বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ariyan khan (০ পয়েন্ট)

X তুমি কোথায়? -চলে যাচ্ছি। -মানে? -মানে তোমার বাড়ি চলে যাচ্ছি। -মানে কি এসবের? -আমি বাবা মায়ের কাছে চলে যাচ্ছি। -কেন? -এই বিষয় নিশ্চয় তোমার আজানা নেই। -প্লিজ যেও না তুমি, আমি সরি। -সরি বললেই কি সব ঠিক হয়ে যায়? -তাহলে কি বলবো? -বলার মত কোন সুযোগ তোমার নেই। -আমি যে কোন মুল্যে তোমাকে চাই। -আমাকে আর তোমার চাইতে হবে না। ফুলির কালকে থেকে রান্নাসহ কাজ করে দেবে। -সে তো করবে। কিন্তু আমার নিজস্ব কাজগুলো কে করে দেবে? -এত বড় ছেলে হয়েছ আর নিজের কাজ করতে জানো না? -তুমি তো জানোই আমার বাবা মা কেউ নেই। আর তোমাকে ছাড়া আমি নিঃসঙ্গ। -সেটা আগে মনে ছিল না? ফোন রাখো, গাড়ি চলে এসেছে। . ঠাস করে ইরা আবিরের ফোন কেটে দিল। আবির কিছু বলতে চাইলেও সুযোগ দিল না। আবির ফোনটা বিছানার উপরে ফেলে দিল। আর বিছানার উপরে শুয়ে পরলো। . বিছানায় শুয়ে আবির ইরার সাথে তার ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ভাবতে থাকলো। . বেশ কয়েকদিন ইরারা সাথে আবিরের সম্পর্কের টানাপোড়ন শুরু হয়েছে। কয়েকদিন সামান্য ব্যাপার নিয়েও ঝগড়া শুরু হচ্ছে। আবিরও মাঝেমাঝে রেগে যাচ্ছে। . আজ সকালে অফিসে যাওয়ার সময় ঝগড়ার এক পর্যায়ে আবির ইরাকে থাপ্পড় মারে। ইরা কিছু না বলে কাঁদতে থাকে। . ইরা খুব জেদি মেয়ে। কিন্তু ছন্নছাড়া আবিরকে ঠিক গুছিয়ে দেয়। আবিরকে নিয়ে ভালই থাকে। কিন্তু আজ কেমন যেন হয়ে গিয়েছিল। . সি এন জির এক পাশে আছে। পাশে দুইজন মেয়ে আছে। সি এন জি দ্রুত গতিতে ছুটে চলেছে। আর হালকা বাতাস এসে ইরার গায়ে লাগছে। . গাড়ি চলতে চলতে চলতে ব্রিজে উঠলো। ব্রিজে ভালই গাড়ি দেখা যাচ্ছে। আর সি এন জিও ছুটে চলছে। . ব্রিজের মাঝামাঝি আসাতেই হঠাৎ করে দ্রুত গতিতে একটা ট্রাক চলে আসলো। তাই দেখে সি এন জির ব্রেক কসলো। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেল। . ট্রাক এসে সি এন জিকে দুমরে মুচরে দিল। আর ভিতরে থাকা যাত্রিরা পিষে গেছে ততক্ষণে। . আবির ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠে পরলো। শরির ঘেমে পানি ঝরছে। তার মানে এতক্ষণ সপ্ন দেখছিল। আবির মোবাইল খুঁজতে থাকলো। . মোবাইল হাতে নিয়ে ইরার নাম্বারে কল দিতে থাকলো। কিন্তু ইরা ফোন ধরছে না। আবির আরো অস্থির হয়ে যেতে থাকলো। . কয়েকবার চেষ্টা করার পরে ইরা ফোন ধরলো। ইরা ফোন ধরতেই আবির বলল -তুমি ঠিক আছো তো? -হ্যা। সব ঠিকঠাকই আছে তো। -আমি তোমাকে নিয়ে একটা সপ্ন দেখেছি। -এইসময় ঘুমিয়েছিলে!! খেয়েছ তুমি? -নাহ। এখনও খাই নি। -তারাতারি খেয়ে নাও। -তুমি ফিরে আসো প্লিজ। -এখন আমাকে ছাড়া থাকতেই অভ্যাস করো। -আমি পারবো না। -চেষ্টা করো। আমি ফোন রাখছি। . আবারও আবিরের ফোন কেটে দিল। আবির ফোন রেখে খাবার টেবিলের দিকে যেতে থাকলো। ক্ষুধা লেগেছে, তাই খেতেই হবে। . আবির খাবার টেবিলে বসে ভাত খেতে পারছে না। কারন খাবার ঠান্ডা হয়ে আছে। আবির আবারও ফোন আনতে চলে গেল। . আবারও ইরাকে ফোন করলো। ইরা ফোন ধরে বলল -বার বার ফোন দিচ্ছ কেন? -খাবার মনেহয় ঠান্ডা হয়ে গেছে। তাই খেতে ইচ্ছা করছে না। -গরম করে খেয়ে নাও। -আমি পারবো না। তারচেয়ে হোটেলে গিয়ে খেয়ে আসি। -এই হোটেলে যাবে না। আমি তোমাকে খাবার গরম করা শিখিয়ে দিচ্ছি। -লাগবে না। -না লাগবে। এখনই খাবার গরম করবে। রান্না ঘরে গিয়ে আমাকে ফোন দাও। . আবির রান্না ঘরে ঢুকে আবার ইরাকে ফোন দিয়ে বলল -কি করবো? -শোনো। চুলা জালিয়ে খাবার চুলার উপরে রাখো। আর চামচ দিয়ে নাড়তে থাকো। -আচ্ছা। -আর এখন ফোন রাখো। খাবার খেয়ে গোসল করবে। . আবারও ইরা ফোন কেটে দিল। আবির চুলায় খাবার দিয়ে চামচ দিয়ে নাড়তে নাড়তে হাত গরম পাত্রে লেগে গেল। আর আবির হাত সরিয়ে রুমে দৌড় দিল। . রুমে গিয়ে দেখে আবিরের হাত পুরে গিয়েছে। তাই ক্লান্ত বিছানায় শুয়ে আবার ঘুম ঘুম ভাব আসতে থাকলো। . ঘুম থেকে জেগে দেখে ইরা আবিরের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ইরাকে দেখে আবির গায়ে চিমটি কাটতে থাকলো। কারন এটাও নতুন কোন সপ্ন হতে পারে। আবিরের চিমটি কাটা দেখে ইরা বলল -সপ্ন না সত্যি আমি। -তুমি!! ভিতরে এলে কিভাবে? -আমার কাছে চাবি ছিল। -তো আবার ফিরে এলে যে? -কেন তুমি খুশি হও নি? -খুশি হয়েছি। অনেক খুশি। কিন্তু কেন ফিরে এলে? -আমার একটা প্রয়োজনীয় জিনিস ফেলে গিয়েছি। তাই ফিরে এলাম। আগে বলো, খেয়েছ? -না। এটা তোমার না জানলেই চলবে। -রান্নাঘরে খাবার পোড়া গন্ধ পেলাম। -খাবার পুড়বার খবর পেলে, আর আমার হাত পুরে গিয়েছে। -কোন কাজই ঠিকমত পারো না। -যেটা পারতাম সেটাই তো হারিয়ে যাচ্ছে। -কি পারতে? -তোমাকে ভালবাসতে পারতাম। কিন্তু তুমই চলে যাচ্ছ। -তুমি জানতে চাইবে না কি প্রয়োজনীয় জিনিস? -কি? -তুমি। মানে? -আমাকে ছাড়া যেমন তোমার চলবে না। তোমাকে ছাড়াও আমার চলবে না। আমি পারলেও তুমি কোনভাবেই পারবে না। কারন তোমার জীবনকে আমিই গুছিয়ে নিতে পারি। তাই ফিরে এলাম। -এতই যদি বোঝ, তাহলে ছেড়ে যেতে চাও কেন? -তখন আমার খুব রাগ হয়েছিল। কিন্তু আমি আর তোমাকে ছেড়ে যেতে চাইবো না। কারন, আমরা দুজন দুজনার। একজন ছাড়া অন্যজনের চলে না। -আমিও তাই। এখন খেতে চলো। -চলো। আমারও খুব ক্ষুধা লেগেছে। -খাবার পরে তোমার প্রেমের ক্ষুধাও মিটাবো। যাতে আমাকে ছেড়ে যেতে না চাও। -এমনিই যাবো না। কারন আমরা দুজন দুজনার।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোমান্টিক গল্প
→ অসাধারণ একটি রোমান্টিক প্রমের গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ সচেতন মূলক রোমান্টিক গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ রোমান্টিক গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক গল্প
→ একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now