বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শিক্ষনিয় গল্প

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান m imran (০ পয়েন্ট)

X এক মা তার ছোট্ট ছেলেকে ছোট বেলা থেকে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস গড়ে তোলার জন্য প্রতিদিন একটা কৌশল অবলম্বন করতো। যেমন : ছেলেটি যদি তার মাকে এসে বলতো, মা, আমার ক্ষুধা লেগেছে খেতে দাও। তখন মা বলতো আমার কাছে না, আল্লাহর কাছে চাও। তাহলেই পেয়ে যাবে। ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো,, আল্লাহর কাছে কিভাবে চাইবো?? মা বললেন,, নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করে চাইতে হয়। তাহলেই আল্লাহ তাআলা তোমাকে খাবার দিবেন। ছোট্ট ছেলেটি মায়ের কথা অনুযায়ী অযু করে নামাজে দাড়িয়ে গেলো। আর আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলো,, ‘হে! আল্লাহ আমার প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়েছে,, আমাকে কিছু খাবার দাও ‘। আড়ালে লুকিয়ে মা ছেলেকে নামাজ পড়ছে রেখে মনে মনে খুব খুশি হয়। ছেলের নামাজ পড়া শেষ হওয়ার আগেই ছেলের পেছনে খাবারের থালা রেখে চলে যায়।আর ছেলেটি যখন নামাজ শেষ করে পেছন ফিরে খাবার দেখে,, সে তো মহাখুশি। দৌড়ে মাকে ডেকে এনে দেখায়,, মা দেখো,, আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছেন। আমাকে খাবার দিয়েছেন।মা হেসে বলেন, হ্যাঁ বাবা, আল্লাহর কাছে তার বান্দা কিছু চাইলে আল্লাহ অবশ্যই তাকে দেন। ছেলেটি এখন প্রতিদিন নামাজ পরতো। যখনই ক্ষুধা লাগতো তখনই নামাজে দাড়িয়ে আল্লাহর কাছে চাইতো। আর পিছনে ফিরলেইই খাবার পেতো। এমনিভাবে সে খুব আল্লাহ ভক্ত হয়ে যায়। হঠাৎ একদিন ছেলেটির মা কোথায় যেন বেড়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আত্মীয়স্বজন দের জোরাজুরিতে আসতে পারছিলেন না।অবশেষে ঐ দিন ঐ আত্মীয়ের বাড়িতে ই থেকে গেলেন। কিন্তু মায়ের মন..তিনি তো খুব চিন্তায় আছেন, ভাবছেন আজ যদি ছেলের ক্ষুধা লাগে, আর ছেলে যদি নামাজ পড়ে খাবার না পায়, তাহলে তো আল্লাহর উপর তার বিশ্বাস টা নষ্ট হয়ে যাবে। এতদিন তো মা তার ছেলের পিছনে খাবার রাখতো।কিন্তু আজ কি হবে? এই ভাবতে ভাবতে মা খুব কান্না করলেন। পরদিন খুব সকালেই মা বাড়িতে এসে ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন,তুমি কি গতকাল খাবার খেয়েছো। ছেলে বললো, হ্যাঁ খেয়েছি। মা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু কিভাবে? ছেলে বললো, কেন এতদিন যেভাবে খেয়েছি, সেইভাবেই। বরং গতকাল সবচাইতে সুস্বাদু খাবার খেয়েছি। এতদিন তো, প্রতিদিন ই খুব সাধারণ খাবার খেয়েছি। কিন্তু গতকাল, নামাজ শেষ করার আগেই খাবারের সুঘ্রাণ আমার নাকে আসে, তখনি বুঝতে পারি আমার খাবার এসে গেছে। ছেলের মুখ থেকে এই কথা শুনে মা সাথে সাথে শুকরিয়ার নামাজে দাড়িয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন।আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল বান্দাদেরকে ই ভালবাসেন।শুধু আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে যে কোন কাজ ই সফল হওয়া যায়। প্রয়োজনে একটু ধৈর্য আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। হে আল্লাহ আমাদের কে আপনি সেই তৌফিক দান করুন. আমরা যেন । আপনার উপরে বিশ্বাস রাখেতে পারি ।এবং ধৈর্য ধারণ করতে পারি আমিন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শিক্ষনিয় গল্প
→ শিক্ষনিয় গল্প
→ শিক্ষনিয় গল্প
→ শিক্ষনিয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now