বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রাজিবের সোনার ডিম পাড়ার হাঁস

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X রাজিব ও সজিব দুই বন্ধু। একই ঘরে দুজনের বাস। রাজিব সবসময় এক একটা ইচ্ছা পোষণ করে তা আমরা জানি।তো দুজন একসাথে করিমুল্লাহ হোটেলে যাচ্ছে। রাজিব তখন তার ফোন বাড়ী ফেলে আসে রাজিব চা খেয়ে সজিবকে বলে:-আ!! আমি ফোন ভুলে বাড়ী রেখে এসেছি। তুমি বসো আমি ফোন নিয়ে আসছি। সজিব:-যাও তাড়াতাড়ি এসো। তখন রাজিব বাড়ীর দিকে রওনা হলো।পথেরমধ্য সে এল লোক কে দেখতে পেলো। লোকটির হাতে ছিল একটি সোনালি রংয়ের হাসঁ। লোকটি বলছিল যে লোক:-আরে এই হাসঁ তুই এত সোনার ডিম পারস যে আমি রাখার জায়গা পাচ্ছি না তুকে আমি বনে ফেলে আসবো। হাস:-কুয়েক কুয়েক রাজিব গাছের আড়ালে সব শুনছিল।রাজিব লোকটির কাছে গেল আর বললো,,,, রাজিব:-এই হাসঁ আমাকে দিয়ে দাও? লোক:-এটাতো সোনার ডিম পাড়ে!!আমি সোনার ডিম রাখার জায়গা পাচ্ছি না তাই বেচতে চাই।দেখবে তুমিওও বিরক্ত হয়ে হাসঁটিকে বেচে দেবে রাজিব:-তাও হতে পারে।আমার বন্দুরা এই সোনার ডিম পাড়া হাসঁ দেখলে আমাকে খুব সাবাস দিবে gj লোক :-এটা দাম পাচঁহাজার টাকা দিতে পারবে?? রাজিব:-হ্যা পারবো। এই নাওও লোক:-তাহলে আমি যাই।। রাজিব খুশি হয়ে হাঁসটি নিয়ে হোটেলে যায় তার বন্ধুদের দেখাতে আর বলে রাজিব:-আরে তুমরা দেখো আমি কি এনেছি?? শাকিম:-কি এনেছো আমার বন্ধু?? রাজিব:-টান টানা!! এই টা সোনার ডিম পাড়ার হাঁস। শাকিব:-কত টাকা দাম?? রাজিব:- এই হাসটির তুলনায় একেবারে কম। সজিব:-কত টাকা? আর সোনার ডিম পাড়ে এমন হাসঁ পৃথিবীতে আছে বলে তো জানতাম না। এটা একটি ফালতু হাস কোনো সোনার ডিম পাড়ে না রাজিব:-দাম মাএ পাচহাজার টাকা gj আর সজিব যা জানো না তা জানার চেষ্টা করো!!! ওকে শামিম:-চলো আমরা ও কে খাওয়াই তাহলে হাঁসটি সোনার ডিম পাড়বে। তারা সবাই হাঁসটিকে খাওয়াতে ব্যাস্ত। কিন্তু সজিব তা মানেই না। তারা পাচদিন ধরে এত খাওয়াচ্ছে কিন্তু ডিম পাড়ে না হাসঁটি।সজিব বললো :-আমি ওর পরীক্ষা করতে চাই?? রাজিব:-তুমার পরীক্ষা করা লাগবে না।তুমি যদি এত পরীক্ষক হও তাহলে আমার বাড়ী থেকে বেড়িয়ে যাও।। সজিব:-এটাতে আমারও জায়গা আছে।আর হ্যা জায়গাটা তুমাকে দিয়ে যাচ্ছি। এবং আবারো বলে যাচ্ছি এই হাসটি সোনার ডিম পাড়ে না। সজিব চলে গেল বাড়ী ছেড়ে।এত খাওয়ানোর পরও হাঁসটি ডিম পাড়তো না।একদিন হাসটি পানিতে নামে আর সত্যি টা প্রকাশ পায়।রাজিব নিজের ভুল বুঝতে পারে আর সজিবকে বাড়ী নিয়ে আসে।এখন রাজিব আর সজিব সেই হাসঁটি এমনি শখ করে লালনপালন করে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now