বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মর্গ

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Abdur Rahman (০ পয়েন্ট)

X ঘটনাটি আজ থেকে ১২ বছর আগের । আমি তখন কলেজে পড়াশুরু করি। সেখানে আমি নতুন নতুন যায় তাই সেখানে আমাকে থাকতে দেওয়া হয় একটা হস্টেলে । তো আমি আমার হস্টেলের ঘরটা গোছানো শুরু করলাম । আজব একা কথা, সেই ঘরে শুধু আমাকেই থাকতে দেওয়া হয় । কিন্তু অন্য সব ঘরে দু, তিন জন করে আছে। আমি এটা নিয়ে মাথা ঘামাইনি। তারপর ২/৩ দিন হলো , আমি এক রাতে বিছানায় বসে পড়ছি । তখন কেউ একজন আমার ঘরের দরজায় একটা নকের শব্দ করছে আমি ভাবলাম খাবার দিতে এসেছে তো দরজাটা খুললাম ।অবাক করা কথা কথা কেউ নেই। , আমি ভাবলাম ভুল শুনেছি তারপর ৫ মিনিট পর আবার শব্দ করলো। আমি দরজাটা খুললাম, কাউকে দেখলাম না। কিন্তু আমার ডান চোখে দেখলাম কোন একটা ছায়া আমার পাশ দিয়ে দৌড়ে গেলো। আমি একটু চমকে উঠলাম। তারপর বুঝলাম " something is wrong " আমি তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে বিছানায় শুয়ে পরি। , আবার একটু পর সেই একিই শব্দ শুনলাম । আমার আর সাহস হলো না দরজা খুলার । পরের দিন আমি আমার বন্ধুকে বললাম এ সব কথা ও বললো " আজ রাতে আমি তোর সাথে ঘুমাবো। আমি বললাম ঠিক আছে। , রাত নামলো আমরা আশাই ছিলাম যে ঐ শব্দটা আবার হবে। ঠিক কিছু সময় পর আমরা বুঝতে পারলাম ঐ শব্দটা হচ্ছে। এবার আমার বন্ধুটা বললো তুই এখানে থাক আমি দেখছি। ও দরজা খুলে দেখলো ৮-১০ ফুটের একটা লম্বা লোক দাড়িয়ে আছে এটা দেখে ও তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে দেই। আমরা ভয়ে কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে পরি ।তার কিছু সময় বাদে আমরা অনুভব করি কেউ আমাদের কম্বল ধরে নিচে টান দিচ্ছে। , এক সময় কম্বল টেনে ফেলে দিলো । তারপর আমাকে কিছুনা বলে আমার বন্ধুকে শূন্য উঠিয়ে পুতুলের মতো ছুড়ে ফেললো ঘরের এক পাশে। তারপর সে আমার বন্ধুকে বললো তোর সাহস খুব তাই না ? তারপর আমার বন্ধুকে সাহায্যর জন্য আমি আমার বন্ধুর সামনে দাড়ায় । তরপর সে আমাকেও ওর মতো ছুড়ে ফেলে দিলো। , আমি কপালে চোট পাই তখন মনে হলো আমার চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। যত টুকু পারি চোখ খুলে রাখলাম । দেখলাম সে আমার বন্ধুকে ইচ্ছা মতো মার দিচ্ছিলো আর তাকে ছুড়ে ফেলছিলো । এক সময় দেখি আমার বন্ধুর রক্তে পুরা ঘর রং করা। , এসব দেখার পর আমি ভাবছি আমার বন্ধু শেষ। ওর কিছু হলে আমি আমাকে মাফ করতে পারতাম না কারণ ও আমাকে সাহায্য করার জন্য এসেছিলো। , এসময় এসব কিছু বন্ধ হয়ে যায় আমি দৌড়ে ওর কাছে গেলাম ওর রক্ত মাখা শরীরটা আমার কাঁধে তুলে দৌড়ে হাসপাতাল নিয়ে যায়। ,পরের দিন ওর বাবা মাকে আর আমার বাবা মাকে সব কিছু জানালাম । আমি রাগান্বিত হয়ে হস্টেলের যে পরিচালক ছিলো তার কাছে গেয়ে বললাম সব তারপর সে আমাকে যা বললো আমি বুঝতে পারছিলাম না। আমি কি করবো এখন। তিনি বললো যে" আমরা যে হস্টেলে ছিলাম ওটা ৫ বছর আগেও একটা মর্গ ছিলো। ঐ জেলার সবচেয়ে বড় মর্গ হিসাবে পরিচিত । ,তারপর আমরা চলে আসি সেখান থেকে ।আর এর পর থেকে হস্টেলটা বন্ধ হয়ে যায়। আর এখন সেই আমার বন্ধু ডাক্তার। আর আমি কাজের জন্য বিহিরে আছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হাসপাতালের মর্গ
→ মর্গ রহস্য-(৩+৪)
→ মর্গ♣রহস্য-২
→ মর্গ♣রহস্য-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now