বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিমানী ভালোবাসা

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান RJ Raj (০ পয়েন্ট)

X ছেলে: Hello! মেয়ে: কেমন আছেন? ছেলে: ভালো।আপনি? মেয়ে: হুম! ভালো। . এভাবেই প্রতিদিন ফেসবুকে একটু-আধটু চ্যাট হয় আবির ও নিলীমার। . আবির একদম শান্ত-শিষ্ট স্বভাবের ছেলে।সে প্রয়োজনেরর বাহিরে কোনো কথাই বলেনা। সে অকারনে কাউকে মেসেজ ও দেয়না! নিলীমাই নিজে থেকে তাকে মেসেজ দেয়। . আজ আবার নিলীমার মেসেজ........ . -হায়। (নিলীমা) -হ্যালো। (আবির) -কী করছো? -কিছুনা। -আপনি এমন কেনো? -কেমন? -আচ্ছা আপনি কি কাউকে পছন্দ করেন? -হ্যা! - তাই,কাকে? -সবাইকে! -সবাইকে মানে? -আমি সবাইকে পছন্দ করি। -উফ! (বিরক্তিকর ভাবে!) . এভাবেই একটু আধটু করে নিলীমা ভালোবেসে ফেলে আবিরকে। . কিন্তু,আবিরকে সেটা বলার মতো সাহস এবং পরিস্থিতি খুজে পাচ্ছেনা নিলীমা। তারপর,থেকে নিলীমা আবিরের ডিটেইল্স বের করে ফেসবুক থেকে এবং আবিরের অজান্তেই সে আবিরকে ফলো করে কয়েক দিন! . সে প্রতিদিনই দূর থেকে আবিরকে দেখতো। আবিরের চাল-চলন,কথা বার্তা দেখে নিলীমা মুগ্ধ হয়ে যায় এবং আরো বেশী ভালোবেসে ফেলে আবিরকে। . যেই ভালোবাসা দিয়ে নিলীমা একটু আধটু করে আশার জাল বুনতে থাকে আবিরকে নিয়ে। তারপর হঠাৎ একদিন নিলীমা সিদ্বান্ত নেয় সে আবিরকে তার ভালোবাসার কথা বলেই ফেলবে। তাই সে আবিরের ফোন নাম্বার জোগাড় করে আবিরকে ফোন করে বলে বিকেল চারটায় একটি রেষ্টুরেন্টে আসতে! আবিরও তেমন আপত্তি করেনি। . বিকেল চারটে নিলীমা রেষ্টুরেন্টের বাহিরে দাড়িয়ে আছে রাস্তার দিকে চেয়ে। পরনে কালো শাড়ি,ঠোটে গোলাপী রঙের লিপস্টিক ও চোখ ভরতি কাজলে সত্যিই দারুণ লাগছে মেয়েটাকে। তার ভিতর ভয়ও কাজ করছে খুব। যদি আবির ওকে ভালো না বাসে। ভয়ে ও টেনশনে তার পুরো মুখ লাল হয়ে যাচ্ছে। দশ মিনিট হয়ে গেলো এখনও আবির আসছেনা। . তাহলে,কি আবির আসবেনা? . প্রায় ২০ মিনিট পর রাস্তার ঐ পাশে দেখা যাচ্ছে আবিরকে। আবিরকে দেখে নিলীমা খুশিতে আত্তহারা। আবির রাস্তা পার হচ্ছে এমন সময় আবিরের হাতে থেকে কি যে রাস্তায় পরে যায়।আবির তখন রাস্তার ঠিক মাঝখানে। আবির তার হাতে থেকে পরে যাওয়া জিনিসটা উঠাচ্ছে। এমন সময় একটা ট্রাক এসে আবিরকে ছিটকে ফেলে দেয় প্রায় ৫-৬ হাত দূরে! আবিরের রক্তমাখা দেহটা পরে আছে নিলীমার সামনে। আবিরকে চেনা যাচ্ছেনা। আবিরের হাতে একটি লাল গোলাপ ছিলো। হয়তো আবিরও ভালোবাসতো নিলীমাকে। কিন্তু,বলা হলোনা সেই ভালোবাসার কথা। নিলীমা ঐই দিনের পর থেকে যে আর বাড়ি ফেরেনি। মরণের পর যদি বলতে পারে তাদের না বলা কথা। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা
→ অভিমানী ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now