবে খেলা।
অায় হায় মাইয়া তো
দেখি সত্যি সত্যি
প্রিন্সিপালের রুমের
দিকে যাচ্ছে।তাহলে
কি সত্যি বলে দিবে
সবকিছু। একটু পরে ডাক
পড়বে আমার।
যাইতে হবে বাঘের
খাচায়।দেখা যাক কি
হয়।
.
--দোস্ত প্রিন্সিপালের
রুমে তোর ডাক
পড়ছে।(জাহেদ)
--কেনো?
--জানি না।মনে হয়
খেলার কিছু বলবে।
--হিহিহিহিহিহি, আমি
জানি।দাঁড়া শুনে
আসি।
--বলদের মতো হাসিস
কেনো।
--চুপ শালা যা। আমার
জন্য ব্যাট রেডি কর।
.
--স্যার আসতে পারি।
--আসো মি.বাদর।
--স্যার ডাকলেন কেনো।
কোন কাজ আছে
নাকি।
।--সব বলছে শবনম
আমাকে তুই কি বলছিস।
তুই
আজ থেকে ১ মাস পর
কলেজে আসবি না।
অন্য কোথাও চলে যাবি।
আমি চাইনা তুই
এখানে থাকিস।
--স্যার আপনি যেটা
চাইবেন সেটা হবে।
--আমি চাইনা তুই চলে
যা কিন্তু আমি কিছু
করতে পারবো না।মা
মরা মেয়েটার সব
আবদার মিটিয়ে এসেছি
সবসময়। প্লিজ
আমাকে মাফ করে দিস।
--স্যার বাদ দেন তো।যা
হওয়ার হবে।আমি
তো এমনিতে কলেজে
আসি না।কোন
সমস্যা হবে না।
.
মনটা স্যারের কথা
শুনে খারাপ হয়ে
গেলো।মেয়েটার জেদের
কাছে স্যার
কতটা অসহায় । কলেজ
কে শেষ বারের মতো
জয়ী দেখতে চাই। এটাই
যেহেতু শেষ খেলা
কলেজের হয়ে তাই
জিততে হবে। ২য় তলায়
তাকিয়ে দেখি শবনম
দাড়িয়ে আছে ওর
বান্ধবীদের সাথে।
মন খারাপ করার কোন
প্রশ্ন উঠে তাই দাঁত
কেলাতেইছি।হিহিহ
িহিহিহি।
যথারীতি খেলা শুরু
হলো, সব দায়িত্ব
আমার উপর।
ওরা প্রথমে ব্যাটিং
করে নিদিষ্ট ১৬
ওবারে ১৩০ রান করে।
বোলার বেশি থাকায়
বোলিং করিনি।অনেব
বার স্যার বল করতে
বলছে তবুও আমি করিনি।
সত্যি বলতে অনেক
দিন বল করিনি বল যদি
খারাপ হয় তাহলে
রান বেশি হয়ে যাবে।
তাই করিনি।
ওপেনার আমি আর নীরব
উঠলাম।৫ ওবারে ৪০
রান উঠার পরে নীরব
মিড-উইকেটে ক্যাচ
দিয়ে চলে যায়।বাম
হাতি ব্যাটসম্যান
ছিলো শুধু নীরব।১৫ তম
ওবার শেষে
আমাদের রান ১১৫/৮।
লাষ্ট ওবারে ১৬
রানের প্রয়োজন ছিলো।
স্ট্রকে আমি প্রথম
বলে ৪ রান, পরের বলে
২।এখনো ৪ বলে ১০
রান।
প্রথম থেকে মাঠে আছি
এখনো একটা ৬
মারিনি তারউপর দল
জেতানোর জন্য
খেলতেছি।৩য় বলের ৬
মারছি। সুখে
থাকলে ভূতে কিলায়
এটা পুরোটাই সত্যি
বল গিয়ে পড়লো শবনম
প্রেত্নীর গায়ে।
রাগে মরিচের মতো
লাল হয়ে গেছে।
দেখতে সেই লাগছে
কিন্তু এখন যদি ওর
দিকে তাকিয়ে থাকি
দলের ১২ টা বাজবে
তাই আবার লেখায় মন
দিলাম।পরের বলেও
৬ সেটাও গিয়ে
শবনমের গায়ে একটা
হজম
হতে না হতে আরেকটা।
লেখা শেষ করে
দিলাম দৌড় রুমের
দিকে। ব্যাগটা নিয়ে
দিলাম দৌড়। আর কে
পায় আমাকে একবারে
মাসের শেষে আসবো
কাগজপত্র নিয়ে
আবার চলে যাবো।
হিহিহিহিহিহি।
.
.
--হ্যালো, দোস্ত?(নীরব)
--কি হয়েছে।
--ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ
তো তুই, কিন্তু তুই
কোথায়।
--প্রিন্সিপাল স্যার কে
দিয়ে দেয়।আমার
লাগবে না।আর স্যার কে
বলিস কাগজপত্র
রেডি রাখতে।
--তুই কি সত্যি চলে
যাবি।
--হুম,বাদ দেয়। বাই
--ওকে,বাই
.
আজ ১ মাস পর কলেজে
যাচ্ছি।তাও শেষ
বারের মতো।যাবো আর
স্যারের সাথে
দেখা করবো নীরবের
সাথে দেখা করবো
তারপর চলে আসবো।আর
আসা হবে না এ
ক্যাম্পাস প্রাজ্ঞানে।
স্যারের সাথে কথা
বলে সবকিছু নিয়ে রুম
থেকে বের হচ্ছি এমন
সময় স্যার বলে আজকে
ক্লাস করতে আর নীরবও
পাগল বানিয়ে
ফেলতেছে তাই ক্লাসের
দিকে হাঁটা
দিলাম দুইজনে মিলে।
ক্লাসে অনেকে জেনে
গেছে আমি যে চলে
যাচ্ছি। অনেকে অনেক
কথা বলছে সবার
সাথে একসাথে অনেক
মজা করছি।ক্লাস
শেষে বাইরে এসে
দেখি সিড়িতে শবনম
দাড়িয়ে আছে সাথে
কয়েক জন আমাদের
ক্লাসের মেয়ে। পাশ
কাটিয়ে নিচে
নামতে যাবো এমন সময়
সামনে এসে দাড়ায়
শবনম।
.
--ঠাসসসসসসসসসসসসস
--আমার অপরাধ কি?
--লেখার দিন তুই আমার
গায়ে বল মারছিস,
তাই থাপ্পড় দিলাম।
--ওহহহ,আসি তাহলে।
--যা তো ভাগ।
--যাচ্ছি তো।আর তোর
হাতে কিসের কাগজ
এগুলো দেখি তো একটু।
--আপনাকে দেখানো
যাবো না,আমার
দেরি হয়ে যাচ্ছে আসি।
ভালো থাকবেন।
আপনার কোন ক্ষতি করে
থাকলে ক্ষমা করে
দিয়েন।
--যাবি নাকি,আব্বুর
কাছে গিয়ে নালিশ
করবো আবার।
--সেটার আর প্রযোজন
হবে না,আমি
এমনিতে চলে যাচ্ছি।
.
আজ প্রায় ৩ মাস হলো
কলেজ ছেড়ে
এসেছি।নীরবের সাথে
কথা হয় সবসময়।
শবনম নাকি এখন
আমাকে খুজে নীরবের
কাছে আমার নাম্বার
চায়।নীরব বলে
আমাদের মাঝে
যোগাযোগ নেই।অবশ্যই
আমি বলছি নীরবকে
এটা বলতে।বার বার
মনে পড়ে ওর কথা।শবনম
কে দেখতে ইচ্ছে
করে সবসময়, কিন্তু
আবার পরক্ষনে ইচ্ছেটা
মরে যায়।কে তা জানা
নেই।
বাসে করে কলেজে আসা
যাওয়ার পথে
চিরছেনা কলেজ টাকে
দেখি।ভুল করে
একটি বারও কলেজের
দিকে পা বাড়াতে মন
চায় না।এভাবে চলতে
থাকে আমার
দিনগুলি। আড্ডা
মাস্তিতে সবসময় ডুবে
থাকি।এত কিছুর মাঝেও
একজন বুকের ভিতর
বসে আছে।হ্যাঁ শবনম
বসে আমার বুকের
ভিতর।এইতো সেদিন
শবনম কে দেখলাম।
রিকশা করে কলেজে
যাচ্ছে।কেমন যেনো
হয়ে গেছে।রোগাটে,
চোঁখের নিচে কালি
পড়ে গেছে, কেমন যেনো
হয়ে গেছে।বুকের
ভিতর কেঁপে উঠলো
শবনম কে দেখে।
তাহলে কি সত্যি
বলছিলো নীরব শবনম
আমাকে ভালোবাসে।
হয়তো ভালোবাসে
হয়তো বা না।
.
আজ আমার নতুন কলেজের
সাথে পুরোনো
কলেজের খেলা আছে।
নীরব ধরছে খেলাটা।
আমি খুশি এ খেলাটা
খেলবো বলে কারন
কলেজেও যেতে পারবো
আবার শবনম কে
দেখতে পারবো।
বাস থেকে নেমে
নীরবকে জড়িয়ে
ধরলাম।
তারপর সবাই কলেজে
ডুকলো আমি আর নীরব
একটা দোকানে গেলাম
সেখানে নীরব কিছু
রং নিয়ে আমার পুরো
মুখে লাগিয়ে দিলো
যেনো কেউ আমাকে
চিনতে না পারে তাই।
সময় মতো খেলা শুরু হয়ে
গেলো। আমার
নতুন কলেজ দাড়াতে
পারছে না পুরোনো
কলেজের সামনে।
বাংলাদেশ দলের
রিয়াদ ভাইয়ের মতো
আমিও দলের ভরসা।
টেনে নিয়ে গেছি ১৬
ওভারে ১৪০ রানে।
.
আমরা জিতে নিয়েছি
ম্যাচ।খেলা শেষে
নীরবের সাথে ওয়াশ
রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে
প্রিন্সিপাল স্যারের
সাথে দেখা করে
বের হয়ে হাটতেছি।
সবাই চলে গেছে আমার
বাসা কলেজের পাশে
যেহেতু তাই থেকে
গেলাম।কলেজের পশ্চিম
দিকে পুকুরপাড়ে
বসে আছি একা একা।
কারন নীরব দোকানে
গেছে।হঠাৎ মনে হলো
কেউ একজন আমার
পাশে এসে বসলো।
তাকিয়ে দেখি শবনম।
অনেকদিন পর দেখলাম।
দুজন দুজনের দিকে
কিছুক্ষণ তাকিয়ে
ছিলাম।কেউ কোন কথা
বলছি না।কিছুক্ষণ পর
শবনম আমার কাঁধে
মাথা দিয়ে আমার হাত
ধরে বসে আছে।
আমিও কিছু বলছি না
শবনমও কিছু বলছে না।
এভাবে প্রায় ১৫
মিনিটের মতো কেটে
যাওয়ার পর শবনম মুখ
খুললো।
.
--কিছু বলছো না যে।
--কিছু সময় চুপচাপ
থাকা ভালো।
--হুম,কিন্তু তাই বলে
কিছু বলবে না।
--না।এ সময়টা এভাবে
কাঁটানো ভালো কথা
বলে সময়টা নষ্ট করতে
চাই না।
--আমি তোমাকে
ভালোবাসি।তুমি কি
আমাকে ভালোবাস।
--...................
--কি হলো চুপ করে আছো
কেনো।
--চুপ করে থাকা কিন্তু
সম্মতির লক্ষন।
--হুম,তবে এক্ষেএে না।
আমি তোমার মুখ
থেকে শুনতে চাই।
--ভালোবাসি তোমাকে।
--আমিও ভালোবাসি
তোমাকে।
..
..
***সমাপ্ত***
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now