বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি কোনো ভাবেই লুঙ্গির গিট ভালো করে দিতে পারতাম না,যদি যেখানে সেখানে সেই গিট খুলে গিয়ে আমার মান ইজ্জত ছিনিমিনি হয়ে যায় সেই ভয়ে লুঙ্গি পড়তামনা।একবার আমার খুবজ্বর এসেছিলো প্রায় ১৫দিন স্কুলে যেতে পারিনি স্কুলের একজন শিক্ষিকা আমাকে দেখতে আসেন।আমি বারান্দায় দাড়িয়ে উনার সাথে কথা বলছিলাম।হঠাৎ দেখি উনি তড়িঘড়ি করে দৌড়ে পালালো!আমি অবাক হলাম ম্যাম এভাবে দৌড় দিলো কেন!হঠাৎ নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার লুঙ্গি খুলে মাটিতে অবস্থান করছে! এই রজ্জায় আরো ১৫দিন স্কুলে যাইনি।েরপর থকে ম্যাম আমাকে দেখলেই কেমন করে মুচকি হাসতো।তাই আমি ম্যামের ক্লাস ফাকি দেওয়ার চেষ্টা করতাম।আর আরিহা সেয়েটার জ্বালানি তো আমাকে সহ্য করতেই হতোই।উচ্চমাধ্যমিকেও সে আমাকে তার বান্ধবিদের দিয়ে আমাকে লুঙ্গি লুঙ্গি বলে আমাকে বেকুব বানাতো।বাবার বন্ধু একদিন আমাদের বাড়ি বেড়াতে এসেছিলো।সাথে উনার স্ত্রী ও এক মেয়ে এসেছিলো।মেয়েটা আমার সমবয়সী। ভালোই পরিচয় ছিলো।মাঝে মাঝে আমরা নির্দিধায় কথা বলতাম।পরের দিন শুক্রবার ছিলো।সেদিন আমি বেলা ৯টা বেজেও বিছানাতে শুয়েছিলাম।আমাকে এতক্ষণ না দেখে বাবার বন্ধুর মেয়ে আমাকে ডাক দিতে এসেছিলো।আমি প্রায় আধঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম।মেয়েটা জানালা দিয়ে দুইবার ভাইয়া ভাইয়া বলে আমাকে ডাক দিলো,কিন্তু আমি স্পষ্ট শুনিনি।দরজা খুলাই ছিলো কখন।মেয়েটা দরজা দিয়ে এসে আমাকে ডাক দিবে কিন্তু এসেই দিলো সেই জোরে চিৎকার! আমি ওর চিৎকারেউঠে একেবারে দাড়িয়ে পড়েছিলাম।মেয়েটা আরো জোরে চিৎকার করলো।আমি মাত্র বলতে যাবো কেনো চিৎকার করছ? সে সময় নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার পরনে লুঙ্গি নাই,পরনে শুধু আন্ডারআর্মটা।মেয়েটা এক চিৎকারে বাড়ির সব মানুষকে একসাথ করে ফেলেছিলো।আমি সদিন কম্বল বের করেছিলাম।বম্বলের তলে গুটিসুটি মেরে শুয়েছিলাম সারাদিন।উনারা যখন বাড়ি থেবে চলে যায় তখন বের হয়েছিলাম কম্বলের তল থেকে,সা জিজ্ঞেস করলে বলেছিলাম আমার জ্বর এসেছিলো।এরপর থেকে মেয়েটা আর আমাদের বাড়িতে আসেনা।আরহার সাথে এই লুঙ্গি নিয়ে এববার ঝগড়া করেছিলাম।মেয়েটাকে সেদিন থাপ্পড়ও দিয়েছিলাম।ভেবেছিলাম বাড়িতে নালিশ আসবে কিন্তু আসেনি।এরপর থেকে ২দিন কোনো শান্তি পেলাম না।সেজন্য আরহার কাছে গিয়ে সাফ চেয়েছিলাম।এরপর থেকে আমাদের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিলো।আর সেখান থেকেই আমাদের প্রেম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now