বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পিচ্চি বর ০৩ (শেষ)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X চোখ মুছিয়ে , সিমি আন্টি বলল আর দেরি করিসনা সোনা,তোরা যা,আমি শানকে সামলাচ্ছি। আমি সানকে বললাম, তিনদিন পর আসছিরে দুষ্টু,তোর জন্য অনেক চকলেট নিয়ে আসবো। এরপর আমি অয়নদের বাসায় চলে আসলাম।সারাদিন লোকজনের ভির আর ব্যাস্ততায় পিচ্চিটাকে খুব একটা মিস করছিলাম না। কিন্তু দিন ফুরিয়ে যখন রাত হলো।কেনো যানি পিচ্চিটার কথা খুব মনে পরচছিলো। বাসর ঘরে আমার মন খারাপ করে বসে থাকতে দেখে,অয়ন জিজ্ঞাসা করলেই আমি ওকে জরিয়ে ধিরে হু হু করে কেদে ফেললাম। বললাম,শানকে খুব মিস করতেছি,আমি ওকে দেখবো। অয়ন বললো-এখন না সোনা,শান হয়তো ঘুমাচ্ছে,কাল সকালে ভিডিও কলে কথা বলে নিও। আমি সারা রাত অয়নের বুকে মাথা রেখে কান্না করছিলাম শানের জন্য।ওর মুখটা ভেসে ঊঠছিলো চোখের সামনে,আর ওর কথা গুলো, -যাস না মিষ্টি বউ,তুই চলে গেলে আমি মরেই যাবো পরদিন দুপুর বেলা আম্মুর ফোন পেলাম। আম্মু-মিষ্টি তুই অয়নকে নিয়ে তারাতারি হসপিটালে চলে আয়। আমি বললাম, কেনো কি হয়েছে, আমার মুখ থেকেইই বেরিয়ে গেলো,শান ঠিক আছেতো?? আম্মু কেদে ফেললো। আমি অয়নকে না বলেই, যে অবস্থায় ছিলাম সেই অবস্থায় ছুটে হসপিটালে গেলাম।আমায় এভাবে ছুটতে দেখে অয়নের বাড়ির লোক গুলোও আমার পিছনে এলো। আমি হসপিটালে ঢুকে দেখলাম,সবাই থমথম মুখ নিয়ে দাড়িয়ে আছে। সিমি আন্টি অজ্ঞান,রোহান আংকেল কাঁদছেন। আম্মু আমায় দেখে বলতে শুরু করলো, সারারাত শান কান্না করছে।তোর সাথে কথা বলতে চেয়েছে।কিন্তু তোর একটা বিশেষ রাত কান্নাকাটি করে নষ্ট হবে ভেবে সিমি ফোন দেয়নি। কাল থেকে কিচ্ছু খাচ্ছিলোনা,তোর দেয়া চকলেট এর পেপার দেখে কান্না করছিলো আর বলছিলো আমার মিষ্টি বউয়ের কাছে যাবো। হঠাত করে বাহিরে দৌরে চলে এলো। মিষ্টি বউয়ের কাছে যাবো যাবো বলে, আমরা বের হওয়ার আগেই একটা মাইক্রো এর সাথে ধাক্কা খেয়ে শান ছিটকে পরে যায়। সাথে সাথে হসপিটালে এডমিড করা হয়েছে কিন্তু......... এটুকু বলেই মা আরো জোরে কাদতে শুরু করলো আমি শানের কেবিনে ঢুকলাম। দেখলাম সাদা কাফনের কাপরে মুখ টা ঢাকা।আমি ধিরে ধিরে কাপর টা সরালাম।নিষ্পাপ মুখটাতে একটু কষ্টের ছাপ দেখলাম। কিন্তু এখন আর তা মনে হচ্ছেনা।মনে হচ্ছে শান আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে আর বলছে "দেখেছিস মিস্টি বউ,আমি বলেছিলাম না?তোকে ছাড়া বাঁচবোনা।আমি আমার কথা রেখেছি ওর নিষ্পাপ মুখের ভাষা আমার আর পোড়ে উঠা হয়নি।তার আগেই জ্ঞান হাড়িয়ে ফেললাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now