বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সজিব ও রাজিব দুই বন্ধু। একই ঘরে দুজন বাস করেন।তারা একে অপরকে ছাড়া চলতেই পারতো না। একবার সজিব ও রাজিবের শহরে এক বিজ্ঞানি এলেন একটি সংবাদ নিয়ে যে,
"""" বন্ধুরা আমি নিয়ে এসেছি এমন এক গ্যাজেট যা দিয়ে আপনি পাহাড় এর মতো লম্বা হতে পারবেন। এই গ্যাজেট এর দাম মাএ এক লাখ টাকা। """"
সজিব ও রাজিব হোটেলে গেল পোলাও খেতে।রাজিব কোনো মতে এই গ্যাজেট এর কথা ভুলতে পারে না। সে সজিবকে বলে এ গ্যাজেট সে কিনবে।
রাজিব:-আমি এই গ্যাজেট কিনবোই কিনবো।
সজিব:-কি বলছো এতে তো অনেক টাকা লাগবে!! তুমি পারবে এতো টাকা দিতে???
রাজিব :-কি বলছো?জানো না ""চেষ্টা সাফল্যের মুল""।আমিও চেষ্টা করলে টাকা জোগাড় করতে পারবো।।।
সজিব:- তাহলে চলো আর দেরি কেন?
তখন সজিব আর রাজিব হেটে তাদের বন্ধু শাকিম,শাকিব ও শামিম এর বাড়ী যায়। সজিব তার বন্ধু রাজিব এর সব কথা খুলে বলে।তখন,,
শাকিম:-ও আমার বন্ধু তুমি এ কি বায়না ধরলে?আমার কিছু মাথায় আসছে না।।।
শাকিব:-প্রতিবার একটা না একটা বায়না ধরতো তা আমরা মানতাম এটা তো বহু টাকার কথা এটা মানবো না!!! "হুমম"
শামিম:-তুমরা এ কি বলছো?নিজের বন্ধু একটা ইচ্ছা পোষণ করছে আর আমরা তা পুরণ করবো না তা কি হয়?আমি তুকে একলাখ টাকা দিব রাজিব তুই সেই গ্যাজেট কিনে আন তুর আশা পুরণ কর!!
রাজিব:- Thanks, তুই আমার জন্য এত কিছু করছিস।
সজিব :-তাহলে আমি আর রাজিব গিয়ে গ্যাজেট টা কিনে আনি। একা রাজিব গেলে না জানি আর কি করবে?
সজিব ও রাজিব সেই বিজ্ঞানির কাছে গেল।তারা গ্যাজেট টা একলাখ টাকা দিয়ে কিনে আনলো।রাজিব খুব খুশি হয়ে গেল।তারা গ্যাজেট নিয়ে চলে গেল তার বন্ধুদের বাড়ী গিয়ে তাদের গ্যাজেটটি দেখালো তারা বললো:-তুর খুশিতে আমাদের খুশি আমার বন্ধু।সজিব:-তুই তো এখন পাহাড়ের সমান হবে তাই না??
রাজিব:-হ্যাঁ হবো!! তো তুর কি হয়েছে??
সজিব:-আমার মাথা হয়েছে। তুই পাহাড়ের সমান হবি আর তুর কাপড় লাগবে না?? কিরে বল?
রাজিব:-ও তাইতো আমি খুশি তে ভুলেই গেছিলাম!!আচ্ছা দেশের সবচেয়ে ভালো বিশ দর্জিকে এনে আমার কাপড় তৈরী করাও আমি এবার বড় হবো হিহাহহা!"
সজিব :-জ্বী আচ্ছা আমার জাঁহাপনা বন্ধু।
সজিব সেরা বিশ দর্জি এনে বড় এক মাঠে কাপড় তৈরীর ব্যবস্থা করেন।নানান কাপড় দিয়ে তার পোশাক তৈরী করা হচ্ছে।জামাল হলো রাজিব ও সজিবের প্রধান শত্রু। তো জামাল এসব শুনে তো হিংসায় ভেঙ্গে পড়ে সে লাভাকে বলে :-এই বসে বসে কি করছিস?? যা রাজিবের এ গ্যাজেট নিয়ে আয়।।
লাভা তার বসের কথা শুনার জন্য দৌড়ে গেল রাজিবের বাড়ী গিয়ে রুমের সব জিনিস বের করে অবশেষে আলমারিতে পায়। তা নিয়ে তার বস জামালের কাছে যায়। জামাল সুযোগ বুঝে গ্যাজেট চালালো আর সঙ্গে সঙ্গে পাহাড় এর সমান হয়ে গেল।এদিকে রাজিব তার গ্যাজেট না পেয়ে পাগলের মতো ছুটাছুটি করছে আর এসময় জামাল আসে সবাই বুঝে গেল জামালই রাজিব এর গ্যাজেট চুরি করেছে।জামাল তার ইচ্ছা মতো অনেক বাড়ী পা দিয়ে চাপা মারলল।আর হঠাৎ সূযের আলো তার চোখে পড়লে জামাল দৌড়ে ছায়ায় গেল।রাজিব তো শিশুদের মতো কান্না করছে।সজিব বুঝে গেল কি করে সেই গ্যাজেট আনা যায়।
সজিব বললো:-আরে রাজিব চিন্তা করো না। আমি তো আছি
রাজিব:-ওহুহু তুমি থাকলে আমার কি হবে?? আমার গ্যাজেট তো চলে গেছে।
সজিব:-আরে তুমি দেখো নি? জামাল সূযের আলো সহ্য করতে পারে না তাই জামাল ছায়ায় গেল।
রাজিব:-তাতে আমার কি??
সজিব:-ওরে গাদা,, আমরা কয়েকটা আয়না হাতে রাখব সে যখন কাল আবার আসবে তখন আয়নাটি সূযের দিকে করে রাখব তাতে সূযের তাপ ওর শরীরে লাগবে আর জামাল তা সহ্য করতে পারবে না। আর ও যখন দৌড় দিবে ছায়া পাওয়ার জন্য তখন আমরা নিচে রশি বেধে রাখব তাতে সে ধপাস দিয়ে পড়ে যাবে আর আমরা আমাদের গ্যাজেট আনবো।
রাজিব:-খুব ভালো আইডিয়া আমি শহরে সবকে বলে দিচ্ছি সবাই হাতে আয়না নিয়ে আসতে।
তারপর পরের দিন জামাল আসলে তার প্লান মতো কাজ করে। জামাল ছায়া পাওয়ার জন্য দৌর দিলে তারা রশি ধরে আর সে পড়ে যায়। আর রাজিব তার গ্যাজেট এনে নদীতে ফেলে দেয় আর বলে:-এই বিপদ আমি চাই না আমি যেরকম আছি সেরকম থাকতে চাই।
তখন জামালকে পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়। আর সবাই আবারো মুক্তি পায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now