বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকাল..বিকাল..সন্ধ্যা..রাত..দিনের এক একটা অংশ নিমেষেই শেষ হয়ে যায়..।সময় থেমে থাকে না কারো জন্য।টুকরো টুকরো স্মৃতি রয়ে যায় অগোচোরে সবসময়।সময় এসে ফিরে যায়।সময়ের বহমানতার মধ্য সবকিছুই বদলে যায়।মানুষ তো আরও তাড়াতাড়ি।কিন্তু সব কিছুই বদলে গেলে থাকবে কি!!প্রতিটি দিন তাই বন্ধুদের কাছে নতুনত্বের হাতছানি।
সূর্য যখন কিরণ ছড়িয়ে দেয় চারপাশে তখন থেকেই জাগে প্রাণের স্পন্দন চারিদিকে।সকাল সকাল বিছানার অলসতা কাটিয়ে ছুটতে হয় স্কুল..প্রাইভেট..সব দিকে..!!!
স্কুলে ক্লাস...হোক আর না হোক..একটা জিনিস কমন..আর তা প্রতিদিনই হবে..সেটা না হলে স্কুলে যাওয়া আর না যাওয়া সমান।আর স্কুলের ক্লাসে মন বসানোর সেই মেডিসিনটা হলো বন্ধুদের চূড়ান্ত পর্যায়ের ফাজলামো।মুড অফ থাকুক বা অন থাকুক বান্দরগুলার বাদরামো সব ঠিক করে দেয়..!!এর জন্য পানিশমেন্টেরও অভাব থাকে না!!সেই রসোগোল্লার মতো মধুর পানিশমেন্ট খেয়েও পেট ভরেনা।বাদরামি তাই কখনওই থামে না!!!তানভীর..আরব..জিহান..পিণাক..জুনায়েদ...ছাদিক..
সীমান্ত...রুবেল...আরও অনেকে হলো এরকমই বন্ধুর দল।স্কুলে ক্লাস হিসেবে সবার সিনিয়র ক্লাশে পড়লেও শিশুসুলভ মানসিকতা.. ...শয়তানি বুদ্ধি....সব কিছুতেই ফার্স্ট..!!
ফেন্ডসদের মাঝে ঝগড়া হয় দারুণ।বাট সেটা টিকিয়ে রাখার ক্ষমতা কারও নাই।আজ এখুনি মারামারি..কাটাকাটি হইলো...!!একটু পরেই বলবে..."***দোস্ত ভালো আছিস***!!!!আর সবচেয়ে বেশি যখন আলতাফ চটে যায় তখন...ওকে দমানোর কৌশল তো আরও সহজ...।।সবাই মিলে এক সুরে...***কিরে আলতা মিয়া...আজ কার সাথে ঘুরতে গেছিলি দুলিয়াপাড়ায়..যাই আন্টিকে খবরটা দিয়ে আসি..*"""***।।সাথে সাথেই আগুন হয়ে যায় পানি।।
ফেন্ডসদের জন্য সব সম্ভব।ওদের বাঁচানো আর ফাসানো দুইটাই মহৎ কাজ..!!!ক্লাসে সবথেকে রাগী স্যার আসলে((আমাদের গণিত স্যার))পিণাককে স্যারের চোখ রাঙানি খাওয়ানো মধুর মতো মিষ্টি..পরে ওর শক্ত হাতের কিল ঘুষি....তো পরবেই আমাদের পিঠে।।জিনাদ আর জিহান দুজনকেই খুব চটিয়ে দেওয়া যায়....!!!
স্কুল ছুটির একটু আগে জিদান আর পিণাকের ব্যাগ একসাথে বেধে দিয়া না আসলে কি জমে..!!তোরা থাক এখন বসে...!!!
স্কুল থেকে কোনো অনুষ্ঠানে বাইরে গেলে রাস্তায় হাঁটার সময় ক্বীন ব্রিজে এসে কোনো আন্টির স্যান্ডেল ভুলবশত পায়ে লাগিয়ে ছিড়ে ফেলে ভালো মানুষের মতো হেটে এসে ফেছনের বান্দরগুলাকে ওই আন্টিগুলার ঝাড়ি খাওয়াইতে মজাই লাগে।।শয়তানরা যখন ঝাড়ি আর হজম করতে পারবে না মনে হয় তখন ওদেরকে ওখান থেকে বের করে নিয়ে এসে ওদের আদর খাইতে ভালোই লাগে।।।
ক্লাস এ সিটে বসার আগে নিজের টা বাদে আর সবার সিটে চক দিয়ে নকশা করে আসা দারুণ।বসার পর বাছাধনেরা টের পায়...হাহাহা..!!চুইংগাম চিবিয়ে সেটা আরেকজনকে না লগিয়ে ভালো থাকা যায়..!!!
প্রাইভেট পরার সময় নিজে সারাক্ষণ পক পক করে পাশের দোস্তদেরকে ঝারি খাওয়ানোর মজাটাই আলাদা।পরীক্ষার সময় এলে আমাদের চির শত্রুরা এসে কি সুন্দর ভাবে বন্ধু হতে চায়..!!তখন মনে হয় দেই দুই গালে দুইটা...ঠাস ঠাস করে..!!পরীক্ষার হলে স্যার রা কড়া ডিউটি দেন..!!তার মাঝেও আলতাফ মিয়া আমারে ..আমার পিছনের জনরে জ্বালাইয়া মারে..!!একবার রসায়ন পরীক্ষায় তো পেপারটাই নেয় এমন অবস্থা..!!আমাদের আর একটা বান্দর ফ্রেন্ড রিশি...ওইডা যদি মেয়ে হইতো..ওরে প্রোপোজ করা যাইতো..!!ফাটাফাটি...!!
ফ্রেন্ডশীপ ডে তে সবাইকে উইস করে বাশ খাওয়ানোর মাঝে অনেককককক. মজা।।।
আমাদের সবার একটা না..না..দুইটা পছন্দের বিষয় আছে...বলিউডের নায়িকা...আর ক্রিকেট.......আমরা এক কথায় ক্রেজি এই দুইটা ব্যাপারে.....কিন্তু খারাপ ভাবে কেনো কিছুই নেই না...নিতে দেয়ও না..
ঘরে ফিরে আমার সবথেকে ভালো বন্ধু আম্মু....,.,
জীবনের অর্ধেকটা জুড়ে শুধুই বন্ধুদের রাজত্ব....কখনওই হারাতে চাই না...এই বান্দর গুলাকে.,.আমাদের মধ্য এক লজ্জাবান লতিকাও আছেন....জিনাদ...সবাই প্রে করবেন যেন ফ্রেন্ডশীপ অমর হয়.....
(((বাস্তব গল্প...))))
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now