বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সোহান ঘুম থেকে ওঠ (আম্মু)
_আর একটু আম্মু
আম্মুঃ কয়টা বাজে সেদিকে নজর আছে
_ মাএ ৬ টা বাজে
আম্মুঃ হ্যাঁ তোর জন্য সুর্য আবার নতুন করে কাল উঠবে।
_মানে কি???
আম্মুঃ ৯ টা বাজে। মোবাইলটা একটু চোখের সামনে ধর।
দেখি ঠিকই তো ৯ টা বাজে। এক লাফ দিয়ে উঠলাম। আগে ডাকবা না????
আম্মুঃ ৭টা থেকে ডাকতেছি। আর একটু, আর একটু করে ৯ টা বাজাইলি। তোর আব্বু ডেকে ডেকে তোকে না উঠাতে না পেরে অফিসে চলে গেছে।
_হয়েছে হয়েছে নাস্তা রেডি করো। আমি ফ্রেস হয়ে আসি।
আম্মুঃ রেড়ি আছে জলদি আয়।
_হু আসছি।
দৌড়ে চলে গেলাম গোছল করতে। গোছল শেষে কোনোমতে নাকে মুখে কিছু দিয়ে বেড়িয়ে গেলাম কলেজের উদ্দেশ্যে।
শর্ট রাস্তা দিয়ে গেলে ১০ মিনিট লাগে কলেজ যেতে। আর মেইন রোড় ধরে রিক্সাতে গেলে ২০ মিনিট লাগে।
রিক্সা পেলাম না। হাঁটা ধরলাম।
হয়তো ৫ মিনিট হাটছি। পেছন থেকে একটা মেয়ে কন্ঠ আমাকে ডাক দিল।
পেছন ফিরে ভিমরি খাবার মতো অবস্থা।
মাথা খারাপ হয়ে গেলো মেয়েটাকে দেখে।
আরে ভাই পজেটিভ নেন!!!! মেয়েটার চেহারা দেখে।
আমি মুলত হিন্দি নায়িকা আলিয়া ভাট্ট এর বিশাল ফ্যান। আলিয়াকে যে কতো ভালো লাগে বলে বোঝাতে পারবো না।
তো মেয়েটার ডাকে পেছন ফিরলাম।
আমাকে দাড়াতে দেখে মেয়েটা অসাধারন একটা হাসি দিলো।
যে হাসিটা দেখেই আমার ভিমরি খাবার মতো অবস্থা।
হাসি দিলে আলিয়ার মতো গালে টোল পরে।যেটা দেখে আমার পুরা মাথাই নষ্ট।
মেয়েঃএই যে জনাব হা টা বন্ধ করেন মুখে ভিমরুল ধুকবে
_কই ভিমরুল????
মেয়েঃডানে তাকান।
_কই ডানে
মেয়েঃ আজব!!!! আমি বলছি নাকি আপনার ডানে। আমার ডানে দেখুন।
_ ও হারামি ভীমরুল মুখে ঢোকার আগে চলুন বিদায় হই।
হাটছি,,,,,,,, চুপচাপ,,, মেয়েটাই নিরবতা ভংলো। বললো
মেয়েঃ আমি জিতু। ইন্টার ফাষ্ট ইয়ার
_সোহান। আমি সোহান
জিতুঃ থাক বলতে হবে না আমি জানি। আপনি সোহানুর রহমান। সেম ইয়ার। বাবার নাম _______বোনের নাম সুমি। ফেবু আইডির নাম সোহানুর রহমান। যদিও মিঃ টম নামের একটা ফেক আইডি আছে।
আমিতো পুরাই ভিলা। এটা ক্যাম্নে সম্ভব। মেয়েটাকে আজই প্রথম দেখলাম। আর ও আজই আমার ১৪ গুষ্টির নাম ফরফর করে বলে দিচ্ছে,,,,,,,
_আজকেই আপনাকে প্রথম দেখলাম। আপনি আমাকে এতো চিনেন কিভাবে
মেয়েঃওটা না হয় রহস্যই থাক।
_আমি আজব চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছি
মেয়েঃ আরে এবার চলুন কলেজে যাই। সময় মতো সব জানতে পারবেন।
_চলুন,,,,,,,
ক্লাসের সময় হওয়াতে ক্লাসে চলে গেলাম। এখন একটা ক্লাসের গ্যাপ।
আমার কলেজে সবচেয়ে কাছের বন্ধু ২ টা। একটা পারভেজ আর একটা আকাশ। যদিও আকাশের গফ ওরে বাবু বলে ডাকে। সেই থেকে আমরাও বাবু বলে ডাকি। আর পারভেজ এর গফ নাই। যদিও ও একটু লুচু টাইপের। তবুও ও ভালো। লেখাপড়ায় খুব ভালো। আর স্মাট। ও নাকি কোন বইতে পরছিলো স্মাট ছেলেদের নাকি গফ থাকে না।
তবে হারামি বন্ধুর অভাব নাই। সবগুলোকে দেখে জয় এক এক টা বাঁশ বাগান।
ওদের একটাই কাজ কাভাবে ইজ্জতটা ফ্রীতে নিলামে তোলা যায়। আর কিছু ঘটুক না ঘটুক (ক্রাস জনিত) পকেটের বেহাল দশা করা।।
আজকে মনটা খুব ফুরফুরা ছিলো।
একটা হারামি বললো মামা মনটা খুব ফুরফুরে দেখতেছি। ভাব খুব সুবিধার মনে হচ্ছে না। কাহিনি কি????
বলেই ফেললাম তোগো লাইগা ভাবি পছন্দ করছি।
সিমামঃমামা ভাবি কই????
_আব্বে শালার মামা ওয়েট কর। ভাবি দেখবি। তবে ১ টা শর্ত তোদের ভাবিকে আলিয়া ভাবি বলে ডাকতে হবে।
পারভেজঃ মামা ভাবির নাম আলিয়া নাকি ক্রাসের নায়িকা আলিয়া ভাট্টের নাম অনুসারে নাম রাখচোস
_মামা আয় একটা চুম্মা দেই তরে। তুই ছাড়া এক শালাও আমারে ভারো করে বোঝে না।
ইতিমধ্যে জিতুর পাশ দিয়ে হেটে চলে গেলো আর একখানা শাহী মোগলাই এর মতো হাসি দিলো। এবার হারামিরা একসাথে মামা কেসতো পুরাই ফাইল হয়ে আছে। চল
_কই যাবো
আকাশঃমামা ট্রিট কে দেবে????
_এ ঘেউ ঘেউ করিস না টাকা নাই।
আমাকে পরভেজ আর আকাশ ধরে উচু করে নিয়ে গেলো।
মাঝে মাঝে মনে হয় আকাশ আর পারভেজ আমার সেরা বন্ধু হলে কি হবে। ওরা আমার জন্য বাঁশ বাগান দিয়ে বসে থাকে।
যাইহোক বন্ধু মানেই বাঁশ আর বাঁশ।
মানিব্যাগ খালি হলো
ক্লাসে গেলাম।
কয়েকটা ক্লাস করে বাসায় এসে পরলাম।
এর মধ্যে জিতুর সাথে কথা হয় নাই।
বিকেলে রুমে বসে আছি। আম্মু মামার বাসায় গেছে। আব্বু এখনো ফেরে নাই।
বিশাল ভুল করছি পরিচয়তো দেই নাই। ধুর আজ পরিচয় লাগবে না। গল্পটা পড়লে পরিচয় এমনি জেনে যাবেন।
সুমি মুলতো আমার বোন হলে কি হবে ও আমার সাথে কথা বলে না। কারন ও মনে করে আমি ওর জন্য একটা বড় ধরনের আপদ। মানে বোনতো একটু বেশি শাষন করি। তাই ওর কাছে আমি বড় আপদ।
সুমিঃভাইয়া
বল
সুমিঃভাইয়া একটু ভাবিদের বাসায় যাবো। বলেই জিহ্বা কামুর দিলো।
ভাবি কোথায় পেলি। তোরতো ভাই একটাই। সেটা আমি। আমিতো বিয়ে করি নাই তুই ভাবি কই পেলি????
সুমিঃ ভাইয়া আসলে হইছে কি একটু জিতু আপুর বাসায় যাবো।
জিতু!!!! কোন জিতু???
সুমিঃ আরে তোমার সাথে কলেজে পরে।
_কলেজে পরলেই তোর ভাবি হয়ে যাবে নাকি। কাহিনি কি বল। নইলে যেতে দেবো না। আম্মু আসলে বলবো তুই আমাকে না বলে কোথায় জানি গেছলি। তার পর আম্মু তোকে পেটাবে আর আমি মজা দেখবো।
সুমিঃতোকে আমি খালি খালি আপদ বলি।
_কথা ঘুরাবি না।
সুমিঃ ভাইয়া তোকে তো বলাই হয় নাই। তোর বন্ধু সালমান ভাইয়া আছে না??? জিতু আপু ওর চাচতো বোন। তোরা যখন সালমান ভাইয়ার বউকে তুলে আনছি সালমান ভাইয়ার সাথে বিয়ে দেয়ার জন্য। তো ঐদিন কাজি অফিসে সালমান ভাইয়ার সাথে একটা মেয়ে এসছিলো মনে আছে???
_অনেক ঝামেলার মধ্যে ছিলাম তাই লক্ষ করতে পারি নাই।
সুমিঃ তো ওটাই হলো জিতু আপু। আর যে তোকে অনেক পছন্দ করে তোকে প্রথম দেখার পর থেকে।
_তোর সাথে ওর পরিচয় কি ভাবে???
সুমিঃ যখন তোকে দেখলো পরে সালমান ভাইয়ার থেকে জিতু আপু শুনছে যে তুই আমার ভাই। যেহেতু ও তোকে পছন্দ করে। তাই আমার সাথে ওর ভালো মিল। ও আমাকে ছোট বোন মনে করে ।
_যা ভাগ যতসব আজগুবি গল্প নিয়ে সামনে আসে।
আসলে আমরা ৮ জন বন্ধু গিয়েছিলাম সালমানের বউকে বিয়ের আসর থেকে উঠিয়ে আনতে। সালমানের বউর নাম রানি। তো রানির বাবা স্বভাব একটু গুন্ডা টাইপের যদিও। আগে এমন ছিলো না। যখন শুনছে সালমান আর রানির সম্পর্ক তখন থেকেই গুন্ডা টাইপের হয়ে গেছেন। তো তার মেয়ের বিয়ের দিন অনেক গুলা লোককে গেটের দিকে দাড় করায় রাখছেন আর বলছেন বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত অপরিচিতো কেউ যেনো ভেতরে না ঢোকে। তো আমারা সুবধা করতে না পারলে সুমিরে ফোন দিলাম। সুমি আসলো সুমিরে পারভেজ সব বোঝালো। মনে পরভেজ আর সালমান একই এলাকার ছেলে। আর ওরা এলাকার বেষ্ট ফেন্ড। আর কলেজে এলে আমাদের ফ্রেন্ড। সালমান অবশ্য অন্য কলেজে পরতো।
সুমি সব বুঝে গেটে ঢুকে গেলো সালমানের বউ মানে রানির বান্ধবি পরিচয় দিয়ে।
ব্যাস ঢুকেই রানির কছে ওর পরিচয় আর সমস্ত প্লান বললো। পরে পেছনের দরজা দিয়ে পালালো।
অনেক কষ্ট করে সেদিন সালমানের বিয়ে দিছলাম। সালমান পারভেজের বন্ধু পরে আমাদেরও বন্ধু হয়ে গেলো। সেই থেকে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক।
আবার ভাবলাম সালমান তো বলতে পরতো। আবার ভাবলাম সালমান মনে হয় জানে না।
পরদিন কলেজের জন্য বের হলাম। পেছন থেকে আবারও একটা মেয়ে কণ্ঠ ডাক দিলো বুঝতে বাকি রইলো না জিতু ডাক দিছে।
জিতু ভাবছে আমি কিছু জানি না।
তাই ও আজকে একটু মজা করার চেষ্টা করছে। ওর উদ্দেশ্য গতোকালের মতো আজও আমাকে বোকা বানাবে।
তবে মেয়েটাকে আজ আরো সুন্দর লাগছে।
হালকা মেকাপ + হালকা গোলাপি লিপিষ্টক। পুরাই আমার আলিয়া ভাট্টের মতো লাগছে। গতো কালই ওরে পছন্দ করে ফেলছিলাম।
এভাবে কিছু দিন চলে গেলো
!
!
!
ও এখনও ভাবছে আমি কিছুই জানি না। প্রতিদিনই ও আমাকে আসার সম্পর্কে বলে আর আমি তাজ্জব হবার অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছি।
কেটে গেলো ১ মাস।
একদিন পার্কে দেখা করতে বললো জিতু। উদ্দেশ্য মনের কথা বলবে।
আমি তো সবই জানি। তবুও কিছু বললাম না।
একপর্যায়ে ও আমাকে বললো সোহান তোমাকে অনেক ভালোবাসি। ও এই কয়দিনে আমাদের সম্পর্ক আপনি থেকে তুমিতে পৌঁছে গেছে।
এবার শুরু করলো ও কবে থেকে আমাকে পছন্দ করে। সেই সালমানের বিয়ে থেকে শুরু করলো ________ চলছে _____চলছে______চলছে ___গল্প শেষ।
গল্প শেষে বললাম আমি সব জানি। যেদিন তোমার সাথে আমার কলেজ যাবার পথে দেখা হয় তার পরদিনই সুমি আমাকে সব বলে দেয় । বলে রামকান্তের মতো একটা বেকুবে হাসি দিলাম হে হে হে।
ওকিছুটা লজ্জা পাইছে। মুখ লুকাবার জায়গা পাচ্ছে না। পরে আমি উঠে দাড়ালাম। ও দাড়ালো।
_এই ভালোবাসি কথাটা বলতে এতোদিন লাগিয়ে দিলে।
বলে আমি ওকে জরিয়ে ধরলাম। ও বলছে সোহান ছাড়ো লোকজন দেখছে।
লোকজন দেখলে আমার কি। আমার বউকে আমি ধরবো নাতো কি অন্য লোক ধরবে???
আমার কথা শুনে ও আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে বললো ছোড়ে যাবা নাতো???
কখনো না
এযেন ভালোবাসার একটা মহাপরস।
বেশ কিছু দিন আমাদের খুব প্রেম চলছে।
এমন অবস্থা একদিন না দেখলে মনে হয় কতো জনম যানি দেখা হয় না।
এভাবে চলছে। একদিন ওর কাছে ফোন দিছি। উদ্দেশ্য দেখা করা ।
তো ফোনটা ওর বাবা পিক করছে। কিন্তু কিছুই বললেন না।
আমি ফোন রিসিভ হওয়ার সাথে সাথে বললাম জানু অমক পার্কে চলে এসে বিকাল ৪ টায়। বলে ফোন রেখে দিলাম ।
চলে গেলাম পার্কে ৪/৩০ বেজে যায় আসার নাম নাই। ৫ টা আসলো না। এবার আমি ফোন দিলাম সুইচ অফ। এদিকে আমার অবস্থা খারাপ। ১ দিন ২ দুন ৩ দিন এমন করে ৯ টা দিন কোনো খোজ নাই একটা ফোন নাই মেসেজ নাই। আমি পুরাই পাগল।
৯ দিন পর অপরিচিতো নাম্বার থেকে ফোন আসলো। ধরার ইচ্ছা ছিলো না। ধরলাম না। মেসেজ আসলো সিন করতে দেখলাম লেখা রিসিভ করো প্লিজ ।
রিসিভ করলাম।
ফোন দিয়েই মেয়েটা কান্না শুরু করছে। সোহান বাবা সেদিন ফোন রিসিভ করছিলো পরে ফোন নিয়ে নিছে। আর আমার ঘরের বাইরে বের হতে নিষধ করছে। আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলছে। আমার আর সহ্য হচ্ছে না। এটা রানির ( সালমানের বউ) নাম্বার। অনেক কষ্ট করে ফোন দিছি।
তুমি আমায় নিয়ে যাও সোহান আমি মারা যাবো।
_ আজেবাজে কথা বলো না। মরবা কেনো আমি আছি না????
বললাম তুমি পালাবা?????
আমি আব্বুকে কষ্ট দিতে পারবো না।
তাইলে
তুমি তোমার বাবা কে পাঠাও
পাগল হইছো তুমি??? এখন বিয়ের কথা বললে বাসা থেকে বেড় করে দেবে। তার থেকে ভালো বুদ্ধি চলো পালায় যাই।
এটা সম্ভব না। আমি জানি বাবা আসাকে কতো ভালোবাসে। আমি পালালে বাবার সম্মান যাবে। বাবা সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না। হয়তো মারা যাবে।
আর বাবার কিছু হলে আমি মারা যাবো।
তাইলে কি করবো???
মেয়েটা বললো তুমি তোমার বাবা কে পাঠাতে পারবে না। আমি পালাতে পারবো না। উপায় নাই বাবার সিন্ধান্ত কে মেনে নিতে হবে।
জিতুর বিয়ে হয়ে গেলো,,,,,,,,,
কেমন জানি অনুভুতি গুলো মারা গেছে।
ভাবলাম ওর বাবা ওকে ছোট্ট থেকে এতো বড় করছে। তারপর বড় হয়ে ও আমাকে পছন্দ করছে। স্বাভাবিক ভাবে বাবার প্রতি টান থাকা স্বাভাবিক।
আমি ওর সিন্ধান্তকে সেলুট জানাই।
সেলুট তোমার সিন্ধান্ত।
যেমনটা সেলুট জানাইছিলাম Sanam re মুভিতে নায়ক নায়িকার ভারোবাসা।
শেষে নায়ক যেমন নায়িকার হার্ট নষ্ট হলে নাইকাকে নিজের হার্ট দিয়ে দেয়। তো তাদের ভালোবাসাকে সেলুট জানিয়ে আমার ফেবুর আইডির নাম করে ফেলছি Sanam re.
আমি আমার জিতু সম্মান করি। সম্মান করি ওর ভালোবাসার
!!
!
!
। -\-\-\-\-\-\-\-\-\-\সমাপ্ত-\-\-\-\-
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now