বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিজ্ঞানময় কোরআন

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সালমান ফারসী (০ পয়েন্ট)

X গল্পটি লিখুন আমার পোস্টটি কোন বিতর্কের জন্য নহে। শুধু মাত্র যারা আইস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব বুঝেন, তাদের জন্য। . রাসূল (সঃ) নূরের তৈরী নাকি মাটির তৈরী এই বিতর্ক আমাদের সারাজীবনের। আমি এই জিনিসটাকে থিওরি অব রিলেটিভিটির আলোক সামান্য বিশ্লেষণ করার চেষ্ঠা করছি। যদিও আমিও কোন বিজ্ঞ আলেম কিংবা মুফতি নয়। . যদি রাসূল(সঃ) নূর কিংবা আলোর তৈরী হয়(যদিও কারো মতে বিশেষ নূর। অথচ বিশেষ নূর বলে কিছু আছে কিনা সেটা আমার জানা নেই), তাহলে থিওরি অফ রিলেটিভিটি কি বলে?. . আমরা বিশেষ থিওরি অফ রিলেটিভিটি হতে জানি যে কোন ব্যাক্তি বা বস্তু আলোর সমান কিংবা তার চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারে না। যদি চলতে চায়, তাহলে তার ভর অসীম হয়ে যাবে। যার ফলে তার অস্তিত্ব থাকবে না, আর চলা তো সম্ভবই না। যদি রাসূল(সঃ) নূরের তৈরী হন- তিনি তো মেরাজে গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ২৭ বছর ছিলেন। এই ঘটনাটা ব্যাখা দেওয়া সম্ভব নয়।, কারন তিনি যদি নিজেই বিশেষ আলো হন, তাহলে তাকে আলোর বেগেই ছুটতে হয়েছিল। আর যদি তিনি আলোর বেগে ছুটেন, তাহলে তার আর অস্তিত্ব থাকার কথা নয়। কিন্তু আমরা জানি তিনি সশরীরে আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। তাহলে তিনি নূরের তৈরী নয়। কারন নূরের তৈরী হলে তার আর পৃথিবীতে ফিরে আসা সম্ভব নয়। . আর যদি তিনি মাটির তৈরী হয় তাহলে তার ক্ষেত্রে পৃথিবীতে ফিরে আসা সম্ভব এবং মাত্র ৮ ঘন্টায় ২৭ বছর কাটিয়ে আসা সম্ভব। আর মাটির তৈরী হলেই তিনি মাত্র ৮ঘন্টায় ২৭ বছর পরিভ্রমণ করতে পারবেন, কিন্তু নূরের তৈরী হলে যা সম্ভব নয়। . এখন আপনিই বলুন, তিনি কিসের তৈরী? . (যদিও বিষয়টা কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস) কোন পর্যায়ই পড়ে না, এমন না যে মাটির তৈরী হলে সওয়াব বেশি আর নূরের হলে কম, তার পরেও পোস্টটি করেছি কারন কিছু লোক অযথা জিনিসটাকে বিতর্কিত করছে আর আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বরং এই বিষয়ে এড়িয়ে চলাই বেটার। কারন আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সূরা হুজরাতের ৪৯:২ নং আয়াতে বলেছেন," হে মু'মিনগণ! তোমরা রাসূলের কণ্ঠস্বরের উপরে নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না এবং নিজেদের মধ্যে যে কণ্ঠস্বরে কথা বলো তার সাথে সেইরূপে উঁচু কণ্ঠস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নষ্ট হয়ে যাবে তোমাদেরই অজান্তে।" . আর রাসূল(সঃ) এই ব্যাপারে কোন হাদীস পেশ করেননি আর সাহাবীরাও এ ব্যাপারে তাকে কোন প্রশ্ন করেনি, তাই আমাদের উচিত এই ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করা। কারন আমাদের সারাজীবনের ইমান আমল সাহাবীদের একমিনিটের আমলের সমান হবে কিনা সন্দেহ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now