বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোদ্দুর ভালোবাসা ৫

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Samim Hossain(সাইকো) (০ পয়েন্ট)

X মাঝে মাঝে তাকে ক্যাম্পাসে দেখি।দিন গুলো ভালই যাচ্ছিল।আমাকেও তার হাসি রোগে পায়।সারাদিনই কারণ ছাড়াই হেসে উঠি!কিন্তু একদিন ঝামেলা হয়ে গেল।আবির আর সাদেক বদৌলতে বন্ধুরা সবাই জানে আমার কাহিনী।সেদিন ওরা এটা নিয়েই ফাইজলামি করছিল!এক পর্যায়ে আমি আর থাকতে না পেরে আবিরের দিকে তেড়ে গেলাম! আবির আমার উদ্দেশ্য বুঝে দৌড় দিল।পিছনে আমিও!আর এমনই কপাল আমার!পড়বি তো পড় একেবারে অদৃতা উপর!আমার হাতে যে কফির মগ আছে-একথা মনেই ছিল না।ফলে পুরোটুকু কফি অদৃতার জামাতে! আমার দিকে একটা ক্রুর দৃষ্টি নিক্ষেপ করে চলে গেল আর আমি বিমূড়ের মত দাঁড়িয়ে রইলাম।একটা সরিও বলতে পারলাম না! সবচেয়ে দুঃখের সেদিন রাতে সে আমাকে এই কাহিনী বলে আমার মতামত চাইল।আমি বললাম, -ছেলেটা কি সুন্দর ছিল দেখতে? -কি জানি খেয়াল করিনি। কেন? -সুন্দর ছেলের সাথে ধাক্কা খেলে তো সাধারণত খুশি হওয়াটাই স্বাভাবিক! এই কথা শুনে সে হেসে ফেলল। তারপর বলল, -‘ যাই বল!এইসব বেয়াদপ আর বিচ্ছু ছেলেদের আমি একদম স্ট্যান্ড করতে পারি না!’ আমি দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলা ছাড়া কিছুই করার খুঁজে পেলাম না!যদি ও জানত যে আমিই সেই ছেলে তাহলে কি করতো! ভাবতে চাইলাম না! শেষ পর্যন্ত কাল রাতে ও আমাকে বলেছে দেখা করার কথা। আমি না করিনি। কতদিন আর এই লুকোচুরি!আজকে সব বলে দেব!যা হওয়ার হবে।কি এমনই আর করেছি! তাছাড়া প্রেম আর যুদ্ধে সব জায়েজ!একথা মনে হতেই হেসে ফেললাম। বিকাল চারটায় ক্যাম্পাসে গেলাম।যেখানে দাড়ানোর কথা দাড়ালাম।হাতে একগুচ্ছ লাল গোলাপ।ফুল ছাড়াও একটা বড় ইনভেলাপ আছে হাতে।ভেতরে আমার তোলা অদৃতার একটা ছবি!এটা দেখিয়ে ওকে চমকে দেব।অথচ ওর আসার নাম নেই। ফোন করে দেখি মোবাইল সুইচ অফ।দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাক্লাম।রাগে দুঃখে চোখে প্রায় পানি এসে গেল!ফুল আর ইনভেলাপটা ওখানেই ফেলে রেখে আমি চলে এলাম। ইউনিভার্সিটি গেটের বাইরে এসে দাড়াতেই দেখি অদৃতা!হাত ধরে প্রায় জোর করে টেনে নিয়ে যাচ্ছে একটি ছেলেকে!কিভাবে যে বাসায় এলাম তা আমিই জানি।চিন্তা ভাবনা করার বোধটুকুও কাজ করছে না।আবির ফোন করতেই আর পারলাম না।অনেক কষ্টে আটকে রাখা চোখের পানি বেড়িয়ে পড়ল। Next Part Coming Soon


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোদ্দুর ভালোবাসা (শেষ পর্ব)
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ৪
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ৩
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ২
→ রোদ্দুর ভালোবাসা ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now