বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিশপ্ত পাথর প্রথম পর্ব

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রূপকথার রাজকন্যা (০ পয়েন্ট)

X বুড়ো মাঝি বলল, বাবু বেড়াতে এসেছেন, বেড়িয়ে ফিরে যান। ঐ দ্বীপে যাবেন না, ওখানে দোষ লেগেছে। আমরা একটু অবাক হলাম। দোষ লেগেছে মানে কি? দ্বীপের আবার দোষ লাগে কি করে? বিমান বলল, বুড়ো কর্তা, তুমি যা টাকা চেয়েছো, তাই দিতে আমরা রাজি হয়েছি। তবু তুমি আমাদের নিয়ে যাচ্ছো না কেন. ঐ দ্বীপে কি আছে? বুড়ো মাঝি তার সাদা দাড়ি চুলকাতে চুলকাতে বললো, কিছুই নেই, সেই কথাই তো বলছি। শুধুশুধু ওখানে গিয়ে কি করবেন? বুড়ো মাঝি হাক ধরেছে, আর দাঁড় টানছে তার নাতি। এই নাতির বয়স চোদ্দ বছর হবে। ওর নাম সুলতান, সে কেমন যেন ভয়ে ভয়ে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। বুড়ো মাঝি যতইই না বলছে ততই আমাদের জেদ চেপে যাচ্ছে। একটা সাধারণ দ্বীপ, সেখানে কি এমন ভয়ের ব্যাপার থাকতে পারে? কত জাহাজ যাচ্ছে এখান দিয়ে, সে রকম কিছু থাকলে তো সবাই জানতে পারতো। হলদিয়াতে বিমানের দাদা চাকরি করে। আমি আর বিমান কয়েক দিনের জন্যে এসেছি এখানে বেড়াতে। হলদিয়া জায়গাটা বেশ সুন্দর। নতুন বন্দর, নতুন শহর গড়ে উঠেছে। চারদিকে সবই নতুন নতুন বাড়ি আর অনেক ফাঁকা জায়গা। শহরটার একদিকে গঙ্গা আর অন্য দিকে হলদি নদী। সকাল বেলা নদীর ধারে ছেলেরা মাছ বিক্রি করতে আসে। আমরা সেই মাছ কিনতে গিয়েছিলুম। ঘাটে অনেক গুলা নৌকা বাঁধা। নৌকা দেখেই আমাদের মনে হলো, একটা নৌকা ভাড়া করে নদীতে বেড়িয়ে এলে কেমন হয়। একজন মাঝি কে জিজ্ঞেস করতেই রাজি হয়ে গেল। তিরিশ টাকা দিলে সে যতক্ষণ ইচ্ছা ঘুরিয়ে আনবে। আমি আর বিমান দু-জনেই সাঁতার জানি, সুতরাং আমাদের জলের ভয় নেই। বিমান তো সুইমিং কম্পিটিশনে অনেক বার প্রাইজ পেয়েছে। আমি আগেই শুনেছিলাম যে হলদিয়ার কাছে একটা দ্বীপ আছে, তার নাম আগুনমারির চর। আগে সেই চরটা মাঝে মাঝে ডুবে যেত আবার মাঝে মাঝে জেগে উঠতো। এখন আর ডোবে না। এখন সেখানে গাছ জন্মে গেছে। কোনো মানুষজন এখনো অবশ্য থাকে না সেখানে। নৌকা দেখেই আমার ঐ দ্বীপের কথা মনে এসছিল। নতুন দ্বীপ মানেই তো নতুন দেশ। ওখান থেকে ঘুরে এলেই নতুন দেশ দেখা হয়ে যাবে। অনেক দিন বাদে, যখন ঐ দ্বীপেও অনেক ঘর-বাড়ি হয়ে যাবে, কলকারখানা বসবে, তখন আমরা বলল, জানো আমরা আগুনমারিতে গিয়েছিলুম, তখন এসব কিছু ছিল না, শুধু গাছপালা আর..... গাছপালা ছাড়া আর কি আছে ঐ দ্বীপে? বুড়ো মাঝি ভয় পাচ্ছে কেনো? নৌকায় চরবার সময় মাঝিদের কক্ষনো চটাতে নেই। সেই জন্যে আমি অনুনয় করে বললুম, ও বুড়ো কর্তা, বল না সেখানে কি আছে? কেন আমাদের যেতে বারণ করছো? বুড়ো মাঝি বলল, কিছু নেই বলছি গো বাবু। শুধু কয়েকটা গাছ আর বালি, আর ঐ শামুক ভাঙা। বিমান বলল, তাহলে আমাদের সেখানে নিয়ে যেতে চায়ছো না কেন? সেখানে কি ভয়ের কিছু আছে? বুড়ো মাঝি বলল, আকাশে মেঘ দেখো না বাবু! এখন আর অতদূরে যাওয়া ঠিক নয়। এই কিনারায় কিনারায় থাকা ভাল। বিমান বলল.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now